নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • হাসান নাজমুল
  • শ্রীঅভিজিৎ দাস
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
  • নিরব
  • সুব্রত শুভ

নতুন যাত্রী

  • নিনজা
  • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী

আপনি এখানে

রবীন্দ্রনাথের যে জীবনের গল্প কেউ কখনো বলে না।


আচ্ছা রবীন্দ্রনাথ মানুষটা কেমন ছিলেন? তিনি কি কেবলই হাতে কলম নিয়ে আরাম কেদারায় শুয়ে চোখ বুজে কবিতার আরাধনা করতেন? সারাক্ষণ ইয়ার বন্ধু শুভানুধ্যায়ী পরিবেষ্টিত হয়ে গান-কবিতার আসরে মজে থাকতেন?

আমাদের দেশের কিছু সংখ্যক রবীন্দ্রানুরাগীর চাল চলন জীবন যাপন দেখে অনেকেই ভাবেন তাদের গুরু রবী ঠাকুর মনে হয় কোন এক ধনাঢ্য জমিদারের আরাম প্রিয়, ভাব বিলাসী নন্দ-দুলাল, যিনি তার সারাটি জীবন গান, কবিতা, নাটক, নভেল ইত্যাদি নিয়ে মশগুল হয়ে ছিলেন। যে কারণে রবীন্দ্র ভক্তরা সারাক্ষণ রবীন্দ্রনাথের গান গায়/ শুনে, কবিতা পড়ে/ শুনে, আর মাঝে মাঝে নাটক করে/ দেখে। তারা সুললিত ভাষায় কথা বলে। তারা পাঞ্জাবী পায়জামা পরে উদাস মুখে দূরদ্বীপবাসিনীর জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলে। কিংবা লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে খোঁপায় গোলাপ গেঁথে ইতি উতি ঘুরে বেড়ায়। দেশের কি হলো, কোথায় ডুবলো, কোথায় ভাসলো তার কোন খোঁজ খবর তারা রাখেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ যখন নদীর উপর বাঁধ দিয়ে নিজের দেশকে জলশূন্য করে দেয়ার প্রস্তুতি নেয় তখন তাদের খুব একটা হেলদোল দেখা যায় না। যদিও প্রকৃতি পর্যায়ের গান তারা খুব পছন্দ করে কিন্তু আগ্রাসী মুনাফাখোরের থাবায় নিজের দেশের বন জঙ্গল উজাড় হয়ে গেলেও তাদের কিছু যায় আসে না। তারা কখনো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কিংবা রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে না।

তবে রবীন্দ্রনাথও কি এমনই ছিলেন? এমনই আত্মকেন্দ্রিক, দেশ-সমাজ-রাজনীতি বিমুখ, শুধুমাত্র রং-ঢঙ করা মানুষ? কবির জীবনী যদি একটু নাড়াচাড়া করা যায় তাহলে কিন্তু অন্যরকম চিত্র উঠে আসে। তাহলে কেমন ছিলেন রবীন্দ্রনাথ?

কবির রাজনৈতিক দর্শনঃ

কবি ভীষণভাবে একজন রাজনীতি সচেতন মানুষ ছিলেন। তার নিজস্ব রাজনৈতিক দর্শন ছিল। তিনি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতির মাঝেই সমগ্র দেশের উন্নতি দেখতে পেতেন। এ কারণে অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তিনি একটি প্রজেক্ট গ্রহন করেছিলেন যার নাম দিয়েছিলেন শ্রী নিকেতন আর বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতির জন্য যে প্রজেকটটি নিয়েছিলেন তার নাম ছিল শান্তিনিকেতন। শান্তিনিকেতন সম্পর্কে কমবেশি সবাই অবগত কিন্তু শ্রীনিকেতন সম্পর্কে খুব একটা আলোচনা চোখে পড়ে না। যাইহোক, এই বিষয়ে পরে আলোচনা করা যাবে। আপাতত দেখি রাজনীতির অঙ্গনে তিনি কি ভূমিকা রেখেছিলেন।

কবি কখনো প্রথাগত রাজনীতি করতে চাইতেন না। কোন দলের সভাপতি কিংবা সদস্য তিনি হতে চাননি কোন সময়েই কিন্তু সমসাময়িক রাজনীতির বিষয়গুলো তাকে স্পর্শ করেছে বার বার। রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ও ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের সমর্থন করতেন।তবে গান্ধীবাদীদের তিনি পছন্দ করতেন না। স্বদেশী আন্দোলনকে "চরকা-সংস্কৃতি" বলে বিদ্রুপ করে রবীন্দ্রনাথ কঠোর ভাষায় তার বিরোধিতা করেন। তার একটা নিজস্ব রাজনৈতিক দর্শন ছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ তাঁর চোখে ছিল "আমাদের সামাজিক সমস্যাগুলির রাজনৈতিক উপসর্গ"। তাই বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বৃহত্তর জনসাধারণের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও বৌদ্ধিক উন্নতির উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার গান অসামান্য ভূমিকা পালন করেছিল। রবীন্দ্রনাথের “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য”, “একলা চল রে”, “মায়ের দেয়া মোটা কাপড়” গানগুলো তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনে বিশেষ গতির সঞ্চার করেছিল। ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি বৃটিশ রাজের দেয়া সর্বোচ্চ সম্মান “নাইটহুড” বর্জন করেন। নাইটহুড প্রত্যাখ্যান-পত্রে লর্ড চেমসফোর্ডকে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, "আমার এই প্রতিবাদ আমার আতঙ্কিত দেশবাসীর মৌনযন্ত্রণার অভিব্যক্তি”। এই ছিলেন মোটের উপর রাজনৈতিক রবীন্দ্রনাথ।

কবির শিক্ষা দর্শনঃ

সাধারণত কবি সাহিত্যিকরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজ ইত্যাদি নিয়ে বড় বড় কথা বলেন, লেখা লিখেন, এরপর বিরাট কিছু করে ফেলেছেন মনে করে আত্মতৃপ্তিতে ভুগতে থাকেন। কিন্তু আর সবকিছুর মত রবীন্দ্রনাথ এখানেও ব্যতিক্রম। তিনি প্রথমে সমস্যা উদ্ঘাটন করতেন তারপর সেই সমস্যা সমাধানে নিজের সবকিছু নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তেন। তৎকালীন ভারতবর্ষের শিক্ষার সমস্যা নিয়েও তার অনেক প্রবন্ধ ও রচনা রয়েছে। আমি তার লেখাগুলো থেকে কিছু কিছু অংশ কোটেশন আকারে তুলে দিলাম। এতেই আঁচ পাওয়া যাবে শিক্ষা সম্পর্কে তার চিন্তা-ভাবনা আসলে কেমন।

“অত্যাবশ্যক শিক্ষার সহিত স্বাধীন পাঠ না মিশাইলে ছেলে ভালো করিয়া মানুষ হইতে পারে না। বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেও বুদ্ধিবৃত্তি সম্বন্ধে সে অনেকটা পরিমাণে বালক থাকিয়া যায়।”

“নিজে চিন্তা করিবে, নিজে সন্ধান করিবে, নিজে কাজ করিবে, এমনতরো মানুষ তৈরি করিবার প্রণালী এক, আর পরের হুকুম মানিয়া মানিয়া চলিবে, পরের মতের প্রতিবাদ করিবে না ও পরের কাজের জোগানদার হইয়া থাকিবে মাত্র।”

“দেশকে শিক্ষা দেওয়া স্টেটের গরজ, ইহা তো অন্যত্র দেখিয়াছি। এইজন্য য়ুরোপে-জাপানে-আমেরিকায় কৃপণতা নাই। কেবলমাত্র আমাদের গরীব দেশেই শিক্ষাকে দুর্মূল্য ও দুর্লভ করিয়া তোলাতেই দেশের বিশেষ মঙ্গল, এ কথা উচ্চাসনে বসিয়া যত উচ্চস্বরে বলা হইবে বেসুর ততই উচ্চ সপ্তকে উঠিবে।”

“যে ছেলে পরীক্ষাশালায় গোপনে বই লইয়া যায় তাকে খেদাইয়া দেওয়া হয়, আর যে ছেলে তার চেয়েও লুকাইয়া লয়, অর্থাৎ চাদরের মধ্যে না লইয়া মগজের মধ্যে লইয়া যায়, সেই বা কম কি করিল?”

"যারা বই মুখস্থ করিয়া পাস করে, তারা..চুরি করে, অথচ সভ্যতার যুগে পুরস্কার পায় তারাই।”

"ইস্কুল বলিতে আমরা যাহা বুঝি সে একটা শিক্ষা দেবার কল। মাস্টার এই কারখানার একটা অংশ। সাড়ে দশটার সময় ঘণ্টা বাজাইয়া কারখানা খোলে। কল চলিতে আরম্ভ হয়, মাস্টারেরও মুখ চলিতে থাকে। চারটের সময় কারখানা বন্ধ হয়, মাস্টার কলও তখন মুখ বন্ধ করেন; ছাত্ররা দুই পাতা কলে-ছাঁটা বিদ্যা লইয়া বাড়ি ফেরে। তার পর পরীক্ষার সময় এই বিদ্যার যাচাই হইয়া তাহার উপরে মার্কা পড়িয়া যায়।"

BiggrinBiggrin বড়ই রসিক মানুষ রবীন্দ্রনাথ। তো এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনার আধারে প্রতিষ্ঠা করলেন শান্তি নিকেতন বিদ্যালয়। এ এক অদ্ভুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা এর আগে কখনো ভারতের মানুষ দেখে নি। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে এবং আরো মানুষের কাছ থেকে দান-দক্ষিণা সংগ্রহ করে তিনি এই প্রতিষ্ঠানটিকে দাঁড় করালেন। শেষ বয়সে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনেক অর্থ কষ্টে পড়ে গেলেও শান্তি নিকেতনে তার ছোঁয়া লাগতে দেন নি। কেমন ছিল শান্তি নিকেতন? কি ছিল তার দর্শন ও কার্যপ্রণালী যা দেখে সবাই অভিভূত হয়ে পড়েন ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গেলে লেখার পরিসর অনেক বড় হয়ে যাবে এবং পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে যাবে এই আশঙ্কায় তার শিক্ষার দর্শন সংক্রান্ত আলোচনার এখানেই ইতি ঘটালাম। পরবর্তীতে সুযোগ পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত লেখা তৈরি করা যাবে।

কবির কৃষি দর্শনঃ

কবি মনে করতেন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষক সমাজকে অন্ধকারে রেখে কখনোই দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই কৃষি ক্ষেত্রের উন্নতির জন্য তিনি অভূতপূর্ব কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি তার জমিদারী এলাকা শিলাইদহ ও পতিসরে গ্রামের কৃষকদের সংগঠিত করে সমবায় সমিতি গঠন করেছিলেন এবং প্রথম প্রকল্প হিসেবে প্রায় ষাট বিঘার মত জমি সমবায়ের ভিত্তিতে চাষাবাদ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মূলত এ অঞ্চলের কৃষিকাজে সমবায় এর ধারণার তিনিই প্রবক্তা।

তিনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছিলেন যা আধুনিক রবীন্দ্রানুরাগীরা অনেকেই জানেন না। আর তা হল শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য, তাদেরকে মহাজনদের ঋণের নাগপাশ থেকে মুক্ত করার জন্য কৃষিব্যাংক স্থাপন করা। এই বাংলার প্রথম কৃষিব্যাংক কবিগুরুই স্থাপন করেছিলেন। তার নোবেল পুরষ্কার থেকে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা তিনি এ ব্যাংকে জমা দেন।

তার এসব কর্মকান্ড যে মোটেও ক্ষনিকের আবেগের বশে নয় বরং গভীর চিন্তাভাবনা থেকে উৎসরিত তা বুঝা যায় যখন তার ছেলে রথীন্দ্রনাথকে ইংল্যান্ডে ব্যারিস্টারি পড়তে না পাঠিয়ে আমেরিকার একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে পাঠান। শুধু তার ছেলে নয়, তিনি তার এক মেয়ের জামাই ও আরেক বন্ধুর ছেলেকেও আমেরিকায় কৃষি শিক্ষা নিতে পাঠিয়েছিলেন। মনে রাখতে হবে তৎকালীন সময়ে মানুষ বিদেশে গিয়ে উচ্চশিক্ষার বিষয় হিসেবে ব্যারিস্টারি কিংবা চিকিৎসা শাস্ত্রকেই গ্রহণ করার কথাই ভাবতো। কাজেই স্রোতের প্রতিকূলে গিয়ে কৃষি শিক্ষা গ্রহণ করার কথা খুবই দুঃসাহসের পরিচায়ক ছিল।

তিনি বলতেন, ভারতীয়দের অক্সফোর্ডে ’উন্নত ভদ্রলোক হওয়ার চেয়ে ইলিনয়তে উন্নত কৃষক হওয়ার শিক্ষাগ্রহণ করা প্রয়োজন। বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষিপদ্ধতি প্রবর্তনে কলের লাঙল ব্যবহারের কথা বলেছেন। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য পতিসরে সাতটি বিদেশি কলের লাঙল আনেন কলকাতা থেকে। আমেরিকা থেকে কৃষি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি শেষে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ পতিসরে আসেন; ক্ষেতে ট্রাক্টর চালান; আধুনিক কৃষি খামার প্রতিষ্ঠায় কৃষকদের উৎসাহী করেন। রথির কৃষি খামার দেখে নিউইয়র্ক থেকে আসা এক আইনবিদ মাইরন ফেলপস এতটাই অবাক হয়েছিলেন, তিনি একে মার্কিন কৃষি খামারের মতোই সফল এক উদ্যোগ বলে বর্ণনা করেছিলেন।

শান্তিনিকেতন-শ্রীনিকেতন নিয়েই ছিল রবীন্দ্রনাথের সব সময়ের চিন্তা। একদিকে শিক্ষায় মনের মুক্তি খোঁজা, অন্যদিকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে উপেক্ষিত পল্লীবাসীর উদ্ধারের পথ অনুসন্ধান। শুধুই চিন্তার ছক কেটে নয়, একেবারে হাতে-কলমে। এক রকম নিজের সর্বস্ব পণ করেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন। বলেছিলেন, 'এক তাল সোনা নয়, এক প্রজ্বলিত প্রদীপ আমাদের লক্ষ্য।'

এই যখন অবস্থা তখন একজন মানুষ তার সমকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দেশ ও প্রকৃতির বিপর্যয়, মানুষের নৈতিক অবক্ষয়কে উপেক্ষা করে, শুধুমাত্র একটা গান গেয়ে কিংবা কবিতা পড়ে কিংবা বিশেষ ঢংএ শাড়ি/পাঞ্জাবী পরে কিভাবে নিজেকে রাবীন্দ্রিক ভাবতে পারে তা আমার মাথায় আসে না। আপনাদের আসে কি?

বিঃ দ্রঃ ২২শে শ্রাবণ, কবির মহাপ্রয়াণ উপলক্ষ্যে এই লেখাটা আমি কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু একটু করে বিভিন্ন বই পত্র ও ব্লগ ঘাঁটাঘাঁটি করে তৈরি করেছি। এখানে আমার নিজস্ব বলতে প্রায় তেমন কিছুই নেই। কিন্তু, যাদের কাছ থেকে রসদ নিয়েছি তাদের সবার কথা আজ আর আমার মনে নেই। তাই রেফারেন্স দিতে পারলাম না। এইটা একটা ভুল হয়ে গেলো।

বিভাগ: 

Comments

Tanvir এর ছবি
 

বড় ভাল লোক ছিল

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কান্ডারী হুশিয়ার
কান্ডারী হুশিয়ার এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: শুক্রবার, মার্চ 20, 2015 - 3:58অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর