নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • নুর নবী দুলাল
  • প্রত্যয় প্রকাশ
  • কাঙালী ফকির চাষী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

এক ধুমকেতু ও কয়েকটি বিশ্বযুদ্ধ


অত:পর এই পৃথিবীর তলে কতদিন কাটায়েছি-এক নক্ষত্রের আলোতে দুজন;
তবু নক্ষত্রের মৃত্যুতে পৃথিবীর আলো আকাশে ফারাক হয় না কিছুই!
কতকাল ঘুমায়ে কাটায়েছি আমি তোমাদের নক্ষত্রের তটে,নাভীমূলে;
জীবন চলে গেছে সময়ের আঘ্রাণে বয়ে চলা স্রোতস্বতীর মত;
কে যেন বলে গ্যাছে সেই ধূমকেতু আসতে আরো ঢের দেরি আছে-যেন তার পিঠে চড়ে সহস্র জাগতিক প্রেম আসে ধেয়ে;পৃথিবীর তরে।
সহস্রকিরণ যে দিয়ে গ্যাছে ,উষ্ণতা নিয়ে গ্যাছে শতাধিক পতঙ্গেরে যারা-সেইসব নক্ষত্র চলে গ্যাছে ব্ল্যাকহোলে।

লক্ষাধিক বসন্ত এল গেল,শীতে গাছেদের নগ্নতা উপভোগ করে যে কুকুর-কুকুরী;
তারাও অন্ধকারে জিহ্বায় চেটে নিল যৌবন ।
ঈশ্বর ক্রমাগত চলেগেল ডানেদের দলে,কালোজাম চক্ষুদান করে নেশাতুর বৃদ্ধ বলে ,"আমি তাহাদের সন্তান লাস্ট সাপারে যে ছিল বিশ্বাসঘাতী।"
তবু তারা গ্যালনে হিসেব করে রক্ত;কত রক্তপাতে জেতা যাবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ,
কতখানি রক্ত ঝরেছে কুরুক্ষেত্রে,পানিপথে,খায়বার,তাবুকে।
তবু নিরন্তর মাথার উপর প্যারাট্রুপার ওড়ে, সোঁসোঁ শব্দে উড়ে চলে যুদ্ধবিমান ;
কতকতা স্নায়ুকেন্দ্রিক দ্বন্দে ভোগেন ভূপতিগণ।

অত:পর যুদ্ধে মারা যায় চামার,ড্রাইভার,কুলি,পঙ্গু,ভিখিরি।
রবিবারে বিশেষ বার্তা আসে, আয়োজন হয় কনসার্ট কার্নিভাল ।
শোকসভা হয় কোনাক ব্রান্ডি ,সিভাস রিগ্যাল,ব্লাক লেভেলে জমে ওঠে আসর।
রাস্তার মোড়ে বুদ্ধিজীবীর রক্ত সাফ করে জনস্বার্থ কর্মী ও কয়েকটা কুকুর।

ক্ষণিক দাঁড়াই,দেখি - আবার খোঁজ করি তোমাকে এই যুদ্ধবিদ্ধস্ত পৃথিবীতে;ধ্বংসস্তূপে,হাসপাতালে, শরনার্থীশিবিরে,মর্গে।
কে যেন বলে ,"কালরাতে গালে তিল ছিপছিপে যুবতীকে নিয়ে গ্যাছে মর্গে।"
আবার শুনি ধ্বংসস্তূপে আগুন জ্বেলে কারা
রাত্রি উপভোগ করে- নতুন করে কাল্পনিক শহর গড়ার গল্প বলে।

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

ভাল লাগলো কবিতা

==============================================
আমার ফেসবুকের মূল ID হ্যাক হয়েছিল ২ মাস আগে। নানা চেষ্টা তদবিরের পর গতকাল আকস্মিক তা ফিরে পেলাম। আমার এ মুল আইডিতে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
দেওয়ান ইউসুফ এর ছবি
 

জানি ফিলিস্তিনিরা অনেক অত্যাচারিত হয়, অনেক পীড়নের শিকার হয়, কিন্তু আমি ফিলিস্তিন, ইসরায়েল এবং আরবের ইতিহাস বিষয়ক বেশ কিছু বই পড়েছি, উপরোল্লিখিত ব্যক্তি এডওয়ার্ড সৈয়দের 'দ্যা কোয়েশ্চেন্স অব প্যালেস্টাইন' (১৯৭৯), 'ওরিয়েন্টালিজম' (১৯৭৮) এবং ১৯৮১ সালের 'কভারিং ইসলাম' বইটি পড়েছি, আবার মেনাখেম বেগিনের 'দ্যা রিভোল্ট' (১৯৫১) বইটিও আমাকে খুব আলোড়িত করে, আমি যেটি বুঝতে পারলাম সেটি হলো ফিলিস্তিন নামের রাষ্ট্র (ম্যান্ডেটোরী প্যালেস্টাইন) আসলে ব্রিটিশদের বানানো; তাদের সাম্রাজ্যবাদের একটি নীতি হিসেবে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে এখনকার ইসরায়েল এবং গাজা-পশ্চিম তীর ম্যান্ডেটোরী প্যালেস্টাইন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। খ্রিস্টপূর্ব অনেক আগে এই অঞ্চলে ইহুদীদের বসতি গড়ে ওঠে, ধীরে ধীরে একসময় সপ্তম শতাব্দী চলে আসে, মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি আজকের সৌদি আরবে ইসলাম নামের এক নতুন ধর্মের অবতারণা ঘটান, তিনি তার প্রবর্তিত ধর্মকে সারা দুনিয়ায় ফেলে দিতে চেয়েছিলেন, তার নির্দেশে অনেক ইহুদী নিহত হয়, তিনি নিজেও মারেন, অনেক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাক্ষী জেরুজালেম শহর, যেই শহরকে নিয়ে কত টানাটানি আজ, মুসলিমরা বলে এটা হবে আমাদের, ইহুদীরা বলে এটা হবে আমাদের। যাই হোক আজকের ইসরায়েল এবং গাজা-পশ্চিম তীর ভূখণ্ডটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অটোম্যান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিলো (অটোম্যান সিরিয়ার শাসনাধীন), ১৯২০ সালে ব্রিটিশরা এই ভূখণ্ডের নামকরণ করে প্যালেস্টাইন যা আরবী ভাষায় ফিলিস্তিন উচ্চারণ করা হয় এবং হিব্রু ভাষায় ফালেশতাইন বলা হয়। ইসরায়েল রাষ্ট্রের অন্যতম প্রবক্তা থিওডোর হের্যোল (১৮৬০ - ১৯০৪) বলেছিলেন তাদের ধর্মগ্রন্থেই ঈশ্বর বলে দিয়েছেন যে ইহুদীদের আবাসভূমি হবে আজকের ইসরায়েল ভূখণ্ডটি আরকি যেখানে ড্যাভিড, সলোমন এবং মোজেস বাস করতেন। উনিশশো বিশের দশকে সিগমুন্ড ফ্রয়েডও ইহুদীদের জন্য আলাদা একটি আবাসভূমি গড়ার কথা ব্যক্ত করেছিলেন। বিশ্বজুড়ে যত ইহুদী দেখা যায় তাদের অধিকাংশই উদারবাদী এবং গোঁড়া ইহুদীর সংখ্যা হাত দিয়ে গোনা যাবে, অপরিদকে ফিলিস্তিনে গোঁড়া মুসলিম অধিকাংশ মানুষই। যাই হোক মেনাখেম বেগিন, ড্যাভিড বেন গুরিয়ন, গোল্ডা মেয়ার সহ ইসরায়েলের সকল প্রধানমন্ত্রীই চেষ্টা করেছেন তাদের রাষ্ট্রটাকে টিকিয়ে রাখতে, এসকল ব্যক্তিরা আবার উদারবাদী মনের অধিকারী ছিলেন, ইসলাম ধর্মের বহু আগেই ইহুদী ধর্মের আবির্ভাব ঘটে, তারপর আসে খ্রিস্টান ধর্ম। ইহুদীরা অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচারিত হয়েছিলো, তাদেরকে খ্রিস্টান মৌলবাদীরা মেরেছে (রোমানরা) জোর করে খ্রিস্টান বানিয়েছে, মুসলিম মৌলবাদীরা মেরেছে বা জোর করে মোহাম্মাদীয় বানিয়েছে (৬৩৪ সাল থেকে ১০৯৯ সাল পর্যন্ত আজকের ইসরায়েল এবং গাজা-পশ্চিম তীর শাসন করে মোহাম্মদের অন্ধ ভক্ত খলিফারা)। কত রক্ত ঝরেছে আজকের ইহুদীদের প্রাচীন পূর্বপুরুষদের, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের 'হলোক্যাস্ট' সারা বিশ্বের মানবতাবাদীদেরকে নাড়া দেয়, হিটলার ছিলেন একজন অসভ্য ইহুদীবিদ্বেষী কারণ ইহুদীরা নাকি জার্মানীর জাতীয়তাবোধ নষ্ট করছিলো,যাই হোক মুসলিমরা কখনোই এত অত্যাচারিত হয়নি যেভাবে মোজেসের অনুসারীরা হয়েছিলো, আজকের ইসরায়েলী সামরিক বাহিনী বাধ্য হয় ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষদের ওপর হামলা করতে, করবেই বা না কেন তাদের অধিকাংশই তো ইহুদীবিদ্বেষী আর উগ্র জঙ্গী সংগঠন হামাসের সমর্থক, ফিলিস্তিনে হামাসকে ধ্বংস করার কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়না, বিশ্বে কত মুসলিম রাষ্ট্র আছে এতে মুসলিমদের পেট যে কেন ভরেনা আমি তাই তো বুঝিনা, একটি ইহুদী সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নিয়ে তারা যে কেন এত বেয়াদবী করে তাই তো আমার মাথায় ঠিক মত ঢোকেনা। সিগমুন্ড ফ্রয়েড আস্তিক ছিলেননা, মোজেসের সমালোচনা করে একটি বই (মোজেস এ্যান্ড মনোথেইজম) লিখে ফেলেন, তারপরেও তার বাপ-দাদার ঐতিহ্যবাদী ধর্মকে পুরোপুরি অবজ্ঞা না করে ইহুদী জাতিসত্ত্বা টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। ইসরায়েলের একসময়কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোশে দয়ান স্বঘোষিত নাস্তিক ছিলেন, ইসরায়েলের অনেক মানুষকেই অনেক আগে থেকেই স্বঘোষিত নাস্তিক হিসেবে দেখা গেছে যা কোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে খুবই অল্প দেখা গেছে আবার তারা হামলার শিকার হয়েছে (উল্লেখ্যঃ হুমায়ুন আজাদ)। আজ পর্যন্ত কোনো ভয়ানক ইহুদীবাদী জঙ্গী সংগঠন দেখা যায়নি যে কোনো উন্নত শহর যেমন প্যারিস বা বার্লিন বা লন্ডনে বোমা হামলা করতে বা নিরীহ মার্কিন বা ব্রিটিশ মানুষের গলা কেটে তার ভিডিও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে, ফিলিস্তিনের বহু হিজড়া এবং সমকামী ইসরায়েলে এসে শান্তি পেয়েছে, তাদের সমাজে সাজা মরণ। যাই হোক আমি চাই ঐ ভূখণ্ডটা পুরোপুরি ইসরায়েলেরই হোক, কারণ ইতিহাস অনুযায়ী ওটা তাদেরই, আর বিশ্বে মুসলিম রাষ্ট্রের অভাব নেই, ফিলিস্তিনিরা কাতার কিংবা ইউএই বা বাহরাইনে বাস করা শুরু করুক বা ইহুদী ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদের অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করুক। এডওয়ার্ড সৈয়দ জন্মগত খ্রিস্টান, পরে অজ্ঞেয়বাদী হন, যুক্তরাষ্ট্রে পড়ালেখা করেন, আবার অপরদিকে ইসলাম ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করেন যা ছিলো তার একটি বড় ভুল, ফিলিস্তিনে বাস করতে থাকলে তার মৃত্যু ২০০৩ সালে নয় হত ১৯৭৯ তে, কারণ তিনি '৭৮ এ 'ওরিয়েন্টালিজম' নামের একটি নগ্ন বালক সম্বলিত প্রচ্ছদওয়ালা বই লেখেন, হামাস জঙ্গীরা তার শিরচ্ছেদ করত। তাই আমি আবারো বলছি ইসরায়েল দেশটাকে টিকিয়ে রাখতেই হবে এবং তাদের সামরিক বাহিনীর কঠোর হওয়াটাও জরুরী না হলে বিশ্ব থেকে ইহুদী জাতিস্বত্ত্বাটাকে বিলুপ্ত করার চেষ্টা চালাবে হিংস্র মোহাম্মদবাদীরা যারা পৃথিবীর সব ধর্মকেই ধূলোয় মিশিয়ে দিয়ে নিজেদের মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। অথচ ইহুদীরা, হিন্দুরা, খ্রিস্টানরা এসব চায়না, আবার চেয়ে থাকেলও মুসলিমদের মত উগ্র হয়না, খুনী হয়না, সমকামবিরোধী হয়না, নারীস্বাধীনতাবিরোধী হয়না। এডওয়ার্ড সৈয়দ ১৯৮১ এর 'কভারিং ইসলাম' বইতে ইসলামকে একটি শান্তিপূর্ণ ধর্ম হিসেবে প্রমাণ করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন, তিনি ভুলে গিয়েছেন ইসলামের নারী-অবরোধের কথা, তাদেরকে সত্ত্বাহীন প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করার কথা। ইসরায়েলের সমাজে নারী-অবরোধের বিন্দুমাত্র ছোঁয়া নেই, ইহুদী ধর্ম পুরুষতান্ত্রিক হলেও ইসরায়েলের সরকার-সমাজ মানেনা কোনো নারীস্বাধীনতাবিরোধী আজ্ঞা। মানেনা ঐশীবাণী বলে স্বীকৃত টোরাহ গ্রন্থ। দুনিয়া জুড়ে ইহুদী বিজ্ঞানীর অভাব নেই, তারা জাতিতে ইহুদী হলেও আবার ঈশ্বরের অস্তিত্বের উপর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে নাস্তিক, ঝোরেস আলফেরভ (জন্মঃ ১৯৩০) হচ্ছেন একজন নামকরা পদার্থবিদ, ইনি আবার নাস্তিক, আজ পর্যন্ত শোনা গেলোনা যে কোনো ইহুদী তাকে মেরে ফেলতে চায়, কিন্তু কোনো মুসলিম ব্যক্তি স্ব-ঘোষিত নাস্তিক হলে তাকে মেরে ফেলতে পাগল হয়ে ওঠে মোহাম্মদবাদীরা (যেমনঃ নব্বই এর দশকে বাংলাদেশের দার্শনিক আহমদ শরীফকে মারার জন্য মুসলিমরা উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলো)। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কোনো দেশেই ভাস্কর্য বানানোর অনুমতি থাকেনা, ইসরায়েলে আছে। সিরিয়ায় আইএস ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছে, ইসরায়েলের বিরোধিতা করেছে, স্টিভেন সটলফের (মার্কিন ইহুদী) মাথা কেটে তার ভিডিও ছেড়েছে, কত অসভ্য আর বর্বর মুসলিমরা।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কৌশিক মজুমদার শুভ
কৌশিক মজুমদার শুভ এর ছবি
Offline
Last seen: 10 ঘন্টা 28 min ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 2, 2017 - 7:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর