নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফী শামস
  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

তুরস্ক কর্তৃক আর্মেনিয়ান গণহত্যা (১৯১৫-১৯১৮)


তুরস্ক কর্তৃক আর্মেনিয়ান গণহত্যা (১৯১৫-১৯১৮) Armenian Genocide (1915-1918)

গ্রামে নতুন আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে, শহর থেকে দলে দলে সৈন্যদল আসছে আর গ্রামের পর গ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দিচ্ছে। শিশু থেকে শুরু করে নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ কাউকে বাদ রাখা হচ্ছে না যাকেই সামনে পাচ্ছে তারা তাকেই হত্যা করে গ্রামের একস্থানে মৃতদেহ জড় করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। খুবই নৃশংসভাবে তারা সাধারণ মানুষ হত্যা করছে। আমাদের গ্রাম বা আশেপাশের গ্রামগুলিতে এখনও এধরনের কোন ঘটনা শুনতে পাইনি। গ্রামের প্রধান ডাকঘরে কয়েকদিন ধরে কোন সংবাদপত্র আসছে না তাই আর নতুন কোন খবর পাওয়া যাচ্ছে না। শহর থেকে পালিয়ে আশা অনেকেই বলাবলি করছে আমরা যদি মুসলিম জাতি না হই আমাদেরকেও হত্যা করা হবে। আমি আমার পরিবারকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তাই সময় পার করছি।

সময়টা ছিলো ১৯১১ সাল দিন তারিখ উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। এটি ছিলো তৎকালীন আর্মেনিয়ান এক তরুন ইহুদী সৈনিকের লেখা কিছু উক্তি। যানা যায়নি পরবর্তীতে তার আর তার পরিবারের ভাগ্যে কি ঘটেছিলো। কারন এর ২ বছর পরেই শুরু হয়েছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। আর তালাত পাশার নৃশংসতা।

সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি গোষ্ঠীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে খুব জোরালো ভাবে মায়ানমার এর রাখাইন রাজ্যের ইসলামিক জিহাদি জঙ্গিবাদী রোহিঙ্গা জাতিদের নিয়ে মায়াকান্না। আমি আগেই বরাবরের মতো বলে নিচ্ছি এই জিহাদি জঙ্গিবাদী রোহিঙ্গা গুলির কারনে আজ মায়ানমার সরকারের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য যেসমস্ত কারনে অসহায় যত রোহিঙ্গা জাতির হিন্দু, মুসলিম, বোদ্ধ যাই হোক না কেন সর্বোপরি যে মানুষগুলি মারা গিয়েছে ও যারা অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হয়ে মায়ানমার বাংলাদেশের বর্ডার ও বাংলাদেশে আস্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তাদের প্রতি আমার সমবেদনাযুক্ত মনোভাব আছে জেনে রাখবেন। আমার কয়েকটি লেখায় ইতিমধ্যেই জঙ্গি মদতদাতাদের উপস্থিতি আমি টের পাচ্ছি পরিষ্কার ভাবেই। যারা আমার লেখার তীব্র সমালোচনা করছেন ও মুমিনীয় ভাষা ব্যাবহার করে আমাকে ধুয়ে দিতেও বাদ রাখছেন না তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলার নেই। কারন সেটা পর্যবেক্ষণ করে দেখার কাজ সরকারি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। আর যারা আমার মত সাধারণ এবং বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক, সাথে যারা সোশ্যাল মিডিয়ার ভুলভাল রেফারেন্স বিহীন ছবি আর ভিডিও দেখেই হায় আল্লা, ও আল্লা বলে তাদের ব্লাডপ্রেশার বাড়াচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে আবার বলা আগে আমার মনোভাব বোঝার চেষ্টা করুন। না বুঝেই কেউ আগেই নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করবেন না। আর করলেও ভাষাটা ঠিক রাখবেন আশা করি।

আজকে আমি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলবো না। তবে একেবারেই রোহিঙ্গা ইস্যুর সাথে সম্পৃক্ত না তাও বলবো না। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হওয়ার কারনে আপনার অবশ্যয় জানা উচিত তুরষ্কের অটোমান সম্রাজ্য বা উসমানী সম্রাজ্যের দারা আমরা অতীতে নির্যাতন ও নিপীড়ন এর শিকার হয়েছিলাম। এখন কথা হচ্ছে দেশে বন্যা, ধর্ষণ তার উপরে আবার অসহায় রোহিঙ্গা জাতি না খেয়ে মরছে এর মধ্যে আপনি আবার তুরস্ক বা তুর্কি নিয়ে লেখা শুরু করলেন কেন। কারন আছে, সম্প্রতি তুরষ্ক বা তুর্কির যে মায়াকান্না দেখা যাচ্ছে যেমন, তুর্কির প্রেসিডেন্ট এরদোগানের স্ত্রী যেভাবে স্বদলবলে পার্বত্যচট্টগ্রাম এর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির গুলি ভ্রমন করে গেলো তাতে আমার সেই পুরাতন কথা মনে হয়ে যাচ্ছে। যে কারনেই আমি মনে করি আপনাদেরও এই বিষয়ে জানা উচিৎ।

আগেই বর্তমান তুর্কি বা তুরষ্কের পরিচয় আপনাদের দেওয়া লাগে যা অতীতে উসমানীয় সাম্রাজ্য বা অটোমান সাম্রাজ্য নামে পরিচিত ছিলো। উসমানীয় সাম্রাজ্য উসমানীয় আধুনিক তুর্কি বা ঐতিহাসিকভাবে তুর্কি সাম্রাজ্য বা তুরস্ক বলে পরিচিত একটি ইসলামি সাম্রাজ্য। ১২৯৯ সালে অঘুজ তুর্কি বংশোদ্ভূত প্রথম উসমান উত্তরপশ্চিম আনাতোলিয়ায় এই সালতানাত বা সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।প্রথম মুরাদ কর্তৃক বলকান জয়ের মাধ্যমে উসমানীয় সাম্রাজ্য বহুমহাদেশীয় সাম্রাজ্য হয়ে উঠে এবং খিলাফতের দাবিদার হয়। ১৪৫৩ সালে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদের কনস্টান্টিনোপল জয় করার মাধ্যমে উসমানীয়রা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য উচ্ছেদ করে বর্তমান তুর্কির রাজধানী ইস্তাম্বুল থেকেই তাদের প্রথম ইসলামিক আইন প্রতিষ্ঠার সুত্রপাত করেন। পরবর্তীতে এই উসমানীয় সম্রাজ্য বা অটোমান সম্রাজ্যের মুসলমান জাতিদের দ্বারা ১২৯৯ সাল থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত মোট ৭২১ বছরে আশেপাশের বর্তমানে, আলজেরিয়া, আলবেনিয়া, আর্মেনিয়া, অস্ট্রিয়া, আজারবাইজান, বাহারাইন, বসনিয়া, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, মিশর, এরিতেরিয়া, জর্জিয়া, গ্রীস, হাঙ্গেরী, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, কসোভো, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, মলোডোভা, মন্টেনিগ্রো, ওমান, প্যালেস্টাইন, কাতার, রোমানিয়া, সার্ভিয়া, স্লোভাকিয়া, সৌদিআরব, সোমালিয়া, সোমালিল্যান্ড, সুদান, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, তুর্কি, আরব আমিরাত, ইয়েমেন, ইরাক এর এই সমস্ত অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছিল এক বিশাল অটোমান বা উসমানীয় সম্রাজ্য। যা প্রথম বিস্বযুদ্ধের ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যেই পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন হলেও থেকে যায় সেই উসমানীয় পুর্বপুরুষের প্রজন্ম। যারা বর্তমান তুর্কির রাজধানী ইস্তাম্বুল এর প্রাচীন অধিবাসী তারাই হচ্ছে এই অটোমান সম্রাজ্যের বংশধর। বর্তমান ২০১৭ সালে এই দেশগুলি কোন একটি মহাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকায় এরকম আলাদা আলাদা করে নাম বলতে হচ্ছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর এদের মধ্যে অধিকাংশ দেশ স্বাধীন ভাবে রাষ্ট্র গঠন করতে শুরু করে। বর্তমান তুর্কি ছিলো তাদের মধ্যে উন্নতম। আধুনিক তুর্কির ফাউন্ডার বা জাতির পিতা বলা হয়ে থাকে তুর্কির কামাল আতাতুর্ক কে। তবে তুরষ্কের পাশা পরিবারের নির্যাতন ও অত্যাচার এর কথা বিশ্ববাসী আজো ভোলেনি। তুর্কির নতুন প্রজন্ম এখনও সেই ভয়াবহ হত্যাকান্ডের কথা শুনলে কেপে উঠে। আস্তে আস্তে তারা এসব ভুলে গেলেও ইতিহাসের পাতা থেকে কিছুই মুছে যায়নি যার প্রমান আমার লেখার শুরুতে দেওয়া সেই তরুন সৈনিকের ডায়েরির পাতা। ১৯১৪ সালে শুরু হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তরুণ তুর্কী দলের শাসনক্ষমতার কেন্দ্রে ছিলেন তাদের “তিন পাশা” – তালাত পাশা, আনোয়ার পাশা ও জামাল পাশা। এর মধ্যে সকল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতো তালাত পাশার মাধ্যমে, আনোয়ার পাশা এবং জামাল পাশা তালাতের দুই হাত হিসাবে কাজ করতেন।

তালাত পাশা ১৯১৪ সালে শুরু হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এক বছর পরেই ১৯১৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু করেন অন্যান্য ধর্মের মানুষদের কচুকাটা করা। তার মতে মুসলমান জাতি বাদে আর যত জাতি তুর্কিতে ছিলো তারা সবাই নিম্ন শ্রেনীর বা দ্বিতীয় শ্রেনীর মানুষ বলে গন্য হত। মুসলমান জাতি ছিলো অশিক্ষিত টাইপের। কারন তারা শুধুই ইসলামিক শিক্ষা এবং কোরআন পড়তো। তাদের ধারনা ছিলো কোরআন বাদে আর যত বই আছে তা সবই শয়তানি কিতাব। এগুলি পড়লে তারা কাফের হয়ে যাবে। তাই তারা কোরআন বাদে কিছুই পড়তো না। কিন্তু ইহুদী আর্মেনিয়ান জাতিরা তখন স্কুল কলেজে পড়াশোনা করে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছিলো সে সময়ে ইহুদীদের অনেক স্কুল কলেজের তালিকা আজো সংরক্ষিত আছে যার পরিমান কয়েক হাজারের মতো। ১৯১৫ সালের এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখ থেকে তালাত পাশার সৈন্যদল শুরু করে এদের হত্যা করা।

প্রথম দিকে তাদের টার্গেট ছিলো ইহুদী আর্মেনিয়ান সাংবাদিক, আইনজীবী, মুক্তচিন্তক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবীগন। প্রথমেই এদের হত্যা করার কারন ছিলো যাতে বিশ্ববাসী এই গণহত্যার কথা না জানতে পারে। এদের মধ্যে অধিকাংশকে সাথে সাথে বন্দী করে জবাই করা হয় আর বাদবাকিদের অন্ধকার কারাগারের ভেতর ঢুকিয়ে না খেতে দিয়ে মারা হয়। ইতিহাসে স্যার এডলফ হিটলারকে গনহত্যা বা জাতিগত হত্যার বস বলা হলেও এই তুর্কির মুসলিম জাতিকে কেউ বস বলতে পারে না তার একটাই কারন হচ্ছে ইসলাম গুপ্ত হত্যা ও জিহাদ করা শেখায়। গুপ্ত হত্যার ফলে আজো অনেক অসহায় অমুসলিম এর হত্যার কথা প্রকাশ পাইনি এই তুর্কিদের দ্বারা। যদি হিটলার এর মতো ডিক্লেয়ার দিয়ে তারা এই গনহত্যা শুরু করতো তবে হিটলার আরা তালাত পাশার ভেতরে পার্থক্য খুব কমই থাকতো।

১৯১৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া এই হত্যা যজ্ঞ চলতে থাকে আরো কয়েক বছর ধরে। শিশু থেকে শুরু করে নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, কিশোর, তরুণী কেউ বাদ ছিলো না তাদের কচুকাটা থেকে। তৎকালীন তুর্কির কামাল পাশা আর তালাত পাশার ধারনা ছিলো আর্মেনিয়ার ইহুদি জাতি মনে হয় পার্শবর্তি দেশ রাশিয়ার সাথে সমঝোতা করে তাদের উপরে হামলা চালাবে। তাই তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেই তুর্কিতে অবস্থানরত যত আর্মেনিয়ান আছে সবাইকে তুর্কি ছাড়া করতে হবে। কিন্তু আশেপাশে কোন দেশে তাদের পাঠানো হবে সেটা ছিলো চিন্তার বিষয়। এর মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এরকম যে তাদেরকে পাশের দেশ বর্তমান সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, আলাপ্পো ও হোমস এ পাঠাতে হবে তখন বর্তমান এই শহর গুলি ছিলো সবচেয়ে প্রাচীন আর্মেনিয়ান জনপদ। কিন্তু মুসুলিম জাতির ধারনা এই বেধর্মী আর্মেনিয়ানরা সব কাফের এদেরকে শাস্তি দিতে হবে। তালাত পাশা এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলো যে প্রথম হত্যা যজ্ঞ শুরু হবার ঠিক ১ থেকে ২ মাস পরেই একদিন জানালো আগামী ৫ দিনের মধ্যেই সকল আর্মেনিয়ানদের তুর্কি ছাড়তে হবে। কিন্তু সিরিয়া যেতে হবে তাদেরকে মরুভূমি পথে পায়ে হেটে, থাকবে না কোন পানি সরবরাহের ব্যবস্থা। এটা ছিলো মুসলিম জাতির একটি চালাকি। এদের পাহারা দিয়ে দেশ ছাড়া করার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো কিছু প্রহরী বাহিনী।

এই প্রহরীদল সম্বন্ধে শোনা যায় যে এই দলগুলো তৈরি করা হয়েছিল কারাগার থেকে বাছাই করা দাগী আসামীদের নিয়ে। এছাড়া ছিল তুর্কী পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সবচেয়ে নিষ্ঠুর সৈনিক ও কর্মকর্তারা। কেননা, অনেক তুর্কী সরকারী কর্মকর্তা এবং সেনা এই অমানবিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অস্বীকার করেছিলেন। এদের অনেককেই চাকুরীচ্যুত করে বিচারের সম্মুখীন হতে হয় আর্মেনিয়ানদের প্রতি “যথেষ্ঠ নির্মম” না হতে পারার কারণে। বিশেষভাবে নিযুক্ত এই প্রহরীদলগুলো দেশত্যাগী আর্মেনিয়ানদের নগ্নপদে ও নগ্নশরীরে মরুভূমির তপ্ত বালুর উপর দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যেত। যখন-তখন তাদের খেয়াল খুশিমত বন্দী তরুণী ও শিশুদের তুলে নিয়ে যেত ও ধর্ষণের পরে তাদের হত্যা করতো। এমনও ঘটনার নজির রয়েছে যেখানে একদল আর্মেনিয়ান নারীকে পাশবিক অত্যাচারের পর ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। এই যাত্রাপথের রাস্তার ধারে জমা হতে থাকে রুগ্ন শরীরের মৃত দেহের স্তুপ।

আজ পর্যন্ত তুরষ্ক বা তুর্কির এই গনহত্যা বিশ্বের মাত্র ২০ টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে। তুর্কির সাথে ব্যবসায়ী কারবার ও সুসম্পর্ক নষ্ঠ হবার ভয়ে আশেপাশের অনেক দেশ এই ব্যাপারে মুখ খোলেননি। তুর্কির জন্য সব চেয়ে লজ্জার কথা হচ্ছে আজ পর্যন্ত ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা এই গণহত্যা অস্বীকার করে আসছে। তালাত পাশা পালিয়ে জার্মানির বার্লিন আত্তগপন করার পর ১৯২১ সালে এক আর্মেনিয়ান তরুনের হাতে খুন হন। আর্মেনিয়ান তরুনকে আটক করার তিন দিন পর তাকে মুক্ত করা হয় যার কারন জানা যায় না।

---------- মৃত কালপুরুষ
১০/০৯/২০১৭

Comments

ইকারাস এর ছবি
 

কি ছবি দিলেন, একটাও দেখা যাচ্ছে না! ইমেজ লিংক নয়, ইমেজ লোকেশন পেস্ট করুন।

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

বুঝলাম না লিংক গুলাই কাজ করলো না কেন।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
রূপালীনা এর ছবি
 

আমি কিন্তু সব ছবি দেখতে পাচ্ছি। খুব বেশি পুরনো নয় এই ইতিহাস কিন্তু আমরা জাতি হিসেবে বিস্মরণপ্রিয়। ভুলে যাই সবকিছু। প্রাসঙ্গিক হবার কারনে আপনি পোস্টটি করে মনে করিয়ে দিলেন ইতিহাস। অনেক গুরুত্বপুর্ন লেখা। ইশটিশনে ঢু মেরে চলে যাই, কমেন্ট করা হয় না। যদিও নাগরিকে খুব করা হত, অন্য নিকে। দুলাল ভাই জানালেন যেন নিয়মিত আসি, কথা বলি।

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

একটা মানুষের একটা ছদ্মনাম থাকলে তাকে চেনা যায় সহজে। কিন্তু অনেক ছদ্মনাম হলে কিভাবে বুঝবো। আর ছবি আরো অনেক আপলোড করা হয়েছিলো কিন্তু সেগুলা দেখা যাচ্ছে না। এখানে মাত্র ৪ টা দেখা যাচ্ছে।

-------- মৃত কালপুরুষ

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

বাহ! সুন্দর পরিশ্রমি লেখা।

==============================================
আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
 

ধন্যবাদ। আপনাদের মতামত আমার একান্ত কাম্য।

-------- মৃত কালপুরুষ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মৃত কালপুরুষ
মৃত কালপুরুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 23 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, আগস্ট 18, 2017 - 4:38অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর