নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • শ্মশান বাসী
  • আহমেদ শামীম
  • গোলাপ মাহমুদ

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে কঙ্গোর সহিংসতা



জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারী একটি প্রতিনিধি দল তাদের নতুন এক প্রতিবেদনে বলেছে, মধ্য-মার্চ থেকে মধ্য জুন পর্যন্ত, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রতে ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

জুন মাসে ৯৬ জন শরণার্থীর, যারা কঙ্গো’র কাসাই প্রদেশের প্রতিবেশী অ্যাঙ্গোলায় অবস্থান নিয়েছে, তাদের সাক্ষাতকারের উপর ভিত্তি করে, শুক্রবার The High Commissioner for Human Rights (OHCHR) প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।

এর মধ্যে কমপক্ষে ১৭ টি মামলা বিস্ফোরণ ও অন্যান্য আঘাতের, নয়টি অপহরণের শিকার, ধর্ষণের শিকার চারটি এবং রয়েছে নির্বিচারে গ্রেফতারের শিকার। OHCHR এ র প্রতিবেদনে এছাড়াও ব্যাপক লুটপাট এবং ধ্বংস বা সম্পত্তি এবং গ্রামের দিকগুলোতে আগুন জ্বালানোর ঘটনার উল্ল্যেখ পাওয়া যায়।

মার্চ ও জুনের মধ্যে যেসব লোক পালিয়ে গিয়েছিল, তাদের হিসাব অনুযায়ী প্রতিবেদনটি ২৫১ টি হত্যাকাণ্ডের কথা উল্ল্যেখ করে, তাদের মধ্যে ১৫ ০ টির জন্য বানা মুড়া জঙ্গীগোষ্ঠী এবং অন্যটি ৭৯ টির জন্য কামিনা সাপু জঙ্গীগোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়। সরকারী বাহিনীকে অন্য ২২ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়। প্রতিবেদনটি সব তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষাৎকার বিবেচনায় এনে উল্ল্যেখ করেছে, "বানা মুরা জঙ্গিরা ১৭১ জনকে হত্যা করে, কামুইনা সাপু ৮৬ জনকে হত্যা করে এবং ২৫ জনকে হত্যা করার জন্য FARDC সৈন্যদের দায়ী।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান জেইদ রাওয়াদ আল-হুসেন কঙ্গো’র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে "এই ধরনের সহিংসতাকে বড় ধরণের জাতিগত সহিংসতায় রূপ নেয়া থেকে বিরত রাখার জন্য এখনই কাজ শুরু করা"। জেইদ রাওয়াদ আল-হুসেন "জীবিত পুড়িয়ে ফেলা" এবং "কেটে ফেলা" হয়েছে উল্ল্যেখ করে ঘটনার বিবরণ দেন।

অপরাধীরা আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সাত বছর বয়সী একটি ছেলের আঙ্গুল কেটে ফেলে, এবং সিংক গ্রামের একটি হাসপাতালে আক্রমণ করে ৯০ জন মানুষকে হত্যা করে, কারণ তারা খুব আহত ছিল আর একটি বড় আগুন থেকে পালানোর জন্য সমর্থ ছিল না।

কাসাইয় অঞ্চলে কামিউনা সাপু গোষ্ঠী সহিংসতা শুরু করে গত আগস্টে একটি আঞ্চলিক আদিবাসী নেতার হত্যাকাণ্ডের পর, যিনি কঙ্গো’র প্রেসিডেন্ট জোসেফ কাবিলা’র সরকারকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। অথচ একসময় কসাই অঞ্চল শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু হঠাতই কসাই অঞ্চল অস্থিতিশীল হয়ে উঠে, যার ফলে পূর্বদিকে বছরব্যাপী উত্তেজনা ও রক্তপাতের সম্মুখীন হয় এবং যেখানে কাবিলা সরকার কঙ্গোতে তার সংবিধানের অধীনে প্রয়োজনে নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক সব সাহায্যের আহব্বান প্রত্যাখ্যান করে।

একটি ক্যাথলিক গির্জা আনুমানিকভাবে বলেছে যে ৩,৩০০ জন লোক যুদ্ধে মারা গেছেন, যেহেতু এক বছর আগে একটি সামরিক অভিযানে আদিবাসী নেতা নিহত হওয়ার পর শুরু হয়েছে। এমনকি এই অঞ্চলে প্রায় ৮০ টি গণ কবরও উন্মোচিত হয়েছে।

সূত্রঃ আল-জাজিরা

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জলের গান
জলের গান এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 46 min ago
Joined: শুক্রবার, নভেম্বর 1, 2013 - 4:15পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর