নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • মোমিনুর রহমান মিন্টু
  • রহমান বর্ণিল

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

যেমন বাবা আমরা চাই !!


সুশীল সমাজের ব্যক্তিত্ব রফিক সাহেব। সন্তান বলতে এক মেয়ে। মেয়ে জন্মানোর সাথে সাথে তার স্ত্রী মারা গেলো। রফিক সাহেবের ঘাড়ে একগুচ্ছ দায়িত্বের সাথে বেশ সতর্কতার ভাড় এসে গেছে। সে অবশ্য দুটোই এতো ভালভাবে পালন করতেন যে একদম পারফেক্ট আধুনিক বাবা বলা চলে। স্ত্রীর প্রতি অতিরিক্ত প্রেমের ঠেলায় নতুন বিয়ে করেন নি ভদ্রলোক। কিংবা যে দিন পড়েছে, নতুন স্ত্রী যদি আবার একমাত্র সন্তানটিকে অনাথ আশ্রমে দিতে চায় বা অত্যাচার করে তখন! এসব ভাবনাই ভদ্রলোককে আর বিয়ে করতে দেয় নি। তবে বেশ কিছু সমস্যাও হতো একা মেয়ে নিয়ে। এই যেমন একটা নিয়মিত ঘটনা বলছি, রফিক সাহেব তার মেয়ের সাথে এক বিছানায় ঘুমায় না। তো মেয়ে সন্তানটি রাতে বিছানা নস্ট করতো। বিছানা নস্ট করে কিন্তু শেষ নাই ভীষণ চিৎকার করে কান্না সাথে। রফিক সাহেব দূর থেকে দেখেন কিন্তু মেয়েকে কোলেও নেন না কিংবা ভেজা কাপড়টাও বদলে দেন না। কারণ মেয়ে তো মেয়েই ! কাপড় বদলাতে গেলে, শরীর ধুয়ে দিতে গেলে আবার যদি মেয়ের শরীরে হাত লেগে যায় কেমন একটা ব্যাপার না! যাই হোক দূরত্ব বজায় রাখা চাই। পাছে এই কথাটিও যদি ভবিষ্যতে মেয়ের কানে কোনদিন যায়, কেমন একটা ব্যাপার না? সে যদি তখন আবার এই বলে যুদ্ধ ঘোষণা করে বসে যে মা ছাড়া অবুঝ মেয়ে পেয়ে তার বাবা তার শরীরের সব জায়গায় হাত দিয়েছে কিংবা একসাথে শুতো, তখন! নাহ নাহ কোন দরকার নেই বাপু! ভেজা শরীরে থেকে অসুস্থ হলে ডাক্তার দেখানোর খরচা দিবেন রফিক সাহেব তবে মান ইজ্জত হারাতে পারবেন না। সেই সকালে গৃহকর্মী এসে মেয়েকে গোসল করান। আস্তে আস্তে মেয়েটা এভাবেই বড় হতে লাগলো। রফিক সাহেবের সরকারী চাকুরি আর ডিলেঢালা ডিউটির সুবাদে মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার কাজটা নিজেরই করতে হয়। রফিক সাহেব মেয়েকে নিয়ে যখন স্কুলে যায়, রাস্তা পার হওয়ার সময়ও মেয়েটার হাত ধরেন না। কি জানি বাপু, মেয়ে আবার এখন একটু বড় হয়েছে, হাত ধরলে যদি আবার তার ইজ্জতে লাগে। পরে যদি আবার বলে যে বাচ্চা মেয়ে পেয়ে সে জোর করে তার গায়ে স্কুলে যাওয়ার সময় হাত দেয়ার সুযোগ খুজতো! একদিন তো এক রিকসা প্রায় মেয়ের উপর দিয়ে উঠিয়ে দিচ্ছিলো। সে রিকসাওয়ালাকে তারপর আচ্ছা করে মারধর করেছে তবে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে রিকসার সামনে থেকে আগলে রাখতে যায় নি। রফিক সাহেব চায় না বাবা হিসেবে তার চরিত্র নিয়ে কথা উঠুক। মেয়েকে স্কুলে পৌছে দিতে গিয়ে মাঝে মাঝেই রফিক সাহেবের কিছু কথা মনে পড়ে। সে অনেক আগের কথা, তার বোন ক্লাসে ঢোকার আগে বাবার গালে চুমু না খেয়ে ঢুকবেই না। বাবার কোলে উঠার জন্য তার বোনের ছলনার শেষ ছিলো না। বাবা অনেক সময়ই রফিক কে হাটিয়ে নিয়ে মেয়েটাকে কোলে তুলে আগলে রাখতেন। তা যাই হোক তখনকার বাবারা হয়তো মেয়ে ছেলে সবই জন্ম দিতো। এখনকার বাবারা হয়তো মেয়ে জন্ম দেয় না, বৈজ্ঞানিক উপায়ে হয় মেয়ে সন্তান। তাছাড়া মেয়ে সন্তান বাবার কোলে উঠবে এটা ঠিকও না, কোলে নিলে শরীরের সাথে মেয়ের বিভিন্ন অঙ্গের স্পর্শ থাকবে। এটা তো ঠিক না! দেখতে দেখতে আরও বড় হয়ে উঠলো মেয়ে। আর দশটা নিয়মের মতো মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিতে লাগলো। মেয়ের মুখ ম্লান থাকে। রফিক সাহেব বুঝতো যে মেয়েকে এসব ব্যাপারে বুঝিয়ে বলা দরকার। কিন্তু কখনো বলতো না। মেয়ে তো মেয়েই, শরীর, পিরিয়ডস এসব নিয়ে মেয়ের সাথে কথা বলা যাবে! ছিঃ কি থেকে কি বলবে পরে আবার মেয়ে যদি বলে তার বাবা তাকে অশ্লীল কথা বলতো! চলুক যা যেমন চলে। দেখতে দেখতে মেয়ে এখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। মা ছাড়া মেয়েটা আজ ভালো রকম স্মার্ট হয়েছে। তবে সমস্যা হলো মেয়ে পড়াশোনা করতে চায় না। সারাদিন ছেলে বন্ধুদের সাথে ঘুড়ে বেড়ায়। বাড়ি ফেরে রাত করে। রফিক সাহেব অনেক বুঝানোর চেষ্টা করে যে সে ভুল পথে চলে যাচ্ছে। কিন্তু কথায় কি আর কাজ হয়! রফিক সাহেব কোনভাবে তথ্য পেলেন যে তার মেয়ে ঐ এলাকারই এক হেরোইন্সি ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে মেয়ে জানিয়ে দেয় সে ঐ নেশাগ্রস্থ ছেলেকে ভালোবাসে। তা যাই হোক রফিক সাহেব এতোকিছু জেনেও মেয়ের গায়ে হাত তোলেন না। কি জানি বাপু মারধর করলে যদি আবার মেয়ে দুনিয়ার সামনে গিয়ে কান্নাকাটি করে বলে যে তার বাবা তাকে শারিরীক নির্যাতন করতো, মারধর করতো তখন! মারধর তো দূর রাত বেড়াতে বাড়ি ফেরা মেয়েকে একটাবার চরিত্রহীন বলে গালিও দেয় না। অথচ বন্ধুদের মুখে বেশ্যা মাগী গালি শুনে কিন্তু মেয়ে হাসতে হাসতেই মেনে নেয়। তা যাই হোক বাবা মেয়েকে গালি দিতে পারবে না সহজ ব্যাপার তা সে ভালোর জন্যই হোক আর খারাপের জন্য। পরে যদি এটা নিয়েও মেয়ে সবার সামনে বলে যে তার বাবা তাকে গালি দিতো! যাহোক এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে তার মেয়েটি পড়াশোনায় অবহেলা করে পরীক্ষায় ফেল করে। পাশাপাশি রফিক সাহেবকে জানিয়ে দেয় যে সে ওই নেশাগ্রস্থকেই বিয়ে করবে। রফিক সাহেব কোন প্রকার রাগারাগি ছাড়াই মেয়েকে না করে দেয় যে এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারবে না। তাছাড়া এই বয়সে বিয়ে, আগে তো পড়াশোনা শেষ করতে হবে। রফিক সাহেব আর কী জানেন যে আজকালকার আধুনিক আধুনিকাদের বিয়ের জ্বালা ক্লাস ফাইভ থেকেই ওঠে! যাহোক বাবার সম্মতি না পেয়ে মেয়ে একদিন ওই হেরোইন্সি ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। রফিক সাহেব জীবনের ভুল বুঝতে পারেন, সন্তানের চিন্তা না করে সে যদি তখন আরেকটা বিয়ে করতো তাহলে অন্তত আজ নিজে সুখী হতে পারতো। শোকে দুঃখে রফিক সাহেব দেশত্যাগ করেন। এদিকে আর দশটা নেশাখোরের মতো ওই ছেলেও বছর এক পর রফিক সাহেবের মেয়ের উপর ভয়াবহ অত্যাচার শুরু করে। রফিক সাহেব বাকী জীবনটা সবার থেকে দূরে একা কাটানোর চিন্তা করেন। আর তার মেয়ে এদিকে ভুগতে ভুগতে আত্নহত্যার পরিকল্পনা করে। কারণ তার এখন চারিদিক অন্ধকার।

ঘটনাটা পড়ে নিছক কাল্পনিক কিছু মনে হচ্ছে? হ্যা এখন কাল্পনিক মনে হলেও মানুষের বিবেক যে হারে উন্নত হচ্ছে, ভবিষ্যতে ঘটনাটা সত্যি উদাহরণ হয়ে দাড়াবে। কয়েক দিন যাবৎ দেখছি ফেসবুকে এক মেয়ে তার বাবার সম্পর্কে ভিডিও বার্তায় মন্তব্য করে ভীষণ ভাইরাল। অবশ্য মূল উদ্দেশ্য যে ভাইরাল হওয়া তা ওই ভিডিওতে তার ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন দেখে বেশ বোঝা যাচ্ছিলো। জোর করে কান্না করার চেষ্টা করলেও চোখে কি আর পানি আসে! সে ভিডিওতে বলছে তার বাবা তাকে মারধর করতো, গালি দিতো এমনকি বিয়ের জন্য চাপ দিতো। নিউজ চ্যানেলগুলোও দেখলাম দিব্বি এগুলো ফলো করে নিউজ রিপোর্ট করছে। তাছাড়া অসংখ্য নারীবাদীর উত্তপ্ত স্টেটাসের আগুনে ফেস ও বুক জ্বলে পুড়ে ছাড়খার! "বাবারাও ধর্ষক হয়" এমন সব কথাবার্তা এখন অহরহ শোনা যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন হওয়ার পিছনে আরেকটা ঘটনা ভীষণ প্রভাব ফেলেছে। নিউজ ২৪ এর এক প্রকৌশলীর তার সৎ মেয়েকে দীর্ঘ আট বছর যাবৎ ধর্ষণ করছেন, এই তথ্য উঠে আসার পর যেন সব বাবাই ধর্ষক হয়ে গেছে!

আচ্ছা ধরুন একজন শিক্ষক তার ছাত্রকে মারতে মারতে এমনভাবে জখম করলো যে ছাত্রটি মারা গেলো। তখন আপনি কি বলবেন যে শিক্ষক মানেই খুনী, হত্যাকারী? নাকি ঐ শিক্ষক মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ তাই এমন অপরাধ করেছে? তাকে অাপনার অপরাধী হিসেবে ট্রিট করা উচিত নাকি শিক্ষক হিসেবে? কিংবা তার মতো একজন অপরাধীর অপরাধের দায় সব শিক্ষককে নিতে হবে? তবে আজ কেন একজন ধর্ষক অপরাধীর জন্য আপনারা "বাবারাও ধর্ষক হয়" বলে ডায়লগবাজী করছেন? তাছাড়া ওই মেয়ের নিজের মা যেখানে সব জেনে চুপ ছিলো, তাহলে কেন আপনারা বলছেন না  যে, "মায়েরাও ধর্ষণে সাহায্যকারী হয়"? আসলে বাঙালির একটা সমস্যা কি জানেন, তারা অপরাধ যে করে তাকে অপরাধী বলার থেকে জাতি লিঙ্গ ধরে বলতে পছন্দ করে। এই যেমন একজন পুরুষ একজন নারীকে নির্যাতন করলো, সাথে সাথে চারিদিক ছড়িয়ে পড়বে পুরুষ বলতেই অত্যাচারী! কিংবা একজন নারী আমার মন ভাঙলো বলেই আমি বলতে শুরু করলাম সব নারীরাই খারাপ। এটা মোটেই শিক্ষার পরিচয় না। আমি মানছি নারী পুরুষ নির্বিশেষে খারাপ সব কিছুতেই বিদ্যমান। তাই বলে খারাপ আছে বলে যদি আমারা ভালোদেরও খারাপের লিস্টে ফেলি, তবে আমাদের আগে মানসিকতার চিকিৎসা দরকার।

লিখালিখি এবং মানসিক সমস্যার ভুক্তভোগীদের কাউন্সিলিং করার সুবাদে সময়ে অসময়ে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়। মাঝে মাঝেই অনেকে বলেন, আমার বাবা-মা আমাকে অনেক টর্চার করেন, মারধর করেন ভয়াবহ ভাবে, গালমন্দ করেন। পরিশেষে বলেন তারা ভালোবাসে না। এমন কেসগুলোর ক্ষেত্রে সত্যি আমি হাসি থামিয়ে রাখতে পারি না। কারণ এটা আসলে বয়স এবং বোঝার ভুল ছাড়া কিছু নয়। যেমন এর উদাহরণটা একটু নিজেকে নিয়ে দিই। লিখতে লিখতে একটা ঘটনা মনে পড়লো। তখন আমি দশম শ্রেণীর ছাত্র। পারিপার্শ্বিক পরিবেশের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পড়াশোনার বাদ দিয়ে তখন আমি রাজনীতির নামে নেতাগিরিতে ব্যস্ত। বিশ পচিশ জন ছেলেপেলে সাথে নিয়ে ঘুরে নিজেকে বিশাল কিছু মনে করি। তো দেখতে দেখতে প্রিটেস্ট পরীক্ষা চলে এলো আর আমি কৃতিত্বের সাথে তিন বিষয়ে ফেল করলাম। আর কি, বাসায় জানার পর মা এক ঘর লোকের সামনে যথাক্রমে জুতা দিয়ে মুখে এবং ভাত নাড়ার কাঠের খুন্তি দিয়ে ব্যপক প্রহার করলেন। আমার তখন মনের অবস্থা খুব খারাপ, মনে মনে বলছি মা আমাকে ভালোবাসে না। অমুকের মা কত্তো ভালো, ফেল করলেও কিছু বলে না আরও কতো কী! হ্যা, সত্যি বলছি আজ আমি গাড়ি চাপিয়ে রাস্তায় চলার সময় ঐসব অমুক তমুককে দেখি রাস্তায় দাড়িয়ে বিষন্ন জীবনের ভাবনায় পড়ে থাকতে। আমি এজন্য এটা বলছি না যে খুব টর্চার করতে হবে, তবে এটুকু বলছি শাসন অবশ্যই করতে হবে। কারণ আমি নিজে মনে করি, একটা মেয়ে বা একটা ছেলে ২০/২২ বছর বয়সেই জীবনের সব ভুল ঠিক বুঝতে শিখে যায় না। হ্যা আছে একদল যারা অনেক সাফার করে জীবনে যেমন বাবা ছাড়া বড় হওয়া পরিবারের দায়িত্ববান ছেলেটি হয়তো শিখে যায় অন্যদের থেকে একটু আগে। কিংবা আরও অনেক জটিলতা মানুষকে জীবনের মানে বুঝতে শিখায়। কিন্তু একটা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছেলে মেয়ে থেকে যায় অবুঝ। তাই তাদের উপর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শাসন বা কন্টোল করা টিকাদানের মতো প্রয়োজনীয়। ঠিক যেমনটা উপরোক্ত ঘটনায় যদি রফিক সাহেব তার মেয়েকে একটু শাসন করতো তাহলে আজ তার মেয়ের জীবনের এমন দশা হতো না। এখন এই শাসনটুকু করলে কাল যদি তার মেয়ে ফেসবুকে ভিডিও ছেড়ে বলে, আমার বাবা আমাকে নির্যাতন করেছে আর আমরাও মূর্খের মতো হায় হায় করতে শুরু করি, তাহলে অদূর ভবিষ্যৎ খুবই খারাপ। হ্যা এটা ঠিক যে অনেক সময়  হয়তো কর্মব্যস্ত বাবা-মায়েরা শাসনের লিমিটেশনটা ভুলে যান, এটা ঠিক না। কারণ দড়ি বেশী টাইট দিলে ছিড়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রয়োজন মতো শাসন করা প্রত্যেকটা অভিভাবকের কর্তব্য। তাই এসব অবুঝ মানুষদের পোষ্ট ভাইরাল করে কিংবা বাবা শব্দের সাথে আবলতাবল লিখে দয়া করে সব বাবাকে নীচু করবেন না। সব বাবারাই যদি রফিক সাহেবের মতো ডিজিটাল হয়ে যায় তখন কিন্তু বিশাল সর্বনাশ হয়ে যাবে। আমরা যেমন বাবা চাই তেমন বাবা পেলে নিজেদের ভবিষ্যত অন্ধকার ছাড়া আর কিছু হবে না।

আর সৎ মেয়েকে ধর্ষণ হোক আর নিজ মেয়েকে, ধর্ষক একজন অপরাধী। তাকে অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে, তবে পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন একজন সেক্স সাইকোলজিকাল ডিজঅর্ডারের রোগীকে যদি আপনি সরাসরি ফাসিতে ঝুলিয়ে দেন, তাহলে সে মৃত্যুর আগ পর্যন্তও বুঝতে পারবে না যে সে অপরাধী। সুতরাং অপরাধটার কোন শাস্তি হবে না, হবে শুধু একটা শরীরের। ধর্ষকের মানসিক সমস্যা বা আসলে ব্যাপারটা কি বা বিজ্ঞান কি বলে সে ব্যাপারে পরবর্তীতে আরেক দিন ব্লগে বিস্তর আলোচনা করবো। আর অবশ্যই অপরাধীকে বাবা, স্বামী, পুরুষ, নারী, মা এসব নামে ট্রিট করা বন্ধ করে অপরাধী হিসেবে গণ্য করুন। বিবেকের ডাকে সাড়া দিন, ভালো থাকুন সবসময় ....

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

জীহান রানা
জীহান রানা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 weeks 2 দিন ago
Joined: বুধবার, মার্চ 23, 2016 - 7:25অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর