নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • জিসান রাহমান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আকিব মেহেদী

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

সস্তা, নষ্ট ব্যক্তিত্বের নারীরা


সস্তা, নষ্ট ব্যক্তিত্বের নারীরা-
বাংলাদেশের গ্রামে এবং সাধারণ মধ্যবিত্ত সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে - " পৃথিবীর কোন নারী স্বামীর ভালবাসার ভাগ দিতে পারেনা।" প্রচলিত এই কথাটি সভ্য, সুস্থ সমাজের জন্য সুন্দর একটি কথা। এই কথাটি শুধু সভ্য নারীদের জন্য প্রযোজ্য নয়, পুরুষদের জন্য একইভাবে প্রযোজ্য। আমি দেখেছি, জেনেছি যে, যেসকল পুরুষ প্রেমে পড়ে এবং সুস্থভাবে, ভদ্রভাবে সংসার করতে চায় তারাও প্রেমিকা বা স্ত্রীর ভালবাসার ভাগ কাউকে দিতে পারেনা এবং এসব নিয়ে অনেক সমস্যাও অনেকের দাম্পত্য জীবনে দেখা দেয়।
পুরুষদের চরিত্র নিয়ে অনেকেই খারাপ কথা বলে। মূলত বেশ কিছু উচ্ছৃঙ্খল পুরুষের অসুস্থ, অসভ্য চিন্তা ও কাজের ফলে সব পুরুষকে খারাপ বলা হয়। তেমনি বেশ কিছু সস্তা, নষ্ট ব্যক্তিত্বের নারী আছে যারা অন্যের স্বামী, অন্যের বয়ফ্রেন্ড বা প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক করে অন্য নারীর জীবনকে বিশৃঙ্খলা, এমনকি অমানবিক অবস্থায় ফেলে দেয়।
আমি আমার সমাজে এরকম বেশকিছু ঘটনা দেখেছি যেখানে নারীরা বিবাহিত পুরুষকে লুকিয়ে বিয়ে করেছে এবং প্রথম স্ত্রীর বুকফাটা কান্না অসহ্য ছিল। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগ জায়গায় প্রথম স্ত্রীই সুন্দরী এবং গুণবতীও। যদি কোন নারী সভ্য বিবাহিত পুরুষদের সাথে প্রেম করতে এগিয়ে না আসত অথবা বিবাহিত বা এনগেজড পুরুষকে গোপন বিয়ে বা প্রেমে প্রশ্রয় না দিত তবে সভ্য পুরুষগুলো এক নারী নিয়ে থাকাটাকে অবশ্যই ভাল মনে করত। কিন্তু অনেক ব্যক্তিত্বহীন, নষ্ট চরিত্রের বেহায়া নারী আছে যারা অন্য নারীর স্বামী, প্রেমিককে টাকা, গাড়ী বাড়ি অথবা সামাজিক অবস্থান শক্ত করার জন্য বেছে নেয়। আর এই নারীরা আমার দৃষ্টিতে ঘৃণিত। কারণ এরা মূলত যাকে কেড়ে নেয় তার জীবনকে ভালবাসাহীন ভোগবাদিতায় ভরে দেয় এবং নিজের জীবনও।
অন্যদিক থেকে অনেক বিবাহিত নারী আছে যারা স্বামীর লুচ্চামিকে প্রশ্রয় দেয়। এরকমও দেখা যায় যে, স্বামী যখন অন্য কোন নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে বা গোপনে অন্য নারীকে বিয়ে করে তখন প্রথম স্ত্রী কান্নকাটিসহ বিচার সালিশি বসিয়ে স্বামীর সাথে আবার সম্পর্ক করার জন্য পাগল হয়ে যায়। এই কাজ শুধু গরীব নারীরা করে তাই নয়, বিত্তশালী স্বয়ংসম্পূর্ণ নারীরাও এসব ব্যক্তিত্বহীনতার পরিচয় প্রায়শই দিচ্ছে। কিন্তু যখন কোন স্বামী বা প্রেমিক লুচ্চামি করে বা গোপনে অন্য নারীর সাথে সম্পর্ক করে বা আরও বিয়ে করে তখন প্রথম স্ত্রী বা প্রেমিকার উচিৎ এইধরণের অসভ্য পুরুষদের পরিত্যাগ করা। কারণ এক্ষেত্রে স্বামী বা প্রেমিক পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, প্রথম সম্পর্কটি নিয়ে সে মোটেও সুখী নয়। জোর করে অসভ্যতা হয়, ভালবাসা হয়না।
প্রাকৃতিকভাবে পূর্ণবয়স্ক পুরুষ প্রেম, বিয়ে বা গোপন যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইবেই। কিন্তু ব্যক্তিত্ববান নারীরা সমাজে সভ্য প্রেমিক পুরুষ সৃষ্টিতে সহায়ক।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

তানিয়া ফারাজী
তানিয়া ফারাজী এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, সেপ্টেম্বর 14, 2016 - 11:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর