নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র
  • অর্বাচীন স্বজন

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

এক বাসন্তী এক কিশোর কাহিনি


কৈশোরে যে গাঁয়ে আবাস ছিল আমার, সেখানে বিস্ময়করভাবে হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যা ছিল প্রায় সমানে সমান। তাই কেউ কাউকে ছাড় দিতোনা একটুও। মুসলমানরা ধনী-দরিদ্র সবাই ধার করে হলেও গরু কুরবানী দিতো, যাতে হিন্দুদের আঁতে ঘা লাগে। একইভাবে হিন্দুরা সারাবছর তাদের সপ্তপদি ধর্মীয় পুজোপার্বন অব্যাহত রাখতো ঢাক-কাসর বাজিয়ে, যাতে তারা দেখাতে পারে যে, মুসলমানদের মত কেবল দুটো ঈদ নয় তাদের, তাদের উৎসব সারা বছরব্যাপী। এ নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ, মারা-মারি লেগেই থাকতো ধর্মীয় উন্মাদনাপূর্ণ আমার কৈশোরিক গাঁয়ে। তারপরো কি এক অমোঘ বিধানে কুমোরপাড়ার সপ্তদশী হিন্দুকন্যা বাসন্তীর সাথে প্রেম হলো আমার। পুরো মুসলিম ধার্মিক পরিবারের সদস্য হিসেবে বাসন্তীকে বললাম - "তুই কলমা পইড়া মুসলমান হ বাসন্তী। না অইলে মা কইছে বউ কইরা ঘরে তুলবার পারবো না তরে"! কিন্তু গোঁরা সনাতন পরিবারের সদস্য বাসন্তী তার মা-বাবার ধর্ম ত্যাগ করতে রাজি হলোনা "তুচ্ছ" ভালবাসার জন্যে। আমিও অনড় রইলাম আমার একেশ্বরবাদী ধর্মে। অবশেষে বাসন্তী ও আমার ধর্মের জয় হলো। পরাজিত হলো আমাদের নিটোল প্রেম আর ৫-বছরের ভালবাসাপূর্ণ মুগ্ধতা! আমার পরিবর্তে পাশের গাঁয়ের পৌঢ় ভবতোষ ত্রিপাঠীর সাথে বৈদিক মন্ত্রপাঠে বিয়ে হলো বাসন্তীর। ভবতোষ বাবুর এটা তৃতীয় বিয়ে। কিসব অজানা কারণে তার আগের স্ত্রীগণ ইহলোক ত্যাগ করেছেন ভবতোষ ত্রিপাঠীকে একা ফেলে এ ক্লেদময় পৃথিবীতে। তাই উঁচু ঘরের ভবতোষ বাবুর বয়স কিংবা ভগ্নস্বাস্থ্য কোনই ফ্যাক্টর হয়নি অষ্টাদশী কুমারী বাসন্তীকে বিয়ে দিতে। কারণ বাসন্তীদের কুমোর পরিবারের চেয়ে ভবতোষ বাবুর পরিবার ছিল সনাতন ধর্মীয় বিভাজনে অনেক উঁচৃু স্তরে!
:
ভালবাসা হারানোর কষ্টবেদনার একগুচ্ছ নিশিগন্ধার মত শুকিয়ে গেলাম আমি। বাসন্তীর বিয়েতে চৈত্রের দমকা ঘাস পোড়ানো বাতাসের মত উতলা হলো মনটা। তাই সবার অজান্তে গাঁ ছাড়লাম আমি ঐ রাতেই, যে রাতে বাসন্তীকে নিয়ে বাসর যাপন করেছিল পঞ্চাষোর্ধ ভবতোষ ত্রিপাঠী। পৃথিবীর পথে পথে ঘুরলাম লালন আর হাছন রজার মত অনেকদিন একাকি আমি। কত সবুজ ঘাস বিবর্ণ হলো আমার চোখের সামনেই কিন্তু বাসন্তী আর আমার বিভাজিত পথের মিমাংসা করতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে মাদ্রাসার 'মোদারেস' হয়ে নিজ গাঁয়ে ফিরলাম একদিন সবার অজান্তে। যেমনটা ত্যাগ করেছিলাম এ গাঁ আমি একান্তে।
:
বাসন্তীর স্বামী ভবতোষ বাবুর গাঁয়ের নাম ছিল "ভোলানাথপুর"! স্কুলবন্ধু রফিক বিয়ে করেছে ভোলানাথপুর ফকির বাড়ি। কৈশোরে অনেকবার ঐ গাঁয়ে গিয়েছিলাম আমি হিন্দু-মুসলমান হা-ডু-ডু, দাড়িয়াবান্দা খেলতে। রফিক অনেকবার অনুরোধ করেছিল তার শশুরবাড়ির দিঘীতে যাবে আমাকে নিয়ে মাছ ধরতে। কিন্তু এবার গাঁয়ে ফিরে আর একবারো তাকাইনি ভোলানাথপুরের দিকে। পাছে ভবতোষ কিংবা বাসন্তীর সাথে দেখা হয় আমার! জেগে ওঠে আবার পুরনো দগদগে ঘাঁ! রাতের ব্যবসায়ি ক্লান্ত গণিকাদের দেহজ পচা গন্ধের মতই যা দুখবাতাসে ওড়ে সারাক্ষণ!
:
প্রতি বছরের মত এবারো মাঘের শেষ সপ্তাহে আয়োজন করলাম বিশাল ওয়াজ মাহফিলের, আমাদেরই মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে। দেশের নানা এলাকা থেকে চটকদার বাহারী ওয়াজেরিনদের আনা, তাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা, চাঁদা তথা দান খয়রাত সংগ্রহ, সারারাতব্যাপী মাদ্রাসার চারদিকের অন্তত ৫-কিমি এলাকার মানুষজন যেন রাতের ঘুম হারাম করে সারারাত সুরেলা বয়ান শুনতে পারে, তাই জেলা শহর থেকে ভাড়া করে আনলাম উচ্চ শক্তির ৫০-টা মাইক তথা এপ্লিফায়ার। আমাদের উদ্দেশ্য সাধারণ মুসলমান ছাড়াও বিধর্মীরা বিশেষ করে আমার ও পাশ্ববর্তী গাঁয়ের হিন্দুরা যেন ওয়াজেরিনদের বয়ান শুনে ইসলামের আলোতে দিক্ষীত হন। বোঝাই যাচ্ছে অতি মহৎ আমাদের উদ্দেশ্য!
:
ওয়াজের ১ম দিন সারারাত নির্ঘুম কাটিয়ে যখন বেলা দশটার দিকে চোখের পাতা দুটো এক করলাম একটু - তখনই প্রায় হাঁপাতে হাঁপাতে দৌঁড়ে এসে বন্ধু রফিক হুমড়ি খেয়ে পড়লো একদম আমার ওপর। এক মূহূর্ত বিলম্ব না করে যা বললো তার মর্মার্থ হলো - গতরাতে আকস্মিক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছে বাসন্তীর স্বামী ভবতোষ ত্রিপাঠী। সকালে ভোলানাথপুরের নদীর তীরে চিতা সাজানো হয়েছে মৃতের। কিন্তু ভবতোষ বাবুর বংশের লোকজন বাসন্তীর ইচ্ছের বিরুদ্ধে সহমরণ করতে চাইছে বাসন্তীকে। এলাকার অধিকাংশ হিন্দুরা জড়ো হয়েছে ঐ দাহ অনুষ্ঠানে। কারণ মৃত্যুর আগে নাকি স্বামী ভবতোষ পরিবারের সদস্যদের নির্দেশ দিয়ে যান, স্ত্রী তথা বাসন্তীকে যেন সতীদাহ করা হয় তার সাথে! এবং রফিককে দেখে চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানিয়েছে মৃত্যুভয়ে আতঙ্কিত বাসন্তী!
:
অনেক কাল পর বাসন্তীর এ কাহিনি শুনে প্রয়াত প্রায়ণ জীবনের প্রবালদ্বীপে আঘাত করে আবার আমায়। কাল বিলম্ব না করে মাঘের শীত উপড়ে ফেলে দৌঁড়ে যাই চিতাস্থলে! সেখানে মোহাচ্ছন্ন মন্ত্র উচ্চারিত হচ্ছে চারদিকে। পুরোহিতগণ ভীষণ ব্যস্ত পবিত্র মন্ত্র আর যজ্ঞাদির কাজে। চিতাশয্যা প্রস্তুত। কাঠের গুড়ির উপর শোয়ানো মৃত ভবতোষ। তার পাশেই চন্দনকাঠ ধুপ এর গন্ধ। ধোয়া, কাছা দেয়া ধুতি পরিহিত খালিগায়ের মন্ত্রকের মুখের মন্ত্র। ব্যস্তসমস্ত চিতায় আগুন দেয়ার মানুষজনের উল্লাসিত পদক্ষেপ। বাসন্তীকে ধরে নিয়ে আসছে ৬/৭ জন সিঁদুর পরিহিত হিন্দু নারী, এরা সবাই ভবতোষের বংশধারার। স্বামীর পাশেই আজ শেষশয্যা হবে বাসন্তীর। প্রচন্ড জোরে ঢাক আর কাসরের শব্দ মাঝে আকাশ বাতাস মুখরিত করে ধ্বনিত হচ্ছে "হরি বোল, হরি বোল"! হাত বাঁধা বাসন্তী আমায় একনজর দেখেই প্রচন্ড শক্তিতে চিৎকার দিয়ে উঠলো কৈশোরিক অকুণ্ঠিত বৃক্ষাবৃন্তের পুষ্পিত শুকনো ফুলের মত! পুরোহিতকে বললাম - "দাদা সহমরণতো ১৮২৯ সালেই লর্ড বেন্টিংক ব্যান করেছে। তো আবার একুশ শতকে এ বর্বরতা কেন? পুরোহিত চোখ পাকিয়ে বললো - "হুজুর আপনের কম্ম নিয়া আপনে থাকেন। বেন্টিংয়ের কথায় আমরা চলুম? আমাদের বেদ-পুরাণে সতীর কথা আছে না"? বললাম - "বলবেন একটু কোথায় আছে? বলুনতো সতীদাহ বিষয়ক মন্ত্র !"
উনি সুর করে পাঠ করলেন - " ইয়ং নারী পতি লোকং বৃণানা নিপদ্যত উপত্ব্য মর্ন্ত্য প্রেতম্। ধর্মং পুরাণমনু পালয়ন্তী তস্ম্যৈ প্রজাং দ্রবিণং চেহ ধেহি"(অথর্ববেদ ১৮.১.৩); ইয়ং নারী পতিলোকং বৃণানা নিপদ্যত উপত্বা মর্ত্য প্রেতম। বিশ্বং পুরাণ মনু পালয়ন্তী তস্যৈ প্রজাং দ্রবিণং চেহ ধেহি" (তৈত্তিরীয় আরণ্যক ৬.১.৩); অথর্ববেদ ১৮.৩.২ তে আছে - "উদীষর্ব নার্ষ্যভি জীবলোকংগতাসুমেতমুপশেষ এহি। হস্তাগ্রাভস্য দিধিষোস্তবেদং পত্যুর্জনিত্বমভি সংবভূব"!
বললাম - "এ মন্ত্রে কোথায় স্ত্রীকে দাহের কথা আছে? বরং স্ত্রীকে আজীবন সুখে রাখার কথা বলা হয়েছে। তোমরা বিকৃত করছো তোমাদের ধর্মবাণী"!
:
অনেক লোক জুটেছে এবার। সহমরণে সতীকাজে নিয়োজিত ধর্মান্ধ সনাতনপন্থীরা আর আমার সাথে অনুগামী হিসেবে আসা সাধারণ মুসলমানগণ। এবার জীবনপণ করে নিরীশ্বরবাদী কামদৃশ্য জাগিয়ে বাসন্তীর একদম কাছে গিয়ে বললাম - "বাসন্তী কেন তুমি তখন আমার হলেনা! তবে কি আজ এভাবে চিতায় জ্বলতে হতো তোমাকে আমি মরলেও? যৌবনবতী জেলেনি বৌয়ের নোন্তা মৌরস পানের মত কি এক অমোঘ রস পানের মাদকতায় বাসন্তী ঢাক আর কাসরের শব্দকে তুচ্ছ করে বলে উঠলো - "হা কিশোর মরতে চাইনা আমি। সহমরণ থেকে বাঁচতে চাই এ পৃথিবীতে। তুমি আমাকে ধর্মান্তরের মন্ত্র শেখাও"! যুগান্তরের স্বপ্নরা এসে হাত ধরে এবার আমার! বোধকে ঝাঁকিয়ে দিয়ে বলে এবার। দুজনের ব্যথিত অতীতেরা গুণেগুণিয়ে গান গাইবে, তাই একেশ্বরবাদী মন্ত্র পড়াও বাসন্তীকে, যদি তাকে বাঁচাতে চাও! এবং তাৎক্ষণিক পথের ঘুম পাহাড়ের নিষ্ঠুরতার মত চিৎকার দিয়ে বলি - তবে পাঠ করো বাসন্তী .... আসহাদুআল লাইলাহা...! মৃতদ্বারে দাঁড়ানো আতঙ্কিত নারীর অনাকাঙ্খিত বিরক্তিভরা কথার বৃষ্টির মাঝে বাসন্তী পাঠ করতে থাকে বার বার কাঁপা কণ্ঠে .... আসহাদুআল লাইলাহা...!
:
জীবন অক্ট্রেষ্ট্রার শব্দ সঙ্গীতে অনন্তকালের মলিনতার ভয়কে কাটিয়ে দৃঢ়তায় দাঁড়াই চিতার সামনে এবার আমি। শীত বাতাসকে ছিন্নভিন্ন করে বলি - "বাসন্তী মুসলিম নারী এখন। সতীদাহ করা যাবে না তার"! ততোক্ষণে এলাকার সকল একেশ্বরবাদীরা সমবেত হয়েছে আমার পাশে। বাসন্তী বাঁচাতে ধর্মকেই বেছে নিলাম আমি যুগ যুগান্তরের ধর্মবিদদের মতই!
:
সনাতন পুরোহিত আর ঢাক কাসরের দম্ভের ক্লেদময় শব্দমালা থেমে যায় নিষ্প্রভ চাঁদ গ্রাসের মত। এক কুসময়ের বজ্রধ্বনি আর উল্কাপাতের মত ভয়াকুল পরিবেশকে পাশ কাটিয়ে বাসন্তীর হাত ধরে টেনে নামাই চিতা থেকে তাকে রাবণপুত্র ইন্দ্রজিতের মত! এ চন্ডাল জীবনের লোকায়ত বিচ্ছিন্ন বিধুর করুণতার গান গাইতে গাইতে সত্যি বাসন্তী হাত রাখে আমার হাতে। দুখময় এ লোহিত দুপুরের তপ্ত রোদ নিরেট একগুচ্ছ স্বপ্নগোলাপে সুভাশিত হয়ে বাসন্তী হাঁটতে থাকে আমার সাথে মাঠের শুকনো ধুলো মাড়িয়ে । সত্যি এ ভয়াকুল সময়ের অলস স্বপ্নেরা কখন উড়ে যায় যেন মনপাখি হয়ে মেঘনার কালো জলে এবার। ক্লান্ত উর্বশীর রক্তবীজে ধেয়ে চলা মেঘমালাদের বৃষ্টি নামে যেন আমাদের শুকনো ধুলোময় পথে। দুখের মুত্যুদিন আর মৃত্যুরাত যেন কান পেতে শোনে বাঁশবনে বাসন্তী আর আমার গান। সেই কৈশোরিক বাসন্তী। আর সেই কৈশোরিক আমি! যার নাম এক কিশোর ছিল!

বিভাগ: 

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

যৌক্তিক ও সুন্দর লেখা!

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ধন্যবাদ!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

খুব সুন্দর যৌক্তিক লেখাটা!

 
সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

Nice write up

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ড. লজিক্যাল বাঙালি
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 30, 2013 - 1:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর