নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

চাকমাদের আলাদা জাতির পিতা ও আলাদা শোক দিবসের কথা


বাংলাদেশ ভূখন্ডে চাকমারাই আলাদা এক জনগোষ্ঠী যারা ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবসের পরিবর্তে, ১০ই নভেম্বরে পালন করে চাকমা বা জুম্মজাতির "শোক দিবস"। কারণ এইদিন তাদের অবিসংবাদিত নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা (এমএন লারমা) নিহত (শহীদ) হন। আমাদের সকলের জাতির পিতা "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব" হলেও, চাকমাদের জাতির পিতা হচ্ছেন এই মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা। আপনি বাঙালি হিসেবে জানেন কি কে এই "মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা"?

চাকমারা মূলত তাদের রাজার পরম অনুগত ও রাজার নির্দেশ পালনকে তারা "পরম পবিত্র" কাজ বলে মনে করে। চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় যেহেতু ১৯৭১ সনে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ অবলম্বন করে তার অনুগত চাকমা প্রজাদের পাকিস্তানের পক্ষে তথা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যুদ্ধ করতে বলেন। সুতরাং মানবেন্দ্র, সন্তুু লারমাসহ ৯৯% চাকমা তখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এমনকি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর চাকমা এলাকাতে ১৯৭২ এর জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলিত হতে থাকে। ১৯৭২ এর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধা সেখানে গিয়ে পাকিস্তানের পতাকা নামায় ও বাংলাদেশের পতাকা ওড়ায়।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের সময়ও তারা ভারতের অংশ হবার চেষ্টা করে এবং চাকমা নেতা কামিনী মোহন দেওয়ান ও ্লেহকুমার চাকমা রাঙ্গামাটিতে ভারতীয় এবং বোমাং রাজা বান্দরবানে বার্মার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। কিন্তু এর ব্যতিক্রম ছিলেন মং সার্কেলের রাজা মং প্রু সাইন। তিনিই একমাত্র রাজা যিনি মুক্তিযুদ্ধে আখাউড়া ও ভৈরব এলাকায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং সেনাবাহিনীর কর্ণেল পদমর্যাদা প্রাপ্ত হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মানিকছড়ির মং রাজা মংপ্রু চেইন,বান্দরবানের ইউ কে চিং বীরবিক্রম, কমান্ডার হেমদা রঞ্জন ত্রিপুরাসহ অনেকে। চাকমা রাজা হিসেবে ত্রিদিব রায় তার প্রভাবাধীন হেডম্যান-কারবারিদের ব্যবহার করে চাকমা যুবকদের দলে দলে রাজাকার বাহিনীতে ভর্তি করেন। তাদের ট্রেনিং এবং অস্ত্র দিয়ে লেলিয়ে দেন মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বাধীনতাকামী জনতার বিরুদ্ধে। এ সময় ত্রিদিব রায় এবং তার রাজাকার বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী একের পর এক হামলা ও হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করে।

কিন্তু পুরো ৯-মাস মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করার পর চাকমা রাজা লেজ গুটিয়ে পালান পাকিস্তানে কিন্তু তার অনুগতরা শান্তিবাহিনি গঠন করার জন্য থেকে যান বাংলাদেশে। দেশ স্বাধীন হলে এই চাকমা "জাতির পিতা" মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ১৯৭২ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি গড়ে তোলেন জনসংহতি সমিতি এবং বঙ্গবন্ধুর কাছে "আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসন তথা "পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদার" দাবি জানান। যে জাতি ঐ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ না নিয়ে তার বিরোধিতা করেছিল, পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়েছিল, তার জন্য অনুতপ্ত বা ক্ষমা না চেয়ে হঠাৎ "আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসন তথা "পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদার" দাবি করাতে বঙ্গবন্ধু রাগান্বিত হন ও রাগ করে তাদের "বাঙালি" হয়ে বাংলাদেশের সাথে মিলিমিশে কাজ করতে বলেন। বিহারীরা ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের বিরোধিতা করার পরও, যদি তারা আলাদা কোন জেলার "আঞ্চলিক স্বায়ত্বশাসন" ও "বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদার" দাবি তোলে তা যেমন হাস্যকর হতো, চাকমা নেতার এ দাবীটাও ছিল তেমনি। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত লে. কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)-এর বই ‘মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন আফতাব কাদের বীর উত্তম’ (ডিসেম্বর, ২০০৮)-এর ৬৩ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘মার্চ মাসের প্রথম থেকেই রাজা ত্রিদিব রায় এবং মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা কোনো কারণে মুক্তিকামী বাঙালিদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন।’ ত্রিদিব রায়দের সহায়তায় পাকিস্তানীরা পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রবসহ আরো অনেক মুক্তিযোদ্ধাকেই হত্যা করে।
:
কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ধমক খেয়ে ১৯৭২ সালে এই মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ও তার ভাই সন্তুু লারমা গং মিলে বাংলাদেশ বিরোধী "পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি" গঠন করে এবং ১৯৭৩ সালে তাঁরা এর সামরিক শাখা "শান্তিবাহিনী" গঠন করেন এবং সশস্ত্র সংগ্রাম করার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও তখন সেখানে তাদের কথিত "বাঙালি সেটেলার" ছিলনা। শান্তিবাহিনী নামটি নেয়া হয় পাকিস্তান শান্তিবাহিনীর অনুকরণে। শোনা যায়, শান্তিবাহিনি গঠনে রাজাকার চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন এবং ১৯৭১-এ পাকিস্তান মিলিটারি থেকে প্রাপ্ত অস্ত্র, যা ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল, তাই ১৯৭৩ সনে বাঙালি সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার শুরু করে এই শান্তিবাহিনি। কিন্তু ক্ষমতার ভাগ বাটোয়ার নিয়ে তাদের মধ্যে বিভাজন শুরু হয়। মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার দলেও সৃষ্টি হয় অন্তর্দন্ধ এবং দলটি ২টি ধারা এম এন রায় গ্রুপ ও প্রীতি গ্রুপে ভাগ হয়ে যায়।
:
১৯৮৩ সালের ১০ই নভেম্বর লারমা বিপক্ষ দলের আক্রমণে ৮-জন সহযোগিসহ মারা যান খাগড়াছড়িতে। প্রীতি গ্রুপের অধিকাংশ নেতা-কর্মী ১৯৮৫ সালের ২৯ এপ্রিল আত্মসমর্পণ করে। কিন্তু লারমা গ্রুপ নাশকতামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। তাদের স্বভাব ছিল গাছেরটও খাবে তলারটাও কুড়াবে। তাই মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর বাকশালেও যোগদান করেছিলেন। পাড়াতে সাধারণ বাঙালি ও সাধারণ উপজাতিরা জানেনা কার শাসন চলছে, রাজা দেবাশীষ রায় একটা সরকার? নাকি প্রতিমন্ত্রী নববিক্রম ত্রিপুরা? নাকি ৩ পাহাড়ি সশস্ত্র চাঁদাবাজ ইউপিডিএফ, জেএসএস-সন্তু লারমা এবং জেএসএস-এমএন লারমা গ্রুপ?
:
চাকমা "জাতির পিতা" এম এন লারমার হত্যাকারী কারা? তারা এখন কোথায় কি অবস্থায় আছে? কেন চাকমা জাতি বা জেএসএস, সন্তু লারমা, দেবাশীষ রায়, ঊষাতন তালুকদার এরা কেউই এম এন লারমার হত্যার বিচার চায় না? ইউপিডিএফ, জেএসএস-সন্তু লারমা এবং জেএসএস-এমএন লারমা এ তিন পক্ষের সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধের বিষয়েও কখনো কোন উদ্যোগ নেয়ার নজির আজো দেখা যায়নি। প্রীতি গ্রূপের ৮ শতাধিক সদস্য সেনাবাহিনীর ২০৩ ব্রিগেডের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করে। সেই সকল শানতি বাহিনীকে পূনর্বাসন করা হয়। লারমা গ্রূপের নেতৃত্ব চলে যায় সন্তু লারমার কাছে, তিনি আশ্রয় নেয় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। দূর্বল হয়ে যায় শান্তিবাহিনীর লারমা গ্রূপ। তাঁরাই শান্তিবাহিনী নামধারণ করে যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
:
চাকমারা সকল উপজাতির দাবীর কথা বললেও, তার মূলত নিজেদের স্বার্থেই কাজ করে ১৬-আনা। একটা উদাহরণ - ১৯৭৮ সালে "বৈদেশিক বৃত্তি" প্রদানের জন্য উপজাতীয়দের মধ্য থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হলে, তৎকালীন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা "চাকমারাজ মাতা বিনীতা রায়" ৭-জনের একটি লিস্ট জমা দেন। এই ৭ জনের প্রত্যেকেই ছিলেন চাকমা রাজপরিবারের সদস্য। কিন্তু যোগ্য এবং সাধারণ উপজাতীয়দের বাদ দিয়ে এই লিস্ট জমা দেয়ার কারণে রাজমাতার একান্ত সচিব শরদিন্দু শেখর চাকমা এর বিরোধীতা করেন। কিন্তু রাজ মাতা বিনীতা রায় তার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় শরদিন্দু শেখর চাকমা তার একান্ত সচিবের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে অন্যত্র বদলির আবেদন করেন।
:
চাকমা রাজপরিবার কর্তৃক সাধারণ পাহাড়িদের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের পথে অন্তরায় সৃষ্টির আরো অনেক নির্মম ইতিহাস পাওয়া যাবে অঙ্কুর প্রকাশনী থেকে ২০০২ সালে প্রকাশিত শরদিন্দু শেখর চাকমার আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ও আমার জীবন (প্রথম খন্ড)’ এর পাতায় পাতায়। Role of tribal leaders of CHT । এরা পাহাড়ের উন্নয়ন চায়না। উপজাতিদের অশিক্ষিত জংলি বানিয়ে রাখতে চায়। তাই তারা কেবল সাজেক ভেলির নয়, বিরোধিতা করে রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ করার। তবে সব উপজাতি চাকমাদের মত বাংলাদেশ বিরোধী নয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ ৯ মাস মং রাজার অনুসারী মগ উপজাতি সর্বতোভাবে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করেছে। মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ও তার ভাই সন্তু লারমা প্রসঙ্গে ড. হুমায়ুন আজাদ বলেন, যারা নিজেদের মার্ক্সবাদী বলে দাবী করেন, তাঁরাও মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে লড়াই করেছিলেন (হুমায়ুন আজাদ- ১৯৯৭ ;২১/২২)।

আশা করি এবার বুঝতে পারছেন কে চাকমাদের জাতির পিতা, কি তার পরিচয় আর আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকা কি ছিল! এবং কেন চাকমারা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের মৃত্যু দিবসকে "জাতীয় শোক দিবস" পালনের পরিবর্তে ১০ নভেম্বর পালন করে "চাকমা জাতির জাতীয় শোক দিবস"! হায়রে এতো দেখছি একই দেশের মধ্যে আরেক দেশ!

বিভাগ: 

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

যৌক্তিক ও সুন্দর লেখা!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ধন্যবাদ!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

খুব সুন্দর যৌক্তিক লেখাটা!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ধন্যবাদ

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

Nice write up

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

বাহ। চমৎকার লেখা!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

বাহ। চমৎকার!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 6 ঘন্টা 50 min ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর