নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আরমান অর্ক
  • উর্বি
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • মিশু মিলন
  • সুমিত রায়
  • মিসির আলী
  • হেজিং

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ধর্মের প্রয়োজনীয়তা তৈরী করা হয়েছে সমাজের সাধারন মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য


আমরা এমন কিছু ধর্মীয় ধর্মীয় রীতি নীতি পাই জীবন চলতে যা অবাক করে দেয় আমাদের সুস্হ চিন্তা ধারাকে।কেউ কেউ বলে ধর্ম আছে বলে পৃথিবীতে মানুষ এখনো শৃঙ্খলাবদ্ব। সত্যি আমি এই কথার মর্ম খুঁজে হয়রান, কিন্তু যতবার যুক্তি দিয়ে খুঁজি বার বার একই উত্তর মিলে, আর তা হলো ধর্ম এক সর্বনাশা পৃথিবীর রুপকার যেখানে পরিসংখ্যান বলে হাজার-শতাব্দী বছর জুড়ে যে হত্যা ক্যান্ড ঘটে আসছে তার সিংহ ভাগ এই ধর্মকে নিয়ে।

পৃথিবীর প্রথম খুনটিও নবী পরিবারে, হ্যাঁ নবী আদমের সন্তানদের কথা বলছি। মানবতার মুক্ত চিন্তার এবং মনুষ্যের যে সহজাত প্রকৃতির সাধারন বৈশিষ্টগুলো আছে তাতে বেশির ভাগই ভালো দিক, যাহা বৃহত্তর মানব সমাজ উপকৃত হওয়ার। কিন্তু যখন মানুষের এই স্বাভাবিক জীবন ধারার গতিবেগ পরিবর্তন করে তাকে কাল্পনিক সাজানো গল্প ধারা বিধি নিষেধ জারি করে রুদ্ব করা হয় তখন মানুষ তার বিকল্প খুঁজতে শুরু করে আর তাতেই শুরু হয় বা তখনি বপন হয় অশান্তির বীজটি। আর সেদিনের অশান্তির বীজ অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ এতো প্রতিষ্ঠিত যে তার বিন্দু পরিমান সমালোচনার কোনো সুযোগ নেই, আর যারা এই কাজটি করার দুঃসাহস দেখায় তাদের শত্রু সংখ্যা ছড়িয়ে আছে ঘরে ঘরে, তাদের জীবন নেওয়া হচ্ছে সেই কুখ্যাত ধর্মের দোহাই দিয়ে প্রতিদিন কোথায়ও না কোথায়।

প্রতিটি ধর্ম চরমপন্থীর পৃষ্ঠাপোষকতা করছে কোনো না কোনোভাবে।আর কেউ আছে ভন্ডামির আড়ালে ঔসব চরমপন্থী লোকদের মিথ্যা সমালোচনা করে মানুষকে বোকা বানাতে যে শুধু ওরাই ধর্মের নাম ব্যবহার করে এই সব খুন খারাপী করছে, কিন্তু ধর্ম কখনো মানুষ হত্যা করতে অনুমতি দেয়নি। তাহলে সত্যি করে বলুন সমকামী হত্যার কথা কি ইসলাম ধর্মে নেই? প্রকৃতপক্ষে সকল প্রকার ধর্ম এর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির কথা বলেন। কিন্তু বিজ্ঞান দ্বারা প্রমানিত যে সমকামীতা প্রাকৃতিকভাবে মানুষের কাছে আসতে পারে তার নিজের ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য প্রনোদনা ছাড়া।

আবার দেখুন তাদের সেই ধর্মগুলো নাকি বলে অন্যায়ভাবে কোনো একজন নিরহ মানুষকে মারা যেনো সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করার সমান,আরো বলেন যদি কেউ একটা জীবন বাচাই সে যেনো সমগ্র মানুষ জাতীকে বাঁচালো। তাহলে কি ধর্মীয় সুবিধা অনুযায়ী নিরীহ মানুষ মারা পূন্যের কাজ?

ভন্ডামীর একটা শিল্প হলো মানুষকে বোকা বানিয়ে তার স্বার্থ হাছিল হলেই কার্য সঠিকভাবেই সিদ্ধ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে। আর মানুষকে যতো বোকা বানানো যাবে তত সহজে মানুষকে ভয় লাগনো যাবে। আর মানুষের মধ্য খুব খুব নঘন্য সংখ্যক মানুষ এই ভয়কে জয় করতে পারেন। কারন ধর্মের ভয়টি হাজার বছরের গড়ে তুলা শিল্প যার কাছে দরাশয়ী হয়েছেন প্রায় সব মানুষ। আজ মানুষের ভিতর কিছু সংখ্যা আছে যারা নিজেদের ঔ ধর্মের প্ররচনা থেকে সরিয়ে ধর্মের মিথ্যা ভয় কাটিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানের শাখা-প্রশাখায় বিস্তার করে বাস্তব প্রমানের মাধ্যমে ধর্মের হাজারো অলৌকিকতার নামে মিথ্যা ধারনাকে প্রকাশ করে তার প্রমান পৃথিবীর মানুষের হাতে পৌছিয়ে দিয়েছেন।

তাই এখন ধর্মটাকে শুধুমাত্র একটা ছকে না রেখে বিভিন্নভাবে সাজানো হয়েছে মানুষকে ধর্মের সাজানো গল্প ধারা আরো বিভ্রান্ত করার জন্য। আর মানুষের ভয়ের ব্যাপ্তি এতো বিচিত্র মুখী করা হয়েছে মানুষ খুব অনিরাপদ হয়ে পড়ে যদি সংখ্যা গরিষ্ঠ থেকে ভিন্ন কিছু চিন্তা করতে চাই।

যত দিন মানুষ ভীত থাকবে কাল্পনিক ধর্মীয় গল্পের ভয়ে তত দিন সমাজে ধর্ম টিকে থাকবে।এক সময় মানুষ জঙ্গলের পশু-পাখির সাথে বাস করতো আর এখন মানুষ সেই পশু-পাখিকে দেখে ভীত সন্তুস্ত, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে পশু-পাখিরা আগের মতো আছে শুধু ধর্মের ব্যবহারকারীরা বিভিন্নভাবে মানুষের সাহসী সেই মনকে দিন দিন ভীত করতে করতে আজকের এই পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। তাই মানুষকে কন্ট্রোল করতে এবং তার ভিতর সব সময় একটা অদৃশ্য ভয় জাগাতে ধর্মের বিভিন্ন বিধি নিষেধ উপস্হিত আছে।

মানুষের নীতি-নৈতিকতার জন্য মানবতা বোধটুকুই যথেষ্ট, ধর্মীয় কুসংস্কার নয়। মানুষ এক সময় বনের পশু-পাখির সাথে বাস করতে পেরেছে কিন্তু আজ মানুষ-মানুষে মিলে মিশে থাকতে পারে না ধর্মীয় ভেদাবেদের কারনে। আর এই ভেদাভেদ রুপ নিয়েছে ধংস্শাতক পরিস্থিতির। মানব জাতি দেখেছে কতো সভ্যতার ধংস শুধু ধর্মের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে। আজ এই আধুনিক যুগেও মানুষ সব চেয়ে বেশি মরতেছে ধর্মের লড়ায়ের কারনে। ধর্মীয় ধংসাত্মক আদর্শ নয় মনুষ্যের মানবতাবোধ নিয়ে পৃথিবীকে এগিয়ে নিতে হবে, কেবলিই তখন সম্ভব ধর্মের কাল্পনিকতাকে মানব সমাজ থেকে বিতাড়িত করা।

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

বাহ চমৎকার লেখা

আমার লেখা পড়ার ও ফেসবুকে আমার "বন্ধু" হওয়ার আমন্ত্রণ রইল। আগের আইডি ছাগলের পেটে।এটা নতুন লিংক :
https://web.facebook.com/JahangirHossainDhaka

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 
হিউম্যানিস্ট বাই নেচার এর ছবি
 

ধন্যবাদ আপনার সময় ব্যয় করে মন্তব্য করার জন্য, আরো বেশি ধন্যবাদ বন্ধুত্বের আমন্ত্রণের জন্য। কিন্তু আমি অনুতপ্ত এবং লজ্জিত, আমার ব্যক্তিগত কিছু কারনে ফেসবুকটি ব্যবহার করা হচ্ছে না। আপনার লেখা গুলো ইস্টিশনে অবশ্য পড়া হবে। ভালো থাকুন

Md.Mohiuddin

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

হিউম্যানিস্ট বা...
হিউম্যানিস্ট বাই নেচার এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 23 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, এপ্রিল 5, 2017 - 4:57পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর