নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • লিটমাইসোলজিক
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কাঠমোল্লা
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

ইরাকী কুর্দিদের রেফারেন্ডামঃ নতুন মানবিক বিপর্যয় দেখবে মধ্যপ্রাচ্য?


কু্দিস্তানে মনে হয় যুদ্ধ না হলেও আবার একটা বড় ক্রাইসিস হবে। এদের হাজার হাজার বছরের ইতিহাসে বিদ্রোহের পর বিদ্রোহ ছাড়া আর কিছু নাই, এরা বিদ্রোহী জাতি। মধ্যপ্রাচ্যের ডি-কলোনিয়ালাইজেশনের সময় ব্রিটেন যে কেন এদের আলাদা দেশ না দিয়ে কুর্দিদের অঞ্চলগুলো ইরান, ইরাক আর তুরস্কের মধ্যে টুকরা করে দিয়ে গেছিল কে জানে। বর্তমানে যারা সুপার পাওয়ার, এদের সবগুলোই ইতিহাসে একেকটা কালপ্রিট। সভ্যতার নামে অনাচার, অবিচারের যা নজির এরা স্থাপন অরে গেছে তার তুলনা নাই, সুপরিকল্পিত সিস্টেমেটিক ওয়েতে।

আমেরিকা মহান দেশ, মহান খিচুড়ি জাতি। তবে তা নিজেদের দেশের ভিতরেই। ফ্লোরিডায় হারিকেনের আঘাতের পর আমরা সবাই দেখেছি সরকার সেখানে কতকিছু করছে। তবে একে অপরকে সাহায্য করবার ব্যাপারে ব্যক্তিরাই বেশি কাজ করেছে। একে অন্যের জন্য এগিয়ে গেছে বিপদে সাহায্য করতে। এটাই তাদের দেশের কালচার। এভাবেই ছোটবেলা থেকে তারা শিখে শিখে বড় হয়। অন্যদেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়েও তারা এগিয়ে যায়। তবে তারা এটা শেখেনি যে পৃথিবীর সকল মানুষের মর্যাদাই সমান, কেউ ছোট বড় নয়। কানাডায় সামান্য দূর্যোগ হলে যেভাবে তারা সহায়তার হাত বাড়াবে, মেক্সিকোতে বাড়াবে না আরও ব্যাপক বিপর্যয়েও। ইসরায়েলের বেসামরিক এলাকায় হেজবুল্লাহর বোমা হামলা হলে যেভাবে পাশে থাকবে, ইয়েমেনে সোউদিদের একইরকম কিন্তু আরও ভয়াবহ বোমাবর্ষণেও তারা নীরব। এমনকি নীরবেও না, হামলায় তো তারাও অংশ নেয়। সিআইএ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থ উদ্ধারে অন্তর্ঘাত, অস্থিতিশীলতা তৈরিতে স্পেশালাইজড সংস্থ্যা। এ কারণে যতটা অনৈতিক পন্থ্যা অবলম্বন তারা করে অথবা অন্যায় কাজ তারা করে যায় সবসময় তার পেছনে যুক্তি নাই। সাদ্দামের সবচেয়ে বড় মদদদাতা যেন কে ছিল? এই কথাটা একেবারে মিথ্যা না যে, আমেরিকা যার বন্ধু তার শত্রুর দরকার নাই। জার্মানী কিংবা জাপান বিশ্বযুদ্ধে ধরা খেয়ে কিছু শিখছে, স্বভাব লাইনে আসছে। কিন্তু তখনকার বিজয়ীরা পাল্টায় নাই। দুটি দেশ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবার একক দায় বিগত সময়ে আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মানবিক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার। এদিক থেকে ট্রাম্প তো ভাল, মুখেও খারাপ, কাজেও তাই, লুকোচুরি নাই।

একমাত্র চায়নারই মনে হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের শ'খানেক বছরে বড় পাপ নাই। কিন্তু ৫ পরাশক্তি বা নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্যের একজন হওয়ার পর চায়নার হাতেও পাপই পাও। নিজের দেশে পাপ, বিদেশে বিভুইয়েও পাপই পাপ। মাও এর ভুল নীতির কারণে নিজ দেশেরই কয় মিলিয়ন লোক যে না খেয়ে মারা গেল। কোরিয়ার যুদ্ধ, ভিয়েতনামে যুদ্ধ, ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সহ অনেক যুদ্ধে তাদেরও অন্যায় পদক্ষেপ কম ছিল না। উত্তর কোরিয়ার এই বিষফোঁড়া হয়ে উঠবার পিছনে বড় মদতদাতা চায়না। চায়নার যেইসব দেশের সাথে অনেক ভাল সম্পর্ক, সবগুলো দেশই অস্বাভাবিক, স্বৈরাচারী সরকারই বেশি। তাদের আসল উদ্দেশ্য ব্যবসা, অর্থ উপার্জন। তাদের কাছে টাকাই ঈশ্বর। তৃতীয়বিশ্বের সকল যুদ্ধে আমরা তাদের দ্বিরাচারী নীতি দেখি। ইরান-ইরাক যুদ্ধ, সিরিয়ান ওয়ার, আফগান ওয়ার কিংবা আফ্রিকার যেকোনো দেশের গৃহযুদ্ধে সকলপক্ষের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে এবং করে গেছে চায়না। তাদের কোনো নীতি নাই। তৃতীয় বিশ্বের সরকারগুলোকে দুষিত করবার পেছনে এই চায়নার ব্যাপক প্রভাব আছে। সরকারগুলোর নানা প্রজেক্টের লোকদের, সরকারপ্রধান, আমলা, মন্ত্রীদের টাকার বিনিময়ে সিস্টেম করা। লোন দেয়ার নামে ব্যবসা করা, সমাজের নানাস্তরে দুর্নীতি ঢুকানোয় তাদের ব্যাপক দক্ষতা।

সমাজতান্ত্রিক দেশগুলাই কেমন যেন। একমাত্র কিউবা ছাড়া বাকি সবগুলা দেশ শয়তানেরই কারখানা, পশ্চিমা পরাশক্তিগুলোর মত। সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারে পোল্যান্ড দখলের মাধ্যমে বিশ্বযুদ্ধ শুরুর জন্য সবাই একমাত্র জার্মানীকে দোষী করে। তাদের বেশিরভাগই জানে না, পোল্যান্ড দখলের আগে জার্মানী আর রাশিয়ার মৈত্রিচুক্তি হয়, অনাগ্রাসন চুক্তি আসলে। এরপর জার্মানী আর রাশিয়া পোল্যান্ডের দুই অংশ দখল করে। বিশ্বযুদ্ধের সময়ের অনেকটা সময় মিত্রও ছিল। হিটলার হুট করে আক্রমণ করে বড় ঘাপলা না করলে রাশিয়াও বিশ্বযুদ্ধ শেষে কালপ্রিটের তালিকায় থাকতে পারত বিজয়ীর লিস্টে না থেকে। নিজদেশের মানুষের সাথেই কম্যুনিষ্ট রাশিয়ার আচরণ তাদের জাতি হিসেবে মহান করে নাই।

এইবার আবার আসি কুর্দিদের কথায়। কুর্দি নারী যোদ্ধাদের আমার আকর্ষণীয় লাগে, ওইটা চোখের ভাললাগার ব্যাপার। কিন্তু তারা এমন যে জাতির ৯০% নাই হয়ে গেলেও ওরা বিদ্রোহীই থাকবে। তবে তাদের স্বাধীন অঞ্চলের বা রাষ্ট্রের দাবী যৌক্তিক। কুর্দিদের একীভুত হতে দিলে তো সিরিয়া কিংবা ইরাকের চেয়ে আয়তনে বড় দেশ ও শক্তিশালী জাতি হয় যাদের অঞ্চলে অন্যজাতি কম বলে রাষ্ট্রের ভিতর আভ্যন্তরীণ বিবাদ থাকবে না। আরব, সিরিয়ান আরব, ইরাকি, তুর্কি, পারসিয়ান সবার দেশ আছে, ওদের থাকবে না কেন? ব্রিটেন ঝুলায় রেখে গেছে বলে?

তুরস্কও এই অঞ্চলে একটা নৃশংস দেশ। অটোমানদের অত্যাচারের মাত্রাও অন্যদের উপর কম ছিল না। টার্কিশ এম্পায়ার ভেঙে গেল, সেক্যুলার রিপাবলিকও হইছিল এরা, কিন্তু মানবিক হইল না কখনো। আর্মেনিয়ান জেনোসাইড এরা এখনও নির্লজ্জ্বভাবে অস্বীকার করে। রোহিংগাদের জন্য দরদ দেখালেও কুর্দিদের নির্মূলের হুমকি দেয়। কিন্তু কুর্দিদের সাথে কখনো তারা নায্য আচরণ করে নাই। তুরস্কের কুর্দিস্থানে লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনও পাহাড়ের গুহায় বসবাস করে, কারণ নির্বিচার বিমান হামলা, সেনা অভিযান, আর্টিলারীর বোমাবর্ষণ। গণতন্ত্র, মানবাধিকার নিয়ে এরদোগান বেশ চড়া গলায় বক্তব্য দেন, কিন্তু উনার নিজদেশের আচরণ কী?

ইরাকি কুর্দিদের বড় শক্তি তাদের পেশমার্গা বাহিনী। প্রায় আড়াইলাখ যোদ্ধা আছে তাদের যারা যুদ্ধ করে করে অভিজ্ঞ। অস্ত্র আধুনিক না হলেও তারা আরবদের মত যুদ্ধের ময়দান ফেলে পালানো যোদ্ধা নয়, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে থেকেই মরতে জানে। আরব -
ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ে বিশ্ব দেখেছে আরবদের যুদ্ধ সক্ষমতা। তাদের সেনাবাহিনীর ডিভিশন কিংবা ব্রিগেডগুলোর কমান্ড দেয়া হয় শাসকদের প্রতি আনুগত্যের বিবেচনায়, সামরিক পেশায় যোগ্যতার বিচারে নয়। মিক্সড গোত্রের ডিভিশন হয়-ই না। সেনাপ্রধান থাকেন এমন কেউ যিনি সবচেয়ে অযোগ্য, তারপরেও সেনাপ্রধান হয়ে গেছেন শাসকের নিকটাত্মীয় হবার কারণে। এমনকি আইএস এর বর্বর যোদ্ধারাও যোদ্ধা হিসেবে আরবদের সেনাবাহিনীগুলো সেনাদের চেয়ে বহুগুণ কার্যকর যোদ্ধা। ইরাকের মসুলে দেখা গেচে মাত্র হাজারখানেক আইএস যোদ্ধার হামলায় কিভাবে পুরো ডীভিশন মসুলের সবকিহু ছেড়ে পালিয়েছিল। যোদ্ধার সংখ্যা কম হবার পরেও সিরিয়ায় কিংবা ইয়েমেনে তাদের হটাতে কী পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করতে হচ্ছে। আইএস যোদ্ধারাও মরতে ভয় পায় না, মাটি কামড়ে পড়ে থাকে। যাইহোক, কুর্দিদের আরেকটা সুবিধা দুর্বল ইরাকি সরকার। ইরাকি সরকারের সেনাদের সক্ষমতা পেশমার্গার অভিজ্ঞ ও নিজেদের আতির প্রতি অনুগত সেনাদের চেয়ে কম, যদিও সার্বিক সংখ্যায় বেশি। তুরস্ক হুমকি দিতে পারবে, কিন্তু তুরস্কের কুর্দি অঞ্চল পেরিয়ে ইরাকে এসে ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা কঠিন হবে। ইরানকে আমেরিকা ঢুকতে দেবে না ইরাকে। তুরস্কের হাতে থাকবে বিমান হামলা ও অবরোধ আরোপ। বিমান হামলাও ব্যয়বহুল, প্রতিটা বোমার দাম লক্ষ লক্ষ টাকা। অবরোধ কার্যকর হবে না কারণ সেখানের সীমান্ত সিল করা সম্ভব নয়। ইরান ইরাক চোরাকারবারের স্বর্গ। সিরিয়ান কুর্দিস্তান কিংবা রোজোভা এখন প্রায় স্বাধীন অঞ্চলের মতই চলছে, তারাও ইরাকি কুর্দিদের অবরোধ এড়াতে সাহায্য করবে। খাদ্য নিরাপত্তা কুর্দিদের সবচেয়ে বড় শক্তি। কুর্দিদের অঞ্চলগুলো উর্বর, ব্যাপক অবরোধেও তাদের দুর্ভিক্ষের শিকার হবার সম্ভাবনা কম। তবে তাদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ হবে যদি তুরস্ক তেলের পাইপলাইন বন্ধ করে দেয় ইরাকি কুর্দিস্তান থেকে। সেটাই কুর্দি আঞ্চলিক সরকারের কাঁচা টাকার বড় উৎস, এতে করে তুরস্কও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে তেল উতপাদিত হলে টাকা আসবেই। কালোবাজারেও তেলের দাম একেবারে কম পাওয়া যায় না। ওই তেলের সাপ্লাইলাইনও খুব দ্রুত দাঁড়িয়ে যায়। আর এই অনিয়ন্ত্রিত উৎপাদন বিশ্ববাজারের তেলের দাম আরও কমাতে পারে কিছুটা হলেও। অস্থিতিশীলতা ছাড়া কুর্দিদের স্বাধীনতার বিরোধিতা আর কিছুই আনবে না ওই অঞ্চলে।

কুর্দিদের একীভুত স্বাধীন রাষ্ট্র হতে দিলে সবারই সমস্যা। ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কের ভালোরকম তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল তাদের অধীন কুর্দিস্থানে। আবার কুর্দিরা নিজেদের মত থেকে কী করতে পারে তার প্রমাণ ইরাকি কুর্দিস্থান। তাদের রাজধানী এরবিল এখন বাগদাদের থেকেও আকর্ষণীয়। ইরাকিদের অসহযোগিতার পরও আর্থিক উন্নতি ইরাকের মূল অংশের চেয়ে ভাল। কিন্তু চারদিকে অন্যজাতির দেশ থাকবার কারণে তাদের ভবিষ্যত পথচলাও নিস্কন্টক হবে না। আর এর দায় কুর্দিদের না, তাদের জাতি হিসেবে যোদ্ধা কিংবা সহিংস কিংবা আচরণগতভাবে বিদ্রোহীভাবের কারণ তাদের উপর শাসন চালানো ভিন্নজাতির একই ধর্মের প্রভুরাই। পৃথিবীতে প্রতিটা জাতিই শক্তিমত্তা ও সমৃদ্ধির একটা পর্যায়ে গেলে অন্য সবার উপর প্রভুত্ব কায়েম করতে চায়, তারা শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে, তার জন্য লড়াই করে। সবার সাথে একীভুত হয়ে, পাশাপাশি চলবার প্রচেষ্টা ইতিহাসের তেমন কোনো জাতির মধ্যেই বিশেষভাবে দেখা যায় না।

মানবপ্রজাতির মাথার উপর উঠে তাদের যে সদস্যেরা শাসন করে, তারা মানুষের কথা কম ভেবেছে। যারা ভেবেছে, তারা কিংবদন্তি, সংখ্যা কম। পৃথিবীতে যুদ্ধের কারণে শত রাজা কিংবা শাসকের নাম শোনা যায়, যারা বিখ্যাত হয়ে আছেন, তাদের তুলনায় মানুষের জন্য কাজ করেছেন নৃশংসতা এড়িয়ে, এমন শাসক খুবই কম ছিল মানব ইতিহাসের সকল সময়ে। আমরা এবার সম্ভবত সিরিয়ান ক্রাইসিসের মত কুর্দি ক্রাইসিসও দেখব। তবে আঞ্চলিক শক্তি ও প্রভাবের ভারসাম্যের ওলটপালটের কারণে এই সংকট হবে আরও জটিল, কুর্দিরা কেবল সাথে পাবে না কাউকে গোপনে কেনা চাইনিজ অস্ত্র ছাড়া। কে জানে, সেগুলো কুর্দিরা কোন মূল্যে সংগ্রহ করবে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর