নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঠমোল্লা
  • সাতাল
  • সৈকত সমুদ্র
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

রোহিঙ্গা (জঙ্গী) বাংলাদেশের নতুন সংযোজিত বিষ ফোঁড়া।


মধ্যরাতে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বাঙালিদের ওপর রোহিঙ্গাদের হামলা-গুলিবর্ষণ।
কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে স্থানীয়দের উপর গভীর রাতে হামলা চালিয়েছে রোহিঙ্গারা। এ সময় রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের উপর গুলিবর্ষণও করেছে দাবি করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য। রোহিঙ্গাদের হামলায় চার বাংলাদেশি আহত হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে আরো ৫ বাঙালি।

শুক্রবার রাত ১ টায় বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের খেলার মাঠ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে বালুখালীতে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের মাঝে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।আহতদের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এমএসএফ পরিচালিত হাসপাতাল ও একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আবছার জানান, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাত পড়েছে বলে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর রোহিঙ্গারা পরিকল্পিতভাবে স্থানীয়দের ওপর হামলা চালায়। এই সময় রোহিঙ্গারা একাধিকবার গুলিবর্ষণ করেছে বলে তিনি জানান।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শিবিরে নলকূপ স্থাপন করা নিয়ে রোহিঙ্গাদের সাথে স্থানীয়দের বিরোধ সৃষ্টি হয়। শুক্রবার রাতে রোহিঙ্গারা ডাকাত পড়েছে বলে রোহিঙ্গা শিবিরের মাইকে মাইকিং করে সংঘবদ্ধ ভাবে স্থানীয়দের উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে উখিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪ জন স্থানীয়কে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের চিহ্ন রয়েছে। তাদেরকে হাসপাতাল প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো অন্তত ৫ জন স্থানীয় নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয়রা তাকে অভিযোগ করেছেন বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান, ‘নিখোঁজ বাংলাদেশিদের উদ্ধারে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল। আহত ব্যাক্তিদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।’

রোহিঙ্গা প্রেমিকদের জন্য আরো কিছু তথ্য:

রোহিঙ্গারা প্রতিদিন পাঁচ লাখ কেজি (৫০০ টন) জ্বালানি কাঠ পোড়াচ্ছে উখিয়া-টেকনাফে।
উদ্বেগজনক এ তথ্য বন বিভাগের। অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে এ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারিভাবে অতি প্রয়োজনীয় জ্বালানি কাঠ বা বিকল্প কোনো জ্বালানি ত্রাণ হিসেবে দেয়া হয়নি। ফলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নিকটস্থ বন সাবাড় করে চলেছে। সদ্য অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে উখিয়া-টেকনাফের বনভূমিতে। তারা বনভূমিতে বসবাসের পাশাপশি গাছ-বাঁশ কেটে তৈরি করছে ঘর-বাড়ি। আর কাঠ ব্যবহার করছে জ্বালানির কাজে। এতে উজাড় হচ্ছে উখিয়া-টেকনাফের বনাঞ্চল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, এভাবে চলতে থাকলে উখিয়া-টেকনাফ থেকে হারিয়ে যাবে বনভূমি। মুছে যাবে সবুজ।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল হলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কাজ ভাগ হয়ে যায়। কয়েকজন থাকে ত্রাণ সংগ্রহের কাজে। আর কয়েকজন জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের জন্য বনে ছোটে। ছোট-বড় গাছ, কচি চারা কোনো কিছুই বাদ যাচ্ছে না এদের হাত থেকে। এভাবে প্রতিদিনই হাজার হাজার নারী-পুরুষ-শিশু নিকটস্থ সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হামলে পড়ছে। স্বল্প সংখ্যক নিরস্ত্র বনকর্মী নিরুপায় হাজার হাজার উশৃঙ্খল রোহিঙ্গাকে সামাল দিতে পারছে না।

বাংলাদেশের সহস্র সমস্যার মধ্যে, একটি ধর্মান্ধ, অশিক্ষিত , অমার্জিত, দীর্ঘ দিন অত্যাচারিত এবং নিগৃহীত রোহিঙ্গা জাতি গোদের উপর বিষ ফোড়া ছাড়া আর কিছুই নয়।
কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বাংলাদেশের নিরিহ মানুষের কাছ থেকে এদের সাময়িকভাবে আলাদা করে রেখে মিয়ানমারে দ্রুত ফেরত পাঠানোর কাজটি হতে পারলেই দেশ যেন আরেকবার মুক্তি পাবে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

হিউম্যানিস্ট বা...
হিউম্যানিস্ট বাই নেচার এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 13 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, এপ্রিল 5, 2017 - 4:57পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর