নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম
  • অন্ধকারের শেষ প...

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

হিটলার ৬০ লাখ ইহুদি হত্যার পরেও সে সন্ত্রাসী না , কিন্তু নবী মুহাম্মদ মাত্রই ৯০০ ইহুদি হত্যা করল বনু কুরাইযার , তাতেই তাকে কেন মহা সন্ত্রাসী বলা হয় ?


উপরোক্ত প্রশ্নটা বহু মুমিন এ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ বার জিজ্ঞাসা করেছে, এবং মনে হয় করতেই থাকবে। এবার তার উত্তর দেয়া হবে। এখানেই মুমিনরা যে মিথ্যাচারটা করে সেটা হলো , দুনিয়ার কোন সভ্য ও ভদ্র মানুষ হিটলারকে ভাল মানুষ বলে না। তাকে একজন কুখ্যাত অপরাধি হিসাবেই বিবেচনা করে, অথচ মুমিনরা সেটা লুকিয়ে প্রথমেই তাকে যে অপরাধী বলা হয় না , সেটা প্রমান করতে চায়। যাইহোক , পুরো বিষয়টা ব্যখ্যা করা যাক

প্রথমত: হিটলারকে সন্ত্রাসী বলা হয় না , এটা হলো মুমিনদের নিজস্ব ধারনা ও প্রপাগান্ডা যা তারা সর্বদাই মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যে করে থাকে। হিটলারকে শুধু সন্ত্রাসীই না , বরং তাকে মানব সভ্যতার সব চাইতে নিকৃষ্ট জঘন্য ও হিংস্র একনায়ক বলা হয়। হিটলারের এই অমানবিক কাজের কঠোর সমালোচনা করে গত ৭০ বছর ধরে হাজার হাজার নয় , লক্ষ লক্ষ বই লেখা হয়েছে। এমন কি তার রাজনৈতিক দল নাজি পার্টিকে খোদ জার্মানীতে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। তার সব রকম রাজনৈতিক আদর্শ প্রচার নিষিদ্ধ। তাহলে তাকে সন্ত্রাসী বলা হলো না কিভাবে ?

এবার দেখা যাক ধর্মীয় প্রসংগ। হিটলার যদি খৃষ্টান হয়েও থাকে, তাহলেও হিটলার যে অপকর্ম করেছে , খৃষ্টান ধর্মের প্রবক্তা যীশু কি কাউকে হত্যা করতে বলেছে যদি কেউ তাকে বিশ্বাস না করে বা ত্রাণকর্তা হিসাবে গ্রহন না করে ? যদি না করে থাকে , তাহলে হিটলারের জঘন্য কাজকে কখনই খৃষ্টান ধর্মের নামে চালান যাবে না , আর তাই খৃষ্টান ধর্মকে সন্ত্রাসী ধর্ম বলা যাবে না। এখনই কিছু মুমিন ওল্ড টেস্টামেন্টকে নিয়ে আসবে যেখানে খুন খারাবি করার কথা আছে। এখানেই মুমিনরা আর একটা প্রতারনা বা মিথ্যার আশ্রয় নেয়। খৃষ্টান ধর্মের মূল বানী যীশুকে অনুসরন করা , ওল্ড টেষ্টামেন্টকে নয়। ওল্ড টেষ্টামেন্ট- এর সেই হিংস্র বিধানকে স্থগিত করেই যীশু তার নতুন বানী প্রচার করে গেছেন যার মূল মর্ম হলো - শত্রুকেও ভালবাস , যে তরবারীর উপর বেঁচে থাকে , তাকে তরবারীর আঘাতেই নিহত হতে হয় ইত্যাদি। খৃষ্টান ধর্মের মূল ভিত্তি এটাই , ওল্ড টেষ্টামেন্ট না। এবার মুমিনরা বলবে কিভাবে যীশু ওল্ড টেষ্টামেন্টকে স্থগিত করল ? এখানে এসে মুমিনরা আর কিছুই বুঝতে পারে না। যীশু যে ক্রুশ বিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন , সেটাই ছিল ওল্ড টেষ্টামেন্টের হিংস্র বিধানের প্রায়শ্চিত্ত ও পরিসমাপ্তি। তার মানে নিজের রক্ত দিয়েই সেটা পরিসমাপ্তি ঘটালেন।

এবার মুহাম্মদ প্রসঙ্গে আসা যাক। মুহাম্মদ নিজেই এক ঘটনায় বনু কুরাইয়ার ৯০০ পুরুষকে তরবারী দিয়ে কল্লা কেটে হত্যা করেছিল যা সবাই জানেন, সর্বজন বিদিত। এখন আর লুকোচুরি খেলে লাভ নেই। কিন্তু মাত্র এই ৯০০ জনকে গনহত্যা করার জন্যে কেন তাকি সন্ত্রাসী বলা হবে ? বলা হবে এই কারনে য়ে এই গনহত্যার বিধান তো মুহাম্মদ অত:পর তার ইসলামের বৈধ ও চালু করে গেছে , যা গত ১৪০০ বছর ধরে তার উম্মতরা নিষ্ঠা সহকারে অনুসরন করে যাচ্ছে। এখন সারা দুনিয়ায় দেখলেই বোঝা যাচ্ছে কি পরম নিষ্ঠা সহকারে মুমিনরা ইসলামের নামে যখন সুযোগ পাচ্ছে নানা রকম সন্ত্রাসী আক্রমন করে বিধর্মী হত্যা করে যাচ্ছে।

কোরানে কমপক্ষে ১৫০ আয়াত আছে সরাসরি অমুসলিমদেরকে আক্রমন করা বা হত্যা করার জন্যে। এ ছাড়া শত শত হাদিসেও একই কথা বলা আছে। আরও বলা আছে কিভাবে মুহাম্মদ ও তার দলবল আতর্কিতে আক্রমন করে অমুসলিম জনবসতি ধ্বংস করে দিয়ে তাদেরকে হত্যা করত আর তাদের সম্পদ , নারী ও শিশুকে গণিমতের মাল হিসাবে গ্রহন করে নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে নিত। ইসলামের মূল বিধানই হলো - যতদিন পর্যন্ত শেষ অমুসলিম ইসলাম গ্রহন না করবে , ততদিন তাদের সাথে যুদ্ধ বহাল। তার মানে মুসলমানরা সর্বদাই অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধ রত। এমন না যে অমুসলিমরা আক্রমন করলেই শুধুমাত্র মুসলমানরা যুদ্ধ করবে।

এরই সর্বশেষ বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে আই এস , বোকো হারাম , তালেবান , আল কায়েদা ইত্যাদির মাধ্যমে। এরা কোরান ও হাদিসের বিধান মেনেই খৃষ্টান , ইহুদি , ইয়াজিদি সহ শিয়াদেরকে কচুকাটা করেছে ও করছে। কিন্তু যখনই তারা ইসলামের বিধান মতে এভাবে বিধর্মী হত্যা করছে , তখনই ইসলাম না জানা বা নামে মাত্র মুসলমানরা এসে চিল্লা চিল্লি করে বলছে - ইসলামের সাথে এসবের কোনই সম্পর্ক নেই। কিন্তু তারা এসব বললেই কি ইসলামের সাথে এর সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে ? তারা আসলে নিজেরাও জানে , এর সব কিছুই ইসলামে আছে , কিন্তু সভ্য সমাজের প্রতিক্রিয়ার কারনেই মিথ্যাচার করে , প্রতারনা করে সভ্য সমাজকে ধোকা দিতে চায়। কিন্তু সেই দিন কি আর আছে ? মানুষকে কি এত সহজে আর ধোকা দেয়া যায় ?

সুতরাং কেন মুহাম্মদকে তার কর্ম ও তার বিধানের জন্যে সন্ত্রাসী বলা হবে না ?

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

পড়লাম। ৫৭-ধারার কারণে কোন মন্তব্য করবো না।
==============================================
আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 8 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর