নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • চিত্রগুপ্ত
  • কাঠমোল্লা
  • নুর নবী দুলাল
  • মৃত কালপুরুষ
  • অ্যাডল্ফ বিচ্ছু
  • নরসুন্দর মানুষ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সৈকত সমুদ্র

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

মুসলিম মানেই কি অপরাধী?


মুসলিম মানেই কি অপরাধী?

মুসলিম মানেই অপরাধী কিনা এই প্রশ্নর উত্তর দেবার পূর্বে আমাদের এটা পরিষ্কার করা প্রয়োজন যে আমরা মুসলিম শব্দটি কিভাবে সংগায়িত করছি, এবং আমাদের আপরাধের সংগা কি? আমার কাছে মুসলিম শব্দের সংগা হল, এমন ব্যক্তি যে কোরানের শিক্ষা অনুযায়ি জীবন জাপন করে, এবং অপরাধের সংগা হল, এমন কর্ম যা অন্যয় বলে বিবেচিত এবং অনেক ক্ষেত্রেই শাস্তি দেবার জন্য বিবেচিত,

এখানে এখন একটি প্রশ্ন এসেই যাচ্ছে, কোন কাজ অন্যায় বলে বিবেচিত হবে এবং কোন কাজ অন্যায় বলে বিবেচিত হবে না সেটি কে নির্নয় করবার অধিকার সংরক্ষন করে?
আমার মনে হয় আমাদের চলমান সময়ে, রাষ্ট্রেই হল সর্বচ্চ প্রতিষ্ঠান না ন্যায় ও অন্যায় নির্নয় করে, তার মানে কিন্ত আমি এটি বলছি না যে রাষ্ট্রের কোন যোক্তিক অধিকার আছে ন্যায় অন্যায় নির্নয় করবার। ন্যায় ও অন্যায় নির্নয়ের যুক্তিসংগত বা নৈতিক অধিকার রাষ্ট্রের আছে কিনা সেটি নিয়ে আলচনা করবার প্রয়োজনিয়তা দেখছি না, কথা হচ্ছে আমাদের চলমান সময়ে এই কাজ রাষ্ট্রই করে থাকে।
আমি মনে করি আমাদের সময়ে এমন অনেক মানুষ এবং দল আছে যারা মনে করে রাষ্ট্রই ন্যায় আন্যায় নির্নয়ের সর্বচ্চ অধিকারি হতে পারে না।
উদাহরন হিসেবে, ‍একজন মুসলমান বলতেই পারে যে ন্যায় অন্যায় নির্নয়ের সর্বচ্চ ক্ষমতার মালিক হল, যিনি কোরন লিখেছেন তিনি, বা আল্লাহু।
আবার একজন খ্রীষ্টান এমন বলতেই পারে, যীশু, বা ঈশ্বর ( ইয়াহুয়ে,,) হল ন্যায় অন্যয় ও নির্নয়ের সর্বচ্চ ক্ষমতার অধিকারি।

আবার এমন নয় যে রাষ্ট্র ও ধর্মই শুধু মাএ ন্যায় ও অন্যায় নির্নয়ের ক্ষমতা সংরক্ষন করে। চিন্তা সক্ষম প্রতিটি ব্যাক্তির এই ক্ষমতা আছে। তবে তাদের এই ক্ষমতা কোন মাপকাঠিকিনা সেটি প্রশ্ন সাপেক্ষ, ঠিক যেমন রাষ্ট্র ও ধর্মগ্রন্থ বা এই ধর্মগ্রন্থের উৎস ন্যায় ও অন্যায় নির্নয় করবার ক্ষমতার কোন মাপকাঠি কিনা সেটিও প্রশ্ন সাপেক্ষ।
আমার মতো যারা অজ্ঞয়বাদী বা যারা কোন নির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থের আনুসারি নয় ( নাস্তিক ) তাদের জন্য ন্যায় ও অন্যায় ‍নির্নয়ের উৎস ঠিক কি সেটি নির্দিষ্ট নয়, এই ধরনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই উৎসের মধ্য অনেক বৈচিত্র আছে।
এখন প্রশ্ন হল আমি কিভাবে ন্যায় ও অন্যায় নির্নয় করি?
প্রর্থমত আমি কোন নির্দিষ্ট গ্রন্থের অনুসারি নই যার দিকে আঙ্গুল তুলে বলতে পারি এই গ্রন্থটিই আমার ন্যায় ও অন্যায নির্নয়ের উৎস। আমি ন্যায় ও অন্যায় নির্নয় করি, আমার বাস্তর অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের নিরিখে নুতন তথ্য বিশ্লেষন করবার মাধ্যমে, এই বিশ্লেষন প্রকিৃয়া কখনো আমার পুরাতন জ্ঞানকে ভুল প্রমান করে নুতন তথ্য যোগ করে, আবার কখনো এটি পুরাতন জ্ঞানকের সমর্থন করে নুতন জ্ঞান সংযোজন করে।
সুতরং এই লেখাটিতে আমি যখ্ন কোন বিষয়কে ন্যায় বা অন্যায় বলবো এর অর্থ হবে এই এটি আমার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞনের নিরিখে, ন্যায় বা অন্যায়।

মুসলিম মানেই কি অপরাধী?

যেমন পূর্বেই বলে ছিলাম আমার কাছে মুসলিম হল এমন কেউ যে কোরানের শিক্ষা অনুযায়ি জীবন জাপন করে, সুতরাং মুসলিম মানেই আপরাধি কিনা সেটির বিচার করতে হবে কোরানের শিক্ষার ভিত্তিতে, অথাৎ কোরানে এমন কোন শিক্ষা আছে নাকি যা অনুসরন করা হলে অনুসরনকারি অপরাধী বলে বিবেচিত হবে। যদি তেমন শিক্ষা কোরানে বিদ্যমান থাকে তাহলে হ্যা কোরানের অনুসারি ( মুসলিম ) মানেই অপরাধী, আর যদি কোরানে এমন কোন শিক্ষা বিদ্যমান না থাকে যা অনুসরন করলে অনুসরনকারি অপরাধী বলে বিবেচিত হবে না।

যদি কোরানে এমন কোন শিক্ষা বিদ্যমান না থাকে তাহলে, না, কোরানের অনুসারি ( মুসলিম ) মানেই অপরাধী নয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোরানে এমন কোন শিক্ষা আছে যা কোরানের অনুসারিদেরকে অপরাধী বলে বিবেচিত হবে? কোরানের একাধিক অনুবাদ ও একাধিক ভাষায় অনুবাদ পড়বার পরে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছি যে হ্যা, কোরানে এমন অনেক শিক্ষা আছে যার কারনে কোরানের অনুসারিরা অপরাধি বলে বিবেচিত হবে। আমি এরকম অনেকগুলো শিক্ষার মধ্য ৪ টি শিক্ষা তুলে ধরবো এবং এই শিক্ষাগুলোর অনুসরনকারিকে কেন অপরাধী বলা হবে সে বিষয়ে আমার যুক্তি ও প্রমান দিবো।

১// বিবাহের বাইরে যৌনতার জন্য ১০০ বেত্রাঘাত করা।

কোরানের সুরা নুরের ২ নম্বর আয়াতে কোরানের অনুসারিদের বিবাহের বাইরে যৌন সম্পর্ক করেছে এমন ব্যক্তিদের ১০০ বার বেত্রাঘাত করতে বলা হয়েছে, সুতরাং একজন কোরানের অনুসারি বিবাহের বাইরে যৌন সম্পর্ক করেছে এমন ব্যক্তিদের ১০০ বার বেত্রাঘাত করবে বা বেত্রাঘাত মারবার ব্যাবস্থায় অংগ্রহন করবে বা সেটি সমর্থন করবে। ( কোরানে মনিব দাসিদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হয়েও যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অধিকার দেয় সুতরাং উক্ত ক্ষেত্রে ১০০ বেত্রাঘাতের বিষটি প্রযোজ্য নয় )

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِئَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ' করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। [ সুরা নুর ২৪:২ ]
এখন প্রর্থমত, আমার বিচারে বিবাহের বাইরে যৌন সম্পর্ক করা কোন অপরাধ নয়, এবং এটি করবার যদি যে বা যারা একশ' করে বেত্রাঘাত করবে বা এটি করয়ায় অংশ গ্রহন করবে বা সমর্থন দিবে তারা অপরাধী, এখন যদি কোন রাষ্ট্র বিবাহের বাইরে যৌনতাকে অপরাধ মনে করে ও আইন করে স্বাস্থির ব্যাবস্থা করে ( যেমন বাংলাদেশ যেখানে আমি বাস করি ) তাহলে সেটি রাষ্ট্রিয় বৈধতা পায় বটে তবে সে বৈধতা যুক্তি বা নৈতিকতা দ্বারা সমর্থিত এমনটি ভাবার কোন যুক্তিসংগত কারন পাইনি, একটি মানুষের যৌন জীবন কেমন হবে সেটি নির্ধারনের ক্ষমতা রাষ্ট্রের বা সমাজের আছে এটি মনে করি না, কোন ব্যক্তি যদি বিবাহের বাইরে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কাউকে ১০০ বেত্রাঘাত করে তাহলে সে নিশ্চিত ভাবেই অপরাধী এবং স্বস্থিযোগ্য অপরাধী। সুতরাং কোরানের এই শিক্ষাটি কোরানের অনুসারিকে ( মুসলিম ) অপরাধী করে।

২/ চুরির অপরাধে হাত কাঁটা

কোরানের সুরা মায়েদার ৩৮ নম্বর আয়াতে চুরির অপরাধে চোরের হাঁত কেটে দেয়ার কথা বলা হয়েছে,

وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُواْ أَيْدِيَهُمَا جَزَاء بِمَا كَسَبَا نَكَالاً مِّنَ اللّهِ وَاللّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে হুশিয়ারী। আল্লাহ পরাক্রান্ত, জ্ঞানময়। [ সুরা মায়েদা ৫:৩৮ ]
এখন এটি নিয়ে আমার মনে কোন প্রশ্ন নেই যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে চুরি হচ্ছে স্বাস্থি যোগ্য অপরাধ,
অধিকাংশ ক্ষেত্রে বলবার কারন হচ্ছে, ধরুন কোন ক্ষুদিত মানুষ ক্ষুদার তাড়নায় খাদ্য চুরি করে সেটি আমার চোখে অপরাধ নয়।
আমার মতে কেউ যদি চিকিৎসার খরচ যোগাতে কোন ধনীর ঘরে চুরি করে সেটিও অপরাধ নয়, কেউ যদি তার মা, বাবা, ভাই, বোনে বা অন্য কারো চিকিৎসার খরচ যোগাবার শেষ উপায় হিসেবে কোন ধনীর ঘরে চুরি করে তাহলে আমি তাকে অপরাধী বলবো না বরং সাধুবাদ দিবো। যদি কোন রাষ্ট্র, ধর্ম, সমাজ, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি, ধনীর সম্পদ রক্ষার ও কারো জীবনের মধ্য ধনীর ধন রক্ষা কে প্রধান্য দেয় সেটি আমার চোখে অমানবিক। আমাকে বাছাই করতে হলে তাহলে আমি ধনীর ধন রক্ষার বিপরিতে জীবন রক্ষাকেই বেছে নিবো।
একখন প্রশ্ন হচ্ছে যেসব ক্ষেত্রে আমি চুরিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ মনে করি সে ক্ষেত্রে সেই অপরাধের শাস্তি হিসেবে হাত কেঁটে দেয়াকে অপরাধ মনে করি কেন?
প্রর্থমত অঙ্গছেদ হল কোন মানুষকে পঙ্গু করে দেয়া, যা স্বাভাবিক ভাবেই অপরাধ, এখন কথা হচ্ছে চুরির স্বাস্থি হিসেবে কাউকে পঙ্গু করে দিলে সেটি অপরাধ হবে কিনা?
আমার দৃষ্টিতে হবে, কারন প্রর্থমত কাউকে পঙ্গু করা মানবাধীকারের লঙ্ঘন,
দ্বিতীয়ত, কেউ কোন প্রয়োজনে ১০০০০ টাকা চুরি করলে তার জন্য তার হাত কাঁটা হলে সে লঘু পাপের গুরু দন্ড পেল. এই ক্ষেত্রে তাকে এই শাস্তি দেয়া ব্যক্তিরাও অপরাধি হবে, সুতরং যে ব্যক্তি কোরানের এই বিষয়টি অনুসরন করেন তিনি অপরাধি,

৩/ কোন ব্যক্তি যদি তার মুসলিম পরিচয় ত্যাগ করে তাহলে তাকে হত্যা করা

কোরানের সুরা নিসার ৮৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে যে যদি কোন মুসলিম তার বিশ্বাস ত্যাগ করে তাহলে তাকে হত্যা করতে।

وَدُّواْ لَوْ تَكْفُرُونَ كَمَا كَفَرُواْ فَتَكُونُونَ سَوَاء فَلاَ تَتَّخِذُواْ مِنْهُمْ أَوْلِيَاء حَتَّىَ يُهَاجِرُواْ فِي سَبِيلِ اللّهِ فَإِن تَوَلَّوْاْ فَخُذُوهُمْ وَاقْتُلُوهُمْ حَيْثُ وَجَدتَّمُوهُمْ وَلاَ تَتَّخِذُواْ مِنْهُمْ وَلِيًّا وَلاَ نَصِيرًا
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। [ সুরা নিসা ৪:৮৯ ]

এখন কথা হচ্ছে যেসব ব্যক্তি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে, ( জন্মর সময় কোন শিশু ধর্ম নিয়ে জন্মায় না সুতরাং সবাইকেই কোন না কোন সময় ধর্ম গ্রহন করতে হয় ) সে যদি ইসলাম ত্যাগ করে তাহলে কেন তাকে হত্যা করাকে আপরাধ মনে করা হবে না? একজন মুসলিমের দায়িত্ব হচ্ছে সেটি করা, তাহলে একজন মুসলমান কে কেন অপরাধি বলা হবে না। আপনি যদি মনে করেন এমন পুস্তকের অনুসারি হওয়া অপরাধ নয়, যা তাকে অনুসরন করবার পরে তা ত্যাগ করলে তাকে খুন করতে বলে সেটি আপনার বিষয়। আমি এমন পুস্তকের অনুসারিদেরকে অপরাধী বলবো । কেউ যদি মনে করেন যে এটি না করা প্রর্যন্ত অপরাধ হবে না তহলে একটি উদাহরন দেয়া যাক।

ধরুন যুক্তরাষ্ট্রে কোন ব্যক্তি আনেক মানুষকে খুন করবে বলে ঠিক করলো এবং সে বিষয়ে অনেক প্রস্তুতি নিল, কিন্তু সেটি গোয়েন্দারা টের পেয়ে গেল, এখন আপনার কাছে প্রশ্ন হচ্ছে সেই ব্যক্তিটি যে মানুষ খুনের প্রস্তুতি নিল এটিকেই অপরাধ ধরে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি কর উচিৎ, না সে মানুষ খুন করতে পারে এটি যেনেও অপেক্ষা করা উচিৎ যে সে সেটি করে কিনা
যদি করে তাহলেই সে আপরাধি হবে। অর্থৎ তাকে অপরাধি বলতে হলে মানুষ হত্যা করা প্রর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
এখন আমার কাছে, কোরান অনুসারি মানেই সে ইসলাম ত্যাগকারিকে খুনের জন্য প্রস্তুত হয়েই আছে, সুতরাং তাকে অপরাধি বলা যাবে না কেন?

৪/ বিশ্বাসের ভিত্তিতে যুদ্ধ,

কোরানের, সুরা তাওবা এর ২৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে যে আহলে-কিতাবের ( সম্ভাবত ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের কথা বলা হয়েছে ) অনুসারিদের মধ্য যারা আল্লাহ ও শেষ বিচারে বিশ্বাস করে না।

قَاتِلُواْ الَّذِينَ لاَ يُؤْمِنُونَ بِاللّهِ وَلاَ بِالْيَوْمِ الآخِرِ وَلاَ يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللّهُ وَرَسُولُهُ وَلاَ يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُواْ الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُواْ الْجِزْيَةَ عَن يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। [ সুরা তাওবা ৯:২৯ ]

কারো বিশ্বাসের জন্য তার সাথে যুদ্ধ বাধানো নিশ্চিত ভাবেই অপরাধ, এবং একজন মুসলমান শুধু মাএ আল্লাহুকে অস্বিকার করা শেষ বিচারে বিশ্বাস না করা ও আল্লাহু ও তাঁর রসুল যা হারাম করেছে তা হারাম না করবার অপরাধে আহলে-কিতাবের অনুসারিদের সাথে যুদ্ধ করবে, এটি নিশ্চিত ভাবেই একজন মুসলমানকে অপরাধী করে।

উপসংহার//

আমার মনে কোন সন্দেহ নেই যে একজন কোরানের অনুসারি হল একজন অপরাধি। আমাদের জন্য ভালো বিষয় হচ্ছে পৃথিবীতে এমন অনেক কম সংক্ষক মানুষ আছে যারা সত্যিকার ভাবেই কোরানকে অনুসরন করে। কি হবে যখন আরো মানুষ কোরানকে অনুসরক করা শুরু করবে?
আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে কোরনের অনুসারিদের অপরাধি বিবেচনা করে স্বাস্থির ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা হউক না হলে, মানুষ হিসেবে আমাদের অবস্থান হুমকির মুখে পড়তে পারে। যা সভ্য কোন মানুষের কাম্য হতে পারে না।

মুসলিম মানেই কি অপরাধী?

আমার উত্তর হচ্ছে, হ্যা একদম তাই।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মাইকেল অপু মন্ডল
মাইকেল অপু মন্ডল এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2017 - 4:17অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর