নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • নকল ভুত
  • মিশু মিলন
  • দ্বিতীয়নাম
  • আব্দুর রহিম রানা
  • সৈকত সমুদ্র

নতুন যাত্রী

  • সুমন মুরমু
  • জোসেফ হ্যারিসন
  • সাতাল
  • যাযাবর বুর্জোয়া
  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান

আপনি এখানে

পুরুষতন্ত্র-বিদ্বেষ নাকি পুরুষ-বিদ্বেষ?


সম্প্রতি বিশিষ্ট অনলাইন নারীবাদী এক্টিভিস্ট ইতু ইত্তিলা ইস্টিশন ব্লগেই "নারীবাদীরা কি পুরুষাতঙ্ক ছড়াচ্ছে?"- নামক একটি লেখা লিখেছেন। ইতু ইত্তিলার পোস্টের বিপরীতে কিছু বলার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্টের অবতারণা।
প্রথমেই বলে রাখি, আমি নারীবাদী নই। বিশেষত সেই ধরনের নারীবাদকে তো একদমই ঘৃণা করি যেটাকে ইতু ইত্তিলারা নারীবাদ হিসেবে প্রচার করেন। এখন আবার অনেকে ইতু ইত্তিলাদের নারীবাদকে সহি নারীবাদ হিসেবে মেনে নিতে আপত্তি জানাতেও পারেন। আমি সেই বিতর্কে যাবো না, কারণ কেউ যদি সহি-অসহি জাতীয় প্রসঙ্গ টেনে আনেন তাহলে তার উচিত হবে ইতু ইত্তিলাদের সবার আগে সহি নারীবাদের পাঠ শেখানো। ইতু ইত্তিলারা যে ধরনের নারীবাদকে প্রচার করে থাকেন আমি এবং মনে করি প্রত্যেক মেরুদন্ডসম্পন্ন পুরুষের উচিত সেই ধরনের নারীবাদকে ঘৃণা করা এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। কারণ ইতু ইত্তিলাদের নারীবাদ খুব স্পষ্টভাবেই পুরুষ-বিদ্বেষী যা একধরনের জাতিবিদ্বেষও বটে। আর কোন অবস্থাতেই কোন জাতি-বিদ্বেষকে মেনে নেওয়া সম্ভব নয় তা যতই কোন মহতী-আন্দোলনের আড়ালে মুখ লুকিয়ে হাসুক না কেন। এবার ইতু ইত্তিলার মত নারীবাদীদের পুরুষ-বিদ্বেষেরও একটু উদাহরণ দেওয়া প্রয়োজন। নিচের পোস্টটি ইতু ইত্তিলার ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেওয়া।

কী ভাবছে আজকাল নারীবাদীরা? সিগারেট খেলেই পুরুষের সমকক্ষ হওয়া যায়? পুরুষের সমকক্ষ হতে হলে বিচিযুক্ত কলা থাকতে হয়। এত্ত সোজা না। পুরুষ এমনই এক জিনিস। হু..সবাই আমাদের সমকক্ষ হতে চায়, ভাবতেই গর্ভবতী লাগে। হেহেহে' (জানুয়ারী ২৭, ২০১৭)

কিছুদিন আগে সাজু খাদেম যখন একটি টিভি প্রোগ্রামে কয়েকজন নারীর সামনে স্তনকে “দুধ” বলেছিলেন তখন ইতু ইত্তিলারা নিজেদের নখ-দন্ত বের করলেও পুরুষদের বিশেষাঙ্গকে প্রতিনিয়ত “বিচিযুক্ত কলা” বলে কুৎসিত ট্রল করতে তাদের কোন সমস্যা হয় না। পুরুষদের শারীরিক অঙ্গ নিয়ে উপহাস করার সময় তারা সকল ভব্যতার সীমা অতিক্রম করতে দ্বিধা করেন না। এগুলো কি তবে পুরুষতন্ত্র-বিদ্বেষ নাকি পুরুষ-বিদ্বেষ? এবার তার লেখার প্রসঙ্গে আসা যাক।

যে পোশাকই পরুক, বুকের ওপর ওড়না নামক অতিরিক্ত কাপড়টি মেয়েরা কাদের আতঙ্কে জড়ায়? মেয়ে সময় মত বাড়ি না ফিরলে অভিভাবকের দুঃশ্চিন্তা বাড়ে কাদের আতঙ্কে? কলেজের ছেলে বন্ধুরা কত জায়গায় ঘুরতে যেত। অথচ শহরের ভিতরেই একটা জায়গায় বান্ধবীদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যায় না, কীসের আশংকায় অভিভাবকেরা অনুমতি দেন না? কাদের আতঙ্কে? ওড়না, হিজাব, বোরকা এতসব পোশাকের বস্তা পরতে হয় কাদের হাত থেকে বাঁচতে?

প্রথমত, কেউ বুকের উপর ওড়না পড়লেই বা সমস্যা কি। ওড়না পড়াটা অনেক আগে থেকে বাঙালী সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনি পহেলা বৈশাখ আসলে বাঙালী সংস্কৃতি রক্ষার তাগিদ অনুভব করলেও অন্য সময় কেন পশ্চিমা সংস্কৃতিকে আমদানীর দাবি তুলেন? আপনি আরবীয় সংস্কৃতিকে ঘৃণা করেন অথচ পশ্চিমা সংস্কৃতিতে আপনার কোন অরুচি দেখা যায় না। আমি পশ্চিমা সংস্কৃতি বিপক্ষে বলছি না। কিন্তু কেউ যদি দেশীয় ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিকে মেনে বুকে ওড়না পড়ে তাহলে সমস্যাটা কোথায়? দ্বিতীয়ত, মেয়েরা বুকের ওপর ওড়না নামক অতিরিক্ত কাপড়টি জড়ায় যতটা না পুরুষদের ভয়ে, তার চেয়ে বেশি ধর্মতান্ত্রিক সমাজের ভয়ে। পশ্চিমে তো মেয়েরা ওড়না, বোরখা, হিজাব পড়ে না। সেখানে কি পুরুষরা নেই? আপনার বাকি কথাগুলোর জন্যও একই যুক্তি প্রযোজ্য।

এখন নিশ্চয়ই জিকির ধরবেন, সব পুরুষ এক না। সেটা আমরা খুব জানি। সব পুরুষ ধর্ষণ করেন না। কেউ কেউ করেন। কেউ কনডম পরে করেন, কেউ না পরে করেন। কেউ হোটেলে নিয়ে করেন, কেউ বন্ধুর বাসায় করেন। কেউ সৎ মেয়েকে করেন, কেউ নিজের মেয়েকে করেন। কোনও পুরুষ চিমটি দেন, কেউ খামচি, কেউ আবার ‘পাছা হাতান’। কেউ বাসে হাতান, কেউ রাস্তায় হাতান।

অবশ্যই সব পুরুষ এক না। পুরুষদের কোন ঐশী কিতাব তো নেই যে তারা মুখে এক কথা বলেন আর ভিতরে ভিতরে সেই ঐশী কিতাব থেকে নারী ধর্ষণের পাঠ গ্রহণ করেন।
আপনি উত্তম পুরুষ খুঁজে পান না সেটা আপনার ব্যর্থতা। তার দায় কেন পৃথিবীর সব পুরুষ নিবে? কোন ছেলে শিশু যখন কাজের মেয়েদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের স্বীকার হয় তার দায় কি সকল নারী নিতে রাজি? পুরুষাতঙ্ক ছড়ানোর জন্যও তাই পুরুষরা দায়ী নয়। তাছাড়া এখানে প্রথম অংশের সাথে শেষের অংশের স্ববিরোধীতাও লক্ষ্যণীয়। এখানে স্যাটায়ার করেছেন কিনা তা আপনিই ভালো বলতে পারবেন।

কিন্তু সমস্যাটা হল, সব পুরুষই আমাদের সমাজে বসবাস করেন, বিয়ে করেন, সংসার করেন, বউ আছে, বাচ্চা আছে, চাকরী করেন, ফেসবুক করেন, ভালো ভালো স্ট্যাটাস শেয়ার দেন, কমেন্টে ভালো উপদেশ দেন, লাইক দিয়ে পাশে থাকেন। এখন ভালো পুরুষ- খারাপ পুরুষ আলাদা করার উপায় কী? আর ভাল খারাপের সংজ্ঞাটাই বা কী? যিনি ধর্ষণ করেন তিনি খারাপ পুরুষ, আর যারা ধর্ষণের কারণ হিসেবে ভিক্টিমের দোষ খুঁজে বের করেন তারা কী?

কেন, আপনি ভালো পুরুষের সংজ্ঞা বা উদাহরণ খুঁজে পান না? লিটন নন্দীদের কি আপনার ভালো পুরুষ বলে মনে হয় না যারা নিজের হাত ভেঙে নারীর সম্ভ্রম রক্ষা করেন। সব পুরুষই কি কেবল ভিক্টিমের দোষ খুঁজে বের করে বা ধর্ষণকে জাস্টিফায়েড করে? তাহলে সমাজে ধর্ষণের বিচার হয় কিভাবে? মনে রাখবেন, দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ করা দুঃশাসন যেমন একজন পুরুষ, তেমনি তার সম্ভ্রম রক্ষা করা শ্রীকৃষ্ণও কিন্তু একজন পুরুষ।

আমাদের সমাজের পরিবারগুলো পিতৃতান্ত্রিক পরিবার। পরিবারের কর্তা থাকেন একজন পুরুষ। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকে পুরুষের হাতে।’ পিতৃতন্ত্র ব্যাপারটা বইয়ে পড়তে পড়তে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। পিতৃ্তন্ত্রের জায়গায় পুরুষতন্ত্র পড়ে দেখুন। নারীর কর্তা সাজা, নারীকে দাসী বানানো যে সমাজে সামাজিক নিয়ম সে সমাজে ভালো পুরুষটি কে? আর এরকম ভয়ংকর পুরুষতান্ত্রিক নারীবিদ্বষী সমাজে পুরুষাতঙ্ক ছড়ানোর দায় নাকি নারীবাদীদের! যেন নারীদের আতংকিত করার মত যথেষ্ট পরিমাণ ধর্ষণ, যৌন হেনস্থা, অত্যাচার, নির্যাতন এখনও তারা করে উঠতে পারেন নি। আরও কিছু বাকি আছে।

এখন কি তবে নারীতন্ত্রের প্রবর্তন করতে হবে? তাহলে নারীরাও যে পুরুষদের সাথে একই রকম আচরণ করবে না তার নিশ্চয়তা কৈ?

মেয়েরা কথা বলছে এটা আমার কাছে যখন স্বস্তির বিষয় অন্যদিকে অনেকের কাছে এটিই এখন ভয়ংকর অস্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভালো পুরুষ, খারাপ পুরুষ সব একজোট হয়ে এখন মেয়েদের কথা বলা বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছেন। খারাপ পুরুষেরা জোরে করে আর ভালো পুরুষেরা নানান অভিযোগ তুলে। এখানেও আরেকবার প্রমাণিত হয়ে যায় সব পুরুষ এক না।

আপনি নারীবাদের নাম দিয়ে পুরুষ জাতির বিলুপ্তি চাইবেন, পুরুষের অঙ্গগুলোকে নিয়ে বর্ণবাদী ট্রল করবেন, সকল পুরুষকে ধর্ষক হিসেবে সাব্যস্ত করবেন- সেটাও তো মেনে নেওয়া সম্ভব না। পুরুষরা তো মানবসভ্যতাকে কেবল ধর্ষণই উপহার দেয়নি, আরো অনেক কিছুই দিয়েছে। আপনি যেভাবে সকল পুরুষকে এক করে সরলীকরণ করার চেষ্টা করছেন একইভাবে অনেক গুণধর নারীদের গুণের(!) কথা বলে সকল নারীকেও একই সমান্তরালে আনা যায়। তখন আশা করি বলবেন না যে- সব নারী এক না।

তারা কি আসলে বলতে চান, পুরুষতন্ত্র যেহেতু পুরুষের স্বার্থ রক্ষা করে তাই তারা পুরুষতান্ত্রিক হবেনই। ধর্ষণ যেহেতু পুরুষকে মজা দেয় তাই পুরুষ ধর্ষণ করবেই। নারীকেই বরং রেখে ঢেকে চলতে হবে? সংসারে নারী পুরুষের অবাধ্য হলে যেহেতু পুরুষ অসন্তুষ্ট হয়ে নারী নির্যাতন করবে, তাই নারী নির্যাতন রুখতে নারীকেই পুরুষের বাধ্য হতে হবে?

এগুলো শিশুসুলভ কথাবার্তা। আমার মনে হয় সবচাইতে পুরুষতান্ত্রিক নারীবিদ্বেষী পুরুষটিও মনে হয় এরকম কথা বলবে না।এখন আপনার যদি পুরুষের মনের গোপন কথা(!) জেনে ফেলার বিশেষ ক্ষমতা থাকে তাহলে আলাদা বিষয়।

পুরুষ চায় পুরুষতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে। পুরুষতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে নারীদের দমিয়ে রাখতে হবে। নারীর শরীরকে অশুচি, যৌনবস্তু, মাংসপিণ্ড বলে প্রচার করতে হবে।

তাই বুঝি আপনি নারীতন্ত্রের প্রবর্তন করার জন্য পুরুষের বিশেষাঙ্গকে “বিচি-কলা” বলে প্রচার করা শুরু করেছেন।

নারীর কথা বলা বন্ধ রাখতে মাঝেমাঝে নারীর দুঃখে চুকচুক করতে হবে, ধর্ষণের কারণে নারীর ইজ্জত-সম্ভ্রম চলে গেল বলে গভীর দুঃখ প্রকাশ করতে হবে, ধর্ষকের ফাঁসির মাধ্যমেই সমস্ত সমস্যার সমাধান করে ফেলার ভান করতে হবে। আমাদের সমাজের তথাকথিত ভালো পুরুষেরা সেটিই করে থাকেন।

এখন পুরুষদের কি করা উচিত বলে আপনি মনে করেন যাতে তাদের এইসব কাজকে আপনার কাছে ভণিতা মনে না হয়। পুরুষদের কি এখন প্রতিদিন সকালে উঠে নারীদের পা ধোয়া পানি পান করতে হবে? আপনিই নাহয় পুরুষদের প্রায়শ্চিত্তের একটা উপায় বলে দিন।

এরপরেও নারীরা কথা বলতে চাইলে, প্রতিবাদ করতে চাইলে তাদেরকে পুরুষবিদ্বেষী উপাধি দিতে হবে। ভয়ংকর নারীবিদ্বেষী সমাজে বসবাস করে যখন কেউ নারীদের বিরুদ্ধে পুরুষবিদ্বেষের অভিযোগ তোলে, তখন হেসে বাঁচি না।

সমাজে নারীবিদ্বেষ আছে বলে এই না যে পুরুষবিদ্বেষ থাকাটা জাস্টিফায়েড হয়ে গেল।

ধর্মের বিরুদ্ধে বললে যেমন ধার্মিকেরা ধর্মবিদ্বেষী শব্দটি এড়িয়ে মুসলমান বিদ্বেষী কিংবা হিন্দু বিদ্বেষী, খ্রিষ্টান বিদ্বেষী ইত্যাদি অভিযোগ তোলে, তেমনি পুরুষের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে বললে পুরুষেরা পুরুষতন্ত্র বিদ্বেষী শব্দটি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলে পুরুষ বিদ্বেষী।

ধার্মিক ধর্মবিদ্বেষী শব্দটি এড়িয়ে যায়- তা আমার চোখে কখনো পড়ে নি। অনলাইনে “ইসলাম-বিদ্বেষী’’ খুবই পরিচিত একটি শব্দ। আমার জানামতে ধার্মিকরা এটিই বেশি বলে থাকে। “সকল পুরুষই ধর্ষক’’- এটা কি পুরুষ বিদ্বেষ নয়? আপনার পুরু লেখাটিতে এই কথাটিই তো বারবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বলেছেন। এখন আবার স্ববিরোধীতা কেন করছেন?

একবার ভেবে দেখে না, নারীরা পুরুষ বিদ্বেষী হলে ভ্রূণ অবস্থা থেকে জন্ম নিয়ে, মাতৃদুগ্ধ খেয়ে পুরুষ হয়ে, নারীর দিকে এই অভিযোগ তোলার সুযোগ হতো না।

একই কথা পুরুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সকল পুরুষ ধর্ষক হলে হয়তোবা আপনার বাবাও আজকে ধর্ষকের খাতায় নাম লিখাতেন।

পরিশেষে বলবো, নারীবাদের সমালোচনা মানেই নারীর সমালোচনা বা নারী-বিদ্বেষ নয়, বিশেষত আপনাদের নারীবাদ তো একেবারেই নয়। মানুষ হিসেবে নারীর মৌলিক ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত এবং নিরাপত্তার জন্য যে আন্দোলন সেটাকেই নারীবাদ বলে। সকল পুরুষকে ধর্ষক বলা, পুরুষের শারীরিক অঙ্গগুলো নিয়ে ট্রল করা, পুরুষজাতির বিলুপ্তি দাবী- এগুলো নারীবাদ নয়, পুরুষতন্ত্র বিদ্বেষও নয়, এগুলো কেবলই পুরুষ-বিদ্বেষ।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আরমান অর্ক
আরমান অর্ক এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 17 ঘন্টা ago
Joined: বৃহস্পতিবার, মে 4, 2017 - 12:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর