নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

শিডিউল

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মূর্খ চাষা
  • দ্বিতীয়নাম

নতুন যাত্রী

  • রোহিত
  • আকাশ লীনা
  • আশরাফ হোসেন
  • হিলম্যান
  • সরদার জিয়াউদ্দিন
  • অনুপম অমি
  • নভো নীল
  • মুমিন
  • মোঃ সোহেল রানা
  • উথোয়াই মারমা জয়

আপনি এখানে

একজন সু চি-র শান্তিকামনা


একটি দেশ। সুন্দর এবং গোছানো ভাবধারার মানুষেরা সে দেশে বাস করেন। দেশের ছোট্ট এক কিশোরী মানুষকে ভালোবাসে। সে মানুষের উপকারের কথা ভাবে। সে এই পৃথিবী এবং তার চারপাশের সব কিছুতে মুগ্ধ। কিশোরী বড় হয় এবং যৌবন পেরিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছায়। সে গণতন্ত্র আর মানবতাবাদ নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। এই পৃথিবীতে শান্তি ফেরানো তার স্বপ্নে পরিণত হয়। একসময় সে নিজের দেশে গণতন্ত্রের ধ্বজা উড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়াসী হয়।

আমরা মানুষেরা বড় অদ্ভুত সৃষ্টি। আমরা আমাদের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সবকিছুর একটা কার্যকরণ খুঁজে বের করি। (যদিওবা কখনো অতিমাত্রার বুদ্ধিসম্পন্ন হতে গিয়ে আমরা ধর্মেরঢাক পেটাই এবং কোনো যুক্তি মেনে নিতে অপারগতা প্রকাশ করি।)
এই cause বা কার্যকরণকেই আমরা সংজ্ঞায়িত দর্শন বানিয়ে নেই। দর্শন আমাদের নিউরনের পালে হাওয়া দেয়। তরতরিয়ে ডিঙি বয়ে চলে। আমরা সুখ দুখ আর আলো আধারের তফাত করি আমাদের মতন করে। দিন পেরিয়ে রাত আসে। মাছের পর বছর। সময়ের পালাবদলে আমাদের সত্ত্বা বদলায়। নিজস্ব ভাবধারা বদলায়। আমরা শান্তি বা অশান্তির মূলগত পুঁথিগত বিদ্যা লয়ে আগ্রহী হই। সোশালিস্ট কিবা কমিউনিস্ট হয়ে কাঁধে একটা পুটুলি ঝুলিয়ে শান্তির যাত্রারম্ভ করি। বক্তৃতার ঝড়ে মনে হয় এই বুঝি থেমে গেলো সব। অল কোয়ায়েট অন দ্যা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট! শান্তি খুঁজতে আমরা আবার জনগণ একাত্ম করি। ব্যালট বক্সের পাশে ঝিমাতে ঝিমাতে পৃথিবী বদলে ফেলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই।

কিন্তু শেষতক আমরা শান্তি আর অশান্তিতেই গুলিয়ে ফেলি সব। পায়েস আর সেমাই নিয়ে ভাবতে বসি কোনটার কি নাম! তারপর নিজেদের পথে থিওরি ফলাতে শুরু করি। গদি আর মজুর নিয়ে টানাপোড়ন শুরু হয়। মন বলে, 'লে শালা! ধর্ম আর বর্ণবৈষম্য না করলে শান্তি পাবি কোথায়?' সুখেরকাঁটা হয়ে ধরা দেয় আমাদের মানসিক অসুখ।

আমরা তারপর ও এই শান্তিকামনা এবং ভালোত্ব -কে সংজ্ঞায়িত করি। উচ্চমার্গীয় কথাবার্তা কয়ে নিজেরাই ডিম ফুটাই। এবং তারপর সদ্যোজাত ছানাটিকে গলা টিপে মেরে ফেলি। ইতি ঘটে পুরানো শান্তির নতুনের আগমনের তরে। হিলারি সামর্থকরা দু'মাস লাফালাফি করেন। শেষে ভাবেন, এই শুয়োরমুখো বাঁদরটা মন্দ নয়!

প্রিয় পাঠক! কিশোরীর কথা নিশ্চয়ই ভুলেননি? সত্যি বলতে কি! আমি ঐ সত্ত্বাটাকে ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু পূর্ণতায় পৌঁছে তিনি রঙ বদলেছেন। খোলস না পাল্টালে আমার মতন প্রেমিকরা তাকে বিছানায় নেবেন না! ইথনিক ক্লিনযিং নতুন পারফিউম। আমি আপনি এই নতুনত্বের সৌরভে বিমোহিত হব! কিন্তু "জাতিসংঘ"নামক প্রেমিক তার এই পৈশাচিক রূপ আর গন্ধে ভিরমি খাবে। তারপর তিনি আর "অশুচি" রইবেন না! তিনি গলায় আমাদের তা দেয়া ডিমের ছানা লয়ে ঘুরবেন এবং আমরা ছানাটিকে ছিনিয়ে নিতে চাইবো! পুরানোকে সরিয়ে নতুনের আহবানে।

(অং সান সুচি-র গলায় নোবেল নামক ছানাটা বড্ড পুরানো হয়েছে! ছানাটার প্রস্থানের সময় ঘনাল!)

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

তাকি অলিক
তাকি অলিক এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, এপ্রিল 12, 2017 - 11:17পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর