নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • দ্বিতীয়নাম
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • অনিমেষ অধিকারী

নতুন যাত্রী

  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর
  • বাপ্পার কাব্য

আপনি এখানে

মুহাম্মদ ও আল্লাহ কি একই ব্যাক্তিত্ব ?


কোরান ও হাদিস পড়লে দেখা যায়, মুহাম্মদ যখনই কোন ব্যাক্তিগত খায়েশ যেমন যত ইচ্ছা খুশি বিয়ে করতে চায় , দাসীর সাথে যৌনসঙ্গম করতে চায় , বন্দিনী নারীর সাথে যৌন সঙ্গম করতে চায়, ডাকাতিকে বৈধ করতে চায় বা এমন কি পালিত পুত্রের স্ত্রী জয়নাবের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাকে বিয়ে করতে চায় ইত্যাদি সব চাওয়ার আকাংখা করা মাত্রই সাথে সাথে কোরানের আয়াত হাজির। ভাবখানা দেখে মনে হয় , আল্লাহই বরং সারাক্ষন মুহাম্মদের ভয়ে তটস্ত থাকে কখন না জানি মুহাম্মদের কি দরকার পড়বে আর তাকে ওহি পাঠাতে হবে। অর্থাৎ মুহাম্মদের ব্যাক্তিগত খায়েশ মিটান ছাড়া আল্লাহর আর কোনই কাম নেই। বিষয়টা আরও বিশদভাবে আলোচনা করা যাক---

মুহাম্মদ তার ব্যাক্তিগত খায়েশ পুরনের জন্যে সর্বদাই কোরানের আয়াত নাজিল করত , যেমন --

১। মুহাম্মদ যত ইচ্ছা খুশি বিয়ে করতে চাইল , সাথে সাথেই আয়াত নাজিল ---
সুরা আহযাব- ৩৩: ৫০: -------কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

২। মুহাম্মদ তার পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পতিত হলো বা পুত্র বধুর প্রেমে পতিত হলো , আর তাকে বিয়ে করতে চাইল , সাথে সাথেই আয়াত নাজিল ---

সূরা আহযাব-৩৩: ৪: আল্লাহ কোন মানুষের মধ্যে দুটি হৃদয় স্থাপন করেননি। তোমাদের স্ত্রীগণ যাদের সাথে তোমরা যিহার কর, তাদেরকে তোমাদের জননী করেননি এবং তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের পুত্র করেননি। এগুলো তোমাদের মুখের কথা মাত্র। আল্লাহ ন্যায় কথা বলেন এবং পথ প্রদর্শন করেন।

সুরা আহযাব - ৩৩: ৩৭: আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।

৩। মুহাম্মদ তার দাসী মারিয়ার সাথে যৌন সঙ্গম করার জন্যে উন্মাদ হয়ে গেল , সাথে সাথেই আয়াত হাজির --
সুরা আল মুমিনুন- ২৩: ৫-৬: এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।

৪। মুহাম্মদের দলকে ডাকাতি করতে পাঠাতে হবে , ডাকাতিকে বৈধ করতে হবে , সাথে সাথেই আয়াত হাজির ---
সুরা বাকারা - ২: ২১৭: সম্মানিত মাস সম্পর্কে তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে যে, তাতে যুদ্ধ করা কেমন? বলে দাও এতে যুদ্ধ করা ভীষণ বড় পাপ। আর আল্লাহর পথে প্রতিবন্দ্বকতা সৃষ্টি করা এবং কুফরী করা, মসজিদে-হারামের পথে বাধা দেয়া এবং সেখানকার অধিবাসীদেরকে বহিস্কার করা, আল্লাহর নিকট তার চেয়েও বড় পাপ। আর ধর্মের ব্যাপারে ফেতনা সৃষ্টি করা নরহত্যা অপেক্ষাও মহা পাপ। বস্তুতঃ তারা তো সর্বদাই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদিগকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়। তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।

মুহাম্মদ যখনই কিছু নিজের ব্যক্তিগত খায়েশ মিটানোর জন্যে কামনা করত , তখনই আয়াত নাজিল হয়ে যেত , বিষয়টা তার প্রিয়তমা শিশু স্ত্রী আয়শার নজরে পড়ে আর তার খটকা লাগে , ভাবে- ঘটনা কি ? আল্লাহ কি সব সময় মুহাম্মদের চাওয়া ও পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকে নাকি ? সুতরাং একদিন সে বলেই ফেলল --

তাফসির অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৬ :: অধ্যায় ৬০ :: হাদিস ৩১১
যাকারিয়া ইব্ন ইয়াহ্ইয়া (র)………… আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যেসব মহিলা নিজকে রাসূলুল্লাহ্(সাঃ) –এর কাছে হেবাস্বরূপ ন্যস্ত করে দেন, তাদের আমি ঘৃণা করতাম। আমি (মনে মনে) বলতাম, মহিলারা কি নিজেকে অর্পণ করতে পারে? এরপর যখন আল্লাহ্তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ “আপনি তাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা আপনার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা আপনার নিকট স্থান দিতে পারেন। আর আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে কামনা করলে আপনার কোন অপরাধ নেই।(আহযাব- ৩৩:৫১)”
তখন আমি বললাম, আমি দেখছি যে, আপনার রব আপনি যা ইচ্ছা করেন, তা পূরন করতে মোটেই দেরী করেন না।

ঘটনাটা ঘটেছিল , মুহাম্মদ একবার তার এক স্ত্রী হাফসার ঘরে দাসী মারিয়ার সাথে যৌনকেলী করার সময় হাফসার কাছে হাতে নাতে ধরা খায়। দাসীর সাথে মুহাম্মদ যৌনকেলী করবে সেটাতে হাফসার আপত্তি ছিল না , তার আপত্তি ছিল সেটা সে কেন হাফসার ঘরেই করবে। হাফসা ছিল ওমরের কন্যা, তাই স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটা সে মেনে নিতে পারে নাই , সে ক্ষেপে গিয়ে মুহাম্মদের সাথে ঝগড়া শুরু করে। তখন ঘটনাটা ধামাচাপা দিতে মুহাম্মদ প্রতিজ্ঞা করে , সে আর কখনই দাসীর সাথে যৌনকেলী করবে না। কিন্তু হাফসাকে ঘটনাটা আর কারও কাছে প্রকাশ করতে নিষেধ করে। অথচ হাফসা ঘটনাটা সবাইকে জানিয়ে দেয়। সেটা কোরানেই আছে --

সুরা - আত তাহরিম -৬৬:৩: যখন নবী তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে একটি কথা গোপনে বললেন, অতঃপর স্ত্রী যখন তা বলে দিল এবং আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দিলেন, তখন নবী সে বিষয়ে স্ত্রীকে কিছু বললেন এবং কিছু বললেন না। নবী যখন তা স্ত্রীকে বললেন, তখন স্ত্রী বললেনঃ কে আপনাকে এ সম্পর্কে অবহিত করল? নবী বললেন,ঃ যিনি সর্বজ্ঞ, ওয়াকিফহাল, তিনি আমাকে অবহিত করেছেন।

তারপর একই সাথে আল্লাহ মুহাম্মদ কর্তৃক তার সেই প্রতিজ্ঞা বা কসম থেকে রেহাই দিয়ে বলছে ---

সুরা আত তাহরিম-৬৬: ১-২: হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
আল্লাহ তোমাদের জন্যে কসম থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের মালিক। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

তার মানে দাসীর সাথে যৌনকেলী করার জন্যে তার কোন স্ত্রীর কাছে প্রতিজ্ঞা করার দরকার নেই, করলেও সেটার কোন মূল্য নেই , একই সাথে আল্লাহ স্মরন করিয়ে দিয়েছে - দাসীর সাথে যৌনকেলী তো হালাল, সেটা মুহাম্মদের কোন স্ত্রীর জন্যে হারাম করার কোন দরকার নেই। সে কেন তার স্ত্রীদেরকে পাত্তা দেবে ? সে তো পাত্তা দেবে আল্লাহকে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , মুহাম্মদ যখনই যা কিছু তার নিজের খায়েশ পুরনের জন্যে কামনা করত , এমন কি যদি কখনও কোন অনৈতিক কাজও করে ফেলত , সাথে সাথেই আল্লাহ আয়াত নাজিল করে মুহাম্মদকে রক্ষা করত ও তার খায়েশ পুরন করত।

এখন উক্ত ঘটনাগুলো যদি নিরপেক্ষভাবে বিচার করা হয় , তাহলে দেখা যাবে - মুহাম্মদের ব্যাক্তিগত খায়েশ মিটানোর জন্যে আল্লাহর এত ব্যাতিব্যস্ততা শুধু আমাদেরকেই নয় , খোদ মুহাম্মদের স্ত্রী আয়শাকেও পর্যন্ত সন্দিগ্ধ করে তুলেছিল। যার অর্থ হলো - আয়শারই সন্দেহ হয়েছিল , মুহাম্মদ আসলে নিজে নিজেই বানিয়ে বানিয়ে আয়াত বানিয়ে তা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে প্রচার করছে।

আয়াত ও ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং খোদ আয়শার জবানবন্দি অনুযায়ী , এখন আমরা কি সিদ্ধান্ত নিতে পারি ? কোরান কি আল্লাহর বানী নাকি মুহাম্মদের বানী। তাহলে কোরানের আল্লাহ আসলে কে ?

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 16 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর