নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

‘ধর্মের মার-পেঁচে মানব ধ্বংসের রুপরেখা এবং অশান্তির অন্যতম বীজ বুনে রাখা হয়েছে,।


জীবন শুধু একটাই আর সুযোগ আসবেনা দ্বীতৃয় কোনো। এটা স্বাভাবিক, মানুষ পৃথিবীতে এইভাবে জীবন ধারন করে এসেছে।তাই জীবনকে এমন রং দিয়ে রাঙ্গাবে যেন কোনো অতৃপ্তি তোমার মনকে গ্রাস না করে।পৃথিবী খুবই সুন্দর, তার চেয়ে সুন্দর বেঁচে থাকার অপুরান চেষ্টা। মানুষ সাধ্যেকে ছাড়িয়ে জয় করতে চাই আসাধ্যকে, আর তাতে কোন অন্যায় নেই।কিন্তু বিপত্তি তখনিই যখন সে নিজেকে স্বাধীনভাবে মেলে ধরার পয়াস চলাই,তখন তাকে আষ্টেপৃষঠ বেঁধে ফলার এক অফার চেষ্টা করে ধর্মীয় হীন মন-মানুষিকতার লোকেরা।

তাকে বুঝাতে চাই এই পৃথিবী ক্ষণসহায়ী,এখানে উপভোগ করলে পরকালে অজাব-গযোব বড়ে। কিনতু তারা এতে কি ক্ষান্ত হয়? না তারা উদার চিন্তার মানুষগুলোকে ভূল প্রমানিত করা পর্যানত ছাড়বে না। কিন্তু তারাতো উদার চিন্তার মানুষের ভূল বাহির করতে উঠে পরে যখন ব্যর্থ হয় , কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে শুরু করে তাদের আসল বর্বর হিংস্র রুপ দেখাতে।ধর্মের ঝালে পেঁচাতে চাই মানবিক জীবনের প্রতিটা আবেগ-অনুভূতিকে যেটা নেহাত একটা ভন্ডামী, ভন্ডপীর, দরবেশ বাবারা ধর্মের পরাধীনতার শৃংঙ্খল পরাতে চাই সর্বজনীন মানব সমাজকে।

ধর্ম যখন ব্যর্থ হয়েছে আধুনিক মানব সমাজকে সুরক্ষা দিতে তখন ধর্মের তোষামদকারীরা তাদের ধর্ম ব্যবস্যাকে রক্ষা করতে উঠে পরে লেগেছে মুক্ত চিন্তার মানুষগুলোকে সমাজ এবং জাতিচু্ত্য করার মহাযজ্ঞে। কিনতু মুক্ত চিন্তার মানুষ গুলো কখনো থেমে থাকবে না তা হয়তো ঔ ধর্ম ব্যবসীদের বোধগম্য হচ্ছে না বা বুঝে ও মানতে পারছে না। বাংলাদেশের মুক্ত চিন্তার ভিন্ন মহা মনি-ঋষি যুগে যুগে এসেছে এবং আসছে ভবিষ্যতেও আসবে। কিন্তু দুখের বিষয় এতো দিন সেকুল্যারিজম তকমা লাগানো বাংলাদেশ যে উগ্রবাদী ধর্ম ব্যবসায়ীর আখড়ায় পরিনত হয়েছে, গত কয়েকটা বছর আমার বেশ কিছু সহকর্মী ও বন্ধুকে দিনের আলোয় নৃশংসভাবে কুঁপিয়ে ,গুলি করে হত্যা করেছে। অনেকে পালিয়ে আছে দেশ-বিদেশে।
অনেকে আছে নিরাপদ আশ্রয়ের খুঁজে।কিন্ত তাদের অপরাধ তারা প্রমাণহীন এবং মানব শান্তির সাংঘষিক মতবাদ বিরোধী এবং আজগোবি ধর্মীয় গল্প বিশ্বাস করে না।তারা উদার মানব নীতি ও মানবতাকে সমুন্নত রাখতে দিনের পর দিন নিজের কলমের কালিতে এবং আধুনিক সমাজের যোগাযোগ ব্যবস্থা সু-ব্যবহার করে মানব সমাজকে বিভাজন ও পারস্পরিক হিংসা- সংঘাত এবং হানাহানি থেকে পতিহত করতে চাই। তারা গাঁয়তে চাই মানবতার মুক্তির গান।

ধর্ম শুধু ভীত করে অসম্ভব প্রতিভার অধিকারী মানব সমাজকে ধর্মের ভয় দেখিয়ে।অথচ যটিকে নিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে তার প্রমান নেই আর যেসব গুলোতে প্রমান হিসাবে দেখানো হচ্ছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। বিজ্ঞান দিন দিন খুলে দিচ্ছে ধর্মীয় কুচক্রের জালকে।বিজ্ঞান হয়ে না উঠুক ধর্মীয় বিধাতা রুপি কাল্পনিক ঈশ্বর, বিজ্ঞান থাকুক বিজ্ঞানের মতো। তাহলে বিজ্ঞানীরা মতিভৃম হবে না।আমি নিজে একজন মানবতাবাদী কর্মী, তাই মানবতার সুনির্দিষ্ট ও সঠিক পথে থেকে মানব মুক্তি ও নিরাপত্তায় কাজ করতে চাই। আমার আল্লাহ,ভগবান,ঈশ্বর, খোদার সন্তুষ্টির দরকার নেই।ধর্মহীন মানব সমাজ শান্তির একমাএ পথ। ইতিহাস আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছে তাতে ধর্মের কুলষিত কৃত্তি ঘৃনাভরে লেখা আছে।আসুন আমরা নিজেদের বিবেক বুদ্ধি ব্যবহার করে ধর্মকে ভেবে দেখি। আমার মনে হয় ধর্ম একটা ব্যর্থ পুরাতন সমাজ নীতি যেটা এই আধুনিক সমাজে অসামজাস্যপূন। ধর্ম মানব সমাজের বিভাজনের এবং অনিরাপততার কারন। কোনো একক ধর্ম নয় সকল ধর্ম মানবতা বিরোধী।

আর কতো বিজ্ঞান সম্মত প্রমান এবং যুদ্ধবিগ্রহ দেখতে হবে ধর্মের ভন্ডামীর মুখোশ খুলে দিতে?

মানুষ কেনো বুঝে না? আর কতদিন লাগবে মানুষের বুঝতে? মানব জাতি আজ হিংস্র হয়ে উঠেছে শুধু বিকৃত ধর্মীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠা করার জন্য।ধর্মের দোহায় দিয়ে আর কত নিরাপদ জীবন ক্ষয়তে হবে।আমি খুব ব্যথিত মর্মাহত আজ সারা বিশ্ব সন্ত্রাস ধারা ভিত। ধর্মীয় সন্ত্রাস কোনো দিন বন্ধ হবে না যতক্ষন পর্যান্ত ধর্ম পৃথিবী থেকে মুছে দেওয়া হবে।আমি অবাক হয় যখন ধর্মীয় মোল্লা এবং ফাদার ও মণি-ঋষিগুলো ধর্মের নোংরামীতে সমাজকে কুলষিত করতে চাই এতকিছু তাদের চোখের সামনে সব সময় ঘটার পরও।আমি ধর্ম ত্যাগ করেছি অনেক বছর আগে মানবতাবাদে বিশ্বাসী হয়েছি ধর্ম ত্যাগের পর থেকে।

যখন দেখি ধর্মের নামে এইভাবে নিরহ মানুষ মরতেছে প্রতি দিন পৃথিবীর চার দিকে, তখন মনে হয় এই ধর্ম গুলো যদি একটা দিনের জন্য সমগ্র পৃথিবী থেকে বাজেয়াপ্ত করে দেখা যেত পৃথিবী কেমন চলে?আমার বিশ্বাস অন্ততপক্ষে ধর্মের নামে বোমা-গুলি বা চাপাতির কোপে কারো মৃত্যুর খবর আসতো না। প্রত্যেকটি ধর্মীয় কট্টর বিশ্বাসী মানব জাতির জন্য হুমকির কারন। আজ মানুষ মারছে এক জায়গায় কাল মরবে অন্য কোথায়ও আর তার কারন হবে ধর্মের মার-পেঁচ।

সুতারং ধর্মহীন পৃথিবী যতদিন প্রতিষ্ঠা করা হবে না ততদিন ধর্মীয় সন্ত্রাস বন্ধ হবে না।মুসলিম উগ্রবাদীরা অনেক ভয়াংকর হয় এদের কাছে মানুষ মরার আনন্দ যৌন সংগমের চেয়ে বেশি তৃপ্তির।আজ অনেক বছর ধরে ধর্মের বিকৃত সব মতবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করছি শুধু পৃথিবীকে ধর্মীয় কুলষিত চিন্তা চেতনা থেকে মুক্ত রাখতে,যাতে কারো চাকুর খাদ্য হতে না হয় কোনো নিরহ মানুষকে।

আজ শান্তির ধর্মে বিশ্বাসী বেহেস্তগামী আল্লাহ গুরুপের একজন বিশেষ সন্ত্রাসীর হাতে এখনো পর্যান্ত খবর পাওয়া তথ্য অনুযায়ী চারজন নিরহ মানুষের জীবন গেছে।যদিও খবরের তথ্য অনুসারে নির্দিষ্ট করে এখনো প্রমানিত হয়নি সন্ত্রাসী মুজাহিদিন কোন গুরুপের লোক।আল্লাহ, জিযাস,মোজেজ,ভগবান যেই গুরুপের লোক হক না কেনো সে কিন্ত একটা আশায় এই কাজ করছে,আর তা হচ্ছে পরকালে অসংখ্য নারী ভোগের ক্ষমতা লাভ।ছি ছি ধর্মীয় ক্ষমতা লোভাতুর মানুষ তোমরা আর কত এই নোংরামীতে আমাদের সুন্দর পৃথিবীকে ধ্বংস করার চেষ্টা করবে।মুক্তি পাক মানবতার, নিপাত যাক নৃশংস ধর্মের।আর যেন কাউকে ধর্মীয় সৈনিকদের রক্ত পিঁপাসার শিকার হতে না হয়,এই আশা নিয়ে ঘুমাতে যাবো এখন।মানবধিকার সর্বজনীন এবং মানবতাবোধ হোক সবার শিক্ষার বিষয়,ধর্মীয় কুসংস্কার বা উগ্রতা নয়।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

হিউম্যানিস্ট বা...
হিউম্যানিস্ট বাই নেচার এর ছবি
Offline
Last seen: 22 ঘন্টা 7 min ago
Joined: বুধবার, এপ্রিল 5, 2017 - 4:57পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর