নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

কোরআন আল্লাহ বাণী না এবং মুহাম্মদ আল্লাহ প্রেরিত নবী না।


(পর্ব-১)
কোরআন আল্লাহ কাছ থেকে হতে পারে না কারণ কুরআনের মধ্যে অনেক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব রয়েছে। ঈশ্বরের কাছ থেকে কোন উদ্ঘাটন নিজের মধ্যে ধারাবাহিক হতে হবে। এতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকবে না। যেহেতু কুরআন অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বসমূহকে ধারণ করে, তাই এটি ঈশ্বরের কাছ থেকে হতে পারে না মুহাম্মদ আল্লাহ প্রেরিত নবী না।

কোরআন সূরা আন-আম আয়াত:৩৯)
وَالَّذِينَ كَذَّبُواْ بِآيَاتِنَا صُمٌّ وَبُكْمٌ فِي الظُّلُمَاتِ مَن يَشَإِ اللّهُ يُضْلِلْهُ وَمَن يَشَأْ يَجْعَلْهُ عَلَى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং
যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।

তিনি এই আয়াতে সরাসরি বলেছেন উনি যাকে ইচ্ছে পথভ্রষ্ট করবেন আবার যাকে ইচ্ছে সরল পথে নিয়ে আসেন।তার মানে উনার ইচ্ছের বাহিরে কিছু হচ্ছে না। উনি যাদের চেয়েছেন তারাই মুহাম্মদকে নবী মেনে নিয়েছে আর যাদের চায় নি তারা নবী কে মেনে নেয় নি।কিন্তু আল্লাহ এই আয়াতে বলেছে যারা সত্য পথে নেই তাদের উনি নিজেই শাস্তিদান করবেন।
তাহলে আবার নিচের আয়াত গুলি দেখুন যেখানে আল্লাহ আবার উনার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে মুহাম্মদ এবং তার অনুসারীদের আদেশ দিয়েছে পথভ্রষ্টদের হত্যা করার জন্য এবং তাদের নিজেদের হাতে শাস্তি দেওয়ার জন্য।

আল বাকারাহ আয়াত ১৯০. আর যারা আল্লাহর সাথে যুদ্ধ করে তাদের সাথে লড়াই করে এবং সীমালঙ্ঘন করে না, আল্লাহ তাদের সীমা অতিক্রমকারীকে ভালোবাসেন না।

আয়াত ১৯১ এই আয়াতে দেখুন কি বলেছে।

এবং যেখানেই তুমি তাদের খুঁজে বের করে তাদের মেরে ফেলবে এবং তাদেরকে বের করে দেবে তোমাদের কবল থেকে, আর মসজিদুল হারামে তাদের সাথে যুদ্ধ করো না যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তবে তারা যদি তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তারপর, তাদের হত্যা কর আর এই হল কাফেরদের প্রতিদান।

আল্লাহ এখানে বলছে যে মানুষ জমাট রক্তের থেকে তৈরি করা হয়েছে।

কোরান সূরা আলাক আয়াত ২
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ

সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।

তিনি দেখুন আবার এই আয়াতে বলছে যে মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি থেকে।

কোরান ৬:২ (এছাড়াও ৭:১২) তিনিই তোমাদেরকে কাদামাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তারপর একটি নির্দিষ্ট সময়ের (আপনার জন্য) হ্রাস করেছেন। এবং তার উপস্থিতি অন্য নির্ধারিত সংখ্যার মধ্যে আছে; তবুও তোমরা নিজেরাই সন্দেহ করো!

আবার দেখুন তিনি এই আয়াতে বলছে যে মানুষ কে পানি তৈরি করা হয়েছে।

কোরান ২৫:৫৪।
তিনিই পানি থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি সৃষ্টি করেছেন বংশধর ও বিবাহের সম্পর্ক। আপনার পালনকর্তার কাছে শক্তি আছে।

তার পরেও কি বলবেন যে কোরআন আল্লাহ বানী এবং আল্লাহ নবী?যদি তার পরেও বলেন তাহলে প্রমান হবে আপনারা জীবিত নাই অনেক আগেই মরে গিয়েছেন এখন শুধু বেচে থাকার অভিনয় করে যাচ্ছেন।

মুহাম্মদের পূর্বে যত নবী রাসূল এসেছিলেন সবাই তাদের উম্মতকে মোজেযা দেখিয়েছিল ।অলৌকিক কিছু দেখিয়ে প্রমান করেছিলেন যে তারা আল্লাহ থেকে প্রেরিত রাসূল বা নবী আর এজন্য আরবের মানুষ মুহাম্মদ কে নিয়ে হাসিহাসি শুরু করে যখন মুহাম্মদ আল্লাহ রাসূল ঘোষণা করে কিন্তু কোন অলৌকিক কিছু দেখেতে ব্যর্থ হয়েছেন এই জন্য।
যখন আরবের মানুষ বার বার যখন প্রমাণ চেয়েছে তখন তিনি আয়াত নাযিল করে তাদের ভয় দেখান এবং বিভিন্ন ভাবে ধোকা দেন।কিন্তু উনি একটাও প্রমান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

তাই প্রমান করে মুহাম্মদ আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা থেকে প্রেরিত রাসূল না।

কোরান ৬: ৩৭-৩৯,
আয়াত:৩৭ ।তারা বললঃ তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে তার প্রতি কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয়নি কেন? বলুনঃ আল্লাহ কোন কোন নিদর্শন অবতীর্ণ করেন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
আয়াত:৩৮ পৃথিবীতে একটি চলন্ত জীবন্ত প্রাণী নেই, এবং একটি পাখি যা তার দুইটি ডানা দিয়ে উড়তে পারে না, কিন্তু আপনার মত সাম্যবাদী। আমরা কিতাবের মধ্যে কিছু অবহেলা করেছি, অতঃপর তাদের পালনকর্তার কাছে তারা সমবেত হবে।
আয়াত :৩৯।যারা আমার আয়াত অস্বীকার করে অন্ধকারে বধির ও বোকা।আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।আর এই জন্য মুহাম্মদ দাবি করে যে কুরআন নিজেই মুহাম্মদকে প্রদত্ত চিহ্ন।

কোরআন আল্লাহ কাছ থেকে হতে পারে না এবং মুহাম্মদ আল্লাহ রাসূল হতে পারেনা।কারণ মুহম্মদ প্রায়ই পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার পর তাঁর আয়াতসমূহ পরিবর্তন করেছেন।
আল্লাহ কি ভুল করতে পারে?তিনি ভুল করে আয়াত নাজিলের পর আবার তা পরিবর্তন করবেন?

তিনি শুরুতে বলেছিলেন যে এটা পান করতে নিষেধ নাই।এবং এর মধ্যে উপকার ও আছে এবং পাপ ও আছে।কারণ তখন উনার কোন ক্ষমতা ছিল না।

কোরান ২: ২১৯)
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَإِثْمُهُمَآ أَكْبَرُ مِن نَّفْعِهِمَا وَيَسْأَلُونَكَ مَاذَا يُنفِقُونَ قُلِ الْعَفْوَ كَذَلِكَ يُبيِّنُ اللّهُ لَكُمُ الآيَاتِ لَعَلَّكُمْ تَتَفَكَّرُونَ

তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলে দাও, এতদুভয়ের মধ্যে রয়েছে মহাপাপ। আর মানুষের জন্যে উপকারিতাও রয়েছে, তবে এগুলোর পাপ উপকারিতা অপেক্ষা অনেক বড়। আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে, কি তারা ব্যয় করবে? বলে দাও, নিজেদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ের পর যা বাঁচে তাই খরচ করবে। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্দেশ সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা চিন্তা করতে পার।

আবার দেখুন যখন উনার ক্ষমতার ভিত্তি বেড়ে গেলে, তিনি একটি শক্তিশালী অবস্থান উপস্থাপন করেন।তিনি নামাযের কথা বলে একটা নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেন।

কোরআন ৪:৪৩)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَقْرَبُواْ الصَّلاَةَ وَأَنتُمْ سُكَارَى حَتَّىَ تَعْلَمُواْ مَا تَقُولُونَ وَلاَ جُنُبًا إِلاَّ عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىَ تَغْتَسِلُواْ وَإِن كُنتُم مَّرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاء أَحَدٌ مِّنكُم مِّن الْغَآئِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاء فَلَمْ تَجِدُواْ مَاء فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُواْ بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ إِنَّ اللّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا

হে ঈমাণদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন নামাযের ধারে-কাছেও যেওনা, যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ, আর (নামাযের কাছে যেও না) ফরয গোসলের আবস্থায়ও যতক্ষণ না গোসল করে নাও। কিন্তু মুসাফির অবস্থার কথা স্বতন্ত্র আর যদি তোমরা অসুস্থ হয়ে থাক কিংবা সফরে থাক অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রস্রাব-পায়খানা থেকে এসে থাকে কিংবা নারী গমন করে থাকে, কিন্তু পরে যদি পানিপ্রাপ্তি সম্ভব না হয়, তবে পাক-পবিত্র মাটির দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও

যখন আবার মুহাম্মদের অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তিনি মাদকাসক্তদের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষেধ করেন।

কুরআন ৫:৯০-৯১-৯৩)

আয়াত:৯০)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।

(৯১)
إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاء فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ اللّهِ وَعَنِ الصَّلاَةِ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে?

(৯২)
لَيْسَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُواْ إِذَا مَا اتَّقَواْ وَّآمَنُواْ وَعَمِلُواْ الصَّالِحَاتِ ثُمَّ اتَّقَواْ وَّآمَنُواْ ثُمَّ اتَّقَواْ وَّأَحْسَنُواْ وَاللّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সে জন্য তাদের কোন গোনাহ নেই যখন ভবিষ্যতের জন্যে সংযত হয়েছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করেছে। এরপর সংযত থাকে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে। এরপর সংযত থাকে এবং সৎকর্ম করে। আল্লাহ সৎকর্মীদেরকে ভালবাসেন।

তার পরেও কি বলবেন যে কোরআন আল্লাহ বানী এবং মুহাম্মদ আল্লাহ প্রেরিত নবী?যদি তার পরেও বলেন তাহলে প্রমান হবে আপনারা জীবিত নাই অনেক আগেই মরে গিয়েছেন এখন শুধু বেচে থাকার অভিনয় করে যাচ্ছে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নষ্ট নীড়
নষ্ট নীড় এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 1 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, অক্টোবর 25, 2017 - 12:44পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর