নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফী শামস
  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

হেইট কিলিং এট বার্সিলোনা এন্ড হেইট রেপ ইন বাংলাদেশ!!! দুই জায়গায় শিকার কিন্তু অমুসলিম!



হেইট কিলিং এট বার্সিলোনা এন্ড হেইট রেপ ইন বাংলাদেশ!!!

১) স্পেনের বার্সেলোনার পর্যটন এলাকার ব্যস্ততম রাস্তায় ভিড়ের মধ্যে কাভার্ডভ্যান চালিয়ে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত ও বহু মানুষ গুরুতর জখম হয়েছে। এ ঘটনার আতঙ্কের রেশ মিটতে না মিটতেই এক ঘণ্টার মধ্যেই স্পেনের ক্যামব্রিলসের সমুদ্রতীরের একটি রিসর্টে একই কায়দায় হামলা চালায় জঙ্গিরা এবং সেখানে জজন নাগরিক এবং এক পুলিশকর্মী জখম হন।

২) অন্যদিকে বাংলাদেশের বরগুনার বেতাগীতে স্বামীকে আটকে রেখে শ্রেণিকক্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সহকারী শিক্ষিকাকে পালক্রমে ধর্ষণ করেছেনবেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মোঃ হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল (২৪), আঃ কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মোঃ সুলতান হোসেনের ছেলে মোঃ রবিউল (১৮), আঃ রহমানের ছেলে মোঃ হাসান (২৫) ও মোঃ আবদুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মোঃ জুয়েল (৩০)।

কাকতালীয়ভাবে উভয় ঘটনা ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। একটি ঘটনাস্হল স্পেনের বার্সিলোনা এবং অন্যটি বাংলাদেশের বেতাগী।দুটি ঘটনার অন্তঃমিল হলো ঘটনা দুটোতে অভিযুক্তরা মুসলিম। একটিতে ভ্যান চালিয়ে খুন করা হয়েছে কিছু অমুসলিম খ্রিষ্টান নাচারদের, অন্যটিকে ধর্ষন করা হযেছে অমুসলিম হিন্দু নারীকে।দুটো ঘটনায় অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা থেকে করা হযেছে। একটি খুন অন্যটি খুনের সমতূল্য ধর্ষণ। ঘুটোতে অমুসলিমদের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ থেকে ঘটানো হযেছে ।

কিছুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি বৃটেনে সাদা চামড়ার এক ব্যক্তি এশীয় এক মুসলিমকে ছুরি চালিয়ে খুন করেছে। এনিয়ে বৃটেনের মুসলিম কমিউনিটিতে আতংক যেমন ছিল, ঠিক তেমনি মুসলিম প্রধানদেশ গুলোতে এনিয়ে রীতিমত গেলো গেলো রব উঠে ছিল। মুসলিমদের প্রতি এধরনের হামলাকে হেইট ক্রাইম হিসাবে দেখা হয়। গভীররাতে বাংলাদেশের টকশোতে এনিয়ে চিল্লা চিল্লি হতে দেখা গেছে। মুসলিমদের প্রতি সাদা চামড়ার মানুষ গুলোর ঘৃণা বেড়ে গেছে একারণে অপরাধ বাড়ছে ইত্যাদি ইত্যাদি বক্তব্য আসতে দেখা গেছে। কিন্তু ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় যখন মুসলিম ধর্মাবলম্বী অপরাধীরা ভয়াবহ কোন অপরাধ করে তখন কিন্তু ঠিক অনুরুপ প্রতিক্রিয়া ইউরোপ আমেরিকার মুসলিম কমিউনিটিতে দেখা যায় না। একই ভাবে মুসলিম প্রধান দেশগুলোর সংবাদ মাধ্যমও এতোটা তৎপর হয় না, বরং “সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে” এধাঁচের সাদামাটা সংবাদ পরিবেশন করেই ক্ষান্ত হয়।

বার্সিনোলায় ভ্যান চালিয়ে অমুসলিম হত্যা এবং এটা জঘন্যতম হামলা ও অমুসলিমদের প্রতি চরম ঘৃণা থেকে এধরনের ঘৃণ্য অপরাধ অতি ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনানো হয় – এনিয়ে কিন্তু মুসলিমপ্রধান দেশ গুলোর সংবাদ মাধ্যমের কোন মাথা ব্যাথা থাকে না। বরং একধরনের পুলকবোধ অনুভব করে এবং তা প্রকাশ করে নানা ভাবে। যেমন যদিবা টকশো বার্সিলোনার হামলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় – তবে অবশ্য এর কারণ হিসাবে মুসলিমরা ধর্মীয় কারণে ইউরোপ আমেরিকায় ঘৃণার স্বীকার হয় এবং তা থেকে এটি ঘটেছে - তুলে ধরনের অনুহাত তুলে ধরতে পছন্দ করে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা। মূলতঃ ভেতরে ভেতরে এরা অমুসলিমদের বিরুদ্ধে সংঘঠিত অপরাধকে অপরাধ হিসাবে স্বীকার করতে চায় না। এদের কাছে অপরাধ শুধু সেগুলোই যেগুলো – শুধুমাত্র মুসলিমদের বিরুদ্ধে হয়। গতকাল স্পেনের বার্সিলোনায় যা ঘটেছে ঠিক একই ধরনের ঘটনা প্যারিস, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মুসলিম প্রধান দেশের সংবাদ মাধ্যম এধরনের ঘৃণ্য ঘটনা গুলিকে শুধুমাত্র সন্ত্রাসী ঘটনা হিসাবে দেখেছে। এগুলো ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকে মুসলিম সন্ত্রাসীরা ঘটিয়েছে – এটি কোন ক্রমেই স্বীকার করতে দেখা যায়নি। এরকারণ হলো প্রকৃত সত্যকে অম্বীকার করা।

অন্যদিকে সংবাদ সূত্রে দেখা যায় বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জে, উপজেলা-জেলা পর্যায়ে ধর্ষণের সংবাদ। কখনো কখনো ধর্ষনের এতো বেশী ধর্ষনের সংবাদ পাওয়া যায় এতে যে কারো মনে হতে পারে বাংলাদেশে ধর্ষনের উৎসব চলছে। অবশ্য এটি নতুন ব্যাপার নয়। বাংলাদেশে ধর্ষনের মহামারী বহু পুরোনো, বলা যায় সেই সাতচল্লিশের দেশ বিভাগের সূত্র থেকেই এর উৎপত্তি। ধর্ষণ এমন একটি শত্কি যা দিয়ে কোন একটি জাতি গোষ্টিকে উচ্ছেদ এবং শংকরায়নের মাধ্যমে শেষ করে দেয়া যায়। একাত্তরে পাকিস্তানী সেনা প্রধান বলেছিল – “বাঙ্গালী প্রতিটি মেয়েকে এতটা বলাৎকার করো, যাতে আগামী প্রজন্ম পাকিস্তানী সন্তান জন্ম হয়”। একারণে পাকিস্তানী সেনারা পূরুষ খুনের পাশাপাশি বাঙ্গালী যুবতীতে রেপ করতো। অবশ্য এটাই শুরু ছিলো না, ভারতবর্ষের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে – ভারতবর্ষ আক্রমনকারী বর্বর আরবীয় ও তুর্কী সুমুলমানরা ভারতবর্ষের বিজিত অংশে পুরুষ নিধনের পাশাপাশি নারীদের রেপ করতো।

যাহোক, বিগত কয়েক দশকের বাংলাদেশের ধর্ষণের সংবাদ গুলোর উপর মনোযোগ সহকারে পর্যাোলোচনা করলে দেখা যাবে যে – প্রতি দশটি ধর্ষণ ঘটনার মধ্যে প্রায় ৭/৮টি ঘটনা ছিলো হিন্দু ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে, যেগুলেঅতেদ ভিকটিম হিন্দু ও আদিবাসী নারী এবং ধর্ষনের অভিযুক্তরা সকলে প্রতিবেশী একটি বিশেষ ধর্মালম্বী। সংবাদ মাধ্যমগুলো ধর্ষণগড় সংবাদ প্রচার করলেও প্রতিটি ধর্ষণের ঘটনার মোটিভ কিন্তু এক নয়। গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে অধিকাংশ ধর্ষণ ঘটনার পেছনে কাজ করেছে ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ। অভিযুক্তরা মনে মনে দীর্ঘ দিন যাবত বিদ্বেষ ধারণ করেছে এবং তার প্রকাশ করেছে ধর্ষণের মাধ্যমে।

পরিশেষে শুধু এটুকু অনুরোধ করতে পারি, আমাদের সকলের উচিত চরম সত্যকে মেনে নেয়া। দিনকে যেমন দিন ও রাতকে রাত ভাবতে যেমন আমরা পছন্দ করি, ঠিক তেমনি অন্ততঃ আমরা বাংলা ভাষাভাষী আমাদের উচিত হবে শুধুমাত্র ঘটনাটি দেখে কিংবা শুনে নয়, বরং ঘটনা/অপরাধের মোটিভ দেখে এগুলোকে আমলে নেয়া এবং তা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্যাপক পর্যালোচনার মাধ্যমে এবিষয়ে জনমত গড়ে তোলা। সেটি বাংলাদেশের বেতাগীর ধর্ষনের হোক কিংবা বিদেশে বার্সিলোনার ভ্যানের চাপায় মানুষ নিধণ যজ্ঞ হোক। । (চিত্রগুপ্ত, ১৮ অগাষ্ট ২০১৭)

বিভাগ: 

Comments

 

পবিত্র কেতাব অনুযায়ী ধর্মপ্রাণ মুমিনরা কাজ করছে ।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

চিত্রগুপ্ত
চিত্রগুপ্ত এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 6 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, মে 2, 2017 - 1:00অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর