নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • এলিজা আকবর
  • পৃথ্বীরাজ চৌহান
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

লাভ জেহাদ কি এবং এর যথার্থতা কতটুকু ?


ভারতে গত উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের সময়কালে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠন লাভ জেহাদ ইসুটি তুলে ধরে। লাভ জেহাদ কথার অর্থ বলতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি বোঝাতে চাইছে -মুসলিম পুরুষরা হিন্দু নারীদের ফুসলিয়ে ফুসলিয়ে তাদের বিয়ে করে হিন্দু থেকে মুসলমান হিসাবে ধর্মান্তরিত করে এবং নারী স্বাধীনতা হরণ করে তাদের বোরখার মধ্যে আবদ্ধ করে। এই বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়াতে আলোচনা হয়েছে, বহু পত্রপত্রিকাতে লেখালেখি হয়েছে বিস্তর। তবে তাদের বেশিরভাগই বড্ড বেশি একদেশদর্শী সমলোচনা। তাই প্রকৃত সত্য তুলে ধরার নৈতিক কর্তব্য বোধ থেকেই এই লেখার উন্মেষ। এই লেখাটিতে লাভ জেহাদ সম্পর্কে চুলচেরা বিশ্লেষণ করব। বিশেষ করে যারা নতুন করে প্রাণের মানুষের সঙ্গে জীবন চলা শুরু করতে ইচ্ছুক এ লেখা তাদের জন্য, তারা যদি এ লেখা পড়ে উপকৃত হন, তাহলেই আমার এই লেখা প্রকৃত অর্থে স্বার্থকতা লাভ করবে ।

এখন প্রশ্ন হল লাভ জেহাদের আদৌও কি কোন অস্তিত্ব আছে? এর উত্তরে বলতে হয় মুসলমান পরিবারে জন্ম হওয়ার সুবাদে জানি এবং দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি লাভ জেহাদের বাস্তব ভিত্তি আছে ।ছেলেবেলা থেকেই দেখে এসেছি বেশ কিছু মোল্লা এলাকার মানুষদের কাছে এই রকম প্রচার করত -" যদি তুমি কোন হিন্দু নারী বা অন্য কোন ধর্মের নারীদের বিয়ে করে তাদের দ্বীনই ইসলামে দীক্ষিত করতে পার তাহলে তুমি অনেক সোয়াব পাবে বা নেকি হাসিল হবে এবং জান্নাত নসিব হবে "। শুধু তাই নয় পরিচিত বন্ধুর মতো এক মধ্যবয়স্ক লোক একদিন বলেন -"মোল্লারা বলেছেন হিন্দু মেয়েদের সঙ্গে যা ইচ্ছা তাই করা যায়। ওরা বে-জাতের মেয়ে তাই ওদের সঙ্গে যত ইচ্ছা আনন্দ ফুর্তি কর তারপর ছেড়ে দাও এতে কোন গোনা হবে না "। তাহলে বুঝতে পারছেন কি ইসলাম অন্য ধর্মের নারীদের কি রকম চোখে দেখে?

তার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নমুনা পাওয়া যায় আমাদের পেয়ারের নবীজীর জীবন দর্শন থেকে ।আমাদের কলিজার টুকরো নবী মোহাম্মদ -ইহুদি ও অন্যান্য গোত্র গুলিকে খুন করে (বনুনাদি ,বনু কুরাইকা ,বনু কুরাইজা ইত্যাদি ) তাদের নারীদের ধর্ষণ করত (সাফিয়া, রায়হানা, জাওহিরা ইত্যাদি )। যদিও মুমিন ভাইয়েরা এগুলিকে বিয়ে বলে চালিয়ে দিতে চাই। মুমিন ভাইয়েদের কাছে প্রশ্ন লজ্জা বলে কি কোন বস্তু নেই আপনাদের ? যে নারীর পিতা ,স্বামী সহ পুরো গোত্রের সকলকে খুন করেছে -মহাম্মদ ও তার খুনি বাহিনী ।সেই নারী কি তার পিতা, স্বামী ও গোত্রের খুনির সঙ্গে বিয়ে করতে এবং সেই রাতেই তার সঙ্গে যৌনসঙ্গম করতে ইচ্ছুক হবে? আপনাদের মানবিকতা কি বলে? আপনাদের বিবেক কি বলে ? যদিও মুমিন ভাইয়েরা বলে থাকেন নবীর প্রেমে মুগ্ধ হয়ে ওই নারীগুলি নবীর পত্নী হয়েছিল ।

তাই নাকি মুমিন ভাইয়েরা ! বিষয়টি অন্যভাবে নেবেন না শুধু বোঝাবার উদ্দেশ্যে বলছি ।মনে করুন কোন অঞ্চলের অজ্ঞাত দস্যুরা এসে আপনার পরিবারের সকলকে খুন করল , এমনকি আপনাকে পর্যন্ত ও খুন করল এবং আপনার স্ত্রীকে ও তুলে নিয়ে গেল ।তাহলে আপনার স্ত্রী কি ওই দস্যুকে ভালোবাসবে না ঘৃণা করবে ? এখন আপনার স্ত্রীকে যদি কেউ ওই দস্যুর পত্নী বলে চালিয়ে দিতে চাই তা কি যথার্থ হবে ? একে আপনি কি বলবেন বিবাহ না ধর্ষণ ? এখন আপনার দৃষ্টিতে ওই দস্যু যদি খুনি ,ধর্ষক ,লুচ্চা হয় তাহলে একই যুক্তিতে একই রকম কর্মের জন্য আপনি মাহম্মদকে খুনি ,ধর্ষক ,লুচ্চা বলছেন না কেন ? আসলে আপনারা এগুলি বলছেন না কারণ-আপনাদের অজ্ঞতা ,প্রশ্ন করলেই ঈমান নষ্ট এবং জান্নাতের লোভ ও জাহান্নামের ভয় থেকেই আপনারা নিজের বিবেক ,বুদ্বিকে মোহাম্মদের মিথ্যা ও ভন্ডামির কাছে বন্ধক দিয়ে রেখেছেন ।

শুধু তাই নয় মহম্মদ তার সঙ্গী সাথীদের যুদ্ব করার জন্য উত্সাহ দিত ,তারা যুদ্বে পরাজিত গোত্রের সম্পদ লুঠ করতো এবং গনিমতের মাল হিসাবে তাদের নারীদের ধর্ষণ করত ।এই বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় কোরানের সূরা নিসার 24 নং আয়াতে ।এখানে বলা হয়েছে -"এবং নারীদের মধ্যে তাদের ছাড়া সকল সধবা স্ত্রী লোক তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ ,তোমাদের দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক হয়েছে "(সূরা নিসা 24 নং আয়াত বা 4:24)।এই আয়াতে আল্লা নারীদের মধ্যে দক্ষিণ হস্ত যাদের মালিক তাদের হালাল করেছেন ।এখানে দক্ষিণ হস্ত বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে ? এখানে দক্ষিণ হস্ত বলতে যুদ্ধবন্দি নারীদের সঙ্গে যৌন সঙ্গমকে কোরানের আল্লা জায়েজ করেছেন । তাহলে বুঝতে পারছেন কি কোরানের আল্লা ও মহাম্মদের মত কত বর্বর ও কত নিষ্ঠুর ? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কোরানের আল্লা কোন সৃষ্টিকর্তা নয় এটি মোহম্মদের এক বর্বর সৃষ্টি ।তাই ইসলামি মতাদর্শ অনুযায়ী অন্য ধর্মের মানুষকে হত্যা করা এবং তাদের নারীদের ধর্ষণ করা সবই হালাল ।তাই মুসলিমরা নবীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে যুগে যুগে অন্য ধর্মের মানুষদের হত্যা করেছেন ও তাদের নারীদের গনিমতের মাল হিসাবে ভোগ করেছে এবং ধর্মান্তরিত করে মুসলিম বানিয়েছে ,যা ইসলামি ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় রূপে চিন্হিত হয়ে আছে ।

তবে বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে একথা বলা যায় -অন্য ধর্মের মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার প্রচেষ্টা নিয়ে প্রেম পর্ব শুরু করে এরকম মুসলিমদের সংখ্যা একে বারেই নেই তা বলবো না ,তবে তা খুবই নগণ্য (1000-1 জন হবে হয়তো )।প্রকৃত পক্ষে মানসিক দিক থেকে অসুস্থ ,জেহাদী ,জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ছাড়া এই রকম ঘৃণ্য চিন্তা সাধারণত কেউ করে না ।তাই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই এক ধর্মের মানবের সঙ্গে অন্য ধর্মের মানবীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।

এখন প্রশ্ন হল হিন্দু নারীরা মুসলিম যুবকদের প্রতি আকৃষ্ট হয় কেন ? এ প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয় -নারীরা সাধারণত সাহসী ও স্বতঃস্ফূর্ত তেজী যুবক পছন্দ করে ।মুসলিমদের মধ্যে এই গুণাবলীগুলি সহজাত দেখা যায় ।সেই সঙ্গে মুসলিমরা আদি মধ্য এশিয়া থেকে এসেছে তাই এরা দীর্ঘাঙ্গি ,গৌরবর্ণ ও সুশ্রী চেহারার অধিকারী হয় যা যে কোন নারীকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম ।যদিও বর্তমানে ভারতবর্ষে বহু মুসলমান দেখা যায় যারা কৃষ্ণকায় বর্ণের ,এরা প্রধানত ভারতের অনার্য অধিবাসী যারা পরবর্তিকালে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়েছে ।এরই সঙ্গে আর একটি বিষয় জড়িত মুসলিম যুবকরা খুব তাড়াতাড়ি নারীদের সঙ্গে মিশতে পারে ।তাদের হাসাতে পারে ,গল্প করতে পারে ,আনন্দ দিতে পারে যে থেকে হিন্দু নারীদের এই মুসলিম যুবকদের প্রতি ভালোবাসা তৈরী হয় ।মোদ্দা কথা হল স্মার্ট ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে যা মুসলমান যুবকদের মধ্যে সহজাত দেখা যায় ।তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য অশিক্ষিত ,মূর্খ মুসলমান যুবকদের মধ্যে অজ্ঞতা ও কুশিক্ষার বহির্প্রকাশ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায় ।

এখন প্রশ্ন হল মুসলিমদের মধ্যে এই গুণাবলি গুলি কেন সহজাত এবং হিন্দুদের মধ্যে কেন তা অর্জিত দেখা যায় ? প্রথমেই একথা বলে নেওয়া ভাল নিশ্চয় হিন্দুদের মধ্যে ও এই রকম গুণাবলি সমৃদ্ধ বহু পুরুষ মানুষ আছেন ।তবে সাধারণত হিন্দুদের উক্ত গুণাবলি গুলি অর্জন করতে হয় ,কিন্তু প্রশ্ন হল তা কেন ? এর উত্তর নিহিত আছে শিশুর বেড়ে ওঠার পরিবেশের মধ্যে ।একটি হিন্দু বাড়ির শিশু যখন বড় হয় তখন তার পরিবার থেকে তার প্রতি অনেক বেশি যত্ন নেওয়া হয় ।উন্নত মানের স্কুলে পড়াশোনা করানো হয় এবং তাদের উপর সদা সর্বদা তিক্ষ্ণ নজর রাখা হয় ,এটা কোর না ওটা কোর না ইত্যাদি করে বাধা দেওয়া হয় যা তার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হয় ।ঠিক একই কথা প্রযোজ্য গরীব হিন্দু বাড়ির শিশুর ক্ষেত্রে ও তারা হয়ত অত উন্নত মানের স্কুলে পড়াশোনা করার সুযোগ পায় না ,তবুও তাদের পরিবার তাদের পড়াশোনার প্রতি যত্ন নেয় ।নিজেরা এক বেলা না খেয়ে হলেও নিজের সন্তানদের সু শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করে ।

তাই হিন্দু বাড়িতে বেড়ে ওঠা শিশুদের নিজস্ব একটা জগৎ তৈরী হয় ,সেই জগৎ এর বাইরে তারা খুব একটা পরিচিত নয় ।তাই তারা হয়ত ডাক্তার ,ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক ইত্যাদি অন্য পেশাগত দিক থেকে অনেক উচচ স্থানে যেতে পারে কিন্তু সমাজ ও পরিবেশ থেকে আমরা যে শিক্ষা অর্জন করি তা অনেক ক্ষেত্রেই বঞ্চিত থেকে যায় । তার স্পষ্ট ছাপ দেখতে পাওয়া যায় তাদের ব্যাক্তিত্ব গঠনের ক্ষেত্রে ।দেখা যায় ব্যাক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ গড়ে ওঠে না ।তাই বর্তমান প্রজন্মের অনেক আভিজাত্য হিন্দু পরিবারে সন্তানদের দেখা যায় তারা ভোগ বিলাসে চরম মত্ত ।তারা বাস্তবের রুক্ষ পৃথিবী দেখেই নি ,তাই তারা হোঁচট খায়নি এবং হোঁচট খেলে কিভাবে উঠে দাড়াতে হয় তা তারা শেখেই নি ।তাই তাদের মধ্যে আত্তমর্যাদা বোধের অভাব দেখা যায় যা থেকে হীনমান্যতা বোধ দেখা যায় এবং তারা ছোট ছোট বিষয়ে ভেঙ্গে পড়ে (যেমন -পরীক্ষায় ফেল করলে আত্তহত্যা ,কেউ বকলে আত্তহত্যা ইত্যাদি ) এবং রক্ত দেখলে ভয় পায় ।এর ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে কিন্তু বর্তমান সময়ে হিন্দু সমাজের নতুন প্রজন্ম এই ভাবেই বেড়ে উঠছে । রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হয় -"অনাদর ও এক মস্ত স্বাধীনতা "।তাই হিন্দু সমাজের এই নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শিশু খাঁচার পাখির মতো বড় হয় ।

অন্যদিকে মুসলিম পরিবারের বিষয়টি ভিন্ন ।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় শিশু প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী তাই তারা যা ইচ্ছা বিষয় নিয়ে শিক্ষালাভ করে ।বাড়িতে সু-শিক্ষা অর্জনের বিষয়ে বিশেষ কোন বাধ্যবাধকতা নেই ,অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় পরিবারের মানুষরা শুধু ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করলেই খুশি ।আসলে দ্বীনের শিক্ষা পেলে জান্নাত নাসিব হবে এতেই তারা খুশি । যেহেতু অবিভাবকরা শিক্ষা সম্পর্কে খুব বেশি সচেনত নয় সেহেতু এখানে শিশুরা নিজের ইচ্ছা মতো বেড়ে ওঠার সুযোগ পায় যা তাদের সমাজের থেকে শিক্ষা অর্জনের বেশি সুযোগ করে দেয় ।রবীন্দ্রনাথের ভাষায় -"অনাদর এক মস্ত স্বাধীনতা "।যার ফলে শিশুরা অল্প বয়স থেকেই সমাজ সচেতন হয়ে ওঠে ।আসলে আমরা সবথেকে বেশি শিখি সমাজ ও পরিবেশ থেকে । যে যত সমাজে মিশবে সে তত শিখবে ।পুঁথিগত বিদ্যার নিশ্চয় গুরুত্ব আছে কিন্তু আসলে আমরা সমাজ ও পরিবেশ থেকেই জীবনের শিক্ষা অর্জন করি ।ঠিক এই জায়গাতেই মুসলমান সন্তানরা সমাজ থেকে বেশি শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায় অন্য দিকে হিন্দু শিশুরা পুঁথিগত বিদ্যায় পারদর্শী হলেও সমাজ থেকে শিক্ষা অর্জনের বিষয়ে বঞ্চিত থেকে যায় যা তাদের ব্যক্তিত্ব অর্জনে বাধা স্বরূপ সৃষ্টি হয় ।

আবার মুসলমান শিশুরা প্রতি বছর কুরবানীর সময় পশু জবাই দেখে ।তারা দেখে একটি পশুকে বেঁধে ফ্যাস করে গলা কাটা হয় এবং সেই সঙ্গে ঘড় ঘড় করে রক্তের বন্যা বয়ে যায় ।এই কুরবানী থেকে শিশু হিংস্রতা ও বর্বরতা শেখে যা শিশুর কোমল মনকে ধ্বংস করে দেয় এবং শিশু অনেক তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যায় ।এই রক্ত দেখতে দেখতে শিশু উগ্র ,হিংস্র ,বর্বর হয়ে ওঠে ।

আসলে মুসলমানরা যুদ্ব প্রবণ জাতি ,তাই কুরবানীর মধ্য দিয়ে এই হিংস্র আচরণ প্রজন্মের পর প্রজন্ম বয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।তাই ছেলেরা রক্ত দেখে ভয় পায় না এবং সাহসী হয়ে ওঠে ।আবার মেয়েরা সাহসী পুরুষ পছন্দ করে কারণ এতে নিজেদের ক্ষমতা ও মর্যাদাবোধ খুঁজে পায় তাই হিন্দু নারীরা মুসলিম যুবকদের প্রতি আকৃষ্ট হয় ।অন্যদিকে আবার মুসলিম যুবকদের মধ্যে তেজি ভাব লক্ষ্য করা যায় ।এর প্রধান কারন নিহিত আছে খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে ।কারন -মুসলমানরা প্রায় সর্বক্ষনই খাদ্যের মধ্যে -মাছ ,মাংস ,মুরগি ,ডিম ,দুধ ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে ।যার ফলে শরীরে উপযুক্ত পুষ্টির যোগান পাওয়া যায় এবং শরীরে তেজি ভাব দেখা যায় ।

অন্যদিকে বাঙালি হিন্দু বাড়িতে সপ্তাহের দু-তিন দিন নিরামিষ ।তবে মাছ ,মাংস ,ডিম ,দুধ ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করা হলেও তাহয় সীমিত পরিমানে ।ফলে তাদের মধ্যে পুষ্টির ঘাটতি থাকে এবং তেজিভাবের অভাব লক্ষ্য করা যায় ।ভারতের বিস্তীর্ণ প্রদেশে বিশেষত উত্তর ভারতে নিরামিষি হিন্দুদের আধিক্য দেখা যায় ।এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য বহু নিরামিষ জাতীয় খাদ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন ,কার্বোহাইড্রেট ,ফ্যাট ইত্যাদি সুষম খাদ্য গুণ বজায় থাকে ।তবুও নিরামিষি মানুষদের মধ্যে অপুষ্টি বেশি দেখা যায় ।একটি অসমর্থিত পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় ভারতের গুজরাট রাজ্যে অপুষ্টির পরিমাণ যথেষ্ট বেশি ।এ প্রসঙ্গে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন্তব্য করেছিলেন -"যেহেতু গুজরাট রাজ্যের বেশিরভাগ মানুষই নিরামিষী তাই অপুষ্টির পরিমান যথেষ্ট বেশি "।যদিও বিষয়টি রাজনৈতিক সুশাসন ও কুশাসন এর মধ্যে সমালোচিত তবুও এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট নিরামিষ খাদ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টির যথেষ্ট অভাব থাকে ।আর মুসলমানরা অনেক বেশি খাদ্য রসিক বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় এরা শিক্ষা ,স্বাস্থ্য ইত্যাদির থেকে ও খাদ্যগ্রহণকে বেশি গুরুত্ব দেয় ।এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য আমার বাবা ও আর ও বহু মুসলমানদের মতাদর্শটি হল -" এত পরিশ্রম করি পেটের জন্য তাই আগে পেটকে শান্ত কর তারপর অন্য কিছু "।তাই এ প্রসঙ্গে একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে -" খৃস্টনদের গাড়ি ,হিন্দুদের বাড়ি আর মুসলমানদের হাঁড়ি " ।তাই মুসলমানরা আর যাই করুক খাদ্য গ্রহণের বিষয়ে কার্পণ্য করেনা তাই তাদের মধ্যে তেজিভাব লক্ষ্য করা যায় ।তবে খুবই গরীব মানুষ হলে বিষয়টি ভিন্ন দেখা যায় ।

মুসলমান যুবকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত গুণাবলির জন্য হিন্দু নারীরা এদের প্রেমে পড়ে যায় ।এখন প্রশ্ন হল লাভ জেহাদ বিষয়টি আসে কোথা থেকে ? এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য -বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কোন হিন্দু নারী ও মুসলমান যুবকের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই ।তবে আপনার সঙ্গীটি যদি নিজেকে মুসলমান পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করে তাহলে আপনার জন্য যথেষ্ট চিন্তার কারণ আছে ।আমি বলছি না আপনার সঙ্গীটি আপনাকে ভালোবাসে না,বা কোন বদ মতলব নিয়ে আপনার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ছে ।বিষয়টা তা নয় বরং বেশিরভাগ ক্ষত্রেই দেখা যায় আপনার সঙ্গীটি প্রকৃত অর্থেই আপনাকে ভালোবাসে ।তাহলে প্রশ্ন হল সমস্যা বা চিন্তার বিষয়টি কি ? চিন্তার বিষয়টি হল আপনার সঙ্গীটি ইসলাম নামক যে মতাদর্শে বিশ্বাসী তা ভয়ংকর ।অনেক হিন্দুরা ভাবে হিন্দুরা যদি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী হয় এবং মুসলমানরা যদি ইসলামে বিশ্বাসী হয় তাহলে কোন সমস্যা নেই বরং এটা হওয়ায় স্বাভাবিক ।আর ঠিক এই জায়গাতেই হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের মানুষরা ভুল করে ।ইসলামিয় মতাদর্শ ভয়ংকর ।ইসলাম অন্য কোন ধর্মের স্বাধীন অস্তিত্ব স্বীকার করেনা এবং ইসলামে অন্য ধর্মের মানুষকে হত্যা করা সমর্থন করা হয় (2:191,2:193,9:5,8:12,8:17 ইত্যাদি )।

এখন আপনার সঙ্গীটি যদি বলে -"আমি মুসলিম এবং সকল ধর্মকে শ্রদ্বা করি " একথাটি কি যথার্থ ? এ কথা সোনার পাথর বাটির মত অলিক কল্পনা ।কোরানের বিভিন্ন আয়াতে অন্য ধর্মের মানুষদের নিকৃষ্টতম প্রাণী বলে শিক্ষা দেওয়া হয় (98:6 নং আয়াত )।এই কুশিক্ষার প্রভাব কত গভীর তা কয়েকটি উদাহরণ দিলেই বুঝতে পারবেন ।আমার নিজের সম্পর্কের এক ভাই বয়স 8-10 বছরের মধ্যে আমাকে বলল -" তুমি শুধু বল হিন্দুদের ভালোবাসাতে হয় ,তাহলে তুমিই হিন্দু,খৃস্টানদের সঙ্গে থাক "।তাহলে দেখুন একটা ছোট্ট শিশু যার খেলার বয়স, সেই শিশুকে কত ঘৃণা করা শেখাচ্ছে ইসলাম নামক এই বর্বর ধর্মটি ।আবার 14-15 বছরের এক কিশোর ছেলে বলে -" হিন্দুদের সঙ্গে আবার কি আলোচনা ওদের শুধু হত্যা কর "। তাহলে ইসলাম ও মহাম্মদের মতাদর্শ কত জঘন্য ,কত বর্বর যে ছোট ছোট শিশুদের ঘৃণা করতে শেখায় ।এমনকি হিন্দু হত্যা অর্থাৎ মানুষ হত্যাকে ও সমর্থন করতে শেখাচ্ছে ।তাহলে বুঝতে পারছেন কি ইসলাম আমাদের কি রকম শিক্ষা দেয় ?

এই ছেলেগুলি কোন সাধারণ পরিবারের সন্তান নয় এরা সমাজের সমভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ।এই বাড়ির মানুষরা সমাজের মান্যগণ্য ব্যাক্তিত্ব এবং প্রচন্ড ধার্মিক মুসলমান ।তাহলে বুঝতে পারছেন কি নিজেদের শিশুদের মুসলিম তৈরী করতে গিয়ে কিরকম উগ্র ধর্মান্ধ শিক্ষা দিচ্ছে ও অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে শেখাচ্ছে ।ইহাই হলো প্রকৃত ইসলামি শিক্ষা ।

তবে এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য হিন্দুধর্ম ও এ বিষয়ে ভালো শিক্ষা দিচ্ছে না ।বেশ কিছু পরিচিত হিন্দু বন্ধুরা আমার বাড়িতে এসে খেতে ইচ্ছুক নয় ।কারন কি ? কারন আমাদের বাড়িতে গো-মাংস রান্না হয় তাই ব্যবহার্য বাসনপত্র ,চামচ ,প্লেট ইত্যাদি ব্যবহার করতে তাদের কিন্তু কিন্তু বোধ হয় মনে আঘাত লাগে ।আসলে হিন্দু ধর্ম হল পৃথিবীর সবথেকে সংকীর্ণ ধর্ম ।এই ধর্মে এখন ও ছোঁয়াছুয়ি প্রবল ।তাই যে ধর্মে মানুষকে ছুত অচ্ছুত ইত্যাদি ভাগে ভাগ করা হয় এবং মানুষে মানুষে এত ঘৃণা সৃষ্টি করা হয় সে ধর্ম সত্য হয় কিভাবে ? এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য সম্প্রতি গুজরাটে এক দলিত ছেলেকে হত্যা করা হয় কারণ সে উচচ জাতের মানুষদের অনুষ্ঠিত নাচ দেখতে গিয়েছিল ।তাই যে ধর্ম জাতের নামে মানুষকে হত্যা করে সেই ধর্মকে ধিক্কার জানায় ।আবার মাঝে মাঝে ম্যাসেজ পায় ভারতকে হিন্দুত্ববাদীদের দখলে আনতে হবে এবং দেশকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে ।সেক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন - যেই হিন্দুত্বে দলিত সহ নিম্নবর্ণের হিন্দুরাই সুরক্ষিত নয় ,সেখানে কিসের হিন্দুত্ব ও কাদের জন্য হিন্দুত্ব ? তবে এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য হিন্দু সমাজ এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন তাই প্রতিবাদ হয় সমাজের ভিতর থেকেই ।তাই হিন্দুত্ববাদীদের বেশি বাড়াবাড়ি করার সুযোগ ভারতবর্ষে অন্তত নেই ।

তাই ইসলাম যেমন ভয়ংকর হিন্দুত্ববাদ ও খুব একটা ভালো নয় ।এখন হিন্দু নারী যদি কোন মুসলিম যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হয় সেক্ষেত্রে পরিণতি সুখের নাও হতে পারে ।কারন-আপনার প্রিয় মানুষটি যে ধর্মে বিশ্বাসী তা চরম নারী স্বাধীনতা বিরোধী ।তাই নিজের পরিবারের আভিজাত্য ও সন্মান রক্ষার নামে আপনাকে চাকরি করতে দেবে না ,আপনাকে গৃহের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখবে এবং আপনাকে বোরখার নামে বস্তাবন্দি করে রাখবে ।ইহাই হচ্ছে প্রকৃত ইসলাম ।ইহাই হচ্ছে নবীর প্রকৃত শিক্ষা আসলে নবী নারীদের শুধু ভোগের বস্তু ভাবত ,তাই তার উম্মতরা এই কুশিক্ষা সযত্নে পালন করে চলছে ।তাই আপনার সঙ্গীটি যদি মুমিন বা মুমিনা হয় সেক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন বাঞ্ছনীয় ।এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য সব মুমিনা খারাপ নয় কিন্তু অতিরিক্ত ধর্ম প্রবণ মুমিনাদের থেকে সাবধানতা অবলম্বন বাঞ্ছনীয় কারণ-এদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়েই কলকাতার সিদ্বার্থ হয়ে যায় ভয়ংকর আই.এস জঙ্গি ।

বেশ কিছু ভন্ড বুদ্বিজীবী ,সংবাদিক লিখছেন পরিণত বয়স্ক নারী যদি মুসলিমদের বিয়ে করে এবং হিজাব ,বোরখা পরে তাহলে সমস্যা কোথায় ? ভন্ড বুদ্বিজীবী ও সংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলি-যথেষ্ট সমস্যার কারণ আছে ।কারণ সাধারণ মুসলমানরা জঙ্গি হয় না বরং অতিরিক্ত ধর্ম প্রবণ মুমিন,মুমিনারা জঙ্গি হন ।তাই ইসলাম সম্পর্কে সচেতনতার প্রয়োজন আছে ।বিষয়টি ইসলামিফোবিয়া বলে চালিয়ে দিতে চাইবেন না বরং ইসলাম ভীতির যথেষ্ট যুক্তি সঙ্গত কারন আছে ।তাই ইসলামে মানুষ হত্যা নেই ,জঙ্গি কার্যকলাপ নেই এবং জঙ্গীরা পথভ্রষ্ট এই সমস্ত ছেঁদো যুক্তি আর চলবে না ।একদিন নিজেদের পচা বুদ্বি ও সুবিধাবাদী মানসিকতা ত্যাগ করে কোরান ,হাদিস পড়ুন আপনি উত্তর পেয়ে যাবেন ।

মুমিন মুমিনাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে সচেতনতা যেমন বাঞ্ছনীয় তেমনই কোন মুসলিম নারীদের এমন কোন হিন্দু যুবককের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরী করা উচিত নয় যে পুরুষতন্ত্রের চরম প্রতীক হিসাবে আপনাকে শাঁখা সিঁদুর পরতে বাধ্য করবে ।এবং কল্পিত দেব দেবীর প্রতি ভক্তি আনতে বলবে এমন মানুষদের থেকে শত হস্ত দূরত্ব বজায় রাখায় শ্রেয় ।

এখন প্রশ্ন হলো তাহলে কি মুসলমানদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা যাবে না ? তাদের উদ্দেশ্যে বলি নিশ্চয় মুমিন বা মুমিনাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে সচেতনতা বাঞ্ছনীয় ।তবে বর্তমান যুগে বহু মুক্তচিন্তক যুবক যুবতীরা আছেন যারা নামে মুসলমান হলেও আসলে কোন ধর্মে বিশ্বাসী নয় ।এই রকম মানুষের সংখ্যা লক্ষ লক্ষ ছড়িয়ে গেছে এদের সঙ্গে আপনারা সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন ।আসলে প্রেম হল একটা মানবের সঙ্গে একটি মানবীর শারীরিক ও মানসিক মিলন ।সেখানে ধর্ম নামক এই জঘন্য মতাদর্শটি আসবে কেন ? তাই বর্তমানে হিন্দু-মুসলিম ও অন্যান্য ধর্ম থেকে বের হয়ে আসা মানুষের সংখ্যা প্রচুর এদের সঙ্গে আপনি সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন ।তবে সম্পর্ক গড়ার আগে ভালো করে অবগত হওয়া প্রয়োজন সে প্রকৃত অর্থে মুক্তচিন্তক না মুক্তচিন্তক বেশি ভন্ড কেই ।এ বিষয়ে বাড়ির অবিভাবকদের সচেতনতা একান্ত কাম্য ।এই রকম মুক্তচিন্তক মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন সেক্ষেত্রেই মানুষে মানুষে মিলন সহজ হবে ও এক সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে ।আমরা সেই রকমই কাঙ্খিত সমাজ ব্যবস্থা চাই যেখানে ধর্মের বেড়াজাল উঠে যাবে এবং মানুষে মানুষে মিলন সহজ হবে ।

বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদীরা প্রচার করতে চাইছে- আমির খান-কিরণ রাও ,সাইফ আলি খান -করিনা কাপুর ,শাহরুখ খান-গৌরী এদের সম্পর্ক গুলি আসলে লাভ জেহাদের মধ্যে পড়ে ।এই সমস্ত হিন্দুত্ববাদীদের উদ্দেশ্যে বলি আপনারা এই সমস্ত কথা বলে হিন্দু ধর্মও আসলে যে জঘন্য ও সংকীর্ণ ধর্ম মতবাদ এবং এই ধর্মের উগ্রতাকে আপনারা স্পষ্ট ভাবে প্রমাণ করছেন ।তাই আপনাদের মানসিক চিকিত্সার প্রয়োজন আছে ,তাই আপনাদের মানসিক সুস্থতা একান্ত কাম্য ।

পরিশেষে একথা বলতে পারি মুক্তচিন্তার সংগ্রামের ফলে মানুষ সত্যকে বুঝতে পারছে এবং ধর্মের অন্ধত্ব থেকে বের হয়ে আসছে ।তাই একদিন আমাদের ধর্মমুক্ত কাঙ্খিত পৃথিবী অবশ্যই বাস্তব রূপ লাভ করবে ।যে পৃথিবীতে জেহাদ ,লাভ জেহাদ ,ধর্মান্তরিত করণ এইসব ভয়ংকর শব্দ গুলি থাকবে না ।থাকবে শুধু প্রেম ,ভালোবাসা ,শ্রদ্বা ইত্যাদি ।আর মানুষের একটাই পরিচয় হবে -"সে মানুষ "।

Comments

রুদ্রমঙ্গল এর ছবি
 

মুক্তচিন্তার সংগ্রামের ফলে মানুষ সত্যকে বুঝতে পারছে এবং ধর্মের অন্ধত্ব থেকে বের হয়ে আসছে ।তাই একদিন আমাদের ধর্মমুক্ত কাঙ্খিত পৃথিবী অবশ্যই বাস্তব রূপ লাভ করবে ।যে পৃথিবীতে জেহাদ ,লাভ জেহাদ ,ধর্মান্তরিত করণ এইসব ভয়ংকর শব্দ গুলি থাকবে না ।থাকবে শুধু প্রেম ,ভালোবাসা ,শ্রদ্বা ইত্যাদি ।আর মানুষের একটাই পরিচয় হবে -"সে মানুষ "

 
খাটাস এর ছবি
 

খ্যাদের কারনে মুসলমান ছেলেমেয়েদের ভেতর তেজি গুণাবলী বেশি থাকে ব্যাপারটা হাস্যকর। তাদের অনুপ্রেরিত করা হয় অমুসলিম নারীদের বিবাহ করার জন্যে তাদের সমাজ থেকে এটিই আসল সত্য। হিন্দু ছেলেমেয়েরা যতটা উন্মুক্ত পরিবেশে বড় হয় তা আপনার মুসলমান পরিবারে জন্মের কারনে জানার কথা না। মুসলমান ভারতীয়রা যদি এতটাই তেজি হত তাহলে তারাই খেলাধুলা এবং শরীরচর্চায় ভালো করতো।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

অত্যন্ত সুন্দর যৌক্তিক লেখা। মুক্তমনারাই এমন লেখা লিখতে পারে। লেখককে ধন্যবাদ জানাই

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
 

ধন্যবাদ দাদা আপনার মন্তব্য থেকেই শিখব আরও অনেক বেশি অনুপ্রেরন পাই ।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর