নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঠমোল্লা
  • সাতাল
  • সৈকত সমুদ্র
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

দেশে রাজাকারদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সরকারের ভিতরেই!


দেশে রাজাকারদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সরকারের ভিতরেই!
সাইয়িদ রফিকুল হক

সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ সারাদেশে জঙ্গিদমনের জন্য নানারকম পদক্ষেপগ্রহণ করেছেন। এগুলো নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি, খোদ সরকারের ভিতরেই ঘাপটিমেরে থাকা একশ্রেণীর দেশবিরোধী-লোকজন জঙ্গিবাদের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক। আর এরা যে-সে লোকজন নয়—এরা আমাদের সমাজের একেবারে হোমরাচোমরা লোক—আর এরা মন্ত্রী, পাতিমন্ত্রী কিংবা এমপি পর্যায়ের লোক। এরা এখন একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্টবিষয়ে একদেহ-একপ্রাণ হয়ে সরকারের ভিতরেই বসবাস করছে! আর এরা স্বার্থের মায়াজালে আবদ্ধ হয়ে কিংবা স্বার্থখেলার ডামাডোলে আষ্টেপৃষ্টে বন্দি হয়ে, পাকিস্তানীকায়দায় ভাই-ভাই হয়ে দেশে রাজাকারপুনর্বাসনের অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করছে। এরা বাংলাদেশরাষ্ট্র ও বর্তমান-সরকারেরও শত্রু।

অতিসম্প্রতি দেশে একটি বিষাক্ত-আগাছা তথা বিষাক্ত-ধুতুরাগাছ-রোপণ করা হয়েছে। মূলত এটি বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী একটি বিষবৃক্ষ। বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই এই বিষবৃক্ষের জন্ম হয়েছে। আর এই অকালজাত-বিষবৃক্ষের নাম ‘আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়প্রতিষ্ঠার নাকি স্বপ্ন দেখেছিলো—চাঁদপুর-জেলাধীন ফরিদগঞ্জ-থানানিবাসী একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার, নরঘাতক, আলবদরবাহিনীর অন্যতম প্রধান সহযোগী, পাকিস্তানের চিরদালাল, ‘ইনকিলাব’ নামক একটি জারজপত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা, শয়তানের জারজপুত্র ও মাওলানা-লকবধারী একটি মাদ্রাসার পাতিহুজুর আব্দুল মান্নান। এই রাজাকার ও শয়তানের জারজপুত্র আব্দুল মান্নান মাদ্রাসার কিছুসংখ্যক পাতিহুজুর ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে বাংলাদেশবিরোধী একটি জারজসংগঠনের জন্ম দিয়েছে। এর নাম ‘জমিয়েতুল মুদাররেছীন’। এই ‘জমিয়েতুল মুদাররেছীন’-এর বর্তমান নেতা হচ্ছে একাত্তরের ওই নরঘাতক ও শয়তানের জারজপুত্র আব্দুল মান্নানের কুলাঙ্গার পুত্র ও ভণ্ডশয়তান এএমএম বাহাউদ্দিন। আর এই রাজাকারের বাচ্চা একটা বাহাউদ্দিনের সঙ্গে পরম বন্ধুত্ব বর্তমান-সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী আ.হ.ম. মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামালের। তারা একসঙ্গে খায়দায়, চলাফেরা করে আর হয়তো ব্যবসাবাণিজ্যও করে। এই মোস্তফা কামালকে ধরে রাজাকারপুত্র কুলাঙ্গার বাহাউদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের বুকে বাংলাদেশবিরোধী এই বিষবৃক্ষ তথা আরবি-বিশ্ববিদ্যালয় প্রসব করাতে সক্ষম হয়েছে। এটি এখন রাজাকারদের দুর্গ বলে খ্যাত ‘জমিয়েতুল মুদাররেছীন’ ও তাদের সমমনা দেশবিরোধী ওহাবীখারিজী-ভণ্ডদের দখলে। তাদের হাতেই এটি পরিচালিত হচ্ছে।

কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেকের এক বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশের জাতীয় কুলাঙ্গার ও একটা রাজাকারের বাচ্চা রাজাকার বাহাউদ্দিনের প্রশংসায় আত্মহারা হয়ে লাগামহীন কথাবার্তা বলেছেন। তিনি এই রাজাকারের বাচ্চাকে তার পরম বন্ধু বলে স্বীকার করেছেন এবং তাকে এই ‘আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ভূয়সী প্রশংসা করেন। সেই বৈঠকে বাংলাদেশের এই বিষবৃক্ষ ‘আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়ে’র জন্য কয়েকশ’ কোটি টাকা এবং ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে ২০.১৫ একর জমিবরাদ্দ করা হয়। এই হলো মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে রাজাকারদের ক্ষমতা! রাজাকারি-সম্প্রসারণের জন্য রাজাকারদের সমন্বয়ে এই আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী আ.হ.ম. মোস্তফা কামালের গোটা পরিবার পাকিস্তানী-মডারেট ইসলামে বিশ্বাসী। তারা শুধু বর্তমানে নয়—সুদূর অতীত থেকে মডারেট-মুসলমান। তার এক কন্যা নাফিসা কামাল বিপিএল-ক্লাব ক্রিকেটে ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া’ নামে একটি ক্লাব কিনে যে তেলেসমাতি দেখিয়েছে তা বাংলার মানুষ আজও ভোলেনি। এই নাফিসা কামালের সবচেয়ে প্রিয় হলো পাকিস্তানী-খেলোয়াড়রা। তাই, বিভিন্ন সময়ে নাফিসা কামালের সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গভাবে পাকিস্তানী ক্রিকেট খেলোয়াড় শহীদ আফ্রিদিসহ আরও অনেককে দেখা গেছে! মনে রাখবেন: খুব অন্তরঙ্গভাবে পাকিস্তানী-খেলোয়াড়দের সঙ্গে নাফিসা কামালের ছবি আছে!


পাকিস্তানী ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির সঙ্গে মন্ত্রীকন্যা নাফিসা কামাল

এই পরিকল্পনামন্ত্রী মোস্তফা কামাল নিজে এবং তার পরিবারের সকলেই পাকিস্তানপ্রেমিক। আর এদের কাছে পাকিস্তানী ক্রিকেট খেলোয়াড়রা মানে একটা বিরাটকিছু! পাকিস্তানপ্রেমিক হওয়ার কারণেই মোস্তফা কামাল গত বিশ্বকাপ-ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেট-কর্মকর্তা শ্রীনিবাসের সঙ্গে অহেতুক বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানকে খুশি রাখে। তাছাড়া, এই মোস্তফা কামালের সঙ্গে সৌদিযুবরাজদেরও ব্যবসা রয়েছে।

গত ২৭/১০/২০১৭ তারিখ আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি সেখানে আরবি-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত একটা পুরস্কারবিতরণ-অনুষ্ঠানে বলেছেন: “মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরা ইঞ্জিনিয়ার হলে রডের পরিবর্তে বাঁশ দেবে না!”
তিনি সেখানে দীর্ঘসময় অবস্থান করে আরও অমৃতবচন ঝেড়েছেন—দেশের মাদ্রাসাগুলোতে প্রকৃত শিক্ষা দেওয়া হয়!... মাদ্রাসাশিক্ষিতরা ইঞ্জিনিয়ার হলে তারা রডের পরিবর্তে বাঁশ দেবে না। এই শিক্ষাটি মাদ্রাসা থেকে দেওয়া হয়!... আমরা মিশর-সফরের সময় দেখেছি, মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিতরা কোরআন-হাদিসের জ্ঞানের সঙ্গে বিজ্ঞান-প্রকৌশল-বিভাগেও সমান দক্ষ হয়ে থাকে!”
পরিশেষে, তিনি আরবি-বিশ্ববিদ্যালয়ের তথা মাদ্রাসাশিক্ষিতদের অলরাউন্ডার হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।
দেশের একটা শিক্ষামন্ত্রী আমাদের সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থাকে অপমান করেছেন। তিনি বাংলাদেশের মেরুদণ্ডস্বরূপ সাধারণ শিক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টাও করেছেন। তার এই সস্তা ও লাগামহীন কথাবার্তা যদিও জাতি গ্রহণ করেনি। তথাপি, জাতির ইতিহাসে এটি কলংকিত এক অধ্যায় বলে বিবেচিত হবে। আর কোনো দেশের কোনো শিক্ষামন্ত্রী যে এভাবে এমন করে এতো নিকৃষ্ট কথা বলতে পারেন, তা আমাদের জানা নাই।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য আসলে সাম্প্রদায়িকতাদোষে দুষ্ট। আর এগুলো অসংলগ্ন কথাবার্তা।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের ত্রুটিসমূহ:
১. তিনি সচেতন-অচেতনভাবে দেশের সাধারণ শিক্ষাকে ঢালাওভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করেছেন। এটি জাতি কখনও মেনে নেয়নি।
২. তিনি দেশের মাদ্রাসাগুলোকে জঙ্গিবাদে আরও উৎসাহিত করেছেন। আর দেশের মাদ্রাসাশিক্ষার এতো-এতো অনিয়ম, দুর্নীতি, দেশবিরোধী-অপতৎপরতা ধামাচাপা দিতে চাচ্ছেন কাদের স্বার্থে?
৩. তিনি দেশের মাদ্রাসাশিক্ষাকে প্রকৃত শিক্ষা বলে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তিনি হয়তো জানেন না, আজ পর্যন্ত মাদ্রাসায় পড়ে এই দেশে কেউই জ্ঞানী, গুণী কিংবা বিজ্ঞানী হননি। আমরা এযাবৎকাল যা-কিছু পেয়েছি তা দেশের এই সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থা থেকেই পেয়েছি।
৪. তার দুই কন্যাও সাধারণ শিক্ষাগ্রহণ করেছেন। তিনি মাদ্রাসাবিষয়ে এতো ভালো বোঝেন—তাহলে, নিজের মেয়েদের কেন মাদ্রাসায় ভর্তি করেননি? আর তার মেয়েকে কেন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে বলছেন না? কেন? আর কেন তিনি দলীয় মনোনয়নের ভিত্তিতে নিজের কন্যাকে ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি দিয়েছেন? এখনও সময় আছে তাকে মাদ্রাসায় পাঠান। আর সেখানেই তার প্রকৃত শিক্ষা হবে। আর মাদ্রাসায় ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো আইনকানুন নাই। আপনার মেয়ে এখনও ভর্তি হতে পারবে। সময় আছে। কাজে লাগান। আর ইচ্ছে করলে আপনি নিজেও ভর্তি হতে পারেন। তাহলে, আপনার প্রকৃত শিক্ষাও অতিদ্রুত সম্পন্ন হবে।
৫. মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে কয়জন এ পর্যন্ত বিজ্ঞানী হয়েছেন? দুই-একজনের নাম বলেন তো?
৬. সাধারণ শিক্ষিত কোনো মানুষ রডের পরিবর্তে বাঁশ দেয়নি। এই অপকর্মটি করেছে বাংলাদেশের একটি এলাকার যুবলীগ-নামধারী একটা জাতীয় কুলাঙ্গার-কন্ট্রাক্টর। এর দায় সাধারণ শিক্ষিতরা নিতে পারে না। এর দায় শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে আপনাকেও নিতে হবে। কারণ, সে আপনার দলেরই একজন।
দেশের স্বরাষ্ট্র পাতিমন্ত্রী প্রায়ই বলে থাকেন, “মাদ্রাসায় কোনো জঙ্গি নাই!” তাহলে, জঙ্গি কোথায়? আর ২০১৩ সালের ৫ই মে ‘হেফাজতে শয়তানে’র যে-সব লোক বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য ঢাকার মতিঝিলের শাপলাচত্বরে জমায়েত হয়েছিলো তারা কারা? আর তারা দেশের কোন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে? সেদিন আমরা দেখেছি, একটা শয়তানপুত্র শাহ আহমেদ শফী থেকে শুরু করে ‘হেফাজতে শয়তানে’র প্রতিটি নেতা-কর্মী একেকটা জঙ্গি। আর যে অল্পবয়সী সেও কমপক্ষে একটা সেমিজঙ্গি। আর এরা সবাই বাংলাদেশের বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
আপনারা জাতিকে আর কত ধোঁকা দিবেন? এভাবে, আর কত রাজাকারতোষণনীতি চালাবেন? আর কত বঙ্গবন্ধুর নাম বেচে খাবেন? আর কত বঙ্গবন্ধুকে অপমান করবেন?

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে একটা রাজাকার যে কারও বন্ধু হতে পারে—তা ভাবতেই আমরা লজ্জায় শিউরে উঠি। এসব কার্যকলাপ জাতির জন্য অশনী সংকেত। তাও কোনো সাধারণ ব্যক্তি এসব কথা বলছেন না। বলছেন, দেশের একজন মন্ত্রী! মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তির সরকারের কাছে এসব দায়িত্বহীন কার্যকলাপ ও কথাবার্তা দেশ-জাতি কখনও আশা করে না। আর যেকোনো ধরনের রাজাকার-নির্মূলই হোক আমাদের সবার অঙ্গীকার।

সস্তা রাজনীতির লাগামহীন কথাবার্তা আজকাল জাতিকে আরও সংকটে ফেলে দিচ্ছে। আর এতে লাভবান হচ্ছে আমাদের দেশের জঙ্গিরা। আর দেশের অন্যতম প্রধান শত্রু: হেফাজতে শয়তানের নেতা-কর্মীরা। তাই, এইজাতীয় কথাবার্তা বলা থেকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গকে সবসময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। তবেই জাতির মঙ্গল।

আগে ঘরের শত্রুকে দমন করতে হবে। তারপর দৃষ্টি দিতে হবে বাইরে। যাদের দ্বারা দেশ ও জাতির কোনো উপকার হয় না—তাদের সরকারে না রাখাই ভালো। এই লোকগুলো সবসময় সুবিধাবাদী। আর দেশে জঙ্গিতৎপরতাবৃদ্ধির জন্যও আসলে এরাই দায়ী।

সাইয়িদ রফিকুল হক
পূর্বরাজাবাজার, ঢাকা,
বাংলাদেশ।
০৩/১১/২০১৭

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 1 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর