নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

ইসলামী পন্ডিতদের দেখান পথেই মুহাম্মদের চরিত্রকে সবার সামনে তুলে ধরা হয়


জাকির নায়েক সহ সকল কথিত ইসলামী পন্ডিতরা সর্বদাই অমুসলিমদের কাছে তাদের ধর্ম যেমন খৃষ্টান , হিন্দু , বৌদ্ধ ইত্যাদি নিয়ে এমন সব কথা বলে যে তাতে তাদের মনে তাদের ধর্ম সম্পর্কে সন্দেহ ঢুকে যায়, তারা খুব ভাল করেই জানে যে , অমুসলিমরা তাদের ধর্মের ব্যপারে ভীষণ অজ্ঞ। অত:পর তাদের সামনে ইসলাম যে কত প্রকারে সন্দেহাতীত ধর্ম সেটার বয়ান করে তাদেরকে ইসলাম গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করা হয়। ইসলামের সমালোচনাকারীরা ইসলামী পন্ডিতদের এই কৌশলটা রপ্ত করেছে। আর তাই তারা সর্বপ্রথমেই মুহাম্মদের চরিত্র নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে সন্দেহ তৈরী ক'রে , তাদেরকে ইসলামের মত একটা অমানবিক অনৈতিক ও বর্বর ধর্ম থেকে দুরে সরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

একথা এখন সবাই জানে যে , মুহাম্মদের জীবনই আসলে ইসলাম। কোরান নামে কথিত যে কিতাব , তার সঠিক বাস্তবায়ন হলো মুহাম্মদের জীবন আর তাই মুহাম্মদের জীবন , তার কার্যকলাপ , তার আদর্শ সব কিছুই ইসলামের বিধি বিধান , কার্য কলাপ ইত্যাদি। সুতরাং যে কেউ মুহাম্মদের জীবনাদর্শ অনুসরন করবে , সেই হবে খাটি মুসলমান। মুহাম্মদের জীবনকাহিনী ছাড়া কোরানের বানীর অর্থ বোঝা অসম্ভব। মুসলমান মাত্রেই দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে , আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া মুহাম্মদ কোন কাজই করতেন না, এবং মুহাম্মদ যখনই কোন সমস্যায় পড়তেন তখনই তিনি আল্লাহর বানীর আশায় বসে থাকতেন , আর আল্লাহ মুহাম্মদের চাহিদা মোতাবেক বানী প্রেরন করত। এখন যদি দেখা যায় , মুহাম্মদ তার জীবনে এমন সব কাজ কারবার করেছে যা বর্তমান যুগের আদর্শ ও নীতির পরিপন্থি , তাহলে সহজেই প্রমান করা যাবে যে , মুহাম্মদের জীবন তথা ইসলাম একটা অকার্যকর ধর্ম এবং তা কোনভাবেই সর্বময় ক্ষমতা ও জ্ঞানের অধিকারী সৃষ্টিকর্তার কাছ থেকে আসতে পারে না , কারন , সৃষ্টিকর্তা নিশ্চিতভাবেই এমন কোন আদর্শের বিধান দেবে না , যা সর্বকালের জন্যে উপযোগী ও প্রযোজ্য হবে না। এবার একটা উদাহরন দেয়া যাক----

মুহাম্মদ দাসী ও বন্দিনী অসহায় নারীদের সাথে যৌনকাজকে কোরানের বানীর নামে ইসলামে বৈধ করেছেন। যেমন -

সুরা আল মুমিনুন-২৩:৫-৬: এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।

উক্ত আয়াত এক দিকে যেমন দাসপ্রথাকে বহাল করে মানুষের চুড়ান্ত অপমান করেছে। তেমনিভাবে দাসীর সাথে যৌনকাজকে তথা দাসীকে ধর্ষন করার বিধান বৈধ করে চুড়ান্ত অনৈতিকতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছে। দাসপ্রথা বহাল না থাকলে দাসী থাকার প্রশ্নই ওঠে না। সুতরাং দাসীর সাথে যৌনকাজের বিধান দেয়ার অর্থই হলো দাসপ্রথা বহাল রাখা।

উক্ত বিধান অনুযায়ী মুহাম্মদ একবার তার এক স্ত্রী হাফসার ঘরে সুন্দরী ও যৌনাবেদনময়ী দাসী মারিয়ার সাথে যৌনকাজ করছিলেন , তখন হাফসা এসে দারুনভাবে রাগান্বিত হয়। হাফসাকে শান্ত করতে গিয়ে মুহাম্মদ প্রতিজ্ঞা করে , যে তিনি আর দাসীর সাথে যৌনকাজ করবেন না। আর তখনই দেখা যায় নাাজিল হয়ে যায় নীচের আয়াত --

সুরা আত তাহরিম -৬৬:১: হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।

তার মানে হলো , স্ত্রীদেরকে খুশি করার জন্যে মুহাম্মদ আল্লাহর বিধানকে কেন লঙ্ঘন করবেন ? মুহাম্মদের উচিত আল্লাহকে খুশি করা , স্ত্রীদেরকে নয়। আল্লাহকে কিভাবে খুশি করা যাবে ? সোজা উত্তর- আল্লাহ যা হালাল করেছে সেটা বাস্তবায়ন করে অর্থাৎ দাসীদের সাথে যৌনফুর্তি করে।

বর্তমান যুগে দাসপ্রথা নেই , তাই দাসীর সাথে সঙ্গম করা বা তাকে ধর্ষন করার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো - কোরান দাসপ্রথাকে বৈধ করেছে , তাই সেটা মুসলমানরা রদ করতে পারে না কোনভাবেই। তাছাড়া মুসলমানরা দাসপ্রথা রদ করেও নি। করেছে অমুসলিমরা। পরে তাদের কারনে জাতিসংঘের মাধ্যমে প্রবল চাপে পড়েই মুসলিম দেশগুলোতে দাসপ্রথা বাতিল করা হয়। তার মানে দেখা যাচ্ছে বস্তুত: অমুসিলমদের চাপে পড়ে মুসলমানরা আল্লাহর দেয়া বিধান দাসপ্রথা রদ করতে বাধ্য হয় , যা বলা বাহুল্য , আল্লাহর বিধানের লংঘন। আল্লাহর বিধান এভাবে লংঘন করে মুসলমানরা চিরকালের জন্যেই আল্লাহর কোপানলে পড়েছে , সেটা কিন্তু মুসলমানরা উপলব্ধি করতে পারছে না। অনেকে মিন মিন করে বলে , দাসপ্রথা ইসলাম দ্বারা প্রবর্তিত নয় বরং তা বহু আগ থেকেই চালু ছিল। ঘটনা সত্য । কিন্তু ইসলাম যে কাজটা করেছে , সেটা হলো সেই দাসপ্রথাকে বৈধ করে সেই চরম অমানবিক প্রথাকে বহাল রেখেছে, কোনভাবেই বাতিল করে নি। ঠিক সেই কারনেই , কোরান বা হাদিস কোথাও বলে নি , অদ্য হতে দাসপ্রথা বাতিল করা হলো।

ইসলাম একই সাথে যুদ্ধের সময় বন্দিনী নারীদের সাথে যৌনকাজকে বৈধ করেছে সুরা নিসা -৪:২৪ নং আয়াতের মাধ্যমে যা বহু সহিহ হাদিস দ্বারা সমর্থিত এবং মুহাম্মদ নিজেই উক্ত বিধান অনুসরন করে খায়বার দখল করার পর ইহুদি সর্দার কিনানার স্ত্রী সাফিয়াকে গণিমতের মাল হিসাবে নিজের ভাগে নিয়ে , যে দিন সাফিয়ার স্বামীকে মুহাম্মদ নির্মমভাবে হত্যা করেছিল , সেই রাতেই মুহাম্মদ সাফিয়ার সাথে রাত কাটায়। কত বড় বর্বর নিষ্ঠুর ও নির্মম হলে এই ধরনের কাজ একজন মানুষ করতে পারে ?তার মানে মুহাম্মদ নিজেই কোরানের উক্ত নিসা ৪:২৪ নং আয়াতের বিধান বাস্তবায়ন করে দেখান যে কিভাবে তার উম্মতরা অত:পর এই বিধানকে বাস্তবায়ন করবে।

বস্তুত: তার সেই আদর্শ ও উদাহরনকে অনুসরন করেই গত দুই তিনচার বছর ধরে , সিরিয়া ইরাকে আই এস নামক খিলাফতের প্রকৃত মুমিনরা ইয়াজিদি , খৃষ্টান ইত্যাদি নারীদেরকে বন্দি করে ধর্ষন করে চলেছে , এমন কি তারা বাজারে দাসী হিসাবে বিক্রিও করেছে।

এভাবেই দেখা যায় , মুহাম্মদ বুড়া কালে শিশু আয়শাকে বিযে করে তার সাথে যৌনকাজ করেছিল যা আসলে ছিল ধর্ষন , এক সাথে ডজনের ওপর স্ত্রী ছিল , মদিনার পাশে সে বানিজ্য কাফেলা ডাকাতি করত , তার যে সমালোচনা করতে তার কল্লা কাটত , এবং এত কিছুর মধ্যে চুড়ান্ত যে অনৈতিকতার প্রমান মুহাম্মদ দিয়েছিল তা হলো - তারই পালিত পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রী জয়নাব তথা পুত্রবধুর সাথে পরকীয়ায় মত্ত হয়ে, একসময় সে কোরানের বানী ( সুরা আহযাব) নাজিল করে , জায়েদকে দিয়ে জয়নাবকে তালাক দিতে বাধ্য করে এবং তারপর মুহাম্মদ নিজেই জয়নাব তথা পুত্রবধুকে বিয়ে করে সোজা তাকে নিয়ে বিছানায় চলে যায়। মুহাম্মদ জয়নাবের সাথে যৌনফুর্তি করার জন্যে এতটাই উন্মত্ত ছিল যে , বিয়ের দিনে , কিছু লোক মুহাম্মদের বাড়ীতে বসে গল্প গুজব করছিল , ফলে মুহাম্মদ জয়নাবের কাছে গিয়ে তার সাথে যৌন লীলা করতে পারছিল না , আর ঠিক সেই কারনেই মুহাম্মদ সাথে সাথে নাজিল করে ----

সুরা আহযাব -৩৩: ৫৭: হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।

মুহাম্মদের ঘরে তখন বহু স্ত্রী ,তারপরেও যে জয়নাবের সাথে যৌনকাজ করার জন্যে এতটাই উন্মত্ত হয়ে গেছিল যে , তার জন্যে মুহাম্মদ আল্লাহর বানী আমদানী করতে বাধ্য হয় কারন লোকজন তার বাড়ীতে বসে গল্প করার কারনে মুহাম্মদ জয়নাবের সাথে যৌনকেলী করতে পারছিল না।

এইসব ঘটনার মধ্য দিয়ে মুহাম্মদের আসল চরিত্র ফুটে ওঠে। আর তখনই বোঝা যায় , কথিত নবী মুহাম্মদ আসলে কোন চরিত্রের লোক ছিল। তখন যে মুহাম্মদের চিত্র ফুটে ওঠে তা হলো - মুহাম্মদ একটা নারী লোভী লম্পট , বহুগামি , শিশু গামী ও ধর্ষক , ডাকাত , চুড়ান্তরকম একনায়ক ও খুনি ইত্যাদি।

এখন কথা হলো - একজন শিক্ষিত মুসলমান যদি মুহাম্মদের এই চরিত্রের পরিচয় জানে তাহলে সে কি আর কখনই ইসলাম অনুসরন করতে পারে ? আর অমুসলিমদের কাছে যদি মুহাম্মদের এই চরিত্রের পরিচয় সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয় , তারাও কি কেউ ইসলাম গ্রহন করবে কোন কালে ?

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 16 ঘন্টা 29 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর