নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

ব্লু হোয়েল আর ধর্মীয় জঙ্গিবাদ একই সূত্রে গাঁথা।


সম্প্রতিক ইন্টারনেটের এক ভয়ংকর খবরের নাম, ব্লু হোয়েল। যে নামটা এখন তরুণ প্রজন্মের আতঙ্কের কারণ। ইদানিং ফেসবুক ও ইউটিউব খুললেই এই নামটি চোঁখের সামনে ভেসে আসছে। এই বিষয়ে একেকজনের একেকরকম মতামত। কারো মতে এটা মিথ্যা এবং বানোয়াট একটা গল্প। আবার কারো জন্যে এটা ধ্রুব সত্য। তবে সত্য-মিথ্যা যাই হোকনা কেন, কোন বিষয়কে হালকা করে দেখা উচিত না।

তবে ইদানিং এই বিষয়টি নিয়ে মানুষ যেমন দুশ্চিন্তা করতেছে। ঠিক একইভাবে এই বিষয়টি নিয়ে হাসি-তামাশাও করতেছে। এই বিষয়টা সত্য না মিথ্যা সেই আলোচনায় না গিয়ে। আমাদের এই বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা দরকার।

এই খেলাটি একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক খেলা। এই খেলাটি খেলার জন্যে আপনাকে অন্তত একটা এন্ডয়েড ফোন দরকার। যাদের কাছে এন্ড্রয়েড ফোন নেই তারা এই খেলাটা খেলতে পারবে না। এই খেলাটির সর্বমোট ৫০ টি ধাপ আছে। খেলোয়ারকে এই ৫০ টি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। এক এক করে ধাপগুলো অতিক্রম করার পরে। সর্বশেষ ধাপে এসে খেলোয়াড়ের জন্যে পুরস্কার হিসেবে মৃত্যুবরণ উপহার দেওয়া হবে।

এটা নিহাত কোন ছেলেখেলা বা বানানো গল্প নয়। এটা দিনের আলোর মত সত্য। সাম্প্রতিক কয়েকটা মিত্যুই এটার বড় প্রমাণ।

বিভিন্ন লিঙ্ক থেকে আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ইন্টারনেটের সাহায্যে এই গেমের অপশন আসতে পারে। সাধারণত মানুষ কৌতূহলবশত এটা কে ইনস্টল করে ফেলে। আর যে ভুলের কারণে সেখান থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হয় না। আস্তে আস্তে এই খেলাটা সম্পন্ন করতে খেলোয়াড় মরিয়া হয়ে ওঠে। ঠিক একইভাবে মৃত্যু তাঁর দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়ায়। এটা ধ্রুব সত্য। হাসি-তামাশা করে এটাকে উড়িয়ে দেওয়ার মতন কিছু নেই।

এই খেলাটা ঠিক ধর্মের মতই। ধর্ম একই ভাবে মানুষকে প্রভাবিত করে। যেমন কোন সুস্থ মানুষের দ্বারা এরকম ভয়ংকর খেলা খেলা সম্ভব না। ঠিক একইভাবে কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে ধর্মীয় মতবাদের উপরে বিশ্বাস রেখে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া সম্ভব না।

ব্লু হোয়েল - আর ধর্মীয় জঙ্গিবাদের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। এ দুটি বিষয় এক এবং অভিন্ন। ধর্মীয় নিয়ম কানুন মানুষের মস্তিষ্ক নষ্ট করে ফেলে। মানুষ তখন স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করতে পারেনা।

ধর্ম মানব সভ্যতার জন্যে একধরনের বিষফোঁড়া। যেটার হাত থেকে আমাদের বাংলাদেশেও রক্ষা পায়নি। ধর্ম মানুষের মস্তিষ্ক বিকৃত করে ফেলে। একজন ধার্মিক স্বাভাবিক ভাবে চিন্তা করতে পারে না। একজন ধার্মিক তাঁর চারপাশে প্রতিনিয়ত অস্বাভাবিক ঘটনা লক্ষ্য করে। যেমন, ধার্মিকরা মনে করে, কবর আযাব - ফেরেস্তা - শয়তান - জ্বীন - স্বর্গ নরক, এই সবগুলো বিষয়ই দিনের আলোর মত সত্য। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে এইসব অস্বাভাবিক বিষয় বিশ্বাস করা সম্ভব না। মূল কথা হচ্ছে ধার্মিকের নিজের জীবনটাই অস্বাভাবিক। তারা ঘোরের মধ্যে বসবাস করে। ধার্মিকদের জন্যে স্বাভাবিক চিন্তাকরা এক প্রকার অসম্ভব। কারন ধর্ম তাদের স্বাভাবিক চিন্তা করার ক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে। ধর্মের এই নষ্ট জগত থেকে বের হয়ে আসা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।

একটা হাদীসে বর্ণিত আছে যে, আবদুর রহমান ইবনে আহোব। নামের এক সাহাবীর কাছে দুইটা ছেলে এসে খুব আগ্রহের সহিত জিজ্ঞেস করল? আবু জাহেল নামের লোকটি কোথায়? তখন ঐ সাহাবী ছেলে দুটোর আগ্রহ দেখে আবু জাহেলকে দেখিয়ে দিলেন। এবং ছেলে দুটি গিয়ে আবু জাহেলের মাথা কেটে নিয়ে আসলো। আর এই ঘটনা দেখে মোহাম্মদ তাঁদের ওপর খুশি হয়ে, তাদেরকে বেহেশতের সুসংবাদ জানিয়ে দিয়েছিলেন। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন? একটা মানুষের মাথা কেটে নিয়ে আসলে মোহাম্মদের কাছ থেকে বেহেশতের সুসংবাদ পাওয়া যায়। মোহাম্মদ যেন স্বর্গের সার্টিফিকেট নিয়ে সবসময় বসে থাকতেন!

শুধু এই ঘটনা নয়। নবীর একজন সাহাবী একদিন নবীর সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছেন। এবং সেই সাহাবির হাতে ছিলো একটি মৃত মহিলার মাথা। সদ্য জবাই করা কেননা সেই মাথা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়তেছে। মোহাম্মদ তখন সেই সাহাবীকে জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে? আর এটা কার মাথা? তখন সাহাবী মোহাম্মদকে উত্তর দিলেন হে আমার প্রিয় নবী, এটা অন্য কারো মাথা নয়! এটা আমার নিজের মায়ের মাথা। কারণ আমার মা সব সময় আপনাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করতো। আর আজকে আমি এটা সহ্য করতে পারেনি। তাই আমি তরবারি দিয়ে আমার মায়ের মাথা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলেছি। আর মোহাম্মদ এই ঘটনা শোনার পর সেই সাহাবিকে বেহেশতের সুসংবাদ জানিয়ে দিয়েছিলেন। তখন মোহাম্মদ সবাইকে একটা হাদিসও জানিয়ে দিয়েছিলেন। যে ব্যক্তি নিজের জীবন থেকে আল্লাহর নবী মোহাম্মদকে বেশি ভালবাসতে পারবে না। সেই ব্যক্তি কখনোই প্রকৃত উম্মত হতে পারবে না।

মোহাম্মদ তার পুরো জীবনটাই এভাবে অতিবাহিত করেছিলেন। তিনি বাস্তবতার ধার ধারেনি। তিনি মানবতার তোয়াক্কা করেননি। তিনি মানব সভ্যতার কল্যাণের জন্য ভয়ংকর হয়ে উঠেছিলেন। আর সেই ভয়ঙ্কর বিষফোঁড়া ধার্মিকদের শিরায় শিরায় প্রবাহিত।

আর এইসব অস্বাভাবিক ঘটনা, ও ইসলামের গল্প কাহিনী আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ খুব আগ্রহের সহিত শুনে, এবং বিশ্বাস করে। এবং নিজেরাও জিহাদে যাওয়ার জন্যে ভিতরে ভিতরে আগ্রহ পোষণ করে। ঠিক একই কায়দায় আমাদের দেশের সহজ-সরল ধর্মীয় মানুষ গুলোকে উস্কে দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইদানিং দেখা যায় বড় বড় মন্ত্রী এমপিরাও এইসব আলোচনায় শামিল হন। আর তাঁরা বেশ আগ্রহের সহিত বিষয়গুলোকে উপভোগ করে।

একটু মাথা খুলে চিন্তা করুন তো? মোহাম্মদের সময়ে তাঁর সাহাবীরা যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারত অতি সহজেই। তখন যুক্তি আর আইনের শাসন ও বুদ্ধিমত্তা বলতে কিছুই ছিলোনা। যে কেউ ইচ্ছে করলে যে কারো মাথা কেটে নিয়ে এসে মোহাম্মদের সামনে রেখে অবলীলায় বলে দিতে পারতেন, যে আমি তাকে শিরচ্ছেদ করেছি। কারণ তিনি আপনাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছে। আর তখন সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের কিছুই নেই। কারো ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকলেও এই ঘটনা ঘটাতে পারতেন। মোহাম্মদ এর কাছে মাথাটাই মুখ্য বিষয় ছিলো। ঠিক একই কায়দায় তাঁর সাহাবীরাও তাঁদের জীবন অতিবাহিত করেছেন। তারা হিংস্র জানোয়ার পরিণত হয়েছিলো। তাঁরা মানবসভ্যতার জন্যে হুমকিস্বরূপ ইসলাম ধর্মকে প্রচার করেছে মানুষের মাঝে। আর সেই ভয়ঙ্কর ধর্মের শিকার এখন পৃথিবীর শান্তিপ্রিয় সকল মানুষ।

তবে সামান্য এই খেলার সাথে ধর্মের তুলনা করা উচিত নয়। সত্যি কথা বলতে, ধর্ম - ব্লু হোয়েল খেলার থেকেও হাজারগুন বেশি ভয়ংকর। ব্লু হোয়েল খেলার থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্যে অনেক ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়। তবে ধর্মীয় জঙ্গিবাদ থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্যে তেমন কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায় না।

আসুল একটু যুক্তি খন্ডন করার চেষ্টা করি!

ব্লু হোয়েল + ধর্ম

১/ব্লু হোয়েলের পঞ্চাশটা দাপ + ইসলামের কোরআন হাদিস।

২/ব্লু হোয়েলের প্রথম ধাপে খেলোয়ার কে গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠতে হয়। + ধার্মিক কেও গভীর রাতে কোরআন শরীফ পাঠ করতে হয়। এবং তাহাজ্জুত নামাজ পড়তে হয়।

৩/ব্লু হোয়েল খেলোয়াড় কে প্রতিনিয়ত এডমিনদের সাথে কানেক্ট থাকতে হয় + ধর্মেও প্রতিনিয়ত ধার্মিক কে, কোরআন হাদিস পাঠ করতে হয়, এবং মসজিদে উপস্থিত থাকতে হয়।

৪/ব্লু হোয়েল এ খেলোয়ার কে শরিলে আঘাত করে এডমিনদের দেখাতে হয় + ধার্মিকদের কেউ আল্লাহ আর নবী কে খুশি করার জন্যে জিহাদের নামে লড়াই করে প্রমাণ দিতে হয়।

৫/ব্লু হোয়েলে সর্বশেষে খেলোয়ার আত্মহত্যা করে খেলার প্রমাণ দিতে হয় + আর একজন ধার্মিককে প্রকৃত কোরআন হাদিস মেনে জিহাদের নামে নিজের শরিলে বোমা ফিট করে সাধারণ মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়।

যুক্তি গুলো দেখতে হাস্যকর মনে হলেও এটাই বাস্তবতা। এটা সত্য যদি আপনি কোরআন শরীফ বুঝে পড়েন আর এটা নিয়ে চিন্তা করেন। আর নবীকে ভালোবেসে নবীর আদর্শে নিজের জীবন তৈরী করতে চান। তাহলে আপনাকে জিহাদ করে শহিদ হতে হবে, এটার বিকল্প আর কিছুই নেই। আর যারা বলে বেড়ায় ধর্ম জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না। জঙ্গিবাদের সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। মূলকথা হচ্ছে তাঁদের কোরআন হাদিস সম্বন্ধে তেমন কোন ধারণাই নেই। অনেকেই বলে বেড়ায়। আইএস-আল কায়েদা - তালেবান - বোকো হারাম! এইসব জঙ্গি সংগঠনের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই আসল কথা হচ্ছে এই জঙ্গি সংগঠনগুলোই প্রকৃত ইসলাম। কারণ ইসলামের মূল শিক্ষাই হচ্ছে জঙ্গিবাদ। জিহাদ না করে প্রকৃত মুসলিম হওয়া যায় না। কারন নবী মোহাম্মদ নিজেও জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন যুদ্ধ করে।

এখনো আমাদের দেশের বড় বড় আলেমরা প্রকাশ্যে জিহাদের কথা বলে বেড়ায়। এগুলো শুনতে ধার্মিকদের কাছে খুবই স্বাভাবিক মনে হয়। কারন তাঁরা এটা নিয়ে তেমন চিন্তা করে না। বরং সোবহানাল্লাহ - আল্লাহু আকবার বলে মাহাফিলকে গরম রাখে। ২০১৩ সালে আমাদের পাশের গ্রামের একটা মাহফিলে আমি কিছু সময় উপস্থিত ছিলাম। মাওলানা আবু সুফিয়ান আল কাদেরী নামের একজন মাওলানা নবী মুহাম্মদের জীবনী নিয়ে আলোচনা করতেছিলেন। সবাই খুব আগ্রহের সাথে তার আলোচনা উপভোগ করতেছেন। মানুষের আগ্রহের একমাত্র কারণ মাওলানা সাহেবের সুমধুর কন্ঠস্বর। আর এই কন্ঠোই সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্যে যথেষ্ঠ। তিনি নবী মোহাম্মদের বিবাহের কাহিনী বলতে ছিলেন। তিনি আয়েশার সাথে নবী মুহাম্মদের সম্পর্কের বর্ণনা করেছিলেন। তখন তিনি বললেন নবী কারীম সাল্লাহু আলাই সাল্লাম আয়েশাকে যখন বিবাহ করেছিলেন। তখন তার বয়স ছিলো ছয় বছর। আর আয়েশার বয়স যখন মাত্র নয় বছর তখন নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে সহবাস করেছিলেন। আর এটা শুনে মাহাপিলের সবাই সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ বলতে লাগলো। তখন সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি দেখে আমি এক প্রকার হতাশ হয়ে গেলাম। ভাবতেই অবাক লাগে মানুষ কতটা মানসিক ভাবে অসুস্থ হলে, আয়েশার সাথে নবী মোহাম্মদের সম্পর্কটাকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে। আমার সাথে আমার কিছু বন্ধুও ছিলো। আমার বন্ধুরাও এই বিষয়টাকে স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছে।

আর ধর্ম যে মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে ফেলে এটাই তার বড় প্রমাণ। ধর্মীয় জঙ্গিবাদ, আর ব্লু হোয়েল খেলাটা মানসিক ভারসাম্যহীন আর অসুস্থ মানুষের পক্ষেই খেলা সম্ভব। আর এই খেলাটা খেলে নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেওয়া কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। ধর্মীয় জঙ্গিরা যেমন ধর্ম নিয়ে প্রতিনিয়তো এই অস্বাভাবিক খেলা খেলতছেন। ঠিক একই কায়দায় ব্রেন ওয়াশের মাধ্যমে কিছু মানুষকে ব্লু হোয়েল খেলায় আকৃষ্ট করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।

বিঃদ্রঃ আমার লেখার বেশিরভাগ মন্তব্যই আমার ব্যক্তিগত নয়। এগুলো বিভিন্ন টিভি নিউজ এবং সংবাদপত্র থেকে নেওয়া। আর ধর্মীয় বিষয় গুলি বিভিন্ন মাওলানাদের ওয়াজ মাহফিল থেকে সংগ্রহ করা।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 8, 2017 - 12:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর