নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

প্রাচ্যের জ্ঞান ভান্ডার আলেজান্দ্রিয়া লাইব্রেরি ও ইসলাম ধর্ম।



আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরি নিয়ে অনেকের মতামত এমন যে আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগে ধ্বংশ হয়ে যাওয়া একটি লাইব্রেরী নিয়ে আর জেনে কি করবো। কারন আছে, আমি কয়েকদিন ধরে একটি ধারাবাহিক লেখা লেখছিলাম হুবাল দেবতা ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে। একটি পাব্লিক ব্লগেও লেখাটি প্রকাশ করেছিলাম যেখানে ৫০% পজেটিভ আর ৫০% নেগেটিভ মন্তব্য এসেছে। এটা আমাদের প্রত্যাশিত ব্যাপার অবাক হবার কিছুই নেই। বিশ্বের সমস্ত তৃতীয় শ্রেনীর দেশগুলিতে এরকম হয়ে থাকে যার একমাত্র কারন কুসংস্কার, জ্ঞানের অভা্ব‌ ও ঈশ্বরে বিশ্বাস। অনেকের ধারনা আমি সেখানে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করেছি। অনেক তথ্য আমি দেইনি যা ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের পরে যে নতুন একটি ধর্ম তৈরি হয়েছিলো তার গুনগান করে। আসলে যদি তাদের এমন কোন কর্ম তখনকার সময়ে না পাওয়া যায় তাহলে কোথা থেকে লেখবো সেটা। বরং এমন কথা পাওয়া যায় যে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে ও পরবর্তি প্রজন্মকে তাদের থেকে বেশি না জানতে দেবার জন্য হাজার বছরের সংগ্রহিত জ্ঞান ভান্ডার ধ্বংশ করেছিলো। আর সেটাই ছিলো আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরী।

এবার একটু কাছাকাছি সময়ের উদাহরন দেয়। আমরা সবাই আফগানিস্তান এর মুসলিম জঙ্গী বা জিহাদী গোষ্ঠি তালেবান এর নাম জানি নিশ্চয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার সময় ৭০ এর দশকে এদের জন্ম হয়েছিলো আফগানিস্তানে। এই সময় পর্যন্ত সেদেশের সাধারন মানুষ ও বিশেষ করে নারীরা অনেক স্বাধীন ছিলেন। তারা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পেরেছেন তখন, চাকুরী বাকুরীও করতেন অফিস আদালতে। এবার একটু চিন্তা করে দেখুন এটা বর্তমান সময়ে আফগানিস্তানে কি অসম্ভব না সম্ভব। তাদের অবস্থা এমন হয়েছিলো, একটা সময় পঞ্চম শ্রেনীর উপরে তাদের পড়াশোনা করা নিষিদ্ধ ছিলো। পোশাক বলতে তাদের বস্তা বন্দী করা হয়েছে যা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান আছে। তালেবানরা ইসলামিক আইন ফলো করতো যেমন করে গিয়েছিলেন তাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এবং তার পরবর্তী উত্তরসূরীরা যাদের একজনের হাতেই ধ্বংশ হয়েছে বলে জানা যায় এই আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরি। তালেবান সহ মুসলিম জাতির ধারনা এই যে, তাদের প্রধান ঐশরিক কিতাব কোরান হচ্ছে একমাত্র জ্ঞানের বই যার সাথে পৃথিবীর অন্য কোন বই এর তূলনা করা চলে না। তাই কোরান বাদে অন্য কোন বই পড়া মানে কুপথে চলে যাওয়া এবং ইসলাম বহিঃভুত কাজ করা। এইধারনা থেকে তারা তৎকালীন আফগানিস্তান এর গ্রামে গ্রামে গিয়ে কোরান বাদে যত বই পেয়েছিলেন তা আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন। তাদের কথা ছিলো কোরান বাদে আর যত কিতাব আছে তা সবই শয়তানী কিতাব তাই এগুলো জ্বালিয়ে দাও। ঠিক একই কথা ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে খলিফা ওমর রাঃ বলেছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরি পোড়ানোর সময়।

এটি ছিলো একটু কাছাকাছি সময়ের ছোট্ট নমুনা। এবার আসুন আজ থেকে প্রায় ১৪০০ বছর আগের কিছু নমুনায় যাওয়া যাক। ইসলামের প্রধান নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রাচারিত রাজনৈতিক দল ইসলামী সাংস্কৃতি আস্তে আস্তে ইসলাম ধর্মে বদল হতে থাকে এবং একটা সময় ৬৩০ খৃস্টাব্দে মক্কা বিজয়ের পর তার এই ইসলাম ধর্ম আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে যার একটিই কারন ছিলো মৃত্যু পরবর্তীতে জান্নাত বা বেহেশত প্রাপ্তির আশা তার অনুসারীদের করে তুলতো আরো সাহসী ও মৃত্যু ভয়হীন যোদ্ধা। মুহাম্মদ সাঃ এর মৃত্যুর পরে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তার উত্তরাধীকারী হয় তার একজন সঙ্গী হযরত আবু বকর এবং পরবর্তিতে তার মৃত্যুর পরে আরেকজন সঙ্গী হযরত ওমর (রাঃ) তার উত্তরাধিকারী পান। আর এই খলিফা হজরত ওমরের নেতৃতে ধ্বংশ করা হয় সেই আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরী যার ক্ষতিপুরন আজো করা সম্ভব হয় নাই। আমি “মিশরীয় সভ্যতা ও ইসলাম ধর্ম” নামের একটি লেখাতে কিছুটা উপস্থাপন করেছিলাম।

এই যে লাইব্রেরী ধ্বংশ করা হয়েছিল তার একমাত্র কারন ছিলো পরবর্তি প্রজন্মের মানুষেরা যাতে প্রকৃত ইতিহাস আর জ্ঞান না নিতে পারে। ইসলাম ধর্ম জাতে বিতর্কিত না হতে পারে। তাহলে আজকের এই যুগে এসে কিভাবে আপনারা এই মন্তব্য করেন যে হুবাল দেবতা আর ইসলাম এর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। খুজে দেখলে পাওয়া যাবে মুসলমানেরাই এই জাতীয় ইতিহাস, স্থপনা আর জ্ঞান ভান্ডার, অতীতে তাদের সার্থে ধ্বংশ করেছে। আসলে ইসলাম ধর্মই কোনদিন চায়না মানুষ কোরান বাদে অন্য কিছু পড়ুক। প্রকৃত জ্ঞান খুজে দেখুক। ৬৩৮ থেকে ৬৪০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই হযরত ওমর রাঃ ইসলামিক যোদ্ধাদের নিয়ে তৎকালীন সিরিয়া ও মিশর দখল করেছিলেন। আর ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে তিনি প্রাচের এই জ্ঞান ভান্ডার আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির সমস্ত বই পুড়িয়ে ফেলেছিলেন। বিভিন্ন হাদিসে বলা আছে তিনি (খলিফা ওমর রাঃ) বলেছিলেন “এই কিতাবগুলি যদি পবিত্র কোরানের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ না হয় তাহলে এগুলি অপ্রয়োজনীয়, আর যদি পবিত্র কোরানের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন না হয় তাহলে এগুলি ক্ষতিকর। আর তাই উভয় ক্ষেত্রেই এগুলি ধ্বংশ করা একান্ত প্রয়োজন” সিরিয়া দখল করতে তখন তাকে যুদ্ধ করতে হয়েছিলো কন্সটান্টিনেপোলির যোদ্ধাদের সাথে। কিন্তু মিশরের তৎকালীন রাজা হেরাক্লিয়াসের মৃত্যুর কারনে মিশর দখল করতে মুসলমানদের কোন যুদ্ধ করা লাগেনি।

আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির অবস্থান ছিলো বর্তমান মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া শহরে আরবি: الإسكندرية আল ইস্কান্দারিয়া) হল মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং এই শহরেই মিশরের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। প্রাচীনকালে এই শহরটি বাতিঘর বা লাইট টাওয়ার (প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি) এবং গ্রন্থাগারের (প্রাচীন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরির) জন্য বিখ্যাত ছিল। সম্প্রতি আলেক্সান্দ্রিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় সামুদ্রিক নৃবিজ্ঞান এর উপর ভিত্তি করে পরিচালিত গবেষণায় (যা ১৯৯৪ সালে শুরু হয়েছিল) আলেক্সান্ডারের আগমনের পূর্বে যখন এই শহরের নাম ছিল রাকোটিস সেই সময় এবং টলেমীয় রাজত্বের সময়ের আলেকজান্দ্রিয়া নিয়ে নতুন অনেক তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে যা থেকে এই মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেক অতীত ইতিহাস জানা যাচ্ছে।

প্রায় সব প্রাচীন গ্রন্থেই আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগারকে প্রাচীন বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থাগারগুলির একটি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই গ্রন্থাগারের বিবরণ ইতিহাস ও কিংবদন্তির মিশ্রণই রয়ে গিয়েছে। এই গ্রন্থাগারের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাচীন মিশরের ঐশ্বর্য প্রদর্শন। গবেষণা ছিল গৌণ উদ্দেশ্য। তবে গ্রন্থাগারের সঞ্চিত গ্রন্থগুলি মিশরের শাসকের কাজে লাগত। আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগারের দায়িত্ব ছিল সারা বিশ্বের জ্ঞান সংগ্রহ করা। গ্রন্থাগারের অধিকাংশ কর্মচারী প্যাপিরাসে বই অনুবাদের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। রোডস ও এথেন্সের বইমেলায় ঘুরে রাজার অর্থে প্রচুর বই সংগ্রহ করে এই কাজ চলত। গালেনের মতে, বন্দরের কোনো জাহাজে কোনো বই পাওয়া গেলেই তা গ্রন্থাগারে নিয়ে আসা হত। এই বইগুলি "জাহাজের বই" নামে তালিকাভুক্ত করা হত। তারপর সরকারি লিপিকার সেই বইয়ের অনুলিপি করতেন। মূল বইটি গ্রন্থাগারে রেখে, অনুলিপিটি মালিককে ফেরত দেওয়া হত। অতীতকালের গ্রন্থ সংগ্রহের পাশাপাশি এই গ্রন্থাগারে একদল আন্তর্জাতিক গবেষক সপরিবারে বাস করতেন। তাঁরা রাজার কাছ থেকে বৃত্তি পেতেন।

আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীন গ্রন্থাগারের আকার কেমন ছিল, তা সঠিক না জানা গেলেও প্রাচীন গ্রন্থগুলির বর্ণনা অনুসারে, এই গ্রন্থাগারে স্ক্রোলের বিশাল সংগ্রহ, আঁকাবাঁকা পায়ে চলার পথ, একত্র ভোজনের কক্ষ, পড়ার ঘর, সভাকক্ষ, বাগান ও বক্তৃতাকক্ষ ছিল। আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষাপ্রাঙ্গণে এই ধরনের নকশা দেখা যায়। গ্রন্থাগারের একটি অধিগ্রহণ বিভাগ (সম্ভবত গ্রন্থভাণ্ডারের কাছে অবস্থিত ছিল বা বন্দরে জিনিসপত্র রাখার কাজে ব্যবহৃত হত) এবং একটি ক্যাটালগিং বিভাগ ছিল। একটি বড়ো ঘরে তাকে প্যাপিরাসের সংগ্রহ রাখা হত। এগুলিকে বলা হত "বিবলিওথেকাই"। জনশ্রুতি আছে, এই তাকগুলির উপর একটি ফলকে লেখা থাকত: "আত্মার চিকিৎসার স্থান"।

আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল মুসলিম খলিফা হযরত ওমর রাঃ এর নেতৃত্বে। যার ফলে বহু স্ক্রোল ও বই চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীন গ্রন্থাগারের অগ্নিকাণ্ড তাই সাংস্কৃতিক জ্ঞান ধ্বংসের প্রতীক। আজ পর্যন্ত বিশ্বের জ্ঞানী ব্যাক্তি ও গবেষকেরা এর অভাব অনুভব করেন। প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে এই অগ্নিকাণ্ডের সময় নিয়ে বিতর্ক পাওয়া যায় মুসলিম সম্প্রদায়ের ভেতরে। তাদের ভাষ্য এটা মুসলমানেরা করেনি। কে এই অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছিলেন তা নিয়েও মতান্তর তৈরি করা হয়েছে। এই ধ্বংস নিয়ে একটি জনশ্রুতি হল, বহু বছর ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে এই গ্রন্থাগার বিনষ্ট হয়। সম্ভবত ৪৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জুলিয়াস সিজারের মিশর আক্রমণের সময় অথবা ২৭০ খ্রিস্টাব্দে আরেলিয়ান আক্রমণের সময়, ৩৯১ খ্রিস্টাব্দে কপটিক পোপ থেওফিলাসের নির্দেশে এবং ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে সর্বোশেষ মিশরে মুসলমান আক্রমণের সময় সংঘটিত পৃথক পৃথক অগ্নিকাণ্ডে আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এর মধ্যে ৩৯১ খ্রিস্টাব্দে কপটিক পোপ থেওলিফাস এর কথা কয়েক যায়গায় উল্লেখ পাওয়া যায়। কিন্তু সে লাইব্রেরি পুড়িয়েছিলো না। সে লাইব্রেরির পার্শবর্তি একটি মন্দিরে হামলা চালিয়েছিলো বলে উল্লেখ আছে। তবে এটাই সব চেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য যে, ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে মুসলমান খলিফা হযরত ওমর (রাঃ) এর দ্বারা এই লাইব্রেরি ভস্মীভুত হয়।

---------- মৃত কালপুরুষ
০৭/১০/২০১৭

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

চমৎকার

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

ধন্যবাদ আপনাকে , আপনাদের মতামত আমার একান্ত কাম্য।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
নাম বলতে অনুচ্ছুক এর ছবি
 

এধরনের লেখা পড়ে ৫০% এর বেশী মানুষ নেতিবাচক মন্তব্য করবে এবং করাটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কারণ এদেশের ৯০% মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং সেই ৯০% এর মধ্যে ৯৮% হলো কোন না কোন ভাবে ইসলামকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসাতে পছন্দ করে, যাদের আছে শুধুই বিশ্বাস এবং সে বিশ্বাসের কোন বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি নেই।

এমতাবস্হায় প্রকৃত সত্যকে ওরা প্রপাগাঙ্গা মনে করে এবং এভাবে চলে এসেছে। যে কজন এর থেকে বের হয়েছে ওরা মুরতাদ খ্যাতি লাভ করেছে এবং একবিংশ শতকেও তাদের নিশ্চিন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং হয়ে যাচ্ছে।

তথাপি অনুরোধ করবো আপনারার যারা এধরনের গবেষনামূলক লেখা লিখে থাকেন -লিখে যান, ফলাফল অত্যন্ত ধীর গতিতে আসতে বাধ্য।

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনাদের মতামত আমার একান্ত কাম্য। আমরাও জানি সত্য একদিন মানুষের সামনে আসবেই আর সেদিন খুব বেশি দূরে নয়।

-------- মৃত কালপুরুষ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 ঘন্টা 18 min ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর