নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

নাস্তিকতা কি ধর্ম অপেক্ষা উত্তম?


আমি আমার এই লেখাটি একটি কল্পিত পরিক্ষা দিয়ে শুরু করবো।
এই পরিক্ষায় অংশ নিতে হলে আপনাকে, ইসলাম, নাস্তিকতা ও খ্রীষ্ট ধর্ম নিয়ে মোটামুটি ধারনা থাকতে হবে।


ধরুন আপনি একটি বিলাশবহুল প্রমোদতরীতে ভ্রমন করছেন, সবকিছু ঠিকভাবে চলছিল যতক্ষন প্রর্যন্ত না প্রমোদতরীটি একটি পাথরের সাথে ধাক্কা খায় এবং ডুবতে শুরু করে এবং সম্পূর্ন ভাবে ডুবে যায়, কিন্তু আপনি বেঁচে যান এবং একটি দ্বীপে এসে পড়েন। আপনি বিদ্ধস্ত এবং আপনার, জল, খাবার এবং আশ্রয়ের প্রয়োজন। আপনি দেখতে পেলেন যে দ্বীপটিতে তিনটি বাড়ি আছে। আপনি ক্লান্ত আপানার জল, খাবার ও আশ্রয়ের প্রয়োজন এবং আপনাকে সেটি এই তিনটি বাড়ির যেকোন একটি বাড়ি থেকে পেতে হবে।

প্রর্থম বাড়িটির দেয়ালে দুজন ইসলামিক পোষাক পরিধান করা শিশুর কোলাকুলি করবার ছবি আঁকা আছে এবং ছবিটির নিচে লেখা আছে, ঈদ মোবারক, যা আপনাকে ধারনা দেয় যে বাড়িটিতে মুসলিম পরিবার বসবাস করে।

দ্বিতীয় বাড়িটিতে একটি যীশুর ছবি আঁকা, এবং টির নিচে লেখ আছে, আমিই পথ সত্য ও জীবন, যা আপনাকে ধারনা দেয় যে বাড়িটিতে খ্রীষ্টান পরিবার বসবাস করে।

তৃতীয় বাড়িটির দেয়ালে ধর্মকে ব্যঙ্গ করে একটি ছবি আঁকা আছে এবং ছবিটির নিচে বড় বড় অক্ষরে লেখা আছে, ঈশ্বর মিথ্যা, যা আপনাকে ধারনা দেয় যে বাড়িটিতে নাস্তিক পরিবার বাস করে।

এখন আমি আপনাকে যে প্রশ্নটি করবো তা হল, আপনি এই তিনটি বাড়ির কোন বাড়িটি, জল, খাবার, ও আশ্রয় চাইবার জন্য প্রর্থম পছন্দ হিসেবে বেছে নিবেন?

আপনি যদি আমার দেয়া এই কল্পিত পরিক্ষার প্রশ্নের উত্তর দিতে আগ্রহি হন তাহলে আপনি সেটি দিতে পারেন। এরকম আবস্থায় পড়লে আমি কোন পরিবারটিকে জল, খাবার, আশ্রয় চাইবার জন্য প্রর্থম পছন্দ হিসেবে বেছে নিবো সেটি এই লেখাটির শেষ দিকে আলচনা করবো।
এখন মূল প্রশ্নে ফিরে আসি, নাস্তিকতা কি ধর্ম থেকে উত্তম?
প্রর্থমেই আমি পরিষ্কার করে নিতে চাই যে এই প্রশ্নটি ঈশ্বরের অস্তিত্ব নিয়ে নয় অথবা নাস্তিকতা ও আস্তিকতার মধ্য কোনটি সত্য সে বিষয়ে নয়।
এমনটি খুবিই সম্ভব যে, নাস্তিকতা সত্য কিন্তু মানবতার জন্য কল্যানকর নয়।
অথবা এমটিও হতে পারে যে, আস্তিকতা সত্য কিন্তু মানবতার জন্য কল্যানকর নয়।

ধরুন, একজন ইসলামিক সন্ত্রাসী, একটি বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছে এবং সামনে যাকে অমুসলিম মনে হচ্ছে তাকেই গুলি করছে, এমন অবস্থায় একজন অমুসলিম ব্যক্তি সেখান থেকে পালিযে এসে একটি মসজিদের ভিতরে আশ্রয় নিয়েছে। অমুসলিম ব্যক্তিটি যে মসজিদের ভিতরে আশ্রয় নিয়েছে এটি সেই মসজেদের ইমাম সাহেব দেখেছেন। কিছুক্ষন পড়েই সেই ইসলামিক সন্ত্রাসীটি সেই মসজিদের সামনে আসলো এবং মসজিদের ইমাম সাহেবকে প্রশ্ন করলো যে তিনি কোন অমুসলিম ব্যক্তিকে মসজিদে ঢুকতে দেখেছেন কিনা।
এখন বিষয় হচ্ছে এই ক্ষেত্রে মানবতার জন্য ভাল বিষয় কোনটি হবে?
১/ ইমাম সাহেব সত্য বলে দিবে এবং মসজিদে আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিটি খুন হবে।
২/ ইমাম সাহেব মিথ্যা বলবেন এবং মসজিদে আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিটির প্রান রক্ষা পাবে।
আমার মতে এই ক্ষেত্রে মিথ্য সত্যর তুলুনায় উত্তম হবে।

যেহেতু মিথ্যার তুলুনায় উত্তম হতে পারে তাই, নাস্তিকতা কি ধর্ম থেকে উত্তম এই প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় আমি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব ও নাস্তিকতা ও আস্তিকতার সত্যতার বিষয়টি এরিয়ে যাবো।
প্রর্থমে আমি মানবতার দিক থেকে নাস্তিকতার আবস্তান কি সেটি নিয়ে আলচনা করবো।

নাস্তিকতা মানবতার জন্য কল্যানকর না অকল্যানকর?

প্রর্থমত নাস্তিকতা নৈতিকতার ব্যাবসা করে না, যদিও আমার জানা সব আস্তিক এই সহজ বিষয়টি ধরতে পারে না, তারা মনে করে নাস্তিকতা নৈতিকতা শেখানোর কোটিং সেন্টার খুলে বসেছে কিন্তু ব্যাপাটি সত্য নয়। নাস্তিকতা আপনাকে বলে না কোনটি নৈতিক কোনটি অনৈতিক।
নাস্তিকতা কাউকে বলে না এটি করা উটিৎ এবং এটি করা উচিৎ নয়।
তাহলে নাস্তিকতা কিভাবে নিজে থেকে কল্যানকর বা অকল্যানকর হতে পারে?
নাস্তিকতা ভাল যখন নাস্তিকতাকে নোংরা কোন বিষয়ের সাথে তুলুনা করা হয়।
নাস্তিকতা মন্দ যখন নাস্তিকতাকে উত্তম কো্ন বিষযের সাথে তুলুনা করা হয়।
আমরা যদি কল্পনা করি যা কিছু মানবতার জন্য কল্যানকর তার গুরুত্ব আনুযায়ি একটি গানিতিক মান আছে যেমন ১,২,৩,৪,৫,
আবার যদি মনে করি মানবতার জন্য যা কিছু অকল্যানকর তার গুরুত্ব অনুযায়ি একটি গানিতিক মান আছে, -১,-২,-৩,-৪,-৫,
তাহলে এমন ক্ষেত্রে নাস্তিকতার গানিতিক সংখ্যা হবে, ০ কারন নাস্তিকতা মানবতার জন্য ক্ষতিকর বা উত্তম কোনটিই নয়।
নাস্তিকতার সাথে মানবতার সম্পর্ক নিয়ে আমার মনতব্য হচ্ছে।
যখন নাস্তিকতার প্রশ্ন আসে তখন নাস্তিকতা শুধু সত্য বা মিথ্যা হতে পারে, কিন্তু নাস্তিকতার ভাল বা মন্দ হবার সক্ষমতা নেই।

নাস্তিকতা কি ধর্ম অপেক্ষা উত্তম?

মনে আছে নিশ্চয় নাস্তিকতা ভাল হতে পারে যখন এটিকে কোন মন্দ বিষয়ের সাথে তুলুন করা হয়।এক্ষন প্রশ্ন হচ্ছে, ধর্ম কি মানবতার জন্য কল্যানকর না অকল্যানকর?
এই প্রশ্নটিতে একটি সমস্যা আছে, প্রশ্নটি ধরেই নিয়েছে যে হয় সব ধর্ম হয় মানবতার জন্য কল্যানকর হবে নয়তো সব ধর্ম মানবতার জন্য অকল্যানকর হবে, যা কোন মতেই সত্য নয়।

ধরুন কোন ধর্ম শুধু দুটি বিষয় শেখায়।

১/ একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আছেন যিনি মৃতুর পরে তার আদেশ পালন করা লোকদের পুনুরুত্থিত করবেন এবং ভাল রাখবেন এবং তার আদেশ পালন নাকরা ব্যক্তিদের পুনুরুত্থিত করে পাপের ধরন আনুযায়ি শাস্তি দিবেন।
২/ সৃষ্টিকর্তার আদেশ হচ্ছে মানুষ যেন ধর্ষন, খুন, চুরি, ডাকাতি, এবং অন্যান্য আপরাধ মূলক না করে, সুতরাং এই ধর্ম মতে যারা অপরাধ মূলক কাজের সাথে জড়িত না হয় তারা পুনুরুত্থিত হয়ে আনন্দে থাকবেন, এবং যারা এসব অপরাধ মূলক কাজের সাথে যুক্ত থাকবেন পুনুরুত্থানের পরে তাদের অপরাধের ধরন অনুযায়ি শাস্তি পাবেন।
আমি এমন ধর্মকে কল্যানকর বলবো।

আবার ধরুন পৃথিবীতে এমন একটি ধর্ম আছে যা শুধু তিনটি বিষয় শিখায়।
১/ একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আছেন যিনি মৃত্যুর পরে তার আদেশ পালন করা লোকদের তিনি পুনুরুত্থিত করবেন এবং ভাল রাখবেন ও তার আদেশ পালন না করলে তাদের অনন্তকাল আগুনে পুড়বে।
২/ সৃষ্টিকর্তা চান যে সব মানুষ যেন কালো মানুষদের হত্যা করে।
৩/ যে কালো মানুষদের হত্যা করবে সে স্বর্গে যাবে যে করবে না আগুনে পুড়বে।
আমি এমন কোন ধর্মকে মানবতার জন্য অকল্যানকর ধর্ম বলবো।
তাই এমনটি হতেই পারে যে কিছু ধর্ম মানবতার জন্য কল্যানকর কিছু ধর্ম মানবতার জন্য অকল্যানকর।

এখন আমি পৃথিবীর বৃহৎতম ( সংখ্যার ভিত্তিতে ) দুটি ধর্ম ইসলাম ও খ্রীষ্ট ধর্মে নিয়ে তুলুনামূলক আলচনা করবো।
আমি এই আলচনা করবো আমার লেখার শুরুতে যে কল্পিক পরিক্ষার যে প্রশ্নটি দিয়েছিলাম সেটির উত্তর দেবার মাধ্যমে।

আমি যদি কোনভাবে একটি দ্বীপে গিয়ে পড়ি এবং আমি, ক্লান্ত আমার জল, খাবার ও আশ্রয়ের প্রয়োজন এবং আমার কাছে জল, খাবার, ও আশ্রয় চাইবার জন্য তিনটি পরিবার আছে এবটি মুসলিম পরিবার, একটি খ্রীষ্টান পরিবার, একটি নাস্তিক পরিবাব, আমি কোন পরিবাটির কাছে প্রর্থমে জল, খাবার ও আশ্রয় চাইবো?

প্রর্থমত আমি, মুসলিম পরিবারটির কাছে না যাবার চেষ্টা করবো, কারন আমি জানি কোরনের সূরা আত তাওবাহ ( মদীনায় অবতীর্ণ ) এর ২৯ নম্বর আয়াতে বলা আছে যারা আল্লাহু, শেয় বিচার, ও আল্লাহু ও মুহাম্মদ যা হারাম করেছে তা হারাম না করে তাদের সাথে যুদ্ধ করতে বলেছে।قَاتِلُواْ الَّذِينَ لاَ يُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَلاَ بِالْيَوْمِ الآخِرِ وَلاَ يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللّهُ وَرَسُولُهُ وَلاَ يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُواْ الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। এখন যদি সেই মুসলিম পরিবারটি কোরানের শিক্ষা কে সঠিভাবে পালন করে তাহলে আমার সাথে যুদ্ধে জড়াবে, কারন আমি একজন অজ্ঞেয়বাদী হিসেবে আল্লাহুকে স্বিকার করি না, শেষ বিচারকেও স্বিকার করি না, এবং আল্লাহু ও মুহাম্মদ যা হারাম করেছে তা হারাম করিনা। সুতরাং সেই মুসলিম পরিবারটি থেকে আমার জল, খাবার, আশ্রয় পাবার সুজগ তখনই হতে পারে যে পরিবারটি ইসলামকে অনুসরন করে না। তারা নিজেদের মুসলিম বলে, কিন্তু আসলে তারা সত্যিকারের মুসলিম নয়, তারা কোরানকে অনুসরন করে না।এক কথায় বিষয়টি হল আমি তখনি ঐ মুসলিম পরিবারটি খেকে জল, খাবার, ও আশ্রয় আশা করতে পারি যদি তারা খারাপ মুসলমান হয়।

দ্বীতিয়ত, যখন নাস্তিক পরিবারটির কথা আসে, আমার খারাপ কিছু চিন্তা করবার কোন কারন নেই, আবার জল, খাবার ও আশ্রয় পাবার ব্যাপারে আশাবাদী হবারও কোন কারন নেই। আমার নাস্তিকতা সম্পর্কে যে জ্ঞান আছে তা আমাক ঐ নাস্তিক পরিবারটি সম্পর্কে কিছুই বলে না। সুতরাং নাস্তিক পরিবারটি আমার দেখা সবচেয়ে জঘন্য মানুষের সাথে পরিচয় ঘটাতে পারে। আবার আমার দেখা সবচেয়ে উত্তম মানুষের সাথেও পরিচয় ঘটাতে পারে। আমি জানি যে নাস্তিক পরিবারটি যে কোন কিছু হতে পারে। সুতরাং এই নাস্তিক পরিবাটিকে মানবিক হতে হবে যদি আমকে তাদের কাছথেকে জল, খাবার, আশ্রয় পেতে হয়।এক কথায় বললে নাস্তিক পরিবারটিকে উত্তম মানবিক গুন সম্পন্ন মানুষ হতে হবে যদি আমাকে তাদের কাছ থেকে সাহায্য পেতে হয়।

তৃতীয়ত, যদি কোন কারনে আমাকে একটি দ্বীপে, জল খাবার ও আশ্রয়ের জন্য একটি মুসলিম পরিবার একটি নাস্তিক পরিবার ও একটি খ্রীষ্টান পরিবারের মধ্য বাছাই করতে হয় আমি সবসময় খ্রীষ্টান পরিবারটিকে বাছাই করবো। কারন আমি জানি বাইবেলের রোমীয় ১২ এর ২০ পদে লেখা আছে।কিন্তু তোমরা এই কাজ কর, ‘তোমাদের শত্রুরা ক্ষুধার্ত হলে তাকে খেতে দাও, তোমাদের শত্রু তৃষ্ণার্ত হলে তাকে জল পান করাও। এই রকম করলে তোমরা তাকে লজ্জায় ফেলে দেবে।’আর তা হবে তার মাথায় একরাশি জ্বলন্ত কয়লা রাখার মতো।সুতরাং আমি জানি যে পরিবারটি যদি সত্যিই খ্রীষ্ট ধর্ম অনুসরন করে তাহলে আমাকে জল, খাবার ও আশ্রয় দিবে, যদিও আমি খ্রীষ্ট ধর্মকে মিথ্যা দাবি করি, বাইবেলে বর্নিত যীশুর অলৌকিক কাজে ও পুনুরুত্থানে বিশ্বাস করি না।

এক কথায় বললে তাদেরকে শুধু তাদের দাবী মতো খ্রীষ্ট ধর্মের অনুসারি হতে হবে তাহলেই আমি জল, খাবার ও আশ্রয় পাবো।

তো এই ক্ষেত্রে আমার মতো কেউ যে কোন ধর্মে বিশ্বস করে না, এবং দাবি করে সব ধর্ম মিথ্যা তাকে যদি একটি মুসলিম পরিবার বা একটি নাস্তিক পরিবার বা একটি খ্রীষ্টান পরিবারের কাছ থেকে জল, খাবার, ও আশ্রয় পেতে হয় তাহলে নিচের তিনটি বিষয় মিলতে হবে।

১/ মুসলিম পরিবাটি কথিত মুসলিম আসলে তারা কোরানের শিক্ষা পালন করে না, এবং তারা উত্তম মানবিক গুন সম্পন্ন।
২/ নাস্তিক পরিবাটি উত্তম মানবিক গুন সম্পন্ন।
৩/ খ্রীষ্টান পরিবারটি তাদের দাবী মতো খ্রীষ্ট ধর্মের অনুসরন করে।

তো এখন বিষয় হচ্ছে,, নাস্তিকতা কি ধর্ম অপেক্ষা উত্তম?

এই প্রশ্নটির উত্তর হচ্ছে, বিষয়িটি নির্ভর করে আপনি কোন ধর্মটির সাথে নাস্তিকতাকে তুলনা করছেন।

Comments

প্রনব হাওলাদার এর ছবি
 

লেখাটা আংশিক গোঁজামিল করে ফেলাইছেন।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মাইকেল অপু মন্ডল
মাইকেল অপু মন্ডল এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2017 - 4:17অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর