নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মাইকেল অপু মন্ডল
  • মৃত কালপুরুষ
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়
  • শাহনেওয়াজ রহমানী
  • জিহাতুল
  • আজহারুল ইসলাম
  • মোস্তাফিজুর রহম...
  • রিশাদ হাসান

আপনি এখানে

হাদিস এবং ফতোয়া পাঠ : প্রজেক্ট দেবিখা


(إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَأَبَتْ، فَبَاتَ غَضْبَانَ عَلَيْهَا؛ لَعَنَتْهَا الْمَلاَئِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ) متفق عليه.
মহানবী (সাঃ) এরশাদ করেছেন, " যদি কোন স্ত্রী, স্বামীর ডাকে সাড়া না দেয় বা বিছানায় না যায়, তবে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা সে স্ত্রীকে অভিশাপ দিতে থাকে।" (বুখারি - 3237, মুসলিম - 1636)

কেন ফেরেশতারা অভিশাপ দেয় তার কারণ নির্ণয় করেছেন ইসলামিক বিশেষজ্ঞরা।
তার পূর্বে নিশ্চিত হোন, অামি সহীহ ইসলামিক কথা বলছি নাকি অপব্যাখ্যা করছি।
সুবিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ বাদায়েউল ফাওয়ায়েদ-এ বলা হয়েছে - শায়খ তুসী বলেন : "স্বামী দেনমোহর প্রদানের কারণে স্ত্রীর যৌনাঙ্গের মালিক হয়ে যায়। স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বিয়ের চুক্তির মাধ্যমে একই সময়ে পরষ্পরের দুটি জিনিসের মালিকানা লাভ করে। স্বামী লাভ করে স্ত্রীর বুদ'অা (অারবি শব্দ বুদ'অা অর্থ স্ত্রীর যৌনাঙ্গ) এর মালিকানা, অার স্ত্রী মালিক হয় স্বামী কর্তৃক প্রদানকৃত দেনমোহরের।"
(বাদায়েউল ফাওয়ায়েদ - ৩য় খন্ড ১১১১ পৃ:)
- অর্থাৎ, টাকার মাধ্যমে স্ত্রীর যৌনাঙ্গের মালিক হয়ে গেল স্বামী। মালিককে চাহিবামাত্র মালিকানাধীন বস্তু দেয়া কি উচিত নয়?

একইরকম ফতোয়া পাওয়া যাবে নিম্নোক্ত গ্রন্থে :
(১) মুখতাসারুল মুযানী ফি ফুরুইশ শাফিইয়্যা, পৃ: ১৭১
(২) অাল ফিকহু অালাল মাজাহিবিল অারবাঅা, পৃ: ৯৭-৯৮
(৩) জামিউল মাকাসিদ, খন্ড: ১৩, পৃ: ৩৩৩
(৪) অাল মাসালিক, খন্ড: ৫, পৃ: ৩০
(৫) হিদায়া, কিতাবুন নিকাহ
(৬) হাদিসগ্রন্থ বায়হাকী- ৭/৪৪৬-৪৪৭,
হাদিসের মান : সহীহ।
(৭) ফতোয়ায়ে শামী, কিতাবুন নিকাহ।

ইসলাম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব দিয়েছে পুরুষকে, বিনিময়ে স্ত্রী চাহিবামাত্র সহবাস দিতে বাধ্য থাকে। সহবাসের বিনিময়ে খাদ্য, এ কর্মসূচি হিজাবী ধর্মপ্রাণ রমণীদের কাছে খুব পছন্দের। অারামও হলো, খাবার-বাসস্থানও হলো!
এজন্যই হিজাবীরা ভাবে - ইসলাম তাঁকে অনেক রিলাক্সেশন এবং অধিকার দান করেছে।

হিজাবী 'কবিতা সুলতানা' বই লিখেছেন - "ধন্য অামি নারী" নামে।
এ বইতে তিনি সহীহ মুমিনা রমণী হিসেবে গর্ব করেছেন। মুমিনা হওয়ার কারণে তার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, নিরাপত্তা সবকিছু পুরুষের দায়িত্বে। তিনি শুধু তার স্বামীকে বিছানায় সুখ দেয়ার বিনিময়ে সবকিছু পাচ্ছেন, অার নিজের সুখ তো বোনাস!
কবিতা সুলতানার মতে, স্বামী যেহেতু অামার সবকিছুর তদারককারী, সুতরাং অামি স্বামীর স্পেশাল প্রোপার্টি হতে অসুবিধা কোথায়? স্বামী ছাড়া অামার রূপ-যৌবন অার কাউকে দেখাবো কেন?
অামি যেহেতু চকলেট বা কলা, সুতরাং অামি তো বোরকাবৃতাই থাকবো! স্ত্রী নামক কলা বা চকলেট সবসময় প্যাকেটজাত থাকা কি উচিত নয়? শুধুমাত্র স্বামী নামক মাছি এই চকলেট বা কলা দেখা, ছোঁয়া, কথা বলা সহ সকল কিছুর মালিক।

এ পদ্ধতিকে কি দেবিখা নামকরণ করা যায়না?
দেবিখা মানে হচ্ছে - দেহের বিনিময়ে খাদ্য।

Comments

আরজের চোখ এর ছবি
 

দেহের বিনিময়ে খাদ্য! বেশ ভাল বিশ্লেষণ। নারী পুরুষ দুই পারস্পেকটিভ থেকেই এটি একটি আত্মমর্যাদার প্রশ্ন। এক পক্ষের কাছে বেশ্যা-গমন আর আরেকজনের কাছে বেশ্যা হওয়া।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মুফতি মাসুদ
মুফতি মাসুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 21 ঘন্টা 19 min ago
Joined: সোমবার, আগস্ট 14, 2017 - 6:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর