নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়
  • শাহনেওয়াজ রহমানী
  • জিহাতুল
  • আজহারুল ইসলাম
  • মোস্তাফিজুর রহম...
  • রিশাদ হাসান

আপনি এখানে

বাংলাদেশের নারীবাদ, উইম্যান চ্যাপ্টার ও একজন সুপ্রীতি ধর


কিছুদিন আগে অনলাইনে একটা বিষয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনা হয়েছিল যে নারীবাদের সাথে ধর্মের সম্পর্ক কি? ধর্মকে সাথে নিয়ে নারীবাদী হওয়া যায় কি না, না কি নারীবাদী হতে গেলে নিজেকে অবশ্যই ধর্ম বাদ দিয়ে নাস্তিকই হতে হবে। অনেকেই অনেক দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা করেছেন, অনেকভাবে মন্তব্য করেছেন। কেউ বলেছেন নারীবাদের সাথে ধর্মের বিদ্বেষ নেই, কেউ বলছেন নারীর উত্তরণে যেহেতু ধর্মই প্রধান বাধা তাই, ধর্মকে সাথে নিয়ে নারীবাদ সম্ভব না। নারীবাদে ধর্ম প্রধান বাধা কি না, সেই বিতর্কে না গেলেও এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে প্রগতিশীল যে কোন আন্দোলনের সাথে ধর্ম একটা বিরাট কন্ট্রাডিকটরি বিষয়। মনের মধ্যে ধর্মকে পুষে রেখে কোনভাবেই প্রগতিশীল আন্দোলনে যুক্ত হওয়া যায় না, তা সে নারীবাদই হোক আর বিজ্ঞান দর্শনই হোক কিংবা হোক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। এমনকি সেক্যুলারজিম নিয়ে আন্দোলন করতে গেলেও প্রথমেই ধর্মকে ঝেড়ে ফেলতে হবে, নইলে ধর্মের ভূত যে কোন সময় এসে ঘাড় মটকে দিতে পারে।

যেমন করে মটকে দিয়েছে আমাদের বাংলাদেশের নারীবাদের তথাকথিত একমাত্র ঠিকাদার মহামান্য সুপ্রীতি ধরের। এই মহান ব্যক্তিটি বাংলাদেশের নারীদের কথা বলার একটা শক্ত প্লাটফরম উইম্যান চ্যাপ্টার নামক পোর্টালের সম্পাদক। পোর্টালটি দেখে খুবই ভাল লাগে। ভাল লাগে এই অন্ধকারের দেশে, মৌলবাদের বিষে জর্জরিত নারীদের অন্তত নিজের কথা বলার একটা জায়গা আছে। উইম্যান চ্যাপ্টারের সাহসী সম্পাদক হিসেবে তাঁর প্রতি অঘাধ শ্রদ্ধাই ছিল বরাবর। সেই সুপ্রীতি ধরের বিভিন্ন লেখায় মৌলবাদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কন্ঠ হলেও, তিনি নিজের মাথা থেকে নামাতে পারেননি ধর্মের সেই ভূত। সেই ভূত মটকে ফেলেছে উনার শক্ত ঘাড়। মটকে যাওয়া ঘাড়ের ব্যথাকে তিনি প্রকাশ করেছেন টয়লেটে কিংবা ফ্লোরে মূর্তি রাখায় অনুভুতি আহত হবার মধ্য দিয়ে। তাঁর কোন এক সৌখিন রুচিশীল বন্ধুর বাড়িতে হিন্দু ধর্মে পূজিত নানাবিধ মূর্তির সংস্করণ দেখে তিনি যারপর নাই খুশি হয়েছিলেন কিন্তু, যখন দেখলেন ঘর ঝাড়ু দেবার সময় সেই মূর্তিতে ঝাড়ু লেগে যাবার আশংকা রয়েছে, তখন তাঁর রুশ ফেরত মার্ক্সবাদী মনে বিরাট একটি আঘাত হানে। সেই আঘাত একেবারে মারাত্মক হয়ে তাঁর নারীবাদী মনকে গুরুত্বর আহত করে ফেলে যখন তিনি আবিষ্কার করলেন মূর্তি তো শুধু ফ্লোরে নয়, টয়লেটেও রয়েছে। এমন আহত অবস্থায় ঔষধ কোথায় পাওয়া যায়? তিনি একটা ত্বরিত সমাধান নিয়ে আসলেন, যদি কোরানের একটা ক্ষুদ্র সংস্করণ টয়লেটে রাখা যায় তাহলেই মনে হয় মার্ক্সের সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে, হয়ে যায় অসাম্প্রদায়িকতার এক নিদারুণ চর্চা, অথবা নারীবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় গোটা বাংলাদেশে। তিনি এ নিয়ে কে নতিদীর্ঘ স্ট্যাটাসও প্রসব করে ফেলেন যন্ত্রণা লাঘবের আশায়। কিন্তু হায়! বিধি বাম! সেই স্ট্যাটাসে উনি যারপর নাই তিরস্কৃত হলেন। অবশেষে লোকের সমালোচনায় সেই স্ট্যাটাসটি হাইড করে দেন। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে বাংলাদেশের একমাত্র মহামান্য নারীবাদী সুপ্রীতি ধরের স্ট্যাটসের স্ক্রীনশট নিচে দেয়া হলো।

হ্যাঁ, একজন মানুষ তার ঘরের কোথায় কি রাখবে, কিভাবে তাঁর রুচিশীলতা প্রকাশ করবে, ঘরের কোথায় কি রেখে মানসিক তৃপ্তি লাভ করবে তা তাঁর একান্তই ব্যক্তিগত ব্যপার। একজন সভ্য মানুষ হিসেবে আমরা বড়জোর বলতে পারি, সুন্দর হয়েছে কিংবা ভাল লাগেনি। যারা এসব ব্যপারে উপদেশ দিতে চায়, তাদেরকে আমরা সভ্যতার কাতারে ফেলতে পারি না। কিছুদিন আগে আমার এক নিকটাত্বীয়ার বিয়ে নিয়ে কথা হচ্ছিল। তো, কনে দেখার আগেই বরপক্ষ কনেকে বোরকা পড়াসহ নানান ধরনের উপদেশ দেয়া শুরু করেছিল ফোনে। কনের বাবা আমার কাছে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ চাইলে আমি বলেছিলাম, যারা এখনই এরকম উপদেশ দিতে পারে ওরা আপনার সবকিছুতেই নাক গলাবে, দেখবেন, ড্রয়িং রুমে যে আপনার নাতীদের ছবি ঝুলিয়ে রেখেছেন, সেটা নিয়েও ওরা কথা বলবে কারণ ওরা এখনও সভ্য হতে পারেনি। মজার বিষয় হলো, বরপক্ষ যখন কনে দেখতে এলো, তখন সবার আগে সেই ছবিটি নিয়েই কথা বলা শুরু করেছিল। কারণ, অসভ্যদের ধরনই এরকম। ওরা মনে করে সারা দুনিয়াটাই তাদের মত করে থাকা উচিৎ। তবে, বাংলাদেশের একমাত্র নারীবাদের ঠিকাদার সুপ্রীতি ধর টয়লেটে কোরান রাখার ইচ্ছেটা প্রকাশ করেছেন তাঁর সভ্যতা বা অসভ্যতার জ্ঞান থেকে নয়, উনার অসাম্প্রদায়িক মানসিকতার কারণে। উনি মনে করেছেন যেহেতু মূর্তির অবমাননা হচ্ছে তাহলে কোরানের অবমাননা করে দিলে শোধবোধ হয়ে যাবে। দৃষ্টিভঙ্গির কি উচ্চাঙ্গবোধ মাইরি!

হ্যাঁ, বলতে দ্বিধা নেই, কোরানের ক্ষুদ্র সংস্করন টয়লেটে রাখলে একজন নাস্তিকের কিছুই যায় আসে না। বরং কোরানের নানাবিধ জগাখিচুড়ি মার্কা আয়াত নিয়ে কেউ কোন ট্রল করলে তাকে উৎসাহিত করতে দেখা যায়। তাহলে, কোরানকে টয়লেটে রাখার ইচ্ছে প্রকাশ করে সুপ্রীতি কি কোন অপরাধ করেছেন? কিংবা, ব্যপারটা কি এমন যে সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরুদ্ধে বলায় উনি প্রতি আক্রমণের শিকার হচ্ছেন? না, এই মহামান্য সুপ্রীতি ধর কিছুদিন আগেও খোতবা টিভিতে লাইভ করা হচ্ছে দেখে উনার মনের খেদ ঝেড়েছিলেন। তখন এটা নিয়ে কেউ কথা বলেনি। কারণ, প্রগতিশীল মানুষ মাত্রই মনে করেন খোতবা প্রচার করা নিতান্তই অর্থহীন এবং ক্ষেত্র বিশেষে এটা সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যদিও খোতবা নিয়ে এ ধরনের কথাবার্তায় মুসলমানরা স্বাভাবতই আহত হবে, তখন প্রগতিশীল কেউ মহামান্য সুপ্রীতি ধরের এই খেদোক্তিকে নিয়ে সমালোচনা করেননি। তাহলে, কোরান নিয়ে কথা বলায়, কি এমন অপরাধ হয়ে গেল তাঁর?

বরং অনেক নাস্তিককেই দেখা যায় কোরানের উপর মূত্রবিসর্জন করে কিংবা এর পাতা ছিড়ে ফেলে মনের ঝাল মেটায়। মনের ঝালটা হল মুসলমানদের দ্বারা নিগৃহীত হবার ঝাল। তো, মহামান্য সুপ্রীতিও তো ঝাল মেটাতে পারেন, তাই না! তিনি কিসের ঝাল মেটাচ্ছেন? একজন রুচিশীল মানুষের বাসায়, টয়লেটে মূর্তি দেখে কেন তিনি তেতে উঠলেন? উনার হিন্দুপ্রীতি কি এর কারণ! উনার নাম কি তবে হিন্দুপ্রীতি? অথচ, কিছুদিন আগেও দাবী করেছিলেন নারীবাদ আন্দোলনে যুক্ত হতে গেলে আগে ধর্মকে বাদ দিতে হবে। হায়! উনি কি তবে ধর্ম বলতে শুধু ইসলামকেই বুঝিয়েছিলেন তখন?

সমালোচনার মুখে স্ট্যাটাস মুছে দিয়েছেন তিনি এবং ক্ষমা চেয়ে আরেকটা স্ট্যাটাসও প্রসব করেছেন। সেই স্ট্যাটাসে দেখা যায়, মনের খেদ ঢেলেছেন এই বলে যে যারা আহত হয়েছিলেন তারা চিকিৎসা নিচ্ছেন কি না এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে। ক্ষমার চাওয়ার কি ধরন মাইরী! উনি আবার মামলা খেতে পারেন বলে আশংকা করেছেন। আমার তো মনে হয়, ধর্মকে নারীবাদ থেকে আলাদা করার দাবী করার পরও এমন সাম্প্রদায়িক মনমানসিকতা নিয়ে নারীবাদ নিয়ে ভন্ডামী করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সত্যি সত্যি একটি প্রতারণার মামলা করা উচিৎ। উনি স্রেফ বাংলাদেশের নারীবাদ আন্দোলনের সাথে জড়িত নারীদের সাথে প্রতারণা করছেন, স্রেফ প্রতারণা।


মজার বিষয় হলো, উনার আত্মপক্ষ সমর্থন করে দেয়া স্ট্যাটাসে কি উনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ষড়যন্তটি কি তিনি সেটা উল্লেখ করেন নাই। কেউ যদি নিজে নিজে একটা সাম্প্রদায়িক স্ট্যাটাস দিয়ে দাবী করেন তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার, সেক্ষেত্রে আমরা ধরে নিতে পারি যে তাঁর একাউন্ট হ্যাক হয়েছিল, কিন্তু সেরকম কিছু তাঁর স্ট্যাটাসে পাওয়া যায়নি। ষড়যন্ত্রটা কি যিনি টয়লেটে মূর্তি রেখেছিলেন তিনি করেছিলেন? ঘটনাটা কি এরকম ঘটেছিল সূপ্রীতি যখন টয়লেট ব্যবহার করতে গিয়েছিলেন আর মূর্তিগুলো জীবন্ত হয়ে সুপ্রীতিকে থ্রেট দিয়েছিল যদি সে কোরানের ক্ষুদ্র সংস্করণ টয়লেটে না রাখে তাহলে তাঁর পরজন্ম বর্বাদ করে দেয়া হবে? এ রকম কিছু কি ঘটেছিল?

এবং আরও মজার বিষয় হলো, এই স্ট্যাটাসে তিনি নিজেকে দাবী করেছেন অসাম্প্রদায়িক বলে, পরিচিতজনদের কাছ থেকে জেনে নিতেও অনুরোধ করেছেন। কিন্তু দেখা যায়, পিপল চাকমা নামের এক ভদ্রলোকের কমেন্টে আমরা সংখ্যালঘু, ওরা সংখ্যাগুরু বিভাজনে এসে একটা (বেশি দেবার উপায় নাই, থাকলে হয়ত দিতেন) লাইকও দিয়ছেন। এই কমেন্টের “আমরা” আর “ওরা” কারা? এই আমরা কি নাস্তিকরা? নাকি হিন্দুরা? Blum 3

যাই হোক, বাংলাদেশের নারীবাদের কথিত একমাত্র ঠিকাদার এই মহামান্য সুপ্রীতি ধর আরেকবার আলোচনায় এসেছিলেন, গৃহকর্মীর দোষক্রুটির উদঘাটন বিষয়ক নতিদীর্ঘ এক লেখনির মধ্য দিয়ে। যখন কথা বলার দরকার ছিল তাদের পক্ষ নিয়ে, তখন তিনি তাঁর ক্ষুরধার কলম ধরেছিলেন সেই নির্যাতিতদের বিরুদ্ধেই। আক্ষেপের বিষয় হলো, তিনি সেই লেখাটাকে ছেপেছিলেন সম্পাদকীয়তে। উইম্যান চ্যাপ্টারের মত একটা প্ল্যাটফরমকে তিনি ব্যবহার করেছিলেন গৃহকর্মীদেরকে আরও লাঞ্ছিত করার অভিপ্রায়ে? নারীবাদ কি নির্যাতিত গৃহকর্মীদের দোষ উন্মোচনের আন্দোলন?

তখন আমি দাবী করেছিলাম উইম্যান চ্যাপ্টারের মত একটা প্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফরম থেকে যেন এই মহামান্য নিজেকে সরিয়ে নেন। কিন্তু, উনি দাবী করেছেন এটা উনার একার সম্পত্তি। উনি একে চার বছর ধরে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে। কিন্তু কেন? কেন তিনি উইম্যান চ্যাপ্টারকে গড়ে তুলেছেন? বাংলাদেশের নারীবাদকে এগিয়ে নেবার জন্য? না কি নিজের আখের গোছানোর জন্য? উইম্যান চ্যাপ্টারের সাথে যদি উনার ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িয়ে না থাকে, তাহলে এর থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিতে সমস্যা কোথায়? দেশে কি সম্পাদকের আকাল পড়েছে?

তখনও বলেছিলাম, আবারও বলছি, যারা নারীবাদ নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করেন, যারা নিজেদের অমানুষিক শ্রমের পরেও নারীবাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে নারী অধিকার বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখেন, তারা আবারও ভেবে দেখেন। আমরা কি উইম্যান চ্যাপ্টারের মধ্য দিয়ে নারীবাদের বিকাশ চাই? না কি নারীবাদের নামে ব্যক্তি সুপ্রীতি ধরের ভন্ডামী চাই। তখনো বলেছিলাম কথাটা, আবারও বলি এই সুপ্রীতি ধর যে ভবিষ্যতে এ রকম আরও কিছু ঘটিয়ে ফেলবে না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।

সকলের শুভবুদ্ধির উদয় হোক, বাংলাদেশে নারীবাদ এগিয়ে যাক, এগিয়ে যাক (ব্যক্তি সুপ্রীতি ধরের নয়) সকল নারীর, নারীবাদীর উইম্যান চ্যাপ্টার।

Comments

 

কেন তিনি উইম্যান চ্যাপ্টারকে গড়ে তুলেছেন? বাংলাদেশের নারীবাদকে এগিয়ে নেবার জন্য? না কি নিজের আখের গোছানোর জন্য? উইম্যান চ্যাপ্টারের সাথে যদি উনার ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িয়ে না থাকে, তাহলে এর থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিতে সমস্যা কোথায়?

শারমিন শামস্

 
পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
 

এই প্রশ্নটা মোকাবেলা করা সৎ সাহস উনার নেই।

*************************************
আমি কারো দেখানো পথে চলি না।
আমার ইচ্ছে মত পথের তৈরী করি।
^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

বাহ, সুন্দর

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

পৃথু স্যন্যাল
পৃথু স্যন্যাল এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 22 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, মার্চ 15, 2013 - 11:56পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর