নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

যৌনশক্তি নিরসন প্রকল্প।


আপনি কি দাম্পত্য জীবনে অসুখী? কখনও কি ভেবেছেন দাম্পত্য জীবন অসুখী হবার কারন কী? আপনি কি বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছেন? আপনার পূর্ণ মধুময় দাম্পত্য জীবনে ও যৌন জীবনে সুখ ফিরিয়ে দিতে আমরা চিকিৎসক সকলে অঙ্গীকার বদ্ধ। যোগাযোগের ঠিকানা...........................................।

এই লেখাগুলোর সাথে মোটামুটি সকলেরই সাক্ষাৎ হয়েছে একাধিক বার। রাস্তাঘাটের অসংখ্য দেয়ালে, ল্যাম্পপোস্টে, এছাড়া লিফলেট হিসেবেও এসে পড়ে আমাদের হাতে। সব মিলিয়ে যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য এক জমজমাট আয়োজন আমাদের সমাজে।
যৌন(দাম্পত্য) জীবন সুখের হবে এটা সবারই কাম্য, কিন্তু দাম্পত্য জীবনের বাইরে গিয়ে যেথাসেথা যৌনাচার করে একজন নিরীহ মানুষের ও তার পরিবারের সবার জীবনের সুখ-সাচ্ছন্দ্য কেড়ে নেয়াটা কতটুকু যৌক্তিক? একটি মেয়েকে বা নারীকে ধর্ষণ করায় শুধু ধর্ষণের সময়ের জ্বালাযন্ত্রণা নয়, ধর্ষক যেন ধর্ষণের সময়ই তার সারা জীবনের স্বপ্ন ভেঙে তছনছ করে দেয়। ধর্ষিতা যদি বেচে থাকে তবে এ যন্ত্রণা নিয়ে তাকে সারাটি জীবন কাটাতে হয়। শুধু ধর্ষিতা না তার পরিবারের উপরও একই প্রভাব পড়ে।
কথা হচ্ছিল যৌন শক্তির চিকিৎসার ব্যাপারে। আচ্ছা যৌন রোগের ঔষধ কি শুধু যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে নাকি একই সাথে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়? যদি তা না হয় তবে কি কারনে একদিকে যৌনশক্তি বৃদ্ধির জমজমাট ব্যবসা আর অন্যদিকে যত্রতত্র ধর্ষিতার বিকট চিৎকার? ধর্ষকের মস্তিষ্কে যদি সামান্যতম মনুষ্যত্ব থাকতো তাহলে সে কাউকে ধর্ষণ করতে পারতোনা। আবার বিচারের ক্ষেত্রে তো বিচারের নামে প্রহসন এই দেশে স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে । তাছাড়া চিকিৎসার ক্ষেত্রেও টু ফিঙ্গার টেস্টের নামে যেন আরও একবার অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ধর্ষণ করা হয় ধর্ষিতাকে। সুতরাং, কোন অবস্থাতেই যেহেতু ধর্ষণ রোধ করা যাচ্ছেনা তাই এবার সরকারের নতুন প্রকল্প হাতে নেয়া উচিত ধর্ষণ রোধ করার জন্য। আর তা করা উচিত চিকিৎসার মাধ্যমে যেখানে সবাই ঘরে বসেই ধর্ষণের বিরোধিতা ও চিকিৎসা করতে পারবে।

প্রকল্প যৌনশক্তি নিরসন। যা মানুষের যৌনশক্তিকে সারাজীবনের জন্য পঙ্গু করে দেবে। আমার ধারনা কোন পরিবারই ধর্ষণের সমর্থন করেনা। আর যদিও পরিবার ধর্ষকের জীবনের কথা চিন্তা করে আইনি ঝামেলা থেকে ধর্ষক কে মুুক্ত করার চেষ্টা করে, এদিক থেকে পরিবারের মর্যাদা রক্ষার জন্য হলেও প্রকল্পটি বেছে নিতে পারবে। অর্থাৎ যেখানেই ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টা করা হবে ধর্ষকের পরিবারের প্রতি সরকারের আহ্বান থাকবে পারিবারিক ভাবেই যৌনশক্তি নিরসন ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষকের যৌনশক্তির একেবারে অবসান ঘটানো।যেখানে ধর্ষক তার স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যেতে পারবে। অন্যদিকে আদালতে গেলে বিচার হয়না বা হবে কি হবেনা ইত্যাদির আশায় বসে না থেকে সমাজের লোকজন নিজেরাই বিচারের ভার বহন করতে পারবে।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মোঃ যীশুকৃষ্ণ
মোঃ যীশুকৃষ্ণ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: শনিবার, এপ্রিল 29, 2017 - 10:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর