নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঙালী ফকির চাষী
  • দ্বিতীয়নাম
  • বেহুলার ভেলা
  • অাব্দুল ফাত্তাহ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

সৃষ্টিকর্তা মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেননি, সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই (স্টিফেন হকিং)



“কারন মহাবিশ্বের একটি নিয়ম আছে যার নাম “মাধ্যাকর্ষণ”, সেই নিয়মের বাইরে মহাবিশ্ব নিজে থেকে কোন কিছুই সৃষ্টি করতে পারেনা। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সৃষ্টি হবার কোন কারন নেই। মহাবিশ্ব এবং আমাদের অস্তিত্ব আপন আপন গতিতেই বিদ্যমান”

স্টিফেন হকিং আমাদেরকে এই মহাবিশ্ব তৈরির পেছনে বিগ ব্যাং বা একটি বিপর্যয়ের কথা বলেন। অনেকেই স্টিফেন হকিং এর বলা বিগ ব্যাং থিওরী ও গল্পকে মানব সভ্যতার জন্য একটি বিপর্যয় বলে মনে করেন। কারন স্টিফেন হকিং কোন অলৌকিক ঘটনাবলীতে বিশ্বাস করেন না। তাই তিনি শক্তভাবেই বলেন আমাদের এই মহাবিশ্ব তৈরিতে কোন সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরের কোন প্রয়োজন নেই। তবে সৃষ্টি সম্পর্কে মানুষের বহু পুরাতন দাবী “আমাদেরকে ও আমাদের এই মহাবিশ্বকে একজন সৃষ্টিকর্তা বা একজন ঈশ্বর (ধর্ম অনুযায়ী) তৈরি করেছে” যা আজ হঠাৎ করে কেউ ভুল বলার কারনে ঈশ্বরবাদীরা মানতে পারছে না। যুগ যুগ ধরে বিশ্বাস করে আসা একটি জিনিস ভুল বলাতে অনেকের অনুভুতিতে আঘাত লাগছে।

বিজ্ঞান আজ আমাদের দেখিয়েছে বিগ ব্যাং তত্বকে আরো বিস্তৃতভাবে। মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে যে বৃহৎ বিস্ফোরনের কথা বলা হয়ে থাকে সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে যেখানে কোন ভুল নেয় যা সম্পুর্ণ প্রমানিত। বিগ ব্যাং থিউরী দিয়ে যে সময়ের শেষ প্রান্তে গিয়ে চিন্তা করা হয়েছে আজ তাও আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে নতুন কিছু আবিষ্কার করা সম্ভব কিনা। মহাবিশ্ব শুরুর একদম প্রথম সময়ের যে মাইক্রোসেকেন্ড আছে তারপুর্বে কি ছিলো বা কোন সময় ছিলো কিনা তাও পর্যবেক্ষন করে চলেছে বিজ্ঞানীরা। আমাদের মহাবিশ্বের ছায়াপথ আর গ্রহ, নক্ষত্র তৈরির পুর্বে এমন কোন মহাবিশ্ব আগেও ছিলো কিনা তাও কল্পনা করে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে বিগ ব্যাং এর পুর্বে কি ছিলো তার কি কোন নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যাবে ? বা বিগ ব্যাং এর পুর্বে কি বিদ্যমান ছিলো ?

যুগ যুগ ধরে শতাব্দীর পর শতাব্দী মানুষ এই প্রশ্নের জবাব খুজে গিয়েছে, আমাদের মহাবিশ্ব কিভাবে বা কে সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞানী ও দার্শনিকেরা এই জটিল প্রশ্নেরগুলির সমাধান করতে চেষ্টা করেছে। বহু পুর্বে একটি সহজ সমাধান ছিলো, যা কিছুটা ভূতের গল্পের মতো, কোন একজন এসব তৈরি করেছেন। বর্তমানে পৃথিবীর স্বল্পশিক্ষিত বা উন্নত নয় বা ধর্মান্ধ দেশ গুলিতে এখনও এই জাতীয় মনোভাব বিদ্যমান মানুষের ভেতরে। যাদের অনেকেই মহাবিশ্বতত্ববিদ স্টিফেন উইলিয়াম হকিং কে ভালো করে চিনে না। যেমন বাংলাদেশের কথা ধরা যাক। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিবর্তন নিয়ে ছাত্র, ছাত্রীদের কোন শিক্ষায় দেওয়া হয় না, বরং আস্তে আস্তে চুপিচুপি সকল পাঠ্যবই থেকে বিবর্তনবাদ নিয়ে জানা বোঝার যায়গা একেবারেই কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এই দেশের পাঠ্যপুস্তুক বই অনুমোদনকারী সংস্থা হচ্ছে “ন্যাশনাল ক্যারিকুলাম এন্ড টেক্সটবুক বোর্ড” (এনসিটিবি)যারা ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশ করা পদার্থবিদ্যার বই এর ৬৩৪ পৃষ্ঠায় স্টিফেন উইলিয়াম হকিং এর পরিচয় দিচ্ছে ব্রিটিষ তারকা ও অভিনেতা এডি রেডমাইন এর ছবি দিয়ে। তাহলে সেই দেশের শিক্ষার্থীরা আর কতটুকু চিনবে স্টিফেন হকিং কে।

সম্প্রতি গত সোমবার ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর ১৯৬৬ সালের একটি পিএইচডি থিসিস অনলাইনে প্রকাশ করার পর মাত্র কয়েক দিনে তা দেখেছেন ২০ লক্ষেরও বেশি লোক । বলা হচ্ছে, কোন গবেষণাপত্র নিয়ে এত লোকের আগ্রহী হয়ে ওঠা এর আগে আর কখনোই দেখা যায়নি। প্রথম দিনেই এত লোক এটা পড়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটটি ক্র্যাশ করে। ক্যামব্রিজের একজন অধ্যাপক ড. আর্থার স্মিথ বলেন, ‘এটা এক বিরাট ব্যাপার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় যত গবেষণাপত্র আছে তার কোনটিই এত লোক দেখেন নি। হয়তো পৃথিবীর কোথাও এমন ঘটনা ঘটেনি।” কর্তৃপক্ষ বলছে, পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে লোকেরা এটি দেখেছেন। অন্তত ৫ লক্ষ লোক এটি ডাউনলোড করার চেষ্টা করেছেন। ‘সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের বৈশিষ্ট্য’ নামের ১৩৪ পাতার এই থিসিসটি লেখার সময় স্টিফেন হকিং ছিলেন ক্যামব্রিজ ট্রিনিটি হলের পোস্ট গ্রাজুয়েটের ছাত্র।

১৯৬৬ সালে স্টিফেন হকিং এটি লেখেন। তার বয়স তখন ছিল ২৪ বছর। এই সময়ে ও তার পরবর্তি সময়ে স্টিফেন হকিং এর জীবনী কেমন ছিলো তা নিয়ে পরবর্তীতে ২০১৪ সালে পরিচালক “জেমস মার্স” একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেন যার নাম “The Theory of Everything” যেখানে অভিমেতা “এডি রেডমাইন” অভিনয় করেছেন স্টিফেন হকিং এর চরিত্রে। ১৯৬০ সালে স্টিফেন হকিং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় “জেন ওয়াইল্ড” (তার স্ত্রী) এর প্রেমে পড়ে। ২১ বছর বয়সে স্টিফেন হকিং জানতে পারে তার “মোটর নিউরন” রোগ আছে। জেন ওয়াইল্ড তা জানার পরেও স্টিফেন হকিং এর পাশে একজন ডাক্তারের মতো থাকেন। এইসব নিয়েই তৈরি হয়েছে “দ্যা থিউরী অফ এভরিথিং” নামের অসাধারন চলচ্চিত্রটি।

---------- মৃত কালপুরুষ
০১/১১/২০১৭

Comments

Ranjan Bhattacharjee এর ছবি
 

Stphen er mot ponusare santir dhormo tai fake

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর