নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র
  • অর্বাচীন স্বজন

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

“আল্লাহু আকবার” শ্লোগানের সংজ্ঞা কি দাড়াচ্ছে ?



ইসলাম ধর্মে জিহাদ, কিতাল, কিসাস, সহ আরো কয়েকটি কথা আছে বলে আমরা জানি। কিন্তু এর মধ্যে জিহাদের ব্যাবহারটা মুসলমানদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। বর্তমান সময়ের মডারেট মুসলমানদের দাবী জিহাদ সম্পর্কে নাকি তারা বাদে বাদবাকী সবাই ভুল জানে। তাদের মতে জিহাদ হচ্ছে একজনের সাথে আরেকজনের কোলাকুলি টাইপের কিছু। যেমনটা তারা প্রতি বছর ঈদের নামাজের পরে করে থাকে। আসলে এখানে তাদের দোষ দেওয়া ঠিক হবে না কারন এমন ধারনা তদের দিয়েছে বর্তমান যুগের মডারেট ও প্যান ইসলামিজম সমাজের অভিজ্ঞ মুসলমানেরা। এর কারন হচ্ছে শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে ঢাকতে যখন মাছ অনেক বড় হয়ে যায় তার উপরে আরো কিছু দিতে হয় না হলে ঠিক মতো ঢাকা পড়ে না। অনেকেই আবার বলে, না ভাই জিহাদ মানে তো একজনের সাথে আরেকজনের কোলাকুলি করা না জিহাদ মানে হচ্ছে নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ করা। এদেরও কোন দোষ নাই। কারন সৌদি আরবের যুবরাজ তো আগেই বলেছে যে সৌদি আরব বাদে আর যত মুসলমান আছে প্রথিবীতে তারা আসলে প্রকৃত মুসলমান না। তার পরেও এই মডারেট মুসলমানেরা মনে করে আমার ধর্মটা তো আমি পেয়েছি আমার বাপ,দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে তাই এটাকে রক্ষা করতে হলে যদি আমাকে নাঙ্গা তলোয়ার হাতে “নারায়ে তাক্ববির আল্লাহু আকবার” বলে রাস্তায় নামতে হয় তাও নামতে রাজি আছি।

আচ্ছা “আল্লহু আকবারের” কথা মনে পড়েছে নিশ্চয় আপনাদের। তাহলে বলি, গতকাল মুসতী আব্দুল্লাহ আল মাসুদের লাইভ ভিডিও দেখছিলাম সেখানে দেখলাম সে বলছে এখন থেকে যদি পৃথিবীর কোথাও শুনেন যে জঙ্গী হামলা হয়েছে বা ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে জিহাদ করে মানুষ হত্যা করা হয়েছে তাহলে আর আপনার হামলার কথা বলবেন না, বলবেন “আল্লাহু আকবার” হয়েছে আর ঘটনায় নিহতের সংখ্যা জেনে বলবেন এই “আল্লাহু আকবারে” এতো জন মানুষ নিহত হয়েছে। তার এমন কথা বলার কারন হচ্ছে গত মঙ্গলবার নিউইয়র্ক এর ম্যানহাটনে আবার এক মুসলিম নওজয়ান “আল্লাহু আকবার” বলে রাস্তায় থাকা বেশ কিছু পথচারীর উপরে ট্রাক তুলে দিয়েছে। এতে ঘটাস্থলে ও পরে মোট ৮ জন মারা গিয়েছে। তার দাবী মুসলমান মুমিন ভায়েরা যখন জিহাদ করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে এবং তার জন্য কাফের হত্যা করে বেহেশতে যেতে চাই তখন অবশ্যয় “আল্লাহু আকবার” বলতে হয়। তাই এই পর্যন্ত পৃথিবীতে জিহাদের নামে যত হামলা হয়েছে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তার সবই শুরু হয়েছে “আল্লাহু আকবার” স্লোগান দিয়ে। যার কারনে মুফতী আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলছিলেন এখন থেকে যদি কোথাও শুনেন কোন জঙ্গী হামলার কথা তাহলে তাকে জঙ্গী হামলা না বলে বলবেন “আল্লাহু আকবার” হয়েছে আর এতো জন মারা গিয়েছে।

কথা শুনে খারাপ লাগছে ? বা কারো কারো ভালো লাগছে ? আসলে দেখুন এটা ভালো লাগা বা খারাপ লাগার কোন কথা নয়। আমি আগেও বলেছি এই ইসলামী সন্ত্রাসীরা ও জিহাদী মুসলিমরা ইসলাম ধর্মটিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে দেখুন। আজকে বিশ্বের সকল উন্নত দেশে ইসলাম মানেই হচ্ছে জিহাদি আর জিহাদি মানেই হচ্ছে সন্ত্রাসী। এই যে একজন মুফতী কোরানে হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ আজকে কেন সত্য কথা বলছে তা একবার ভেবে দেখুন। গত আগস্ট মাসে স্পেনের রাজধানী বার্সেলোনায় একই ঘটনা ঘটেছিলো। সেখানেও “আল্লাহু আকবার” বলে নিরিহ পথচারীদের উপরে কাভার্ড ভ্যান তুলে হত্যা করা হয়েছিলো যেখানে শিশু পর্যন্ত নিহত হয়েছিলো। তার ঠিক দুদিন পরে স্পেন ঘোষনা দিলো যে স্পেনের রাস্তায় “আল্লাহু আকবার” স্লোগান সম্পুর্ন নিষিদ্ধ করা হলো। কারন এই হামলার পরে কথাও যদি মুসলিমরা “আল্লাহু আকবার” শ্লোগান দিয়েছে তো আশেপাশের লোকজন যে যেদিকে পেরেছে জানের ভয়ে পালাতে শুরু করেছে এই ধারনা করে যে এই বুঝি আবার “আল্লাহু আকবার” হলো। এটা হাসির কিছু না স্পেনে এখন রাস্তা ঘাটে প্রকাশ্যে “আল্লাহু আকবার” শ্লোগান দেওয়া নিষিদ্ধ যা মুসলমান জাতির জন্য চরম ও চরম লজ্জার একটি কথা।

সেপ্টেম্বরের শেষে যখন সদ্য ইসলাম ধর্ম গ্রহন করা মুসলমান ৬৪ বছর বয়ষ্ক স্টিভেন প্যাডক লাসভেগাসের মান্দালিন বে হোটেল প্রাঙ্গনে রুট সেভেন্টি ওয়ান কনসার্টে একই সময় একই সাথে গুলি করে ৫০ জনের মতো হত্যা করেছিলো যা পরবর্তিতে ৫৮ জনে গিয়ে থেমেছিলো সেটাও কিন্তু সকলের ধারনা ছিলো কোন উদ্দেশ্যমুলক হামলা বা এটার সাথে কোন ইসলামী জঙ্গী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পর্ক আছে। কিন্তু খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন তা অস্বীকার করলো তখন আর কারো কিছু বলার থাকলো না মেনে নেওয়া ছাড়া। এই সময়ে দেখেছিলাম কিছু মানুষ মুক্তমনা ও অনেক লেখক লেখিকাকে উদ্দেশ্য করে নানা আক্রমনাত্বক লেখা লেখি করছে। তাদের ভাষ্য এমন ছিলো যে যারা এই হামলাকে মুসলিম জিহাদ এর অংশ মনে করে লেখা শুরু করেছিলো ট্রাম্পের ভাষ্য শুনে আবার সাথে সাথে কি বোর্ডের ব্যাকস্পেস চেপে ধরে তা সাথে সাথে ডিলিট করে ফেলেছে। তাদের দাবী এরা নাকি তৈরিই হয়ে বসে থাকে কোন হামলা বা হত্যা হলেই ইসলাম ধর্মের নামে কি নেগেটিভ কথা লিখবে তার জন্য। তাহলে এখন ম্যানহাটনে কি হচ্ছে ? সেটা আমার কাছে প্রশ্ন ছাড়া কিছুই না।

মঙ্গলবারে যে ব্যাক্তি “আল্লাহু আকবার” বলে ম্যানহাটনের রাস্তার পথচারীদের উপরে ট্রাক চালিয়ে দিয়ে ৮ জনকে হত্যা করেছে সে অন্য কোন ধর্মের লোক না, সে ইসলাম ধর্মের অনুসারী। ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতেই সে এই কাজ করেছে এতে কোন সন্ধেহ নাই এবং তাই প্রমানিত হয়েছে। কিন্তু দেখুন সেই লাস ভেগাসের বুন্দুক হামলায় যত সমালোচকের ভূমিকা দেখেছিলাম এবার কিন্তু তারা কেউ নেই। এবার কেউ বলছে না যে এটা মুসলমানেরা করেনি। এর কারন একটাই এটা ছিলো “আল্লাহু আকবার” বলে শুরু করা হামলা। মডারেট মুসলমানেদের ব্রেন এমন ভাবে ওয়াশ করা হচ্ছে তারা এই কথাকেও অন্য ভাবে গ্রহন করতে বাধ্য। তাদেরত ধারনা এখানেও হইতো ইসলাম ধর্ম আর মুসলিম জাতিকে ফাসানো হচ্ছে জিহাদের কথা বলে। কারন তারা জানে জিহাদ মানে নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ করা অথবা একেবারে নাদান মুসলমান যারা তদের মতে এটা হচ্ছে একজাতীয় কোলাকুলি। আর যারা একটু জানাবোঝা মুমিন তাদের ডায়ালগ হয় হচ্ছে, ভাই এসব জিহাদের অংশ্ না এসব করতে ইসলাম বলেনি। ইসলাম বলেছে জিহাদ তখনই করতে হয় যখন ইসলাম ধর্মের উপরে কেউ নির্যাতন করে বা মুসলমানেদের কেউ যখন অত্যাচার আর নির্যাতন করে তখন তার বাধা দেওয়াকে জিহাদ বলে।

তাহলে এব্যাপারে কিছু বলে শেষ করে দেই। দেখুন আপনাদের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কথা বলি একটু। আর্মেনিয়ান গনহত্যার কথা তো আজ আর বিশ্ববাসীর জানতে বাকি নেই। কারন তুর্কি বাদে অনেক দেশই এই গনহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে যেখানে তুর্কির মুসলমান শাসক পাশা পরিবারের তালাত পাশা একইসাথে ১৫ লক্ষেরও অধিক আর্মেনীয়কে হত্যা করেছিলো। তাহলে তো সে আর্মেনীয়ানদের হবার কথা ছিলো সব চেয়ে বড় জঙ্গী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারন তাদের উপরে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন আর নীপিড়ন করা হয়েছিলো। এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা একটু ভেবে দেখুন সেসময়ে জার্মানীকে খন্ড খন্ড করে ভাগ করে ফেলা হয়েছিলো। কিছু শাসন করতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কিছু শাসন করতো ব্রিটিশ, কিছু অংশ শাসন করতো রাশিয়া তো কিছু শাসন করেছে ফ্রান্স। আর সবাই সেই জার্মানীর সাধারন নাগরীকদের উপরে কমবেশি অত্যাচার করেছে। কই তাহলে তো আজকে অত্যাচারিত জাতি হিসাবে আমরা জার্মানীর নাগরিকদের কোথাও দেখি না পেটে বোমা বেধে ঝাপিয়ে পড়ছে। সেসময়ে জাপান আর জার্মানিকে প্রায় ধ্বংশ করে ফেলা হয়েছিলো। কিন্তু আজকের যুগে খেয়াল করে দেখুন তারাই হচ্ছে বিশ্বের মধ্যে উন্নতম ধনী দেশ। আবার মার্কিন বাহিনীর অত্যাচারের কথা আজও ভোলেনি ভিয়েতনামবাসি। বিশ্বের মানুষ জানে ভিয়েতনামে কিভাবে মার্কিন বাহিনী অত্যাচার চালিয়েছে। তাহলে তারা কেন আজকে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে ? সন্ত্রাসী হয়নি কেনো ?

আসলে এসবই হচ্ছে শিক্ষা আর জ্ঞানের কারনে যা মুসলিম জাতির সাথে তুলনা করা মানেই হচ্ছে বোকামী। কারন তারা দাবী করে আল কোরান হচ্ছে সর্বময় বিজ্ঞান এবং কমপ্লিট কোড অব লাইফ। আজকের দিনে যদি কোন জানাবোঝা মানুষকে শুধু একবারের জন্য চীন, জাপান, জার্মানী, ভিয়েতনাম, এর সাথে পাকিস্তান, সৌদি আরব, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন সহ সমস্ত ইসলামিক দেশগুলোর একটি রিভিউ করে দেখতে বলেন তাহলে তার আর জানতে বাকি থাকার কথা না যে কোন উদ্ভোট উটের পিঠে চলেছে ইসলাম নামের ধর্ম আর “আল্লাহু আকবার”। একদন তাদের মেধা খাটিয়ে নিজেদের যোগ্যতায় ও দক্ষতাই পুর্বের ক্ষত মুছে ফেলতে ব্যস্ত তো আরেকদল সর্বত্র ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র, সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্ত তত্ত্ব আবিষ্কারে সদা ব্যস্ত যা কারো চোখ এড়ানো সম্ভব নয়। আর এর বীজ বোনা আছে সেই ইসলামের ভেতরেই যা দেরিতে হলেও বুঝতে পেরেছে চীন সরকার। তাইতো দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এর সমাধান করেছে তারা। অন্য কোন দেশ এখনও করেনি তবে আগামীতে করবে সেটা নিশ্চিত। আজকের মডারেট মুসলমানেরা যদি একটিবারের জন্য খুজে দেখতে যায় আজকের তালেবান, বোকো হারাম, আল কায়েদা, আইএসআইএস এর জন্ম কিভাবে হলো তো একদল বলবে সব আমারিকার ষড়যন্ত্র, তো আরেকদল বলতে ইহুদী নাসারার ষড়যন্ত্্‌ আসল কথা কেউ বলবে না, যাকে বলে শাক দিয়ে মাছ ঢাকা। আর এটা যারা ভাবে তারাই হচ্ছে ইসলাম ধর্মের জন্য আজকের মুল সমস্যা। কারন এরা যদি শাক দিয়ে মাছ না ঢাকতো তাহলে আজকে বিশ্বের অনেক দেশেই মুসলমান মানেই আতঙ্ক বলা হতো না। অনেক দেশ আছে যেখানে দাড়ি টুপি, আর বোরকা দেখলে সবাই দূরে চলে যায় এই ভেবে যে এই মনে হয়ে বোমা মেরে দিলো আল্লাহু আকবার বলে।

---------- মৃত কালপুরুষ
০২/১১/২০১৭

Comments

গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
 

সাধারণ মুসলমানদের হয়তো অনেকেই জানেন না, 'আল্লাহ আকবর' ধ্বনি উচ্চারণে নিরীহ জনপদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ হলো 'সুন্নত'; সাহাবীরা নবীর এই আদর্শ অনুসরণ করতেন। এ ব্যাপারের বছর খানেক আগে আমি “'আল্লাহু আকবর'- এক আতঙ্কের নাম!" শিরোনামে লিখেছিলাম:

http://www.dhormockery.net/2016/08/blog-post_83.html#more

http://www.dhormockery.org/2016/08/blog-post_13.html

গোলাপ মাহমুদ

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আপনার লেখার ভক্ত অনেক আগে থেকেই। এটাও পড়ে দেখবো। আমি প্রায়ই আপনার লেখা বই গুলি থেকে রেফেরেন্স দিয়ে লেখি।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
 

ভাল লাগলো। আপনার লেখাগুলো অসাধারণ! আপনি হয়তো জানেন না, আমিও আপনার অসংখ্য পাঠক-ভক্তদের একজন। আপনার লেখাগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি।
লিখতে থাকুন।

গোলাপ মাহমুদ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর