নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

রোহিঙ্গাসন্ত্রাসীদের সঙ্গে আমাদের দেশপ্রেমিক-মুক্তিযোদ্ধাদের তুলনা!


রোহিঙ্গাসন্ত্রাসীদের সঙ্গে আমাদের দেশপ্রেমিক-মুক্তিযোদ্ধাদের তুলনা!
সাইয়িদ রফিকুল হক

বাংলাদেশের যেকোনো সচেতন নাগরিক তথা মানুষ তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি লোক রোহিঙ্গানির্যাতন থেকে শুরু করে পৃথিবীর যেকোনোপ্রান্তে মানুষ আর মানবতার বিরুদ্ধে পরিচালিত সকলপ্রকার জুলুমনির্যাতনের বিরুদ্ধে। একজন মানুষ মাত্রেই যেকোনো জাতিগোষ্ঠীর উপর পরিচালিত জুলুমনির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থানগ্রহণ করে থাকে। আর এটাই হলো আজকের দিনে আধুনিকমানুষের একমাত্র ধর্ম—মানবতা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে যারা মানুষকে ভালোবাসে তারাই মানুষ।

আর যারা মানুষে-মানুষে ভেদাভেদসৃষ্টি করে আর সর্বক্ষণ শুধু মুসলমান-মুসলমান বলে চিৎকার ও চেঁচামেচি করে তারা ভণ্ডশয়তান। আর এদের কাছে মানবতা আশা করাটাই বৃথা। বাংলাদেশের মুসলমানদের একটি অংশ এখনও পাকিস্তানের দালাল আর তারা জঙ্গিবাদের সমর্থক। এরা ১৯৭১ সালে, পাকিস্তানের পক্ষে যারপরনাই নগ্নতাপ্রকাশ করেছিলো। এরাই এখন এদেশে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ঢালাওভাবে আশ্রয়প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য নানাপ্রকার শয়তানীটালবাহানা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই দেশবিরোধীসাম্প্রদায়িকগোষ্ঠীটি রোহিঙ্গাদের পক্ষাবলম্বন করে দেশের ভিতরে নানাপ্রকারের ইতিহাসবিকৃতি করছে, এবং রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সীমাহীন মিথ্যার আশ্রয়গ্রহণ করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু মুসলমান-নামধারী এই পশুচক্রটি শুধু রাত-দিন মুসলমান-মুসলমান করে গলা ফাটায়। আর দুনিয়ার কোথাও কোনো মুসলমান ঘায়েল হলে এরা অমনি মুসলমান গেল, মুসলমান গেল, বলে কান্নাকাটি করে! কিন্তু দুনিয়ার বিভিন্নস্থানে যে এই মুসলমানের হাতেই আজ অগণিত ভিন্নধর্মাবলম্বীমানুষ মারা যাচ্ছে—তার বিরুদ্ধে এরা কখনও প্রতিবাদ করে না। এরা সবসময় সাম্প্রদায়িকপশুচক্র, আর নিজেদের স্বার্থে সবসময় ঘাপটিমেরে থাকা প্রকাণ্ড শয়তান।

রোহিঙ্গাদের পক্ষে বাংলাদেশের যে-সব স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন ও অপশক্তি মায়াকান্নাপ্রদর্শন করছে তাদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে:

১. জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান ওরফে আজকের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু এরা নেপথ্যের কুশীলব। এরাই রোহিঙ্গাদের এদেশে আশ্রয়প্রশ্রয়ের ব্যাপারে মূল কারিগর। আর এদের অধীনস্থ রয়েছে আরও কতকগুলো জঙ্গিসংগঠন। যেমন—

ক. জাতীয় ইমামসমিতি;
খ. ইমাম ও ওলামা পরিষদ;
গ. হেফাজতে ইসলাম নামক হেফাজতে শয়তান;
ঘ. বাংলাদেশ (আসলে পাকিস্তান) খেলাফত-আন্দোলন;
ঙ. বাংলাদেশ (আসলে পাকিস্তান) খেলাফত-মজলিশ;
চ. বাংলাদেশ (আসলে পাকিস্তান) ইসলামী-মোর্চা;
ছ. ঈমান-আকিদাহ প্রতিরোধ-কমিটি;
জ. ইসলামীঐক্যজোট;
ঝ. জমিয়তে উলামাপরিষদ;
ঞ. তাবলীগী-জামাত;
ট. কওমী-মাদ্রাসাপরিষদ (বেফাক);
ঠ. ইসলাম-নামধারী আরও বিভিন্ন শয়তানীসংগঠন।

২. বাংলাদেশের আত্মস্বীকৃত সর্বস্তরের ভণ্ডপীরগোষ্ঠী। যেমন—চোরমোনাইয়ের পীর, শর্ষিণাছারছীনার পীর, মৌকরার পীর, লালবাগের পীর, কুতুববাগের পীর ইত্যাদি। এরা সবাই এখনও পাকিস্তানের দালাল। আর বাংলাদেশের আগাছাপরগাছা। তাই, এরা তো দেশের স্বার্থ ভুলে রোহিঙ্গাদের জন্য মায়াকান্নাপ্রদর্শন করবেই।

৩. ভুঁইফোঁড় রাজনৈতিক দলের একশ্রেণীর দেশবিরোধী নেতা-কর্মী। আর এইসব আবর্জনা—জাতীয় পার্টি, বিএনপিসহ আজকের আওয়ামী-ওলামালীগের মধ্যেও আত্মগোপন করে রয়েছে। আসলে, এরা জাতে-চরিত্রে, বিশ্বাসে-মননে রাজাকারদের জাতভাই। এরা এখন সস্তা-রাজনীতির ডামাডোলে দিনদুপুরে রোহিঙ্গাপ্রেমিক সেজে বসেছে! প্রকৃতপক্ষে, এদের শিকড় পাকিস্তানের নষ্টবীজ থেকে উৎপন্ন হওয়া বিষবৃক্ষের সঙ্গে প্রোথিত রয়েছে।

উপর্যুক্ত ভুঁইফোঁড় সংগঠনগুলোর পরিচয় কী? এরা সবসময় পাকিস্তানের দালালি করেছে, আর এখনও করছে। এরা কি বাংলাদেশরাষ্ট্র ভালোবাসে? না, কক্ষনো না। এরা পাকিস্তানের জারজসন্তান। এরা বাংলাদেশরাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্যই এখন দিন-রাত রোহিঙ্গাইস্যু নিয়ে মায়াকান্নাপ্রদর্শন করে চলেছে।

রোহিঙ্গাদের মধ্যে কমপক্ষে দুই-তিনটি সন্ত্রাসবাদী ও জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। এর একটি হলো—‘আরসা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন’ আর অপরটি ‘রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’। এদের একটি অংশ মিয়ানমারের আর্মিদের হাতে প্রচণ্ডভাবে মার খেয়ে বির্যস্ত হয়ে বাংলাদেশসহ তাদের আশেপাশের রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে, আর বাকীরা এখনও মিয়ানমারের আর্মিদের সঙ্গে চোরাগোপ্তা হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ করছে।
কিন্তু আমাদের দেশের জঙ্গিমুসলমানচক্রটি এগুলো কখনও বিশ্বাস করে না। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে তারা সবসময় এদের সমর্থন করে, আর এদের নাশকতার পক্ষে কথা বলে। আর সবসময় শুধু মিয়ানমার-সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে (যা তারা করে নাই তারচেয়ে বেশি) বলে থাকে। আমাদের দেশে এই মোল্লাচক্রটি সবসময় রোহিঙ্গাদের নিষ্পাপ প্রমাণের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর এইব্যাপারে তারা মিথ্যা বলতে ভয়ানক পারদর্শী। এই মুসলমানের মতো এতো মিথ্যাকথা পৃথিবীতে আজ কেউই বলে না।

রোহিঙ্গাইস্যুতে দেশের মাদ্রাসা ও মসজিদের পাতিহুজুর-শয়তানচক্রের সীমাহীন ধৃষ্টতা:

পাকিস্তানের ঔরসজাত মোল্লারা এখন মসজিদে-মসজিদে বুকফুলিয়ে বলছে: “রোহিঙ্গারা যদি সন্ত্রাসী হয় তাহলে ’৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধারাও সন্ত্রাসী! রোহিঙ্গারা মুক্তিযোদ্ধা। তারা বার্মার জালেমসরকারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করছে!”

মোহাম্মদপুরের একটি আলিয়ামাদ্রাসার পাতিহুজুর আখতার নামক মৌলোভী সদম্ভে ঘোষণা করেছে: “রোহিঙ্গারাও মুক্তিযোদ্ধা। তারা হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে কোনো অপরাধ করেনি। আমাদের উচিত তাদের জিহাদে শামিল হওয়া। আর যারা রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী বলে তারা নিজেরাই সন্ত্রাসী। আর যদি রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসী হয় তবে একাত্তর সালের মুক্তিযোদ্ধারাও সন্ত্রাসী!”

এই হলো এদেশের আলেম-উলামা-নামধারী একশ্রেণীর দেশবিরোধী শূয়রের বাচ্চার ধৃষ্টতা। এরা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকে পর্যন্ত আজ রোহিঙ্গাসন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসবাদ-আন্দোলনের সঙ্গে এবং আমাদের বীর-মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ত্রাসী বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।
এই ধর্মব্যবসায়ীচক্রটি সেই পাকিস্তানআমল থেকে বাংলাদেশের ক্ষতি করে আসছে। এরা এখন দেশের জন্য মায়াকান্নাপ্রদর্শন করে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর নামে জঙ্গিবাদের পক্ষে কাজ করছে।

বাংলাদেশের মসজিদ-মাদ্রাসার শতকরা ৯৮টি ইমাম, সানীইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, আর পাতিহুজুরগুলো এখন পাকিস্তানের সন্তান। এরা ইসলামধর্মের নামে বাংলাদেশরাষ্ট্রসহ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এরা এদেশের কেউ নয়। এরা পাকিস্তানের জারজসন্তান। দেশে আশ্রিত-রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি এদেরও পাকিস্তানেই ফেরত পাঠাতে হবে।

বাংলাদেশের যে-সব মোল্লা-কাটমোল্লা থেকে শুরু করে মাদ্রাসা-মসজিদের পাতিহুজুর রোহিঙ্গাদের জন্য কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে—আসলে, তাদের মধ্যে কোনো মানবতা নাই। আর এটিই সত্য। এসবই এদের লোকদেখানো আচারপ্রথা। আর নিজেদের শয়তানীরাজনীতির বহিঃপ্রকাশ মাত্র। কারণ, এই শ্রেণীর অমানুষের মধ্যে কোনোপ্রকার মানবতা নাই—আর মানবতা থাকতেও পারে না। আমরা এদের মধ্যে ১৯৭১ সালে ন্যূনতম মানবতা দেখি নাই। এখনও দেখছি না। হঠাৎ এদের রোহিঙ্গাদের জন্য এতো দরদ কেন? আসলে, এর পিছনে এদের মনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা একপ্রকার ষড়যন্ত্র আর শয়তানীরাজনীতি খেলা রয়েছে। আর এসব বাস্তবায়নের জন্য তারা এখন রোহিঙ্গাপ্রেমে একেবারে দেওয়ানা! নির্যাতিত-রোহিঙ্গাদের প্রতি এদেশের যেকোনো সাধারণ মানুষের সহানুভূতি থাকাটা একজন মানুষ হিসাবে স্বাভাবিক। আর এটা মানবিক। কিন্তু মিয়ানমারের রোহিঙ্গাজনগোষ্ঠীর জন্য আমাদের দেশের এই কাটমোল্লা-অমানুষদের এসব অপতৎপরতা ও অসৎ-রাজনীতি ধান্দাবাজি আর স্বার্থপরতা ব্যতীত আর-কিছু নয়। বাংলাদেশের এই মোল্লাশ্রেণী কখনও মানুষ ছিল না, আর কখনও মানুষ হবেও না।

এই নরপশুদের দেশবিরোধী-অপতৎপরতা শক্তহাতে দমন করতে হবে। আর এদের বিরুদ্ধে জেগে উঠতে হবে মানবতাধর্মে বিশ্বাসী সকল মানুষকে।
জয় হোক মানুষ আর মানবতার।

সাইয়িদ রফিকুল হক
পূর্বরাজাবাজার, ঢাকা,
বাংলাদেশ।
০৬/১০/২০১৭

Comments

সোহেল ইমাম এর ছবি
 

অনেকেই বলছেন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু না জন্মালে আমাদের অবস্থা রোহিঙ্গাদের মতই হতো। প্রথম কথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশে জন্মটা একটা আকস্মিক ঘটনা নয়। জাতিই নেতার জন্ম দেয়। যে জাতির মধ্যে স্বাধীনতা স্পৃহা, স্বাতন্ত্র্য অনেক অনেক যুগ ধরেই মাথা তুলে আছে সে জাতি স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব পণ করে বসবে এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের জন্মের অনেক অনেক বছর আগে বঙ্কিম একটু কটাক্ষ করে বলেছিলেন ভারতের আর সব প্রদেশের মানুষ আগে ভারতীয় তারপর অন্যকিছু, কিন্তু বাঙালিদের বেলা আগে তারা বাঙালি তারপর ভারতীয়। সুতরাং যে জাতির মধ্যে এতোদিন ধরে নিজের স্বাতন্ত্র্য সম্পর্কে একটা সচেতনতা ছিলোই সে জাতির মধ্যে তুখোড় রাজনীতিবিদদের জন্ম হবে এটা অবাক হবার মত কোন ব্যাপার নয়। তৎকালীন পূর্ববাংলায় বাঙালিরা আর যা হোক সংখ্যালঘু ছিলোনা। সুতরাং শরনার্থী হয়ে পাশের দেশে আশ্রয় নিলেও একটা না একটা সময় তারা দেশে ফিরতোই এবং তারা ফিরেও ছিলো। একটা যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদারদের হটিয়ে দিয়েই ফিরেছিলো। আজ রোহিঙ্গাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মত নেতা নেই এটাও নেহাত দুর্ঘটনা নয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চেতনা ক’জনের আছে? তাদের রাজনীতির ধারাইবা কেমন? এতোদিন যে দেশে আছে সে দেশে থেকে উচ্ছেদ হয়ে যাবার পর কান্না আর আর্তচিৎকার ছাড়া আর কোন দাবীর কথা কি রোহিঙ্গাদের নিজেদের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে? এতো গুলো মানুষ কিন্তু এদের নেতারা কই? বড় নেতা, কালজয়ী নেতা আকাশ থেকে পড়েনা জাতির মানস থেকেই জন্ম নেয়। রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার বেশ কয়েক বছর ধরেই চলছে কিন্তু সত্যিকারের নেতার পেছনে সংগঠিত হবার সময়টা আজও তারা করে উঠতে পারেনি। কয়েকটা গেরিলা গোছের সংগঠনের নাম শোনা যায় কিন্তু তাদের রাজনৈতিক ভিত্তিভূমি পরিস্কার নয়। এরা কি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির মঙ্গল চায়? নাকি ইসলামী জোসে ভর করে ভাবছে বিশ্বের তাবৎ ইসলামী শক্তি তাদের পাশে এসে একটা ইসলামী রোহিঙ্গা রাষ্ট্র গড়ে দেবে।

----------------------------------------------------
কে লেখে, কারা লেখে দেয়ালের আঁকিবুকি দাগ
সময়ের স্মৃতি রেখে বাকী অর্থ খ’সে পড়ে যাক

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

ঠিকই বলেছেন। রোহিঙ্গারা নেতৃত্বশূন্য।
আর যাও বা কিছু পাতিনেতা আছে তারা ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ ছড়াচ্ছে। মূলত এরাই রোহিঙ্গাদের মূল অশান্তির কারণ। আর এদের জন্যেই আজ আমাদের দেশ বিপদে পড়েছে।
সাধারণ রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করাটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। আমরা এদের প্রতি সহানুভূতিশীল। কিন্তু যারা রোহিঙ্গাতে ইসলামের ঝান্ডা উড়াতে চায় তারা সন্ত্রাসী। এদের জন্যই আজ সাধারণ রোহিঙ্গারা দুরবস্থার শিকার।
আমাদের বাংলাদেশের জঙ্গি-মার্কা-মুসলমানগুলো রোহিঙ্গাইস্যুতে হুদাই লাফায়। এদের দেশে ফিরতে হবে। নিজের দেশ বিপন্ন করে মানবতা দেখানো যায় না।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আর সঙ্গে রইলো শুভেচ্ছা।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
সোহেল ইমাম এর ছবি
 

সবাই যখন এই তুলনা নিয়ে আসছিলো তখন অস্বস্তি লাগছিলো। আপনার লেখা দেখে তাই উৎসাহ পেয়েছি। লেখা থামাবেননা। আরো লিখুন।

----------------------------------------------------
কে লেখে, কারা লেখে দেয়ালের আঁকিবুকি দাগ
সময়ের স্মৃতি রেখে বাকী অর্থ খ’সে পড়ে যাক

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

পড়লাম দাদা

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাইয়িদ রফিকুল হক
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 11 min ago
Joined: রবিবার, জানুয়ারী 3, 2016 - 7:20পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর