নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • দ্বিতীয়নাম
  • নিঃসঙ্গী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • মিঠুন বিশ্বাস

নতুন যাত্রী

  • চয়ন অর্কিড
  • ফজলে রাব্বী খান
  • হূমায়ুন কবির
  • রকিব খান
  • সজল আল সানভী
  • শহীদ আহমেদ
  • মো ইকরামুজ্জামান
  • মিজান
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী
  • ডাঃ নেইল আকাশ

আপনি এখানে

ধর্মান্ধতার সৃষ্টি হয় কিভাবে ?


বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ধর্মান্ধতা। এই ধর্মান্ধতা বা ধর্মকে প্রতিষ্ঠার জন্যই অতীত ও বর্তমানকালে বিভিন্ন সময় যুদ্ধবিগ্রহ দেখা দিয়েছে। রক্তের বন্যা বয়ে গেছে সাধারণ মানুষের। কারণ ঈশ্বর, আল্লা বা ভগবানকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, তাকে খুশি করতে হবে। দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি এই ধারা আজ ও একই ভাবে চলে আসছে। আর আমরা কবে মানবিক হব?

এখন প্রশ্ন হল এই ধর্মান্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে কি ভাবে?
এর কারণ হল-বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায়ের মানুষরা তারা নিজেদের শ্রেষ্ঠ বলে মনে করছে-হিন্দুরা ভাবছে আমরা শ্রেষ্ঠ। মুসলিমরা দাবি করছে আমরাই শ্রেষ্ঠ। খৃস্টানরা ও একই দাবি করছে। পৃথিবীর সব ধর্ম ও তাদের অনুসারীরা মনে করে আমাদের ধর্মই ঠিক ও বাকি ধর্মগুলি মিথ্যা। আর অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরা ভুল পথ অনুসরণ করছে। একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় বর্তমান পৃথিবীতে প্রায় 4200 টি ধর্ম প্রচলিত আছে। ধার্মিক ব্যাক্তির কাছে নিজের ধর্মটিবাদে অন্য প্রায় 4199 টি ধর্মই মিথ্যা। আর এই শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতে গিয়েই শুরু হচ্ছে বিভৎস সম্প্রদায়িক দাঙ্গা।

মনেকরা হোক বিভিন্ন ধর্ম যদি পরীক্ষার্থী হয়, তবে কি তাদের মধ্যে কোন প্রতিযোগীতা হয়েছে? তাদের মধ্যে প্রতিযোগীতা হলে ও তার মূল্যায়ন কে করেছে? অথচ আমরা সবাই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিপন্ন করতে যারপর নাই চেষ্টা চালাচ্ছি, যা থেকেই ধর্মান্ধতার সূত্রপাত। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে এটা অনেকটা তুলনীয় -"পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি', মূর্তি ভাবে 'আমি দেব',হাসে অন্তর্যামী"।

আমরা নিজেদের ভাইদের ধর্মের নামে হত্যা করছি আর ভাবছি ধর্মের জন্য করলাম। আমরা স্বর্গে যাব বা জান্নাত নসিব হবে বা haven এ যাওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তব বলছে আমরা মানুষকে হত্যা করে পৃথিবীর সবচেয়ে ঘৃণ্য অপরাধ করছি। আর কত দিন, আর কত মানুষ এভাবে ধর্মের জন্য বলি হবে? আমাদের মনন ক্ষতবিক্ষত হয় না? আমাদের মনে রাখতে হবে-"সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই"।

ধর্মান্ধতা সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ হল-অন্ধভাবে ধর্মকে মেনে নেওয়া। এখন প্রশ্ন হল মানুষ ধর্মকে এভাবে অন্ধভাবে মেনে নেয় কেন? কারণ পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের যাজক, পুরোহিত, মৌলবি সম্প্রদায়ের মানুষ সাধারণ জনগণকে ধর্মের ভয় দেখায় এবং তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চেষ্টা করে। কারণ তাদের মধ্যে ধর্মের ভয় না থাকলে, ধর্মের নামে যে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা হয় তা বন্ধ হয়ে যাবে। তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি সংকটের মুখে পড়বে। তাই যেন তেন প্রকারণে মানুষকে ধর্মের ভয় দেখাতে থাকে। বিবেকানন্দের ভাষায়-"লক্ষ লক্ষ লোক আজ ধর্মের দোকানদারি করে, সকলেই ধর্মের কথা বলে খুব কম লোকই প্রকৃত ধর্মলাভ করিয়া থাকে"।

ধর্মের নামে কিভাবে ভয় দেখানো হয় তা আমাদের বুঝতে হবে?

1):-খৃস্টান যাজকরা বলেন যীশুখৃস্ট বা Holly Bible নিয়ে মনে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে তোমার উপর থেকে Gods Fortune বা ঈশ্বরের আশীর্বাদ বিনষ্ট হবে। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য প্রোটেস্টান্টরা এই সব নির্দেশ আর মানে না। খৃস্টান বিশ্বে ধর্মের আর বিশেষ কোন প্রভাব নেই।

2):-হিন্দুদের ক্ষেত্রে বলা হয় কেউ যদি প্রচলিত বেদ, উপনিষদ, দেবদেবী বা ধর্মতত্ব নিয়ে আলোচনা করে এবং যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চাই তখন তাকে ভয় দেখানো হয়-তোর ভগবৎ প্রেম বিনষ্ট হবে। তবে এটা ও সত্য যে ইয়ং বেঙ্গল মুভমেন্ট বা নব্য বঙ্গ আন্দোলন এরপর বর্তমানে হিন্দুদের মধ্যে আর সেই পরিমাণ ধর্মান্ধতা নেই। বর্তমানে হিন্দুদের পূজাপার্বণ মানে এর মূল লক্ষ্যই হল আনন্দ করা ধর্মের মূল তত্ব নিয়ে বর্তমানে আর বিশেষ কেউ মাথা ঘামায় না। তবে এটা ও সত্য যে এই হিন্দু ধর্মের কুসংস্কারগুলি বাঙালী মননের বাইরে প্রবল ভাবে আছে। ভারতের উত্তরপ্রদেশ, বিহার, গুজরাট আর ও অন্যান্য প্রদেশে এখন ও জাতিভেদ প্রথা চরম। এখন ও বহু জায়গায় ছোট জাতের মানুষরা বড় জাতের মানুষের কুয়োর জল পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারে না। তারা বড় জাতের মানুষদের সামনে থেকে রাস্তা চলতে পারে না। তাদের বাধ্য করা হয় বড় জাতের লোকেদের শৌচালয় পরিষ্কার করতে। তারা সমাজে অচ্ছুত। এটা কি ধর্ম হতে পারে? যে ধর্ম মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে, মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা পর্যন্ত দেয় না সে ধর্ম কি ভাবে সত্য হতে পারে? তবে আশার কথা বহু যুক্তিবাদী সহৃদয় মানুষ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে ও হিন্দু ধর্মের এই জাতিভেদ প্রথার কঠোরতা আস্তে আস্তে হ্রাস পাচ্ছে।

3):-এবার আসা যাক মুসলমানদের কথায়। মুসলমানদের অবস্থা সত্যিই খুবই শোচনীয়। মুসলিম সমাজে ধর্মান্ধতা বেশি কারণ-যদি কেউ মনে মনে প্রশ্ন করে আদেও আল্লা বলে কি কেউ আছে? এই ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে যে সব কথা গুলি উল্লেখ করা হয়েছে তার সবই কি ঠিক? এটা কেন মানতে হবে? এর পিছনে যুক্তি কি? তখনই তাকে বলা হবে তোর ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন প্রশ্ন হল ঈমান কথার অর্থ কি? ঈমান কথার অর্থ হল বিশ্বাস। কিন্তু এখানে এমন ভাবে বলা হবে যেন সে কি ভয়ানক গোনা বা পাপ করে ফেলেছে!

এরপর মনে বেশি প্রশ্ন দেখা দিলে বলবে তুই বিধর্মী বা কাফের হয়ে গেছিস। প্রশ্ন বেশি দেখা দিলে তখন আবার বোঝানো হবে-এটা'কাবিরা গোনাহ' অর্থাৎ এটা সবচেয়ে বড় গোনাহ, সব গোনাহর ক্ষয় আছে কিন্তু ইহার নাই। এর জন্য মরার পর সারা জীবন দোজোখ বা নরকের আগুনে জ্বলতে হবে। আবার কোরানের সুরা-বাকরার 2নং আয়াতে (2:2)বলা হয়-"এই সেই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নেই"। তার মানে আপনি কোরান নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবেন না। আবার নবীকে প্রশ্ন করলে নবী উত্তর দিত না,নবী শুধু বলত প্রশ্ন করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে,আল্লা নারাজ হয়ে যাবে।

নবীর চালাকি বুঝুন। এতে ও শেষ নয় যে সব অবিশ্বাসী মুশরিক আর যারা ইসলাম থেকে বের হয়ে আসছে তাদের বলা হয় মুরতাদ, এদের হত্যা করা ফরজ অর্থাৎ মুসলিমদের এদের হত্যা করতেই হবে! এটাই নাকি আল্লার ইচ্ছা? তাহলে বুঝুন ইসলাম কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? এবং এই ধর্ম থেকে মুক্তচিন্তার কথা বলা হলে কেন হত্যা করা হয়? এটা হচ্ছে এক বর্বর নবীর বর্বর ধর্ম। যেখানে ব্যাক্তি স্বাধীনতা বলে কিচ্ছু নেই।

সমস্ত ধর্মের ক্ষেত্রে ব্যপারটি একই রকম অন্ধভাবে ধর্ম বিশ্বাস করতে হবে, কোন প্রশ্ন ছড়ায়। এখন ধর্মের এই সমস্ত কথা শোনার পর যে কোন সাধারণ ধর্মভীরু মানুষ মনে করবে,আমার ধর্ম সম্বন্ধে মনে কোন প্রশ্ন আনায় গুনাহ বা পাপ। ধর্ম সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান আর কতটাই? এসব বড় বড় ধর্মজ্ঞানী, পুরোহিত, পাদ্রী বা মৌলবিদের কাজ। এদের কথায় প্রশ্ন করাই মানে ধর্ম বিরোধী কাজ। সাধারণ মানুষ তখন এই সমস্ত ধর্মের কারবারীদের কথা এক অর্থে ঈশ্বরীয় বাণী বলে মনে করে। কারণ তারা শুধু অন্ধভাবে বিশ্বাস করে। পৃথিবীর যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত এইখান থেকেই হয়। এমন নয় যে এই সব মানুষের বুদ্ধি নেই। বরং সৎ বা আসৎ উপায়ে উপার্জন সমস্ত বিষয়ে এদের বুদ্ধি আছে। কিন্তু ধর্মের ব্যপারে প্রশ্ন করতে ভয় পায়। এই বুঝি ধর্ম যায় যায়,এই হয়ত নরক বা জাহান্নামের আগুনে পোড়ানো হবে ইত্যাদি...।

বংশপরম্পরা
-----------------------
ধর্মান্ধতা সৃষ্টি হওয়ার জন্য বংশপরম্পরাই আমরা যে মতবাদ মেনে নিয় তা অনেকাংশে দায়ী। শিশু জন্মের পর যা দেখে তাই শেখে, সে দেখে পরিবারে বিভিন্ন ধর্মানুষ্ঠান তাই সে মানতে শুরু করে কোন রকম প্রশ্ন ছাড়ায়? এথেকেই ধর্মান্ধতার সূত্রপাত হয়। শিশুর তখন মনে হয় আমার ধর্মের শিশুরাই মানুষ আর অন্য ধর্মের শিশুরা মানুষের মত দেখতে কিন্তু তারা আসলে মানুষ নয়। এই নোংরা চিন্তা শিশু সারাটা জীবন বয়ে নিয়ে বেড়ায় কিন্তু এথেকে আর বের হয়ে আসতে পারে না। শিশু দেখে তার বাবা, ঠাকুরদা ধর্ম পালন করে তখন তার মনে হয় তাহলে কি আমার বাবা, ঠাকুরদারা ভুল কাজ করছে? কিন্তু দেখা যাবে তার বাবা, ঠাকুরদা ও ধর্মটি একই ভাবে মেনে নিয়েছে কোন প্রশ্ন ছাড়ায়। তাই দ্রুত পরিবর্তনশীল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবন যাত্রার পরিবতর্ন হয় কিন্তু চেতনা তৈরী হয় আদিম প্রকৃতির। যা আমাদের ক্রমাগত পেছনের দিকে ঠেলতে থাকে।

এখন বংশপরম্পরা কিভাবে মুক্ত চিন্তায় বাধা দেয় তা কয়েকটি উদাহরণ দিলে পরিস্কার হবে। আমি এক ম্যাডামের কাছে পড়তে যেতাম উনি কলেজের প্রফেসর ও বটে। উনি একদিন আমাকে বললেন আমার আজ খুব বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছা করছে কিন্তু আমি তা খেতে পারছি না। আমি কারণ জিজ্ঞাসা করলাম? উনি বললেন বাড়িতে আজ নিরামিষ তাই খেতে পারছি না।তখন আমি বললাম আপনি এত উচ্চ শিক্ষিত হয়ে ও এসব সংস্কার মানেন। উনি প্রত্তুতর দিলেন তুমি ও যদি বাচ্ছা বেলা থেকে এসব দেখতে তুমি ও মানতে। আসলে আমাদের মনটাই সে ভাবে গড়া হয় যা দেখি তাই বিশ্বাস করি।

আমার জীবনের একটা ছোট্টো ঘটনা বললে আপনারা আর ও বুঝতে পারবেন-আমি ক্লাস থ্রি বা ফোর এ পড়ি আমাদের পাঠ্যবইতে শ্রীকান্তর নৌকা অভিযান গল্পটি ছিল, এটির রচয়িতা কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়। আমি বাবাকে জিজ্ঞাসা করি এটার রচয়িতা কে বাবা অন্য মনস্কভাবে বলেন-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আমি সেটা মেনে নিয়ে স্কুলে যায়। স্কুলে ম্যাডাম যখন প্রশ্ন করল শ্রীকান্ত কার লেখা আমি বলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। গোটা ক্লাসের সবাই আমার ভুল শুধরে দিতে চেষ্টা করে আমি কিন্তু অটল। ম্যাডাম আমাকে বই খুলে দেখাতে থাকে তবুও আমি অটল। আমি ম্যাডামকে বলতে থাকি বাবা বলেছেন অতএব ওটা ঠিক। আমার কাছে তখন বাবা ঈশ্বরীয় শক্তির প্রতীক, বাবার ভুল হতেই পারে না। শেষে ম্যাডাম বলেন বাবা কে গিয়ে প্রশ্ন কর। বাবাকে বিষয়টি বলতে বাবা নিজের ভুল শুধরে নিলেন। আমরা ও কি আমাদের জীবনে ধর্ম মানার ক্ষেত্রে এ ভাবেই ভুল করে যাচ্ছি না তো? আমি তো আমার ভুল সংশোধন করে নিয়েছি আর আপনারা?

জান্নাত বা স্বর্গের লোভ ও জাহান্নাম বা নরকের ভয়
-----------------------
ধর্মান্ধতা সৃষ্টির জন্য জান্নাতের লোভ বা জাহান্নামের ভয় কিন্তু খুবই কার্যকর। মানুষ আজানাকে বড় ভয় করে তাই মৃত্যুর পর কি হবে এই নিয়ে তারা ভয় করে এবং ধর্ম প্রচারকরা এই ভয়কে কাজে লাগায়। যেমন-মহম্মদ তার অনুসারীদের বিধর্মীদের খুন করতে(2:191,9:5,8:12 quran),তাদের মেয়েদের ধর্ষণ করতে উদ্ভুদ্ধ করত। বলে এতে নাকি আল্লা খুশি হবে এবং জান্নাতে যাবে। সেখানে 72টি করে হুর পাবে, মদের নদী বয়ে যাবে। এখানে আবার চালাকি করে বলা হয়েছে সেই মদ খেলে আবার মাতাল হবে না। দুনিয়াতে মদ হারাম আর জান্নাতে মদ জায়েজ। কি রকম স্ববিরোধী কথাবাত্রা?

আবার নবীর কথা অস্বীকার করলেই তাদের খুন কর এবং এরা জাহান্নামের আগুনে পুড়বে। তারা জাক্কুম গাছের ফল খাবে, গরম জল খাবে, সাপ ও বিঁচে কামড়াবে ইত্যাদি ইত্যাদি ব্যাপার। একটা বিষয় কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং কোরানে কোথাও বলা নেই যে গোনা করলে তোমাদের বাঘের খাঁচায় ফেলে দেওয়া হবে বা কুমিরে ধরিয়ে দেওয়া হবে। ডায়নোসরদের ব্যাপারে ও কোন কথায় নেই। আসলে নবী কোরানে সেই পশুদের কথায় লিখেছেন যাদের অস্তিত্ব আরবে ছিল। আর মুমিনভাইয়েরা এসব কথা না বুঝে শুধু জান্নাতের কথা চিন্তা করে। এরা পৃথিবীকে ভালবাসে না মরার পর 72টা হুর ও মদের নেশাতেই মশগুল।

অন্যান্য ধর্মে ও একই রকম কথা বলা হয়েছে পাপ করলে নরক বা hail আর পূণ্য করলে স্বর্গ বা Paradise এ পাঠানো হবে। এই হচ্ছে ধর্মের আসল ছল চাতুরী।তাই ধর্মের মধ্যে থেকে যে ধর্মান্ধতার সৃষ্টি হয় তা ত্যাগ করুন। মানবিক মানুষ হন দেখবেন পৃথিবী আপনার কাছে মুক্ত ও আরও অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে। তাহলে আপনি অন্ধ ধর্মের পিছনে ছুটবেন না মানবতাকে গ্রহণ করবেন?

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

পড়লাম। ৫৭-ধারার কারণে কোন মন্তব্য করবো না।
==============================================
আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
 

ধন্যবাদ দাদা ।অবশ্যই দেখব ।

 
নরসুন্দর মানুষ এর ছবি
 

ইস্টিশনে স্বাগতম..!!!

নরসুন্দর মানুষ

 
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
 

অনেক অনেক ধন্যবাদ নরসুন্দর দা ।আপনার অনুপ্রেরনায় নতুন করে লড়াই করার অনুপ্রেরনা পাই ।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর