নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাফী শামস
  • দিন মজুর
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ
  • রুদ্রমঙ্গল
  • নুর নবী দুলাল
  • এফ ইউ শিমুল
  • জহিরুল ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • অন্ধকারের শেষ প...
  • রিপন চাক
  • বোরহান মিয়া
  • গোলাম মোর্শেদ হিমু
  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ

আপনি এখানে

ধর্ম কি আমাদের মানবিক হতে শিখায়।


ধর্মগুলো টিকে আছে ভয় ও লোভের উপর দিয়ে।তা নাহলে অনেক আগেই ধর্মগুলি বিলুপ্ত হয়ে যেতো। আর এই ধর্মগুলোর মাঝে যে ধর্ম সবচাইতে বেশি ভয় আর লোভ দেখায়, সেই ধর্মের নাম হলো ইসলাম। মুসলিমরা দাবি করে ইসলাম নাকি শান্তিপ্রিয় ও মানবিক একটি ধর্ম, যদিও এটার বাস্তবিকপক্ষে কোন প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

মুসলমানদের মতে নবী মোহাম্মদ এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানবী,তার মত মহামানব নাকি আর এই পৃথিবীতে আসবেনা,নবী মোহাম্মদকে আল্লাহ এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছে, আর তিনি যা কিছু করেন সবকিছুই আল্লাহর হুকুম, এমনকি আল্লাহর হুকুম ছাড়া তিনি কিছুই করেননা।এবং তিনি যে যুদ্ধগুলো করেছেন সেগুলোও আল্লাহর হুকুমে করেছেন, আর আল্লাহর হুকুমের মাঝে যেটা সবচাইতে বড় হুকুম সেটা হলো মেহরাজে যাওয়া। এটা আল্লাহর একটা আলোকিত নিদর্শন মাত্র।

কিন্তু এখন তথ্যপ্রযুক্তির এই যোগে এসে আমাদেরকে পৃথিবীর এক প্রান্তথেকে আরেক প্রান্তে যেতে, সময় লাগে কয়েকদিন, আর তিনি কিনা একরাত্রিতে মেহরাজে গিয়ে আবার পিরেও এলেন।যেটা খুবি রহস্যময়, কিন্তু মুসলমানরা দাবি করে এটা নাকি আল্লাহর কুদরতি। আমার প্রশ্ন হলো মেহরাজ যদি আল্লাহর কুদরতি হয় তাহলে তিনি কেন এত এত যুদ্ধ করেছেন যুদ্ধ গুলো কি আল্লাহর কুদরতে হওয়া সম্ভব ছিলোনা,নাকি যুদ্ধ গুলিও আল্লাহর কুদরত? মেহরাজের ঘটনা এটাযে মিথ্যে আর বানোয়াট একটা গল্প, এটা বুঝতে আমাদেরকে চিন্তাবিদ হতে হবেনা, এটা মেহরাজের ঘটনার দিকে তাকালেই বুঝাযায়।

তিনি ইসলামকে টিকিয়ে রাখার জন্যে প্রতিনিয়ত মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছেন। যেমন জিব্রাইল নামক ফেরেস্তা নাকি তাহার কাছে ইসলামের নতুন নতুন তথ্য নিয়ে আসতো, যেটা ডাহা মিথ্যা কথা এটার প্রমাণ তাহার সাহাবীরা নিজেরাই।
মুসলমানদের মতে ইসলাম ধর্ম হচ্ছে একটা বিশ্বাস। এটাতে যুক্তি চলেনা, তাই আজকের এই বিজ্ঞানের যোগে এসেও মুসলিমরা এতটা অজ্ঞ।

মুসলিমদের যুক্তি শুধু একটাই, আল্লাহ যদি না থাকে তাহলে এই পৃথিবী আসলো কোথা থেকে, আর কেউ যদি যুক্তিদিয়ে বুঝিয়ে দেয় কিভাবে পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছে, তখন তারা সেটাকে মিথ্যে বলে উড়িয়ে দেয়। কারণ কোন যুক্তিগত আলোচনা তারা বিশ্বাস করতে রাজি না, তার কারন মুহাম্মদ নিজেই, কেননা মুহাম্মদ নিজেও কখনো যুক্তি দিয়ে আলোচনা করেনি, আর সেই সময় যারা যুক্তিগত আলোচনা করতো তাদেরকে তিনি ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখতেন।

আর ঠিক একি কাজ ১৪০০ বছর পরে এসে মুসলিমরা করে চলছে প্রতিনিয়ত।

আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে নবী মুহাম্মদের কাছেও তেমন কোন সঠিক ধারনা ছিলোনা। কেননা মেহরাজে গিয়ে তিনি নাকি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেছিলেন, তখন তিনি অনেক কিছু দেখে এসেছেন, যেমন বেহেস্তে মানুষ কি করছে আর দোযখে কিভাবে মানুষকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এইসব। যে বিষয়গুলো খুবি হাস্যকর এবং বানোয়াট। কিন্তু বিষয় গুলো খুবি নিখুঁত ভাবে সাজানো হয়েছে, তবে বিষয়গুলির অনেক দুর্বল দিক আছে যেগুলো মমিন মুসলমানদের কখনো চোখে পরেনি এবং পড়বে বলেও মনে হয়না।

যেমন তিনি আরশে আজিমে গিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করেন, কিন্তু তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে আল্লাহর সম্মন্ধে কোন তথ্য দিতে পারেননি। যেটা খুবি রহস্যময়, সবচাইতে বেশি রহস্যঘন বেপার হচ্ছে মোহাম্মদ নিজেও জানেনা আল্লাহ দেখতে কেমন। আল্লাহ কি কথা বলতে পারেন? আল্লাহ কি খাওয়া দাওয়া করতে পারেন? তিনি কি আমাদের মত মানুষ নাকি তিনি রোবট?নাকি তিনি সৃর্যের মত? নাকি তিনি চন্দ্রের মত?নাকি তিনি আকাশ? নাকি তিনি জমিন? নাকি তিনি বাতাসের মত?না তিনি অন্যকিছু? যদিও এর বাস্তবিক কোন প্রমাণ আজ পর্যন্ত কেহ দিতে পারেনি, আর কোনদিন পারবেউনা।কারন একটাই মিথ্যের কখনো প্রমাণ হয়না।

আমাদের এই চিন্তাচেতনার জন্যে, মোহাম্মদ দায়ী নয়। এটার জন্যে দায়ী আমরা নিজেরা।

কারন মোহাম্মদ নিজেও জানতেন না, ১৪০০ বছর পর্যন্ত কি, তার এই ধর্মীও মতবাদ টিকে থাকবে না থাকবেনা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, ১৪০০ বছর পরে এসে আজকের এই তথ্যপ্রযুক্তির যোগে, আমাদেরকে ধর্মের এই অন্ধ মতবাদের ভিতরে চালিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।যেটা খুবি হতাশাজনক তবে মজার বেপার হচ্ছে, ১৪০০ বছর আগে কেউ যদি মোহাম্মদের কাছে ধর্মের এইসব বিষয় নিয়ে কোন প্রশ্ন করতেন, তিনি এটার একটা যুক্তিগত দিক তুলে ধরতেন, এবং নিজের থেকে একটা উত্তর দিয়ে দিতেন। যেটা সেই সময়ের জন্যে ঠিক ছিলো। আর আজকের এইদিনে এসে আমরা যদি কোন মাওলানাকে, এইসব ধর্মীয় বিষয় নিয়ে, কোন প্রশ্ন করি, তাহলে এটার পতিউত্তর কি হবে সেটা আর বলার প্রয়োজন হয়না।

আমাদের মানসিকতা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিবর্তন হয়েছি, তাই আমরা চাইলেও যেকোন বিষয় নিয়ে আগের মত আলোচনা করতে পারিনা। আমাদের মনের কথাগুলো মনের ভিতরে রেখে দিতে হয় যেটা খুবি হতাশাজনক। আমি অনেক আগে একবার আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, আল্লাহ কেন ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষ বানিয়েছেন, তিনি কেন সবাইকে একি রকম বানালেন না। ইমাম সাহেব আমাকে উত্তর দিলেন, এটা আল্লাহ তরফ থেকে আমার জন্যে নাকি একপ্রকার নেয়ামত, এটার জন্যে নাকি আমাকে তার দরবারে শুকরিয়া আদায় করা দরকার। এটা শুনে আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম তাহলে যাদের জন্ম অন্য ধর্মের বা ঈহুদী খ্রিস্টান পরিবারে তাদের কি হবে?তারা কি বেহেস্তে যেতে পারবে ? উত্তরে তিনি বললেন তাদের জন্যে নাকি বেহেস্ত হারাম। তখন এতকিছু বুঝতামনা তাই একপ্রকার খুশী হয়ে মনের আনন্দে ভাবতে লাগলাম আমরা মুসলিমরা কত ভাগ্যবান, বেহেস্ত শুধু আমাদের জন্যে অন্য কোন ধর্মের মানুষের জন্যে না।

আর আজকের এইসময় এসে ধর্মের এই বানোয়াট গল্প কাহিনি'যে কতটা হাস্যকর ছিলো।এটা বুঝতে খুব একটা কষ্ট হয়না,

আসল কথা হচ্ছে, ইসলাম যে শান্তির ধর্ম, এটার প্রমাণ থাক আর না থাক, কিন্তু ইসলাম যে অশান্তিপূর্ণ একটা ধর্ম এটার হাজারো প্রমাণ পাওয়া যায়,যেমন ধরেন -আই এস আই-তালেবান-আলকায়দা-বোকোহারাম, এইসব বড়বড় ইসলামিক সংগঠন গুলো তার প্রমাণ। যদিও ইসলামি আলেমরা দাবি করে,জঙ্গিরা নাকি প্রকৃত মুসলমান না, যেটা খুবি হাশ্যকর, কেননা ইসলামের জন্ম হয়েছে, এইসব মারামারি কাটাকাটি দিয়ে, যেটা ১৪০০ বছর আগে মোহাম্মদ নিজেই করেছেন, যেমন বদরের যুদ্ধ-উহুদের যুদ্ধ- হুনাইনের যুদ্ধ-এবং খন্দকের যুদ্ধ এগুলো উল্যেখ'যোগ্য। তার মানে রক্তপাতের মধ্যে'দিয়ে ইসলাম পতিষ্ঠিত হয়েছে, এটা বুঝতে আর কারো কষ্ট হওয়ার কথা নয়। তাই জঙ্গিরা'যে প্রকৃত ইসলাম, সেটার আর কোন প্রমাণ দেওয়া লাগেনা। মূল কথা হলো যারা কোরান বুঝে পড়বে, আর কোরআন নিয়ে চিন্তা করবে, তারা এক হয় জঙ্গি হবে,তানাহলে অবিশ্বাসি হবে।যারা এটার কোনটাই হবেনা, তাদের ইসলাম সম্পর্কে কোন দারনাই নেই।

ইসলাম যে কতটা শান্তির ধর্ম সেটা আমাদের বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কর্মকান্ড গুলো দেখলেই বুঝা যায়। যেমন পাঁচ'মে হেফাজতের ঢাকা অবরোধের নামে ঢাকা আক্রমণ। তার পরে আসুন গুলশানে হলিআর্টিজনে নিরীহ বিদেশিদের উপর জঙ্গি হামলা,এবং শোলাকিয়া ঈদের জামাতে জঙ্গি হামলা, ও বিভিন্ন সময় ব্লগারদের উপরে হামলা। এটাতেই প্রমাণ হয় ইসলাম যে কত বড় শান্তির ধর্ম। এখানেই শেষ নয় মুসলমানরা নিজেরাও নিজেদের কাছে নিরাপদ নয়। যেমন মুফতি নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা ,ইসলামের ছাত্র ও মাওলানার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপর হামলা। যেখানে নিজেরা নিজেদের কাছে নিরাপদ নয়, সেখানে অন্য ধর্মের বা অন্য মতাদর্শের মানুষ নিরাপদ থাকবেনা এটাই স্বাভাবিক। আর মুসলিমরা এখন যেভাবে তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ আফগানিস্তান আর ইরাক -সিরিয়া হতে বেশি সময় লাগবেনা।

দুঃখের বিষয় আমাদের সরকার এইসব ব্যাপারে কোন কার্যকর পদেক্ষেপ নিচ্ছেনা। বরং তারা ধর্মের এই কাজগুলো যারা করছে তাদেরকে প্রকৃত মুসলিম না বলে ক্ষমতায় টিকে থাকার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।আর আমাদের সরকারী দলের কিছু নেতার কথা আরো ভয়ংকর। যেমন আওয়ামীলীগের নেতা শামীম উসমান বলেছেন ইসলাম রক্ষার জন্যে তিনি নাকি একাই যথেষ্ট, প্রয়োজনে তিনি রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন। শুধু শামিম উসমান না ইসলামের জন্যে সব ধরনের রাজনীতিক নেতারা একি অবস্থানে আছেন।

ভাবতে অবাক লাগে, আমাদের চলার শক্তিকে দমিয়ে রাখার জন্যে সব ধরনের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ধর্মীয় মোলবাদী অপশক্তি। যাদের সামনে আমরা একপ্রকার অসহায়। তাদের ধর্মীয় মতবাদের সামনে আমাদের যুক্তি কোন ভাবেই দাড়াতে পারতেছেনা বরং তাদের মাত্রা দিনকে দিন বেড়েই চলছে। এটার অনেক গুলো কারন আছে সবচাইতে বড় কারন হচ্ছে আমাদের কওমীমাদ্রাসা গুলো যেগুলো দাড়িয়ে আছে এক অন্ধ বিশ্বাসের উপর, আর এখন দেখা যায় পাড়া মহল্লায় নতুন নতুন কওমী মাদ্রাসা হচ্ছে। শুনতে অবাক লাগে এগুলোর ইনকাম আসে আমাদের সমাজের কিছু পয়সাওয়ালা মানুষদের কাছ থেকে।যারা বেহেস্তে সবার আগে যেতে চায়, তাদের জন্যে এটাই সহজপথ বেহেস্তে যাওয়ার।

আমাদের এই বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে যদি আমাদের উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। আর তা নাহলে দিনকে দিন আমাদের অবস্থা আরো খারাপের দিকে চলে যাবে। যেটা খুবি ভয়ংকর হবে আমাদের সবার জন্যে। আমাদের কে সচেতন হতে হবে বুঝতে হবে আসল সত্যি কি। আমাদের চিন্তাধারা পরিবর্তন আনতে হবে। আজকের এই বিশ্ব ধর্মদিয়ে চলেনা। উন্নত বিশ্বের এমন একটা দেশও আপনি খুজে পাবেননা যেটা কিনা ধর্মের মত এমন একটা বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করে। যদিও আমাদের দেশের অশিক্ষিত মানুষজন ও মোল্লারা মনে করে বর্তমানে পৃথিবীতে বিজ্ঞান এত উন্নত হয়েছে কোরানের কারনে, বিজ্ঞানীরা নাকি যত কিছু আবিস্কার করছে সব নাকি কোরান থেকে দেখে দেখে করতেছে।যেটাকে মুলত গাধার যুক্তিচাড়া আর কিছুই ধরা যায়না।

মুসলমানরা কি একবারও এটানিয়ে চিন্তা করেনা যে বিজ্ঞানীরা কোরান থেকে এত কিছু আবিস্কার করছে তারা নিজেরা কেন পারেনা? তাদের তো বেশি পারার কথা, কারণ তারা কোরআন বেশি পড়ে এবং কোরান সম্মন্ধে বেশি ধারনা রাখে, এগুলো চিন্তাকরলে বুঝাযায় মুসলমানরা কতটা অজ্ঞ আর অশিক্ষিত, মুসলমানরা ঠিক ভাবে কোরাআনও পড়তে পারেনা কোরানের অর্থবুঝা তো অনেক দুরের কথা।তাইতো বর্তমানে চিন্তাশীল মানুষরা ইসলাম আর কোরানকে নিয়ে এত বেশি হাসাহাসি করে। তাই এখনি সময় আমাদেরকে সমাজ পরিবর্তন করতে হবে ১৪০০ বছর আগের ধর্মীয় মতবাদকে আর বাড়তে দেওয়া যায়না। দিন পরিবর্তন হয়েছে মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে জানতে শিখেছে। তাই এখনি সময় আমাদেরকে ধর্মীয় এই বিষয় গুলো নিয়ে সঠিকভাবে চিন্তাকরার আর এগুলো পরিবর্তন করার।সকলের মাঝে শুভবুদ্ধির উদয়হোক।।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাহাবউদ্দিন মাহমুদ
সাহাবউদ্দিন মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 10 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 8, 2017 - 12:09পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর