নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 7 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র
  • অর্বাচীন স্বজন
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

মুহাম্মদ নিজের কথাবার্তাকে আল্লাহর বানী বলে চালিয়েছে


মুসলমান মাত্রই তা সে মৌলবাদী বা মডারেট যেই হোক না কেন , কঠিনভাবেই বিশ্বাস করে কোরান হলো আল্লাহর বানী আর সেই কোরান লওহে মাহফুজে আল্লাহ যেমন করে লিখে রেখেছে, আজকে যে কোরান আমরা দেখি তা হুবহু একই রকম। লওহে মাহফুজের কোরানের সাথে আমাদের বাজারে পাওয়া কোরানের কোনই অমিল নেই, এমন কি দাড়ি কমা ডট ইত্যাদি পর্যন্ত সব হুবহু একই। মুসলমানরা এটা বিশ্বাস কর , কোরানের কোন ইতিহাস না জেনেই। তারা এটা বিশ্বাস করে মোল্লাদের সমবেতভাবে এক পাক্ষিক প্রপাগান্ডার কারনে। তো এবার দেখা যাক , আসল ঘটনা কি ।

কোরান বলেছে ---

সুরা আল বুরূজ- ৮৫: ২১-২২:বরং এটা মহান কোরআন,লওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ।

তার মানে বোঝা যাচ্ছে যাবতীয় সৃষ্টি কাজের আগেই আল্লাহ গোটা কোরানকে লওহে মাহফুজে লিপিবদ্ধ করে রেখেছে। সেই কোরান থেকেই কথিত ফেরেস্তা জিব্রাইল মাঝে মাঝে কিছু বানী পড়ে মুখস্ত করে মুহাম্মদের কাছে আসত , আর সেসব মুহাম্মদকে বলে যেত। পরে মুহাম্মদের কাছ থেকে তার সাহাবিরা সেসব শুনে মুখস্ত করেছে যা পরে সংকলন করে কিতাব আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই কারনেই প্রতিটা মুসলমান বিশ্বাস করে , লওহে মাহফুজে রক্ষিত কোরানের সাথে আমাদের দুনিয়াতে যে কোরান প্রচলিত তার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাদের এই বিশ্বাসটা আরো দৃঢ় হয় যখন কোরান আবার নিজেই বলেছে ---

সুরা হিজর -১৫: ৯: আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।

যেহেতু কোরান নিজেই বলেছে যে আল্লাহ নিজেই কোরান সংরক্ষন করবে , তাই মুসলমান মাত্রই আর কোরানের কোন ইতিহাস খুজতে যায় না , কোন রকম প্রশ্ন ছাড়াই বিশ্বাস করে থাকে যে লাওহে মাহফুজে রক্ষিত কোরানের সাথে বর্তমানের কোরানের কোনই পার্থক্য নেই। তার মানে সমস্যাটা আসলে মুসলমানদের মনের মধ্যে। কোরান নিজেই এই ঘোষণাটা দেয়ার কারনে মুসলমানরা আর কোন ইতিহাস খুজতে যায় না , কোন যুক্তি শুনতে চায় না এবং নিজের মনের অজান্তেই বিশ্বাস করে বসে থাকে যে আল্লাহ সেই কথিত লওহে মাহফুজে রক্ষিত কোরানেরই হুবহু একটা কপি ছাপিয়ে কিতাব আকারে মুহাম্মদের কাছে জিব্রাইল মারফত পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তো তা ঘটে নি। মুসলমানরা আবার একই সাথে বিশ্বাস করে যে , মুহাম্মদের কাছে জিব্রাইল কোরানের বানী মোট ২৩ বছরে এনে পৌছে দিয়েছে, সেই বানী মুহাম্মদের সাহাবিরা মুখস্থ করেছিল , কাঠ বা চামড়ায় লিখে রেখেছিল তারপর মুহাম্মদ মারা যাওয়ার প্রায় ২২ বছর পর খলিফা ওসমান বিভিন্ন সাহাবিদের কাছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোরানের আয়াতগুলোকে সংকলিত করে একটা কিতাব আকারে প্রকাশ করেছিল। এটা একটা ইতিহাস। দেখা যায় ,মুসলমানরা যখন কোরান বিশ্বাস করে তখন তারা এই ইতিহাসটাকে আর গণনার মধ্যে ধরে না। তারা মানতে চায় না যে , মানুষ তো ১০০% পারফেক্ট না , তাই যখন মানুষ কোরানের আয়াত সংকলন করেছিল , তখন তাতে ভুল ভ্রান্তি থাকতে পারে। মানুষ কর্তৃক সংকলিত কোরান কোনভাবেই ১০০% পারফেক্ট হতে পারে না। একটা যুক্তিহীন ও উদ্ভট মানসিকতা মুসলমানরা দেখায় বিশেষ করে কোরানের ক্ষেত্রে।

মুসলমানরা যাই বিশ্বাস করুক না কেন , কোরানের একটা ইতিহাস আছে। আর সেই ইতিহাস বলছে , মুহাম্মদ তার কাছে আসা কথিত বানীকে তার সাহাবীদের কাছে বলত , তারা মুখস্ত করে রাখত বা লিখে রাখত। এসব ঘটনার কথা কিন্তু আবার কোরানে নেই , সেটা থাকার কথাও না। এসব লেখা আছে হাদিসে , সিরাতে। এবার দেখা যাক, সেই ইতিহাস কি বলছে ----

ফাযায়িলুল কুরআন অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬১ :: হাদিস ৫১২
উবায়দুল্লাহ ইব্ন মূসা (র)...... বারা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন," মুমিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে ও যারা স্বীয় ধন-প্রান দ্বারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে , তারা সমান নয় "---আয়াতটি নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ্(সা) বলেন, যায়দকে আমার কাছে ডেকে আন এবং তাকে বল সে যেন কাষ্ঠখন্ড, দোয়াত এবং কাঁধের হাড় রাবী বলেন, অথবা তিনি বলেছেন, কাঁধের হাড় এবং দোয়াত নিয়ে আসে। এরপর তিনি বললেন, লিখ -" যারা ঘরে বসে থাকে ও যারা ------------"। এ সময় অন্ধ সাহাবী আমর ইব্ন উম্মে মাকতূম (রা),রাসূলুল্লাহ্(সা) এর পেছনে বসা ছিলেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তো অন্ধ, আমার ব্যাপারে আপনার কি নির্দেশ? এ কথার প্রেক্ষিতে পূর্বোক্ত আয়াতের পরিবর্তে নাযলি হলঃ “মু’মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয়, অথচ ঘরে বসে থাকে ও যারা আল্লাহর পথে স্বীয় ধন-প্রাণ দ্বারা জিহাদ করে তারা সমান নয়” (৪:৯৫)।

Narrated Al-Bara:There was revealed: 'Not equal are those believers who sit (at home) and those who strive and fight in the Cause of Allah.' (4.95) The Prophet (ﷺ) said, "Call Zaid for me and let him bring the board, the inkpot and the scapula bone (or the scapula bone and the ink pot)."' Then he said, "Write: 'Not equal are those Believers who sit..", and at that time `Amr bin Um Maktum, the blind man was sitting behind the Prophet (ﷺ) . He said, "O Allah's Apostle! What is your order For me (as regards the above Verse) as I am a blind man?" So, instead of the above Verse, the following Verse was revealed: 'Not equal are those believers who sit (at home) except those who are disabled (by injury or are blind or lame etc.) and those who strive and fight in the cause of Allah.' (4.95)
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ‏{‏لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ‏}‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ادْعُ لِي زَيْدًا وَلْيَجِئْ بِاللَّوْحِ وَالدَّوَاةِ وَالْكَتِفِ ـ أَوِ الْكَتِفِ وَالدَّوَاةِ ـ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ اكْتُبْ لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ ‏"‏ وَخَلْفَ ظَهْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَمْرُو بْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا تَأْمُرُنِي فَإِنِّي رَجُلٌ ضَرِيرُ الْبَصَرِ فَنَزَلَتْ مَكَانَهَا ‏{‏لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ‏}‏ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏{‏غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ‏}‏‏"‏
Reference : Sahih al-Bukhari 4990
In-book reference : Book 66, Hadith 12
USC-MSA web (English) reference : Vol. 6, Book 61, Hadith 512

সূত্র : https://sunnah.com/bukhari/66

তার মানে দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ খুব সামান্য সময়ের মধ্যেই আল্লাহর আয়াতকে পাল্টে নতুন আকারে বলছে, অবশ্যই আল্লাহর নাম করেই। কিন্তু আল্লাহর নাম করে বললেও সমস্যা একটা থেকে যাচ্ছে। লওহে মাহফুজে যে কোরান রক্ষিত আছে , সেখানে আসলে উক্ত ৪:৯৫ আয়াত কিভাবে লেখা আছে ? মুহাম্মদ প্রথমে যেভাবে বলেছিল , সেভাবে , নাকি পরে যেভাবে বলল সেভাবে ? নিশ্চয়ই এক ভাবেই লেখা আছে , দুই ভাবে নয়। অথচ মুহাম্মদের কাছে উক্ত আয়াত আসছে দুই ভাবে। সেটা কিভাবে সম্ভব ? এটা একমাত্র সম্ভব যদি মুহাম্মদ নিজের কথাকে কোরানের বানী হিসাবে চালায় তাহলে।

সুতরাং কোরানের ইতিহাসই প্রমান করছে , কোরান কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তার বানী নয় , বরং এটা মুহাম্মদেরই মনগড়া নিজের কথা বার্তা যা সে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহর বানী বলে চালিয়েছে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 19 ঘন্টা 55 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর