নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

রোদ্দুর হতে যাওয়া অমলকান্তি কিংবা একজন রাখাল বালক ফজল!


ভোরে, খুব ভোরে ঘুম ভাঙলে পরে আমাদের মা খুব খুশি হতেন। ছেলেমেয়ে খুব ভোরে উঠেছে এর থেকে দিনের শুরুর আনন্দ আর কি থাকতে পারে! মায়েরা এমনই বোধহয় হয়! অথচ ছেলেবেলায় খুব কম দিনই আমাদের, আমার খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গেছে। এর পেছনে মক্তবের সুর করে পড়া, অযথা বেত দিয়ে প্রহার করা, এসব যতোটা না বড়ো কারণ তার থেকে বেশি হলো মক্তবের ভয়ানক হই-হট্টগোল এসব। ভোরের মিষ্টি ঘুম, খুব কম সময়ই আমি, আমরা ঘুমিয়েছি। আমাদের মা সংসারের রাজ্যের কাজ মাথায় নিয়ে ঘুম ভাঙলেও সন্তানেদের পড়ালেখার ব্যাপারে ছিলেন সচেতন। অথচ আমাদের মা আরবি ছাড়া প্রচলিত অর্থে বলতে গেলে অক্ষরজ্ঞানহীন। কিন্তু সন্তানেদের লেখাপড়ার যাতে ত্রুটি না হয় সে দিকে তাঁর গভীর খেয়াল ছিলো। ঘুম ঘুম চোখে, দাঁত মেজে, হাত-মুখ ধুয়ে যখন মক্তবমুখি হচ্ছি, তখন দেখতাম ফজল ভোরের মিষ্টি রোদ পোহাচ্ছে। অথচ আমরা কী না সেসব না করে মক্তবের দিকে যাচ্ছি। সে আমাদের দিকে মুখ করে করে কেমন যেনো ফিচকি হাসি হাসছে। তার চোখেমুখে তখন দুষ্টুমি খেলা করছে।

ফজল আমাদের গ্রামের ছেলে নয়। আমাদের গ্রাম থেকে তিন-চার গ্রাম পশ্চিমের কোনো এক গাঁ'য় তার বাড়ি। আমাদের রাখাল। কার্তিক মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সে আমাদের গরু চড়াত। সেই সাত সকালে উঠে সে গাভিদের দুধ দোহানোর অপেক্ষায় থাকতো। দুধ দোহানো শেষে সে উদগ্রীব হয়ে থাকতো গরু নিয়ে কখন মাঠে যাবে। ভেতর বাড়ি থেকে সকালের খাবারের ডাক না আসা অবধি সে নানান কাজকর্মে ব্যস্ত থাকতো। কখনো দড়ি পাকানো, কখনো উঠতি ষাঁড়ের মুখের ঝাঁপি বানানো কিংবা ষাঁড়ের শিঙ তীক্ষ্ণ ও শক্ত করা এসব তার নিত্য কাজের অংশ ছিলো। ফজলকে দেখে আমাদের বেশ হিংসে হতো। কী সুখেই না আছে সে। সেই সাত সকালে উঠে সে নিজেই নিজের মতো করে তার কাজ করে। ভাতটাত খেয়ে, নিজের দুপুরের খাবার কাপড় দিয়ে প্যাছিয়ে বেঁধে কাঁধে করে সে গরুর পাল নিয়ে দিনমান ছুটে বেড়ায়। সারাদিন তার মতো এ প্রান্তর, ও প্রান্তর করে চষে বেড়ায়। দিনের সূর্যের তেজ যখন কমতে থাকে, সূর্য যখন পশ্চিম দিকে হেলে পরে তখন সে গরু নিয়ে বাড়ির দিকে, সে ফিরছে।

স্বাধীনতা কেমন হওয়া উচিৎ! এই প্রশ্নে আমরা অনেকেই ফজলদেরকে আদর্শজ্ঞান করতাম। আমাদের অজপাড়া গাঁ'য় এই ফজলেরা নানান কাণ্ডকারখানাও ঘটাতো। গরু নিয়ে মারামারি কিংবা রাখালেদের মধ্যে রেষারেষি এসবকে কেন্দ্র করে গৃহস্থ বাড়িতে মারামারি পর্যন্ত হতো। এসব আমরা কোনো এক ফাঁকে শুনতাম। যদিও রাখাল কিংবা কামলাদের পাশে বেশিক্ষণ আমাদের থাকা বারণ ছিলো তদুপরি আমাদের আগ্রহ আমাদের টেনে নিয়ে যেতো। ফজলের তিন থেকে চারটি বিশেষ ধরণের লাঠি ছিলো। বাঁশের লাঠি। চিকন, শক্তপোক্ত। মূলত আগুনে পুড়িয়ে তা এক ধরনের চকলেট কালার করা হতো।লম্বায় হতো চার কি পাঁচ হাত করে। চকচকে লাঠি। পালিশ করা। যাকে বলে ঝকঝকে। এগুলি সে খুব যত্ন করে রাখতো। নিয়ম করে তেল মাখাতো। তেল মাখালে পরে এগুলি আরও ঝকঝক করতো। লাঠিগুলিতে সাধারণত কেউই হাত দিতে পারতো না। সে বেশিরভাগ সময় একটি কি দু'টি লাঠি তার সাথে করে নিয়ে যেতো। আর ছিলো বাঁশি। বাঁশি সে খুব ভালো বাজাতে না পারলেও গানের গলা ছিলো বেশ। অন্য রাখেলেদের থেকে এটিই তার বড় গুণ। ভালো গাইতো। মাঝেমধ্যে সে বাড়ির ভেতরের উঠোনে আমাদের মা-চাচিদের গান শুনাতো।

এই কার্তিকের শেষ কিংবা অগ্রহায়ণ থকে জ্যৈষ্ঠ মাস সময়ে সে বাড়িতে যেতো সামান্য সময়ের জন্য। বড়জোর সব মিলিয়ে দিন সাতেক। একদম বোরো ফসল ঘরে তুলে সে তার ঘরে ফিরতো। এই সময়ের জন্য সে বিশ কিংবা পঁচিশ মণ ধান আর নগদ দেড়-দুই হাজার টাকা পেতো। এই-ই ছিলো তার সাংবাৎসরিক রুজি-রোজগার। সে সময় এইরকমই ধরাবাঁধা নিয়ম ছিলো। এই ফজল গরুর যত্নআত্মি করতে কোনো ত্রুটি রাখতো না। কোন গরুটা কি রকম, কোন গরুটা শিঙ উঁচিয়ে তেড়েফোঁড়ে যায় সবই তার নখদর্পণে ছিলো। কোন গরুটি ঠিকঠাক ঘাস খাচ্ছে না, কোনো গরুটির দাঁতে সমস্যা এসব তার সবই জানা। কিংবা কোন গরুটির পেটে গণ্ডগোল, কোন গরুটির খোঁড়ে সমস্যা সব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে দিন শেষে গৃহস্তকে জানাতো। যাকে বলে একজন আদর্শ রাখাল! এসবের ফাঁকেফাঁকে ফজল মাছও ধরতো। বড় বড় বিলে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পানি কমে এলে গাঁ-দেশে সবাই মাছ ধরতো। আমাদের ফজল সেই সকালে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় বড় দেখে একটি হাড়ি নিয়ে যেতো। মাছ ধরার জন্য। একটু কুঁজো হয়ে, গলা পানির উপরে রেখে পানির নিচে হাত দিয়ে মাছ ধরা হতো সেসব বিল-ঝিলে। কিংবা কোনো ক্ষেতের গভীর অংশ পানি কমে এলে পরে এই রাখালেরা সেখান থেকে মাছ ধরে নিয়ে আসতো। সেই মাছ সে কখনো কারও হাত দিয়ে বাড়িতে আগেই পাঠিয়ে দিতো। কিংবা কোনো কোনো দিন সে শেষ বিকেলে গরু-ফেরত নিয়ে ফিরতো। অবশ্য সেদিনের মাছ খুব একটা ভালো থাকতো না। তখন এগুলি শুকিয়ে শুটকি করা হতো।

ফজল প্রায়ই আমাদের সাথে খেলাধুলোও করতো। অবশ্য সে সুযোগ তার খুব কম সময়ই হতো। একটি খেলা সে ভালো পারতো তা ডাঙগুলি খেলা। আজ আর কেউ ডাঙগুলি খেলে কি না জানি না, তবে আমি আমরা খুব খেলেছি। এই খেলায় তাকে হারানো কঠিন ছিলো। এজন্য তাকে খেলায় নিতে আমাদের মধ্যে বেশ শঙ্কা কাজ করতো। যেদিন আমরা বেজোড় থাকতাম সেদিন তাকে খোঁজে ফিরতাম। পাশাপাশি সে মার্বেল খেলতো। মার্বেল খেলায়ও সে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাকে হারানো কঠিন। এ নিয়ে অনেক মারামারিও সে করেছে। বয়সী কামলারা তার পক্ষ নিয়ে বেশ হাতাহাতি, মারামারি করতো। তবে পারতপক্ষে সে ঝগড়া কিংবা মারামারিতে যেতো না। এসব সে এড়িয়েই চলতো। বেশ ঠাণ্ডা মাথার ছিলো ফজল। আচার-ব্যবহারে ছিলো সকলের প্রিয়পাত্র। ঘরের অনেক টুকিটাকি কাজও সে করতো। ঘরে ডাল বসাতে গিয়ে দেখলেন তুলনায় ডাল কম। তাৎক্ষনিক এই কাজটি কে করে দিবে? ভরসা ফজল। সে প্রায় মাইল দেড়েকের বাজার থেকে কেজি দু'য়েক ডাল এনে দিয়ে গৃহিণিদের সেদিনের মতো উদ্ধার করতো। কিংবা বাড়ির ছাঁদে লাকড়ি তোলা নামানো এসবও সে অনায়েসে করে দিতো। না বলার জো ছিলো না। এতে মোটামুটি সে কমবেশ সবারই প্রিয় পাত্র ছিলো। মাঝেমধ্যে এজন্য সে ভেতর বাড়ি থেকে সে গামছায় বাঁধা চাল পেতো। সের-দেড়েক। এগুলি বিক্রি করে সে বিড়ি কিনতো। নাসির বিড়ি ফুকফুক করে টানতো সে। সকালের ভাত খেয়ে পড়িমরি গরু নিয়ে বেড়িয়ে সে মাঠে যেতে যেতে বিড়ি ফুঁকতো।

ফজল মাছ যেমন ধরতো তেমনি পাখি শিকারও করতো। গুলতি দিয়ে সে নানান ধরণের পাখি শিকার করতে পারতো। এছাড়াও সে ফাঁদ পেতে বড় বড় শাদা বক শিকার করতো। বিলে সে এসব ফাঁদ পেতে রাখতো। কোনো কোনো রাত সে পাখি শিকারে যেতো। ফিরতো ঝুড়ি ভর্তি পাখি নিয়ে। বাহারি রঙের পাখি থাকতো ঝুড়িতে। বাড়িতে তখন পাখির মাংশের রান্না গন্ধ ভেসে আসতো। এসব নানা কারণে তার কদর ছিলো।

চৈত্রের গরমে নেয়ে-ঘেমে একাকার। আকাশে বিন্দুমাত্রও মেঘের দেখা নেই। বৃষ্টি তো দূরের কথা। বোরো ফসলের এই সময়ে বৃষ্টি না হলে পরে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। চারিদিকে খাঁ খাঁ করছে। সবুজের প্রান্তর থেমে থেমে হাহাকার করছে বৃষ্টির জন্য। কেমন গুমোটবাঁধা গরমে চারপাশ অস্থির। এমন সময় চাষি গৃহস্তদের মন-মেজাজ খুব ভালো থাকে না। চরা মেজাজ। অজানা শঙ্কা তাদের ভাবিয়ে তোলে। হাঁটেগঞ্জেও এর প্রভাব পরে। বিক্রিবাট্টা খুব একটা হয় না। মাছ কিনতে সবাই যেমন দরাদরি করে তেমনি একটু দেখেশুনেও কিনতে হয়। আজকাল এই গ্রামের হাটেও অধিকাংশ মাছ হ্যাচারি থেকে আসে। অথচ এই জল-হাওরের দেশে বছর দশেক আগেও এসব মাছ কেউ ছুঁয়েও দেখতো না। আর এখন ঠিক বিপরীত চিত্র। এসব মাছ ছাড়া কোনো মাছ-ই বলতে গেলে নেই। দেশি মাছ রাতারাতি যেনো উদাও হয়ে গেছে। হ্যাচারির মাছ কি না জিজ্ঞেস করতেই উত্তর আসে,

---হ্যাচারি ছাড়া তো আর কোনো মাছই এই বাজারে নাই, দ্যাখেন না, নাকি!?
----আরে, এতো দেখি বেশ লোক!
এসব যখন ভাবছি আর দরদাম করছি তখন সে বলতেছে,
---নিয়ে যান। দাম যা মন চায় তাই দিবেন।
---কি, ব্যাপার কি মিয়া? দাম বলবেন না!?...আজিব তো।।
---ভাই, দাম না দিলেও এই ফজল না খেয়ে মরবে না। ভাবলাম আপনি যখন চিনলেন ই না কি আর করার!

বেশ অবাক হয়েছি তাকে দেখে। আগের ফজল আর নেই। কেমন যেনো বুড়ো হয়ে গেছে। গাল ভেঙ্গে গেছে। চোখও কেমন যেনো কোটরে ঢুকে গেছে। হাড্ডিসার শরীর। অথচ আমাদের থেকে বছর চার, কি পাঁচেকের বড় হবে। কিংবা তারও কম। এই বয়সে এ কী হাল! পাশের রেস্টুরেন্টে তার কনিষ্ঠ সন্তানসহ চা খেতে খেতে নানান আলাপের ফাঁকে জানলাম ফজলের চার কন্যার পরে এই এক পুত্র সন্তান। এতো সন্তান কেনো...? এই প্রশ্নে আগের ফিচকে হাসি দিয়ে বললো বুঝোই তো সব, তাহলে আর জিজ্ঞেস করা কেনো!?

চা শেষ করে মাছের দরদাম দিয়ে মাছ-তরকারি নিয়ে বাড়ির দিকে ফিরতে ফিরতে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। স্বাধীনতা কেমন হওয়া উচিৎ এই আপেক্ষিক প্রশ্নে ছেলেবেলায় ফজলকেই মনে মনে ভাবতাম সেই একমাত্র স্বাধীন। স্বাধীনতা এমনই। যা আমি হতে চাই, যা করে ভালো লাগে, মন প্রফুল্ল হয় তাই স্বাধীনতা। আর আজ এই বছর পঁচিশ বছর আগের উদ্দাম, স্বাধীন রাখাল বালক ফজলকে খোঁজে পাওয়াই ভার! আগের প্রাণচাঞ্চল্য আর নেই, নেই স্বাভাবিক হাসিটিও। চোখেমুখে কেমন অনিশ্চিত উদাসীনতা খেলা করে। উজ্জ্বল চোখ আজ কেমন যেনো ঘোলাটে! রাখাল বালক থেকে সংসার-রাখাল হতে হতে ফজল আজ কেমন যেনো অসহায়। কেমন যেনো ভীত!

শরীরের অকাল বার্ধক্য দেখা দিয়েছে। অভাব-অনটন, সংসারের নানান কুটচালে নিজেই যেনো আজ কেমন পরাধীন জীবন-যাপন করছে। আগের রাখাল বালক ফজল আর আজকের ভাগ-চাষি কিংবা মাছ বিক্রেতা ফজল কী উদ্দাম স্বাধীন ফজলকে খোঁজে ফিরে? স্মৃতি হাতড়ে রাখাল ফজলকে কী সে খোঁজে না? নাকি এসব আজ আর তার মনে-ই পড়ে না? নাকি একজন দায়েপরা পিতা, একজন অভাবী, ব্যর্থ স্বামী হিসেবে ফজল কী শৈশব-কৈশোরের আনন্দকে মনে করতে চায় না!? আজ ক্রমশ স্বাধীনতার ভারে নতজানু ফজলের এসব মনে পড়লেও তাতে কী-ইবা আসে যায়, কী হয়! এসব সুখ-স্বপ্ন দিয়ে তো ঘরে একবেলার খাবারও জুটবে না! তখন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পড়া আমাদের অনেক কিছুই মনে হতে পারে। তাতে ফজলেদের কী আসে যায়, আর তাতে কী-ইবা হয়!

"অথচ, সকলেরই ইচ্ছেপূরণ হল, এক অমলকান্তি ছাড়া।
অমলকান্তি রোদ্দুর হতে পারেনি।
সেই অমলকান্তি–রোদ্দুরের কথা ভাবতে-ভাবতে
ভাবতে-ভাবতে
যে একদিন রোদ্দুর হতে চেয়েছিল।"

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

পড়লাম। সুন্দর কথন
==============================================
ফেসবুকে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মনির হোসাইন
মনির হোসাইন এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 6 দিন ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 20, 2013 - 10:17অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর