নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রসিক বাঙাল
  • এলিজা আকবর

নতুন যাত্রী

  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম

আপনি এখানে

কুরআন অনলি কুইক রেফারেন্স: (১) প্রবক্তার দাবী - 'আমি নই, আল্লাহ!'


জগতের প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা ধর্ম সম্বন্ধীয় যে কোন আলোচনা অনুষ্ঠানে কুরআনের বানী উদ্ধৃতি কালে যে মিথ্যা বাক্যটি দিয়ে তাদের বক্তব্য শুরু করেন তা হল, "আল্লাহ পাক কুরআনে ইরশাদ ফরমাইয়াছেন--।" এখানে আল্লাহ অর্থে তিনি সৃষ্টিকর্তা-কে বোঝাতে চান, যা একেবারেই মিথ্যা! কারণ, সৃষ্টিকর্তা কোন কিছুই কুরআনে ইরশাদ করেন নাই, ইরশাদ করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ। অতঃপর তিনি দাবী করেছেন যে যা তিনি বলেছেন, আসলে তা তিনি বলেন নাই! "কে বলেছে?" "আল্লাহ বলেছে!"

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

৬৯:৪০-৪৩ (সূরা আল হাক্বক্বাহ) - "নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের আনীত। এবং এটা কোন কবির কালাম নয়; তোমরা কমই বিশ্বাস কর। এবং এটা কোন অতীন্দ্রিয়বাদীর কথা নয়; তোমরা কমই অনুধাবন কর। এটা বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।"

৫৬:৭৭-৮০ (সূরা আল ওয়াক্বিয়া) - "নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন, যা আছে এক গোপন কিতাবে। যারা পাক-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না। এটা বিশ্ব-পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।"

৮০:১৩-১৬ (সূরা আবাসা) - "এটা লিখিত আছে সম্মানিত, উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে, লিপিকারের হস্তে, যারা মহৎ, পূত চরিত্র।"

মুহাম্মদ আরও দাবী করেছেন,

৪:৮২ (সূরা আন নিসা) - "এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ্ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরীত্য দেখতে পেত।"

>>> অর্থাৎ, ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা তাদের আলোচনার শুরুতেই যে মিথ্যা বাক্য-টি দিয়ে তাদের বক্তব্য শুরু করেন, তা প্রকৃতপক্ষে মুহাম্মদের দাবী। আর, তাদের এই দাবীর ভিত্তি হলো "মুহাম্মদের প্রতি" বিশ্বাস। মানুষের প্রতি বিশ্বাস! মুহাম্মদের প্রতি অবিশ্বাসে মুহাম্মদের বর্ণিত 'আল্লাহ' নামের এই ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নেই। যেমন করে আজকের যুগের স্বঘোষিত বহু পীর-ফকির-কামেল-গুরু-বাবাজী জাতীয় লোকেরা দাবী করেন যে, তাদের শরীরে জ্বিন, আত্মা বা অশরীরী শক্তির ভর হয়! ভারপ্রাপ্ত অবস্থায় তারা যা বলেন, তা আসলে তাদের কথা নয়! দাবী করেন যে, তাদের সে কথাগুলো প্রকৃতপক্ষে তাদের শরীরে ভর করা অশরীরী কোন শক্তির! স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর দাবীও ছিল ঠিক তেমনই। পার্থক্য এই যে, এই সব পীর-ফকির-কামেল-গুরু-বাবাজীদের তুলনায় মুহাম্মদ ছিলেন অনেক বেশী সফল! তাদের অনুসারীর সংখ্যা বিশ্ব জনসংখ্যার অনুপাতে খুবই নগণ্য, আর মুহাম্মদের অনুসারীদের সংখ্যা পৃথিবীব্যাপী আজ প্রায় ১৬০ কোটি! তাদের শরীরে ভর হয় জ্বিন, আত্মা, অশরীরী শক্তি বা দেবতা; আর মুহাম্মদের শরীরে ভর হয় স্বয়ং স্রষ্টার দূত জিবরাইল!

আল্লাহর রেফারেন্সে মুহাম্মদ ঘোষণা করেছেন যে তার বানী সমৃদ্ধ 'কুরআন' নামের এই গ্রন্থটি কেউ যেন পাক-পবিত্র অবস্থা ছাড়া স্পর্শও না করে (৫৬:৭৯)! তিনি আরও দাবী করছেন যে, "এটা যদি আল্লাহ্ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরীত্য দেখতে পেত। (৪:৮২)।" কুরআনে কী পরিমাণ বৈপরীত্য আছে তা উৎসাহী পাঠকরা লেখক ও গবেষক নরসুন্দর মানুষের 'কুরআনে বৈপরীত্য' গ্রন্থ ও “Contradiction in the Quran" ইন্টারনেট সার্চের মাধ্যমে মুহূর্তেই জেনে নিতে পারবেন। [3] [4]

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনেরই উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর।
http://www.quraanshareef.org/
[2] কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/
[3] ‘কুরআনে বৈপরীত্য’: নরসুন্দর মানুষ
https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOWXFEdW9CYjBaRVk/view
[4] Contradiction in the Quran
https://wikiislam.net/wiki/Contradictions_in_the_Quran

Comments

নরসুন্দর মানুষ এর ছবি
 

অামি অাপনার লেখার প্রতিটি লাইন পাঠের পর, কেনো জানিনা অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকি..!!!

এত পারেন কীভাবে..!!

নরসুন্দর মানুষ

 
TTSG এর ছবি
 

Sahih International:
69:39
And what you do not see
69:40
[That] indeed,<strong> the Qur'an is the word of a noble Messenger.</strong>

নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের "আনীত"।?? - মুমিনদের ছলছাতুরীর আরেক জাঞ্জল্য প্রমাণ।
কোরানেই পরিষ্কার উল্লেখ আছে: "নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের "বাণী"।"

 
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
 

ভাই TTSG,
আপনি ঠিকই বলেছেন। ৬৯:৪০ তে আল্লাহ মুখ ফসকে যা বলে ফেলেছেন, এর দুই বাক্য পরেই (৬৯:৪৩) বোধ করি তিনি তার ভুলটা বুঝতে পেরে তা শুধরে নিয়েছেন:

৬৯:৪০-৪৩ - "নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের আনীত। ---- এটা বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।"

এরূপ অসংখ্য অসঙ্গতি কুরআনের পাতায় পাতায়! উত্তেজনা বশে 'আল্লাহ' প্রায়শই এরূপ Mistake করে ফেলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো 'বক্তা যেখানে "তৃতীয় পক্ষ" পর্বে। লেখাটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

গোলাপ মাহমুদ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 ঘন্টা 1 min ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর