নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • অনন্য আজাদ
  • নুর নবী দুলাল
  • নগরবালক

নতুন যাত্রী

  • আরিফ হাসান
  • সত্যন্মোচক
  • আহসান হাবীব তছলিম
  • মাহমুদুল হাসান সৌরভ
  • অনিরুদ্ধ আলম
  • মন্জুরুল
  • ইমরানkhan
  • মোঃ মনিরুজ্জামান
  • আশরাফ আল মিনার
  • সাইয়েদ৯৫১

আপনি এখানে

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- এই জয় ঈদ উপহার! এক্সিউজ মি, আমি কিছু বলতে চাই || চৈতী আহমেদ


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

আমি মানে আমি, আপনার দেশের যে কোনো একজন নারী, স্বাধীন জীবীকার অধিকার চাওয়া নারী, ফার্স্ট ওয়েভ নারীবাদের ট্রাকে হামাগুড়ি দিয়ে সেকেন্ড ওয়েভ নারীবাদের ট্রাকে পৌছাতে চাওয়া নারী। সিরাজগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আমাকে আপনার দেশের কিছু লিঙ্গযুক্ত বাস শ্রমিক, চলন্ত বাসে, ধর্ষণের পর, ঘাড় মটকে, হত্যা করে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। এরা প্রত্যেকেই পুরুষ। সবল পুরুষ। আপনার দেশের লিঙ্গবাদী সমাজের পুরুষ।

আদালতে আমার ধর্ষকরা স্বীকারোক্তি দিয়েছে- কিভাবে তারা আমাকে একা পেয়েছে, কিভাবে তারা আমার শিক্ষা, আমার আত্মবিশ্বাস,নারী হয়েও আমার পরিবারের প্রতি আমার দায়িত্ব পালন, এই সব কিছুকে উপেক্ষা করে ঐ উদ্ধত লিঙ্গগুলি আমাকে টেনে হিচড়ে বাসের পেছনের সীটে নিয়ে গিয়ে আমাকে শুধু এক টুকরো মাংস ভেবে ছিন্নভিন্ন করেছে। আপনি যে দেশের, সমাজের প্রধানমন্ত্রী সেই দেশে সেই সমাজে তারা একজন নারীকে শুধু শারিরীক ভোগের বস্ত বলে জেনে পুরুষ হিসেবে বেড়ে উঠেছে। এই সমাজ, রাষ্ট্র জন্মের পর থেকে তাদের শিশ্নের গৌরবে গৌরব বোধ করতে শিখিয়েছে। নারীর যোনী আবৃত করে রাখতে শিখিয়েছে, পুত্রদের শিখিয়েছে তাদের শিশ্ন উন্মুক্ত রাখাতেই গৌরব। শিখিয়েছে নারীর যোনি উন্মুক্ত বা আবৃত যেভাবেই থাকুক তাকে ধর্ষণ করাতেই বীর্যবান পুরুষের গৌরব। তাকে সমাজ, ধর্ম বলে দিয়েছে- তুমি শিশ্ন নিয়ে জন্মেছো, যেখানে যে অবস্থায় নারীকে পাবে, তার মধ্যে প্রবেশ করার জন্য। সমাজ বলে দিয়েছে- তুমি বীর্যবান পুরুষ, তোমার লিঙ্গ যখন উদ্ধত হবে তখন নারীর অর্থ বিত্তের দিকে তাকাবে না। তার শিক্ষার দিকে তাকাবে না। তাকাবে তার স্তন্যের দিকে, তাকাবে তার যোনির দিকে। তোমার লিঙ্গ আছে মানেই, সমাজের যে কোনো স্তরের নারী তোমার ভোগ্য। বাগে পেয়ে তুমি যেমন তোমার গৃহকর্মীকে ধর্ষণ করবে, তেমনি বাগে পেলে তুমি তোমার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় আসীন নারীকেও ধর্ষণ করবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি খুব দু:খিত, আমাকে বলতে হচ্ছে কোনো দিন বাগে পেলে পুরুষ সে সমাজের যে স্তর থেকেই আসুক, এই পুরুষ, শরীরের পুরোটাই লিঙ্গওয়ালা পুরুষ, আপনাকেও আমার মতোই, একজন জীবন যুদ্ধ করা নারীর মতোই ছিন্ন ভিন্ন করবে। আপনি মুসলমান বলে, আপনি প্রধানমন্ত্রী বলে, একা পেলে আপনাকেও এই বাসশ্রমিকেরা ছেড়ে দেবে না। কারণ তারা বিশ্বাস করে তাদের লিঙ্গ আছে মানেই তারা সমাজে যে কোনো স্তরের নারীকেই ধর্ষণ করার অধিকার রাখে। আপনিও তাদের কাছে নারীর বেশি নন। বিশ্বাস না হলে আপনার প্রোটোকল রেখে একদিন রাতে আপনার সাম্রাজ্যে বেরিয়েই দেখুন না। আপনার পরিণতিও আমার মতো হবেই।

ধর্ষণের পর পুরুষগুলো আমার ঘাড় মটকে, মাথা ঠুকে ঠুকে আমাকে হত্যা করেছে। তারপর আমাকে ফেলে দিয়েছে রাস্তায়। উপায়ন্তর না দেখে আমি নারীবাদের সেকেন্ড ওয়েভ স্কিপ করে থার্ড ওয়েভে পৌঁছে গেছি। ক্ষমা করবেন, তারাই আমাকে পৌছে দিয়েছে এখানে। বাস শ্রমিকদের ঐ লিঙ্গগুলিকে আমি আমার জরায়ুতে নিতে চাইনি, চাইনি বলে তারা আমাকে ধর্ষণ করেছে, একের পর এক। বার বার। আমি খুব দু:খিত, যে আমাকে আমার জরায়ুর স্বাধীনতা চাইতে হচ্ছে। আমি ওদের সাথে সেক্স করতে চাইনি। দু:খিত, আমাকে আমার সেক্সচুয়াল স্বাধীনতাও চাইতে হচ্ছে। আমি খুব দু:খিত যে, আমেরিকান থার্ড ওয়েভ নারীবাদীদের মতো আমাকে আপনার দেশের পুরুষদেরও ঘৃণা করতে হচ্ছে!

আমি খুব দু;খিত, যে আমার মনে পুরুষ বিদ্বেষ জন্ম নিচ্ছে। আমি খুব দু:খিত, যে আমার এখন ’সব পুরুষ এক না’ মতবাদীদের মুখে মুতে দিতে ইচ্ছে করছে!

আপনার দেশের পুরুষরা ক্রিকেটে আপনাকে জয় এনে দিয়েছে, আপনি তাদের ঘাড়ে হাত দিয়ে ঈদ উপহার হিসেবে সেই জয়কে উদযাপন করছেন। 

বাই দ্য ওয়ে, এই দেশের নারী ক্রিকেটাররাও কিন্তু কখনও জয় এনেছিলো। আপনি তাদের দিকে ফিরেও তাকান নি। তাদের ঘাড়ে হাত দেয়াতো দূরের কথা, তাদের শুভেচ্ছাও জানান নি। আপনার দেশের পুরুষরা যে আমার মা বাবাকে আমার ভাইবোনকে ঈদ উপহার হিসেবে আমার ধর্ষিত লাশ উপহার দিয়েছে। আপনারই উচিত ছিলো এই উপহার আমার মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়ার। আপনার উচিত ছিলো, আমার মাকে গিয়ে বলা “আমার ক্রিকেটের ছেলেরা আমার জন্য ঈদ উপহার হিসেবে জয় এনে দিয়েছে। আমি আপনার জন্যও এক ঈদ উপহার এনেছি, এই নিন আপনার চাকরী করতে যাওয়া মেয়ের লাশ, রাত বিরাতে বাসে চড়ার দু:সাহস করা মেয়ের ধর্ষিত লাশ, বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সমস্ত শরীরে লিঙ্গওয়ালা পুরুষদের কেয়ার না করে, একা একা কর্মস্থলে যাওয়ার দু:সাহস করা মেয়ের লাশ, আমি আপনার জন্য ঈদ উপহার হিসেবে এনেছি।”

তা না করে আপনি ক্রিকেটের জয়ের উল্লাসে মেতেছেন” ঈদের উল্লাসে মেতেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার অধিকার নেই, আমার ধর্ষিত লাশ সামনে নিয়ে ঈদ উল্লাসে মেতে ওঠার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে আমি ঘৃণা করি! নারী হলেও আপনি সমস্ত শরীরে লিঙ্গ নিয়ে ঘুরে বেড়ানো পুরুষতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী। আপনাকে আমি ঘৃণা করি! এই ঘৃণা আপনার কাছে পৌছে দেয়ার জন্য আমি সমস্ত নারীবাদী নারী পুরুষদের দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি। শুনেছি আমার ধর্ষণকারীদের আপনার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। আমি একটু হলেও ভাগ্যবান যে, আমাকে আপনার দেশের সেনাবাহিনীর কেউ ধর্ষণ করেনি। করেছে সাধারণ বাস স্টাফরা। যার কারণে তারা ধরা পড়ে গেছে সহজে। তনুর হত্যাকারী সেনাবাহিনীর ভেতরের বলে তারা সনাক্ত হওয়ার পরেও তাদের শাস্তির আওতায় আনা যায়নি। কারণ ক্ষমতায় থাকতে হলে আপনাকে সেনাবাহিনীকেও তোয়াজ করে চলতে হয়।

আমি চাই আপনার দেশের এইসব ধর্ষক পুরুষদের প্রকাশ্যে শাস্তি দেয়া হোক! সেই শাস্তির মঞ্চে আপনি সবাইকে শোনাবেন-কিভাবে তারা আমাকে ধর্ষণ করেছে, কিভাবে তারা আমার উপর অত্যাচার চালিয়ে, কত নির্মম ভাবে আমাকে ঘাড় মটকে হত্যা করেছে।

আমি জানি আপনি তা করবেন না, আপাদমস্তক পুরুষলিঙ্গওয়ালা পুরুষতন্ত্রের পুরুষতন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী অতটা সাহস বুকে ধারণ করেন না। ওহ আপনিতো প্রতিদিন যে ধর্ষণ হচ্ছে আপনার দেশে, সেই ধর্ষণ নিয়ে, মূল্যবান একটি শব্দ উচ্চারণ করাও, সময়ের অপচয় বলে মনে করেন।

আহা… আমিতো ভুলেই গিয়েছিলাম আপনিতো আবার মুসলমান! আপনার ধর্মইতো পুরুষকে নারীদের নির্বিশেষে ধর্ষণের অধিকার দিয়ে রেখেছে। সো আপনি কেনো ধর্ষণ নিয়ে কথা বলবেন? বললেতো ৯০% মুসলমানরাই আপনাকে ছুড়ে ফেলে দেবে, ক্ষমতার বাইরে। থাক কাজ নেই ততটা করার, অতটা বলার। একজন স্ত্রীলিঙ্গ অন্তত ধর্মের কাছে নাকে খত দিয়ে হলেও ক্ষমতায় টিকে আছে, আমরা না হয় সেটা ভেবেই শ্লাঘায় ভুগি।

তাই আমি শুধু চাইবো- আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সন্তান হারানো,আমার মা বাবার পাশে গিয়ে একবার দাঁড়ান। ভাইবোনদের পাশে গিয়ে তাদের জড়িয়ে ধরে আমার ধর্ষকদের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়ে আসুন। তাও পারবেন না? ওহ, এই সব সর্ব অঙ্গে লিঙ্গওয়ালা পুরুষদের ভোট নিয়ে আপনাকে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে? আচ্ছা, আচ্ছা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে আপনি ক্ষমতা কত ভালোবাসেন!
শেখের বেটি! আপনি কি ভাবতে পারেন, ২৫ আগস্ট ’১৭ রাতে ‘ছোঁয়া” বাসের স্টাফরা আমাকে কতটা কষ্ট দিয়ে হত্যা করেছে? 

আমি ঢাকার আইডিয়াল ল’কলেজের ছাত্রী, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিতে গত ২৫ আগস্ট (শুক্রবার) বগুড়ায় বগুড়ায় গিয়েছিলাম। পরীক্ষা শেষে এক সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ময়মনসিংহগামী ছোঁয়া পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৯৬৩) বাসে উঠি। কর্মস্থল ঢাকায় হওয়ায় টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় নেমে যায় আামার সহকর্মী। ওই বাসেই ময়মনসিংহে পৌঁছানোর কথা ছিল আমার। সেদিন আমার সাথে থাকা সব টাকা নিয়ে ধর্ষণকারীদের আমি বলেছিলাম, আমাকে মুক্তি দিতে। তার পরও তারা আমাকে ক্ষমা করেনি।

আমার পুরো পরিবারের নির্ভরতা ছিলো আমার উপর। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার ভাইবোনদের লেখাপড়ার চালিয়ে নেয়ার দায়িত্ব ছিলো আমার উপর। মা আমাকে নিষেধ করেছিলো, রাতে বের না হতে। কিন্তু আমার উপায় ছিলো না। সংসারের অতগুলো মানুষের যাবতীয় দায় আমাকেই বহন করতে হয়। আমাকে রাত দিন দেখলে চলে না।

তারা যখন আমাকে ধর্ষণ করছিলো তখন আমি শরীরে মনে যতটা কষ্ট সহ্য করেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার জীবনের সমস্ত কষ্ট এক করলেও তার সমান হবে না। তারা যখন ঘাড় মটকে দিয়ে আমাকে হত্যা করছিলো আমার তখনকার যন্ত্রণা আপনার সমস্ত জীবনের যন্ত্রণা এক করলেও তার সমান হবে না। আসলে নিজে ধর্ষিত না হলে কখনই একজন ধর্ষিতার যন্ত্রণা বোঝা, কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।

তাই আমি চাই, আর কোনো মেয়েকে যেন সহ্য করতে না হয় ধর্ষণের যন্ত্রণা। একে একে কত ধর্ষণইতো হলো, হচ্ছে, কোনো একটি ধর্ষণেরও বিচার হতে দেখলাম না। আমার ধর্ষণেরও হয়তো হবে না। এই চিঠি লিখতে লিখতেই শুনলাম, রামপুরাতে একজন গৃহবধুকে গণধুকে তার ঘরে ঢুকে এলাকার কিছু পুরুষলিঙ্গ ধর্ষণ করেছে। বাহ, আপনার প্রজাতন্ত্রে ধর্ষণ আজ উৎসবে পরিণত হয়েছে। অভিনন্দন আপনাকে! আপনার প্রজাতন্ত্রে ধর্ষণের বিচার হয় না বলেই ধর্ষকেরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। আপনার বাংলাদেশ আজ ধর্ষকের অভয়ারণ্য।

শুনেছি আমাকে ধর্ষণকারী একজনের আদালতে স্বীকারোক্তি দেবার পরও জামিন হয়েছে। আমি জেনে গেছি হয়তো অন্যদের মতো আমার ধর্ষণ ও হত্যাকারীদেরও বিচার হবে না। যদি না হয় তবে সব নারীদের প্রতি আমার অনুরোধ আপনাদের ঘৃণার আগুনে পুড়িয়ে দিন, একে একে, সব পুরুষতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান! এই প্রতিষ্ঠান যতদিন থাকবে, ততদিন আপনারা কেউ নিরাপদ নন, সমস্ত শরীরে লিঙ্গ নিয়ে ঘুরে বেড়ানো, পুরুষদের লিঙ্গ থেকে।

ইতি
জাকিয়া সুলতানা রূপা
চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর আমাকে হত্যা করা হয়েছে।

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

'সব পুরুষ এক না' মতবাদীদের মুখে 'মুতে' দিতে ইচ্ছে হয় আপনার? কেন নারীর জন্য, মার জন্য, বোনের জন্যে, কন্যার জন্যে আত্মাহুতি দিয়েছে কত পুৃরুষ তার কথা আপনি শোনেননি কোনদিন? না শুনলে বড়ই কম বিচরণ করেছেন আপনি জ্ঞানের জগতে। সব পুরুষ কেন এক হবে? তাদের একটা পেনিস আছে বলে? পেনিস থাকার পরও কখনো সব পুরুষ এক নয়! জগতের অনেক পুরুষ নারীর জন্য মানুষের জন্যে তাদের জীবনের সুখ স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়েছে। আপনার এ জাতীয় চিন্তনকে "নিন্দা" জানাই! করুণা করি সব পুরুষকে না জেনে একচোখা নীতি গ্রহণের কারণে!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
সীমান্ত প্রধান এর ছবি
 

পুরুষ না হয়ে মানুষ হলে দোষ কি? একইভাবে নারী না ভেবে মানুষ ভাবলে দোষ আছে?

সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

না দোষ নেই, বরং মানবিক মানুষ সবাইকে মানুষই ভাববে, মোতামুতির আগে!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
 

আমার বাবা ও তিন ভাই তারা প্রত্যেকে নিজেদের কখনও পুরুষ ভাবেন নি, এবং সব সময় আমাকেসহ আমার মাবোনদের বলেন নারী নয় মানুষ হও। আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি। আপনিও মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষ হলে আপনার নিজের প্রশ্নের উত্তর আপনি নিজেই পেয়ে যাবেন। আমি খুবই দু:খিত যে আমার পুরো লেখায় আমার তথা রূপার যে কষ্ট এবং ক্ষোভ আপনার ভেতরের কোনো মানুষকে জাগাতে পারেনি। লেখার একটি শুধু একটি লাইন আপনার ভেতরের বাইরের পুরুষকে জাগিয়ে দিয়েছে। ঐ লাইনটি বিশেষ করে আপনার জন্যই ছিলো। দু;খিত যে, দণ্ডধারী পুরুষের মুখে আমি আবারও মুতি।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

আপনার কথাতে মনে হচ্ছে আপনি মুততে চাইছেন প্রথমে আপনার বাবার মুখে, তারপর আপনার ভাইদের মুখে। এরপর সম্ভবত সব পুরুষের মুখে। সবার মুখে গণহারে মুততে চাইলে আপনার মুত্রযন্ত্রটি কি ঠিক থাকবে ম্যাম? এ হিসেব না করে এমন মন্তব্য?

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
ইকারাস এর ছবি
 

চৈতি আহমেদ মুততে চাইছেন পুরুষের মুখে, মানুষের মুখে নয়। উনার বাবা ও ভাই কে উনি মানুষ মনে করেন, পুরুষ নয়।

 
ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

উনার বাবা পেনিসধারী পুরুষ না হলে উনার জন্ম হলো কোন কারিশমায়? কেবল উনার বাপভাই পবিত্র আর সব রামছাগল? পৃথিবীর ৪০০ কোটি পুরুষের সবার মুখে উনি মুততে চান, কেবল নিজ বাবা + ভাইকে বাদ দিয়ে? ধন্য ধন্য ধন্য!!

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
পার্থিব এর ছবি
 

আপনিতো আবার মুসলমান! আপনার ধর্মইতো পুরুষকে নারীদের নির্বিশেষে ধর্ষণের অধিকার দিয়ে রেখেছে। সো আপনি কেনো ধর্ষণ নিয়ে কথা বলবেন?

হাহাহা। ইসলামকে দুষে কোন লাভ হবে না। ইসলাম নারীদেরকে সত্যিকার মর্যাদাই দিয়েছে।
কিন্তু এই আপনারাই বেছে নিয়েছেন নগ্নতা আর অসভ্যতার পথ। তাই তো রাস্তায় বেরোলেই চোখে পড়ে আপনাদের অর্ধনগ্ন সিনেমার পোস্টার। ইন্টার্নেট ভর্তি আপনাদের নগ্ন, উলংগ আর কামলিলার ভিডিও আর ছবি দিয়ে। টিভিতে প্রতিনিয়ত প্রচার চলছে অবৈধ যৌন সম্পর্ক আর পরকীয়ার । এভাবে পুরা সমাজটাকে যৌন উত্তেজিত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

আর যৌন উত্তেজিত সমাজের কাছ থেকে খুব ভাল কিছু আশা করাটা যে খুব বড় ধরনের বোকামি সেটা কি বুঝেন?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মেইল ট্রেন
মেইল ট্রেন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 year 4 weeks ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 26, 2014 - 5:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর