নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

ইসলাম হলো মাকাল ফলের মত: বাইরে থেকে দেখতে সুন্দর , কিন্তু ভিতরটা কদর্য


ইসলাম ধর্মের বিধি বিধান যদি উপর থেকে দেখা যায় , তাহলে তা দেখতে খুবই সুন্দর। যেমন সব মুসলমান একত্রে মসজিদে সারিবদ্ধভাবে শৃংখলার সাথে নামাজ পড়ে , সবাইকে নামাজ পড়তে আহ্বান করে , ঈদের সময় সবাই কোলাকুলি করে, একজন আর এক জনের সাথে দেখা হলে সালাম দেয়, দুনিয়ার সকল প্রান্ত থেকে মক্কায় হজ্জে যায় ইত্যাদি। এসব দেখলে মনে হবে ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন ইসলামের চাইতে ভাল ধর্ম আর নেই। কিন্তু আপনি যদি ইসলামের ভিতরে ঢুকতে থাকেন ,কোরান হাদিস সিরাত , তাফসির , ইসলামের ইতিহাস পড়তে শুরু করেন , তাহলে দেখবেন , ইসলামের চাইতে জঘন্য ধর্ম আর দ্বিতীয়টা নেই।

অন্য ধর্মগুলোতে ব্যাক্তি স্বাধীনতা আছে , আপনি চাইলে সেটা পালন করতে পারেন , আবার নাও পারেন। আপনি চাইলে সেই ধর্ম ত্যাগ করতে পারেন। সেই ধর্মের বিধান আপনাকে কল্লা কাটতে বলবে না। কিন্তু আপনি যদি ইসলাম গ্রহন না করেন , তাহলে ইসলাম আপনার বিরুদ্ধে চিরকালের যুদ্ধ ঘোষনা করবে , আর যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করতে বলবে( সুরা তাওবা -৯:৫, ৯:২৯)। আর যদি ইসলাম ত্যাগ করেন , তাহলে তো সাথে সাথেই কল্লা কাটতে বলবে। অন্য ধর্মগুলো নিতান্তই ব্যাক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় , কিন্তু ইসলাম হলো সর্বাত্মক, যা ব্যাক্তিগত , পারিবারিক , সমাজ ও রাষ্ট্র সর্বত্রই নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করে , মানুষকে দাসে পরিনত করে। তখন মানুষ আর স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারে না। প্রতিটা মুসলমানের দায়ীত্ব হয়ে দাড়ায় কল্পিত আল্লাহ ও তার কথিত নবী মুহাম্মদের সন্তুষ্টি কামনার জন্যেই সব কিছু করা। আর সেটাও করতে হবে , মুহাম্মদের দেখান পথেই, এক চুল এদিক ওদিক করার উপায় নেই।

ইসলামের বিধানকে কমিউনিজম - এর সাথে তুলনা করা যায়। বর্তমানে যে কেউ উত্তর কোরিয়ার কথা যদি চিন্তা করেন , দেখবেন , সেখানে প্রেসিডেন্ট কিম উন জং এর কথার বাইরে কোন ভিন্ন মত প্রকাশ করতে পারে না। যদি কেউ করে সাথে সাথেই তাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মারা হয়। কে কিভাবে চলবে , কি বলবে , কি করবে ইত্যাদি সব কিছুই কিম উন জং এর নির্দেশনা মোতাবেক নিয়ন্ত্রিত হয়। সেখানে ব্যাক্তি স্বাধীনতা বলে কিছুই নেই। দেশের প্রতিটা নাগরিকের একমাত্র লক্ষ্যই হলো কিম উন জং এর সন্তুষ্টি অর্জন। অতীতে এরকম বেশ কিছু সমাজ আমরা দেখেছি যেমন - স্ট্যালিনের সময়কার রাশিয়া , ফিডেল ক্যাস্ট্রোর কিউবা , মাও সে তুং এর চীন , সাদ্দামের ইরাক , গাদ্দাফির লিবিয়া ইত্যাদি। এসব দেশের মানুষ আসলে ছিল দাসত্বের শৃংখলে বন্দি। তাদের নিজেদের কোন মন প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না , ছিল না তাদের কোন নাগরিক অধিকার। তারা ছিল সবাই দাস দাসী তবে একটু ভিন্ন মোড়কে। তারা ছিল অনেকটা গৃহপালিত পশুর ন্যায়।

ইসলামী বিধি বিধানও ঠিক সেই রকম মানুষকে দাস ও দাসীতে পরিনত করে । পার্থক্য হলো , এরা দাস বা দাসী হয় ১৪০০ বছর আগেকার এক মরুভুমির মুহাম্মদের। কিন্তু সেটা তারা আবার বুঝতে পারে না। তারা স্বেচ্ছায় ও আনন্দ চিত্তে দাস ও দাসীতে পরিনত হয় ইহকালে গণিমতের মাল এবং পরকালে মদের নহর ও ৭২ টা হুরের লোভে। তারা দাস দাসীতে পরিনত হয় কল্পিত আগুনে পোড়ার ভয়ে।

ইসলাম গান বাজনা , খেলা ধুলা , চিত্ত বিনোদনের সকল রকম বিষয়কে হারাম করেছে। তার মানে আপনি গান গাইতে পারবেন না , কবিতা লিখতে পারবেন না , খেলা ধুলা করতে পারবেন না , দেখতেও পারবেন না , পার্কে বেড়াতে যেতে পারবেন না , এক সাথে বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা দিতে পারবেন না , প্রেমিক প্রেমিকা এক যায়গায় বসে আলাপ করতে পারবেন না। তার মানে জীবনের সব রকম আনন্দ ও বিনোদনের রাস্তা আপনার জন্যে বন্দ। আর সেটা করাটাও অসম্ভব , কারন সারা দিন ও রাতে যদি বার বার নামাজ পড়তে দৌড়াতে হয় , তাহলে বাকী কাজ করবেন কখন ? নামাজের নামে আপনাকে যেটা করতে হবে , আল্লাহ আল্লাহ , মুহাম্মদ মুহাম্মদ বা আল্লাহ ও মুহাম্মদের কাছে উপাসনা করতে হবে , তাদের নাম জিকির করতে হবে। তার মানে প্রকৃত দাস ও দাসীর যেমন কোন আনন্দ উল্লাস করতে নেই , কোন স্বাধীনতা থাকতে নেই , একজন খাটি মুসলমানেরও সেটা থাকতে পারে না একমাত্র খাওয়া পড়া ও স্ত্রীর সাথে মৈথুন করে সন্তান জন্ম দান করা ছাড়া। তার মানে একজন খাটি মুসলমানের জীবনের সাথে একটা গৃহপালিত জন্তুর জীবনের কোনই অমিল নেই।

এরপর ইসলাম আপনাকে বলবে , কেউ যদি ইসলাম ত্যাগ করে তাকে হত্যা করতে , অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদেরকে ইসলাম গ্রহনে বাধ্য করতে , বহু বিয়ে করে হারেম বানাতে , শিশু বিয়ে করে তাকে ধর্ষন করতে , যুদ্ধের সময যে নারী বন্দিনী করা হবে তাদেরকে ধর্ষন করতে , অমুসলিমদের বানিজ্য , ঘরবাড়ী বসতি আক্রমন করে লুটপাট করতে বা ডাকাতি করতে , ইসলামের জন্যে মিথ্যা কথা বলতে বা প্রতারনা করতে , এমন কি পালক পুত্রের বধুকেও বিয়ে করতে বলবে। সব রকম অশান্তি ও অনৈতিক কাজের আদেশ করে , আবার প্রচার করতে বলবে ইসলাম হলো সত্য ধর্ম, ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম - যা কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কখনই করতে পারে না। কিন্তু ইসলামের আল্লাহ ও মুহাম্মদ সাধারন মুসলমানকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রাখে যে, তারা তোতা পাখির মত সেসবই প্রচার করে থাকে প্রতি নিয়ত , রোবটের মত , কিন্তু তাদের সেই উপলব্ধি নেই , চেতনা নেই যে তারা আর মানুষ নেই , হয়ে গেছে তোতাপাখি বা রোবট সদৃশ দাস বা দাসী।

বর্তমান যুগের আদর্শ অনুযায়ী মুহাম্মদ হেন কোন কাজ করে নি যাকে ভাল বলা যায় , মুহাম্মদ তার যৌন বিকৃতি চরিতার্থ করার জন্যে একের পর এক বিয়ে করেছে ১৩ টা পর্যন্ত , ৬ বছরের আয়শাকে বিযে করে তার ৯ বছরের সময় তাকে মুহাম্মদ ধর্ষন করেছে , ইহুদি সর্দার কিনানাকে যে দিন মুহাম্মদ হত্যা করে সেদিনই তার বিধবা স্ত্রী সাফিয়াকে মুহাম্মদ ধর্ষন করে , মুহাম্মদ তার লাম্পট্যের কারনে পুত্র বধু জয়নাবকে বিযে করেছে , মুহাম্মদ নিয়মিত মদিনার পাশে বানিজ্য কাফেলা ডাকাতি করত , কেউ তার সমালোচনা করতে তার কল্লা কাটত , কেউ তার ইসলাম গ্রহন না করলে তাকে আক্রমন করে হত্যা করত , মুহাম্মদ তার কল্পিত আল্লাহর নামে আজগুবি কিচ্ছা কাহিনী প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে , হুর ও মদের লোভ দেখিয়ে ও আগুনের ভয় দেখিয়ে অজ্ঞ ও মূর্খ আরবদেরকে তার বশ্যতা স্বীকার করিয়েছে - কিন্তু এত সব জঘন্য অনৈতিক বর্বর অমানবিক কাজ করার পরেও ইসলাম অনুযায়ী বলতে হবে মুহাম্মদ হলো দুনিয়ার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ , যার আদর্শ সকল যুগের মানুষকে অনুসরন করত হবে। ইসলাম মানুষকে এতটাই ব্যাক্তিত্বহীন বিবেকহীন বুদ্ধিহীন জড়পদার্থে পরিনত করে যে , এর পরেও সাধারন মুসলমানরা মুহাম্মদের এত অপকর্ম সত্ত্বেও তাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ হিসাবেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

আল কায়দা , তালেবান , বোকোহারাম , আই এস ইত্যাদিরা ইসলামের দেখান পথেই ঠান্ডা মাথায় অমুসলিমদেরকে হত্যা করছে , তাদের নারীদেরকে বন্দি করে ধর্ষন করছে , দাসী হিসাবে বিক্রি করছে -কারন সেটাই ইসলাম তাদেরকে শিক্ষা দিয়েছে। এসব অমানবিক বর্বর কাজ করতে তারা কিন্তু একটুই দ্বিধা গ্রস্থ না। এইসব গ্রুপের হাজার হাজার সদস্য যারা ইউরোপ আমেরিকার মত দেশে বড় হয়েছে , যারা ব্যাক্তি স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকারের দেশে বড় হয়েছে , তারাও পর্যন্ত ইসলামের মোহে এতটাই উন্মাদ ও উন্মত্ত হয়ে গেছে যে তারাও তাদের এতকালের শিক্ষাকে ভুলে গিয়ে এই সব অমানবিক বর্বর কাজগুলো করে যাচ্ছে হাসতে হাসতেই।

সুতরাং ইসলাম হলো একটা বর্বর ও অমানবিক আদর্শ যা মানুষকে আসলে বর্বর ও অসভ্য করে গড়ে তোলে। কিন্তু উপর থেকে দেখলে তার কিছুই বোঝার উপায় নেই।

Comments

আব্দুর রহিম রানা এর ছবি
 

এম এন রায়ের 'ইসলামের ঐতিহাসিক ভূমিকা' নামক বইয়ে ইসলামের পিছলামিকে মাথায় তুলেছে।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 16 ঘন্টা 28 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর