নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অভিজিৎ
  • মূর্খ চাষা
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়

আপনি এখানে

৯৪ এর গণহত্যা পরবর্তী রুয়ান্ডা ও জেনারেল পল কাগামে



জেনারেল পল কাগামে, নামটা দুনিয়ার ৯৯% মানুষের অজানা থাকবার কথা। পৃথিবীর মানুষেরা প্রভাবশালী দেশ এবং জাতির নেতাদের নিয়ে বেশি আগ্রহ অনুভব করে। যে দেশের জনসংখ্যা ১ কোটিও নয়, সেইদেশকে গুরুত্ব কমই দেয়। এই গুরুত্ব না দেবার ব্যাপারটা বিশ্বনেতা থেকে শুরু করে, তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধান এবং মানুষের মধ্যেও দেখা যায়। অল্প জনসংখ্যার জাতি বা দেশ হলে সবার নজরে থাকতে তাদের হতে হবে অসম্ভব সম্পদশালী কিংবা ভৌগলিক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকতে হবে যা নিয়ে পরাশক্তিগুলোর মাথাব্যথা আছে। এ কারণে ২০ লাখ মানুষের কাতার বিশ্বের হেডলাইনে, কোটি কোটি মানুষের কঙ্গো নিয়মিত সংঘাতের পরেও মিডিয়ায় পাত্তা পায় না। সিঙ্গাপুরের আয়তম ২৭৭ বর্গ কিলোমিটার, মানুষ ৫-৬ মিলিয়ন, কিন্তু জিডিপি বাংলাদেশের থেকে বেশি। সিংগাপুরে বাস দূর্ঘটনায় ৫-১০ জন মারা গেলে সারা দুনিয়া জানবে, বিশ্বনেতারা সমবেদনা জানাবে, কিন্তু বাংলাদেশে লঞ্চডুবিতে ১০০ মারা গেলেও সিএনএন বিবিসির ওয়েবসাইটের এক কোণে পড়ে থাকবে। মানুষ শুধু শুধুই বলে পৃথিবীর সকল মানুষ সমান, উন্নত বিশ্বের দেশগুলো আরও বেশি বলে। কিন্তু তাদের কেউ নিজের আচরণেই সেটার প্রমাণ দেয় না। বৈশ্বিক বাস্তবতায় ১০০ রোহিংগা শিশুর প্রাণের মূল্য ১০ সিরিয়ান শিশুর চেয়ে কম, ১০ সিরিয়ান শিশুর প্রাণের মূল্য ১ টা আমেরিকান শিশুর চেয়ে কম।
সময়ের সাথে সহিংসতা, মানুষে মানুষে ব্যবধান কমছে। কিন্তু বিশ্ব আরও বহু সময় এমন অমানবিকই থাকবে।

আমি কিছুদিন আগে অনেকটা কৌতুহলবশতই বর্তমান রুয়ান্ডা নিয়ে জানতে পড়া শুরু করি। বিংশ শতকের অন্যতম নৃশংস গণহত্যার স্বাক্ষী এই রুয়ান্ডা। মাত্র তিনমাসে এখানে ৮-১০ লাখ টুটসিকে হত্যা করা হয়। এমন নয় যে বিশ্ব দেখেনি, বিশ্ব জেনেছে, গণহত্যার সব খবরই পেয়েছে, ফুটেজ দেখেছে, কিন্তু কেউ এই গণহত্যা থামাতে কিছুই করেনি, একদম কিছুই না। যদিও হুতুদের সহিংস হয়ে উঠবার পেছনে নানা কারণ ছিল। কলোনিয়াল সিস্টেমে থাকবার সময় ইউরোপিয়ানরা টুটসিদের বেছে নেয় নিজেদের বিশ্বস্ত হিসেবে। যদিও হুতু এবং টুটসিদের দুটো আলাদা গোত্র বা জাতি বলা হয়, তাদের শারিরীক বৈশিষ্ট্য খুব বেশি আলাদা নয়। টুটসিদের নাক অপেক্ষাকৃত উন্নত এটাই সম্ভবত সবচেয়ে প্রকট পার্থক্য। ব্যাক ট্রেস করে সঠিক বলা যায়না যে এই দুই জাতি আলাদা অঞ্চল থেকে এসেছিল নাকি একই জাতি থেকে বিভক্ত হয়ে পৃথক জীবিকা বেছে নিয়েছিল সময়ের বিবর্তনে।

হুতুরা প্রধাণত কৃষিজীবি আর টুটসিরা পশুপালন করতো ও শিকারী ছিল। ওই অঞ্চলে হুতুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও বিগত কয়েক দশকে টুটিসি রাজা এবং গোত্রপতিরাই শাসন করে গেছে। কলোনিয়াল আমলেও টূটসিরা অপেক্ষাকৃতি বেশি শিক্ষিত ছিল, সামরিক বাহিনীতে ছিল তাদের একক আধিপত্য। এই হুতু এবং টূটসিরা রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, উগান্ডা, কঙ্গো প্রভৃতি দেশে বসবাস করত অন্যান্য গোত্রের পাশাপাশি। আফ্রিকায় হাজারো গোত্র আছে, তাদের ভাষা, সংস্কৃতি এসবও আলাদা আলাদা। বেশিরভাগই আবার একে অন্যের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন।

১৯৯৪ সালে হুতু প্রেসিডেন্ট হাবিয়ারিমানাকে বহনকারী প্লেন গুলি করে ভূপাতিত করবার পর হুতুতা জাতিগত নির্মূল অভিযান শুরু করে। প্রেসিডেন্টের বিমান কে গুলি করে ভূপাতিতি করেছিল তা রহস্য। কিন্তু সে সময়ে হুতুদের সরকারের উগ্র জাতীয়তাবাদী বড় অংশ আগে থেকেই এই গণহত্যার পরিকল্পনা করে। দেশের জনসংখ্যার মাত্র ১৫% ছিল টুটসিরা। প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর পর উগ্র হুতুরা ক্ষমতা গ্রহণ করে এবং হুতু সেনা, পুলিশ ও মিলিশিয়ারা রাজধানী কিগালির টুটসিদের রাজনৈতিক নেতা, হুতুদের মধ্যপন্থী নেতা ও ক্ষমতায় প্রতিপক্ষ হতে পারে এমন সবাইকে হত্যা শুরু করে দেয়। এরপর রাজধানী কিগালি ও অন্য বড় শহরগুলোতে চেক পয়েন্ট বসিয়ে আইডি কার্ড থেকে কেবল টুটসিদের আলাদা করে হত্যা শুরু করে। আইডিকার্ডে জাতিগত পরিচয় লেখা থাকত। সরকার প্রতিটি প্রদেশে নির্দেশ পাঠায় যে টুটসিদের হত্যা করতে। সাধারণ হুতুদের নানা আফ্রিকান গোত্রদের ব্যবহার্য্য অস্ত্র দেয়, যেমন ম্যাশেতি, লাঠি, এসব। হুতু মিলিশিয়ারা গ্রাম, শহর, রাস্তায়, বাড়িবাড়ি গিয়ে টূটসিদের খুঁজে খুঁজে হত্যা করে। যেসকল হুতু মধ্যপন্থী ছিল কিংবা যারা টুটসিদের বিয়ে করেছিল, তারাও এই হত্যাকান্ডের বাইরে ছিল না। সংখ্যালঘু পিগমিরাও হত্যাকান্ডের শিকার হয়। তাদের প্রায় ৩০-৩৫% মানুষ মারা যায়। মাত্র ১০০ দিনে টুটসিদের আনুমানিক ৬০-৭০% মানুষকে হত্যা করা হয়। বেশিরভাগকেই গুলি করে মারা হয়নি। ম্যাশেতি নামের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হত। নারী, শিশু, বয়স্কের জন্য কোন মায়াদয়া দেখানো হয়নি। টূটসি মানেই হত্যা করতে হবে যেখানে পাওয়া যায়, এই নির্দেশ ছিল। কিছু টুটসি রক্ষা পায় যারা আগেই রিফিউজি ছিল অথবা রুয়ান্ডার যে অংশগুলো রুয়ান্ডান প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্টের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

এমন না যে পৃথিবী খবর পাচ্ছিল না যে কী হচ্ছে। খবর, ছবি, ভিডিও বাইরের বিশ্বে যাচ্ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব কম থাকবার কারণে কেউ কিছু করেনি। প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন গণহত্যার খবর ছড়িয়ে যাবার পর বিবৃতিতে বলেন, আমরা পৃথিবীর পুলিশ হতে পারিনা। আরপিএফ পালটা আক্রমণে ক্ষমতা দখলের পর ক্লিনটন রুয়ান্ডায় যান, গণহত্যার নমুনাও দেখেন। আমেরিকার হস্তক্ষেপ না করা ভুল ছিল এটা বলেছিলেন উনি। ব্যাস, এটুকুই। গণহত্যা চলাকালীন সময়ে ইউএন এর ডাচ কমান্ডার বারবার জাতিসংঘের সাহায্য চাইবার পরেও কোন সহায়তা আসেনি। এমন না যে সময়টা ১৯৭১ কিংবা ১৯৭৮ ছিল। সে সময়ে সারাবিশ্বে স্যাটেলাইট টিভি ছড়িয়ে গেছে, বিশ্ব সব দেখছিল।

আমি মানুষকে মানুষই মনে করি। কিন্তু আফ্রিকানদের অনেককিছুর কারণে আমার মনে হয় এদের মানুষ হতে আরও লক্ষ বছরের বিবর্তন পার হওয়া লাগবে। এরা প্রচন্ড আবেগী। আবেগে বা হুজুগে কাজ করে। চারিদিকে এত সম্পদ, এত উর্বর জমি, জানেও না যে ব্যবহার কী করে করতে হয়। যেমন, কঙ্গোর মাটি খুব উর্বর। বীজ ফেললেই ফসল ফলে। আবহাওয়া ভাল, খনিজ সম্পদের অভাব নেই, আর দেশের আয়তন বাংলাদেশের চেয়ে বহুগুণ বড়। কিন্তু এরা কৃষিকাজ পারেনা। এক প্যাকেট বিস্কুটের জন্য কিংবা এক বোতল মদের জন্য সারাদিন বিদেশীদের জন্য কাজ করবে, কিন্তু নিজেদের উন্নতি, নিজের আয়ের জন্য অন্য পথ ভাববে না। অশিক্ষা এর অন্যতম কারণ। আর নিজের গোত্রের মধ্যে যে পরিবেশে, যে জিনিসগুলো শিখে বড় হয় সেগুলোই রয়ে যায়। আজীবন সেখানে জাতিসংঘ মিশন থাকবে, কারণ জাতিসংঘ কন্টিঞ্জেন্টগুলো আসলে পশ্চিমাদের শোষণ নিশ্চিত করতেই কাজ করে। বিরোধীদলগুলোকে অস্ত্রের যোগান পশ্চিমা শক্তিগুলোই দেয় যাতে সংঘাত কখনো শেষ না হয়। খনিগুলো থাকে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর ভাগে, সেখান থেকে কী উঠানো হয়, আর কই যায় কেউ তা জানে না। বেলজিয়াম, ফ্রেয়ান্স, নেদারল্যান্ডের হীরার খনি নেই, হীরার বড় ব্যাবসায়ী ওরাই। ফ্রান্স ফার্নিচার ভাল বানায়, খুবই দামী হয় সেসব, কাঠ আসে আফ্রিকা থেকে, প্রায় বিনামূল্যেই। তামা, সোনা ও অন্যান্য খনিজের খনির আয়ের ভাগের সামান্য অংশও সেখানকার সরকারগুলো পায় না। সরকার যদিও পায় কিছু, তার বেশিরভাগ মাথারা ঘুষ হিসেবে খেয়ে ফেলে, নিজের পকেটে যায়। ওইসব দেশের আর কিছু ভাল না হোক, হাইওয়েগুলো ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মত। শহরগুলোয় ধনীরা বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ চালায়। আর সারাদেশের বাকি মানুষগুলো না খেতে পেয়ে মরে। বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো এসব জানে, তবে তারাই এসব সংঘাতের কারণে সবচেয়ে সুবিধাভোগী। পৃথিবীর নানা দেশে পরাশক্তিগুলোর প্রক্সিওয়ারের কারণগুলো যারা ইতিহাসে আগ্রহী, তারা জানেন। পরাশক্তিগুলোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের বলি কোটি কোটি মানুষ, তাদের প্রতিটি সত্ত্বার মৃত্যু একেকটি ভয়াবহতম গল্প, পৃথিবীর বুকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জীবেদের নিজের রেখে যাওয়া কালোদাগ।

এসব কথা থাক, রুয়ান্ডায় আসি। হুতুরা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে ভয়াবহ। হত্যার পদ্ধতি ছিল প্রচন্ড নৃশংস। এর বাইরে নারী ধর্ষণে তীব্র জাতিগত ঘৃণার পরিচয় দেয়। ধর্ষণ করে মেরে ফেললেও হতো, কিন্তু টুটসি নারীদের ধর্ষণ করানো হয় এইডস সহ নানা যৌনরোগে আক্রান্তুদের দিয়ে, যাতে তারা ধুঁকে ধুঁকে মরে। কিন্তু হুতুদের জন্যও দিন বদলে গিয়েছিল। পল কাগামের অধীন আরপিএফ টুটসিদের পালটা আক্রমণে রুয়ান্ডার হুতু সরকারী সেনাদের স্বপ্ল সময়ে পরাজিত করলে হুতুরা আরও ভয়ংকর মাত্রায় প্রতিশোধের আশংকার মুখে পড়ে। ৭০ লাখ হুতুর ২০ লাখ পালিয়ে যায়। যদিও ১৪-১৫ লাখ টূটসির ৮-১০ লাখকে হত্যা করবার পর প্রতিহিংসার মাত্রা অনেক ভয়াবহ হবার কথা ছিল, কিন্তু সেটা হুতুদের ধারেকাছেও যায়নি। প্রতিহিংসার কারণে অনেক হুতুকে হত্যা করা হয় যার সংখ্যাও হয়ত লাখ ছাড়াবে। তবে জেনারেল কাগামের প্রচেষ্টায় নিজ বাহিনীর উপর উনার নিয়ন্ত্রণ থাকবার কারণে তা অল্প সময়ে থেমে যায়।

রুয়ান্ডা টূটোসিদের দখলে আসে, কিন্তু টূটোসিদের একার দেশ নয় রুয়ান্ডা। মধ্য আফ্রিকার দেশে বিজয়ী হবার পর স্বাভাবিক নিয়মে যদিও তাই হবার কথা ছিল। রুয়ান্ডা এরপরেও ৯৭ ও ৯৯ সালে জায়ারে বা কঙ্গোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ায়। সেসব অন্য কাহিনি। আফ্রিকান রাজনীতিও ব্যাপক জটিল, জাতিগত বিদ্বেষ বিশ্বের অন্যদেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি এবং ভিন্ন জাতি গোত্রের উপর তারা অনেক বেশি নৃশংস আচরণ করে।

আজকের রুয়ান্ডা আফ্রিকার সবচেয়ে দ্রুত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাওয়া একটা দেশ। হুতু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিজের হাতে না করে আদালতের মাধ্যমে এখনও চলছে (প্রাথমিক সময়ে সংক্ষিপ্ত বিচার ও প্রতিশোধমূলক বিচার বাদে)। ২০০০ সালের পর থেকে রুয়ান্ডার অর্থনোইতিক প্রবৃদ্ধি ৭-৮% এর বেশি করে থাকছে নিয়মিত, যাতে সকল জাতির অংশগ্রহণ রয়েছে। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে এখন হুতুদের মধ্যেও পল কাগামে ব্যাপক জনপ্রিয়। রুয়ান্ডার আইডি কার্ডে এখন আলাদা করে জাতিগত পরিচয় লেখা থাকে না, সবাই রুয়ান্ডান।

পৃথিবীর সবদেশে তো সংঘাত পরবর্তী সময়ে এমন হয় না, হয় না যদি প্রতিপক্ষদের বিশাল অংশ হাতের নাগালে থাকে। বিশেষ কোড়ে আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোতে অনেকটাই অকল্পনীয়। একজন মানুষকে হত্যা করা খুব সহজ। সেই মানুষটা সেনা হোক, খুব খারাপ মানুষ হোক অথবা খুব সাধারণ নিরীহ মানুষ। কিন্তু একটা মানুষের মৃত্যুর প্রভাব থাকে অনেকের উপর, তার পুরো পরিবার, এমনকি প্রতিবেশী স্বজনদের উপরও। মানবজাতির সবচেয়ে বড় দূর্বলতা হচ্ছে মানবজাতি সজ্ঞানে প্রচন্ড সহিংস হয়ে উঠতে পারে। ঘৃণা, বিদ্বেষ এসব ক্ষতিকর জেনেও এসব নিজের মধ্যে বহন করে, ঝেড়ে ফেলার চেষ্টার চেয়ে ধরে রাখার উস্কানীই বেশি হয়। জাতিগত পরিচয়, ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক আদর্শ সহ অনেক সামান্য ব্যাপার নিয়েও ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যার খেলায় মেতে উঠেছে মানুষ, ইতিহাস তার সাক্ষী। জেঃ পল কাগামে এদিক থেকে আদর্শ। ভুলক্রুটির উর্ধ্বে মানুষ না, পল কাগামের বিরুদ্ধেও নানাজনের নানা মত আছে। কিন্তু আমি ভাবছিলাম রুয়ান্ডাতে আরও কী হতে পারত আর কী হয়েছে, এখন কেমন তার অবস্থা। সেভাবে দেখলে বলতে হয় আমার টুইটার আর ফেসবুকে উনাকে ফলো করবার পেছনে যে কারণ, আরও লক্ষ লক্ষ মানুষ সেভাবেই ভাবছে। যদিও ছোটখাট দেশের গুরুত্বহীন নেতাদের কেউ মনে রাখে না।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 20 ঘন্টা 20 min ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর