নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সৈকত সমুদ্র
  • জিসান রাহমান
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • আকিব মেহেদী

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

জামায়াত-শিবির ইসলামের জন্য একটি ক্যান্সার


এইবার পূজায় দশমীর দিন আমি মন্দিরে গিয়েছিলাম। যাওয়ার পর দেখলাম হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মের প্রতি কত যত্নবান। কয়েকমাস আগে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। সকালবেলায় হোটেল থেকে বের হলাম, হনুমান মন্দিরের পাশে চা দোকানে দাঁড়িয়ে চা বিড়ি নিচ্ছিলাম, লক্ষ করলাম, যারা স্কুল-কলেজে, অফিস-আদালতে যাচ্ছেন তাদের সব বয়সের নারী-পুরুষ মন্দির প্রবেশ করে পূজো দিচ্ছে। এমনকি প্রতিটা মোড়ে মোড়ে ছোট্ট ছোট্ট মূর্তি সাজিয়ে রেখছে এবং তার পূজো করছে।

যতগুলো গাড়ি তথা, ট্রাম্প, লোকাল বাস, টেক্সি, অটো, টোটো ইত্যাদি যানবাহনে আমি উঠেছি তারা তাদের ভগবানকে গাড়িতে সাজিয়ে রেখছে এবং যাত্রা শুরু করার আগে পূজো দেয়। অর্থাৎ আমি হিন্দু ধর্মের মানুষদের ধর্ম ভক্তি দেখে খুব ঈর্ষান্বিত হলাম। তাছাড়া আমার বৌদ্ধ এবং খৃস্টান ধর্মেরও বন্ধু আছে। তাদের সুবাদে আমি বৌদ্ধদের আষাড়ী পূর্ণিমায় বৌদ্ধমন্দিরে আর খৃষ্টানদের বড়দিনে গীর্জায় গিয়েছিলাম।

বৌদ্ধ ধর্মের বুদ্ধত্ব লাভ করতে হলে " পারমিতা " থাকতে হবে। বৌদ্ধধর্মে "পারমিতা" বলতে বোঝায়- দান, শীল, নৈস্কম্য, সত্য, ক্ষান্তি, বীর্য, অধিষ্ঠান, মৈত্রী, উপেক্ষা এবং প্রজ্ঞা। বৌদ্ধধর্মে আরো বলা আছে - সৎ দৃষ্টি, সৎ সংকল্প, সৎ বাক্য, সৎ কর্ম, সৎ জীবিকা, সৎ প্রচেষ্টা, সৎ চিন্তা এবং সৎ সাধনা।
আমি যতদূর বৌদ্ধপল্লীতে গিয়েছি ততদূরই দেখলাম তারা তাদের ধর্মে বলা বিধি নিষেধ গুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।

খৃষ্টান ধর্মে গির্জা ভিত্তিক বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে সম্পূর্ণ পৃথক পৃথক বাইবেল। খৃষ্টান ধর্মেও নিষেধ আছে, মিথ্যা বলা, ব্যভিচার নিষিদ্ধ ( যে সহবাস সর্বপ্রকার নোংরামী এবং অপিবত্রতা থেকে পাক পবিত্র ছিলো তাও তারা বিসর্জন দিয়েছে ), গিবত, অন্যকে কষ্টে ফেলা এবং ইসলাম ধর্মে যে সব নিষেধ আছে তার অধিকাংশই বাইবেলেও আছে। খৃষ্টান ধর্মাবলম্বী যাদের দেখেছি তাদের প্রত্যেকে ধর্মের প্রতি আনুগত্য আমাকে বিস্ময় করেছে।

সেদিন পূজো দেখে এসে ফেইসবুকে একটি ছবি পোষ্ট করি। আর তাতে আমার এক মুসলিম বন্ধু মন্তব্যের মাঝে প্রশ্ন করে-

- দোস্ত তুমি কোনো হিন্দু বন্ধুকে মসজিদে নিয়ে গিয়েছো?
- নিয়ে গিয়েছি।।। এবং ঈদের দিনগুলোতে আমার অনেক হিন্দু বন্ধু আমার সাথে ঘুরেছে।। ধর্মান্ধতা ছাড়ো।

- তাহলে কি তুমি কাউকে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়াইতে পারছো?
- আমি তো পূজা করিনি, সুতরাং তাকে কেন নামাজ পড়াবো বন্ধু?? তোমার মত একজন ব্যাংকার যদি মৌলবাদীত্ব দেখায় তাহলে তোমাকে কিছুই বলবো না। কারণ অন্ধ কখনই জানে না পৃথিবী দেখতে কেমন।

- তোমার মা দূর্গা তোমাকে কি দিয়েছে?
- আমি তো বলিনি আমার মা দূর্গা! ছাগলের মত ভ্যাঁ ভ্যাঁ করা বন্ধ কর!! ইসলামের আকিদা আছে তোর মধ্যে? পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়োছ? নবীর সুন্নত পালন করোছ? দাঁড়ি আছে তোর? বেগানা মহিলার দিকে দৃষ্টি বন্ধ করছোছ? আর কত কি!!! তোদের মত লুলদের সাথে তর্ক করা আর গাধাকে পড়ানো এক কথা। তোর মেয়ে বান্ধবী ক্যান আছে? ইসলামেতো বিয়ের আগে নারী হারাম।।

- তুই উকিল মানুষ, তোর সাথে কি তর্কে পারবো!
- সত্য বললো তখন তোদের মত মুসলিমরা.......!.. নামের মুসলিম হয়ে কাম কি?? আল্লাহকে খুশি কর।।

যাইহোক, আমার মনের ভিতর ইসলাম এবং বর্তমানের অজ্ঞ মুসলমান তথা লোক দেখানো আর আওয়ামী বিরুধী বাঙ্গালী মুসলমানদের ঈমান নিয়ে সংশয় হইলো।
কারণ জামায়ত ইসলাম এবং শিবিরের কর্মীদের মুখে ইসলাম শুনলে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।

শিবির তথা যারা আমাদের মত মুসলমানদের গালি দেয় তাদের ভাবা উচিত যে আপনি যে মোবাইল ব্যবহার করছেন তার মেমোরীতে কমেডি নাটক, এবং গানসহ ফ্লীম রেখেছেন এই বলে সময় কাটানোর জন্য। আপনারা জানেনতো? ইসলাম ধর্মে গানকে যেনার মন্ত্র বলা হয়। গানকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপার স্পষ্টভাবে পবিত্র কোরআনে সূরা নজম'র ৫৯/৬১, সূরা লোকমান'র ৬৯ এবং সূরা বনী ঈসরাইল'র ৬৪ নম্বর আয়াতগুলোতে আলোচনা করা হয়েছে। এবং হাদীসে উল্লেখ আছে, ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সঃ) বলেছেন : আমি যাবতীয় বাদ্য-যন্ত্র ও ঢোল নিষিদ্ধ করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।

ইসলামে বলা আছে যেনাকারী এবং শিরিক কারী কখনও বেহেস্তে যাবে না। যেনা বলতে শুধু দৈহিক মিলনকে বুঝায় নাই। হাতের যেনা, চোখের যেনা, মনের যেনা এবং মুখের যেনা। বেগানা নারীকে দেখলে চোখের যেনা হয়, স্পর্শ করলে হাতের যেনা হয়, মনে মনে কল্পনা করে হস্তমৈথুন করলে মনের যেনা হয়। তাহলে বাংলাদেশের কোন যুবক তথা পুরুষ মেয়ে কি নারীর সাথে মেলামেশা করে না? অথচ শিবির কর্মীরা ফ্রেন্ড বলে চালিয়ে দে।

গিবত করা হারাম। গিবত হচ্ছে যেনার চাইতেও মারাত্মক অথচ জামায়াতের নেতা-কর্মীরা শেখ হাসিনা, চরমোনাই পীর, আহম্মেদ সূফি কে নিয়ে গিবতে মুশগুল। তাহলে আপনারা কোন ধরনের ইসলামী দল?

আমি যতখানি বুঝলাম, জামায়াতী ইসলাম শুধু মানুষ দেখানোর জন্য আর ক্ষমতা বিস্তারের জন্য ইসলামকে পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ এবং খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে ইসলমাকে বন্দী করে রেখেছে। তাদের জন্য খালেদা হালাল আর হাসিনা হারাম। ডেস্টিনির আই ওয়াশ করে বেকারমুক্ত করার ভন্ডামির মত তারা ইসলামের অপব্যবহার করছে।

নামের সাথে ইসলাম থাকলে মুসলমান হওয়া যায় না। যেমন আমার এক বন্ধু আছে তার নাম সাবের ইসলাম, কিন্তু সে মদ-গাঁজা, ইয়াবা আর নারীতে আসক্ত। আবার জুমাবারে সে পাঞ্জাবি আর টুপি পরে মসজিদে যায়। সাবেরের সাথে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের তুলনা করা যায়।
আমরা এমন মুসলমান যে, বেশ্যাকে ঘৃণা করি অথচ বেশ্যার ঘরে দাওয়াত খাই। জামায়াতও ঠিক তাই। ইসলামের নামে বেদায়াত সৃষ্টি করা, ইসলামের নামে কুসংস্কার সৃষ্টি করা, ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করা এমনকি দাঙ্গা-হাঙ্গামা করা তাদের কাজ। কারণ তাদের লক্ষ ক্ষমতা গ্রহণ করে অরাজকতা সৃষ্টি করা। জামায়াত বেশ্যার চাইতেও খারাপ। বেশ্যা টাকার জন্য পুরুষ বদল করে আর জামায়াতীরা ক্ষমতার জন্য দল বদল করে। জামায়াত-শিবির ইসলামের জন্য একটি ক্যান্সার। সুতরাং জামায়াতকে বয়কট করা অত্যাবশ্যক।

আমি মন্দিরে যাওয়াতে যদি ইসলামের অবমাননা হয় তাহলে সেলুনে চুল কাটা,স্বর্ণকারের কাছে অলংকারে জন্য যাওয়া এমনকি ডাক্তার-উকিলের কাছে যাওয়াও ইসলামের অবমাননা। যাইহোক জ্ঞানকে বিকাশিত করুন। অহেতুক দু'চারটা ইসলামের উক্তি দিয়ে আল্লাহ এবং রসুল (সঃ) খুশি করতে পারবেন না।

রাসূল (সঃ) কর্তৃক আনীত ঐ সকল বিষায়দি যা স্পষ্টভাবে এবং অবধারিত রূপ প্রমাণিত, সে সমুদয়কে রাসূল (সঃ) এর প্রতি আস্থাশীল হয়ে বিশ্বাস করা এবং মুখে তা স্বীকার করা ও মেনে নিয়ে আকিদার সহিত পালন করাই মুসলমানের কর্তব্য এবং অবশ্যই কর্তব্য। কিন্তু আমরা বাঙ্গালী মুসলমানরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কপালে কালো দাগ করে ফেলি অথচ অন্তর গলিত ময়লা আবর্জনার চাইতেও নিকৃষ্ট। যেনাও করবে নামাজও পড়বে, তাহলে এই ধরনের মানবরা কোন ধর্মের অনুসারী?

( পার্ট- ০২ )

আমি জামায়াত শিবিরকে ইসলামের ক্যান্সার বলার কারণে আমাকে পুরুষ তসলিমা নাসরিন বলে আখ্যায়তি করেছে শিবিরের শাখের করাত কর্মীরা। তাদের চিন্তাধারা এমনই "বিচার মানি তবে তাল গাছ আমার "। নাটক সিনেমায় বেহাল্লাপনাও দেখবো আবার নিজেকে ইসলামী দলের কর্মীও বলবো।

মৌলবী তথা জামাতপন্থীদের কাছে জানতে চাই। আপনাদের দৃষ্টিতে তসলিমা নাসরিন কেনো খারাপ? তিনি আপনাদের ভন্ডামির কথা সাবলীলভাবে প্রকাশ করেন তাই? আমি উনার বহু বই এবং আর্টিকেল পড়েছি, কিন্তু আমি দেখেনি যে তিনি কোনো অযৌক্তিক কথা লিখেছেন। আপনারা যে ইসলামী নামে ভন্ডামির ছানি দিয়ে মানুষের অন্তর দৃষ্টি অন্ধ করে রেখেছেন তা আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন বলে আপনাদের জন্য তিনি কাল নাগিনী। আমরা সত্য জানার জন্য যখন আপনাদের প্রতি যুক্তিগত প্রশ্ন নিক্ষেপ করি তখন হয়ে যাই আমরা নাস্তিক, আর আপনারা ভন্ডামির মধ্য দিয়ে খাঁটি মুসলমান। সত্য বলাতে যদি আমি পুরুষ তসলিমা হয়ে থাকি তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি কারণ তসলিমা নাসরিনের তুলনায় আমি খুব নগন্য একটা মানুষ।

যাইহোক, আগের আর্টিকেলে জামাতকে বেশ্যার সাথে তুলনা করার কারণে আমাকে একজন বললো আমি নাকি বেশ্যার সাথে চলাফেরা করি।
আচ্ছা আপনারাই বলুন, বেশ্যা সম্পর্কে হুজুরেরা মসজিদ কিংবা ওয়াজ মাহফিলে বয়ান দিয়ে থাকেন তাহলে তারাও কি বেশ্যার সাথে চলা-ফেরা করে?

বেশ্যার সাথে তুলনা করার কারণ আগেও বলেছি, আবারও বলছি- ৫২'র ভাষা আন্দোলন, ৭১'র বিরুধীতা, ৭৮'র জাগদল সমর্থণ, স্বৈরাশক সমর্থন এবং পরে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থন, তারপর অাবার জোট করে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা। তাহলে কি তারা ইসলামের জন্য নাকি ক্ষমতার জন্য?
বিশ্ব দরবারে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন নবী করিম (সঃ)। আপনারা আবার কি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন! আগে নিজ অন্তর ঠিক করুন, এবং আপনার মা-বোন বা স্ত্রী আর পাড়া-পড়শি ইসলামের রেওয়াজে চলছে কি-না তা তলিয়ে দেখুন। মনে রাখবেন লোক দেখানো পর্দা নয়; মনের পর্দাই বড় পর্দা । আমি এখনও দেখি জামায়াত শিবির কর্মীদের ঘরে কি ধরনের পর্দা করে। যারা নিজেদের পরিবার ঠিক করতে পারে না তারা আবার রাষ্ট্র! ভন্ডামি ছাড়া কিছুই না।

আরেকজন আমাকে বললো, আপনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টানদের ধর্মের ভক্তি দেখেছেন, অথচ আমরা যে বিসমিল্লাহ বলি, ঘরের ভিতর কোরআন শরীফ রাখি তা দেখেন নাই?

বুঝলাম ভাই, বিসমিল্লাহ বলেন। আপনারা ইসলামের আকীদাগুলো ঠিক মত পালন করছেন? ঘরের ভিতর কোরআন শরীফ রেখেছেন কিন্তু বছরে কয়বার খতম দেন? পরিশুদ্ধভাবে কোরআন তেলওয়াত শিখেছেন তো?
অবশ্য আপনারা এসো আলোর পথে, মুক্তির পয়গাম, ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন এবং মোরা বড় হতে চাই সহ আপনাদের মনগড়া পুস্তকে সীমাবদ্ধ।

তারপর একজন বললো মুরগীচোরা কবি। তাকে স্বরন করিয়ে দিচ্ছি কত নারী নিয়ে আমোদ-প্রমোদ করেছেন তার হিসেব করেছেন? কিন্তু নিজেকে শিবির কর্মী হিসেবে পরিচয়ও দিতেন। এখনও ভিনদেশে ভিনদেশীদের সাথে রসালাপে ব্যস্ত অথচ সত্য কথা তুলে ধরলে আপনাদের গা জ্বলে আর আমরার হয়ে যাই তসলিমা নাসরিন কিংবা নাস্তিক।

আবার একজন বললেন বটতলার উকিল হয়ে বড় হওয়ার চেষ্টা করছি। ভাই আমি বটতলার উকিল মানলাম, কিন্তু আপনাদের মত মাকালফল নই। আপনারা ইসলাম ধর্মের শত্রু। কেন জানেন? আপনারা নবী (সঃ)'র আদর্শের নয়, কারণ নবী (সঃ)'র কোনো আদর্শই আপনাদের মধ্যে দেখি না, শুধু লোক দেখানো নামাজ ছাড়া। আল্লাহ'র ভয়ে যারা নামাজ পড়ে তাদের অন্তর হয় নরম, তারা কখনও ধর্ম নিয়ে খেলে না। আপনারা ধর্মের নামে জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করেন।
আমি যতদূর দেখেছি তাতেই বুঝলাম আপনারা নামাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং আওয়ামীলীগ রাজনীতি নিয়ে কুৎসা রটনায় ব্যস্ত। একটি প্রশ্নের উত্তর চাই, আপনাদের অনেক নেতা কর্মী ছাত্রলীগে যোগ দিচ্ছে এবং আপনাদেরকে যদি বলা হয় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আপনাদের নিয়ে মন্ত্রনালয় গঠন করবে, তখন জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ আপনাদের জন্য আর্শীবাদ এবং তা সাদরে গ্রহণ করে খালেদাকে গালিগালাজ করবেন। এই হলো আপনাদের ইসলামী চরিত্র?

অর্থাৎ বেশ্যারা কিন্তু বেশ্যাগিরি করে টাকা আয় করে আবার সেই টাকা আল্লাহর রাস্তায় দানও করে, ঠিক আপনাদের চরিত্রও তেমন। ছগীরা/কবীরাও করবো আবার নিজেকে ইসলামী দলের কর্মী পরিচয় দিবো। এই না হয় জামাত-শিবির কর্মীদের চরিত্র।

আমি শাসনতন্ত্র তথা হেফাজত ইসলামের কর্মীদেরও দেখেছি। তারা নবীর সুন্নত পালন করে, নামাজ আদায় করে, বেগানা নারীসহ গান বাজনা থেকে নিজেদেরকে বঞ্ছিত করে রেখেছে এবং ইসলামী আকিদায় তারা অধিষ্ঠ। যদি বাংলাদেশের কোনো ইসলামী দল থাকে তা হচ্ছে বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসায় সৃষ্ট হেফাজত ইসলাম। কিন্তু শিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ইসলামের শুধু নাম আছে কাজের বেলায় আলিফ/বা নাই। তবুও নিজেদেরকে ইসলামী দল দাবী করে।

আপনারা দুই দল'ই ইসলামী শাসন কায়েম করতে চান, তাহলে দু'দল কেনো এক হতে পারছেন না? ইসলাম কি দুইটা ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত?
শতকরা শতভাগ মুসলমান দেশগুলোতে কিন্তু ইসলাম নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে না কিন্তু বাংলাদেশে কেনো করছেন?
ইসলাম ধর্মের মত বড় এবং মহৎ ধর্মকে নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকুন। মানুষকে ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্ত করা বন্ধ করুন।

আরেকটি বিষয় আমাকে ভাবিয়া তুলছে। যখন এস.কে সিনহা কে প্রধান বিচারপতি করা হলো তখন সবাই খুব নোংরা ভাষায় তিরিস্কার করলো অথচ যখন তিনি ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামীলীগের বিরুধীতা করলেন তখন সবাই তাকে বাহবা দিলেন। আপনাদের! আপনাদের জ্ঞান দেখে আমি খুব বিস্মিত।

আমি ইসলাম বিদ্বেষী নই কারণ আমি মুসলিম। আমি তাদের বিরুধীতা করি যারা ইসলামকে পুঁজি করে রমরমা রাজনৈতিক ব্যবসা করে। ইসলাম পরিপূর্ণ আর জামাত পন্থী মৌলবীরা দুই চারটা লাইন মুখস্ত করে মুসলমানদের বোকা বানিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে। আমরা সত্য কথা বলি বলে হয়ে যাই তসলিমা নাসরিন। আমাকে পুরুষ তসলিমা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আমি ইসলামের বিরুধীতা করিনি শুধু জামাতিদের ভন্ডামিগুলো তুলে ধরেছি। এইবার আপনারাই বলুন তারা কোন ধরনের ভন্ড আর পরনিন্দাকারী!!!!

ইকরামুল শামীম
আইনজীবী, লেখক।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ইকরামুল শামীম
ইকরামুল শামীম এর ছবি
Offline
Last seen: 18 ঘন্টা 30 min ago
Joined: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর 7, 2017 - 7:42অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর