নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 12 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • উর্বি
  • আরমান অর্ক
  • নুর নবী দুলাল
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • কিন্তু
  • পৃথু স্যন্যাল
  • মিশু মিলন
  • সুমিত রায়
  • মিসির আলী
  • হেজিং

নতুন যাত্রী

  • অন্নপূর্ণা দেবী
  • অপরাজিত
  • বিকাশ দেবনাথ
  • কলা বিজ্ঞানী
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • সাবুল সাই
  • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
  • মাহফুজুর রহমান সুমন
  • নাইমুর রহমান
  • রাফি_আদনান_আকাশ

আপনি এখানে

ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।


রহমান ভাইয়ের প্রিয় নবী- পর্ব ২

বিষয়:- ইসলামে গনীমতের মাল, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং মানবতা।

আমাদের মসজিদের ঈমাম রহমান ভাই সাথে অনেক দিন পর দেখা। রহমান ভাইকে দেখেই আমি উল্টো দিকে হাটা শুরু করে দিলাম। তবুও রহমান ভাইর চোখে পড়ে গেলাম। ডাক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, " কিরে তুই আমাকে দেখে পালাচ্ছিস ক্যান? "
.

আমি বললাম," আরে নাহ..! পালাবো কেন..? আসলে হুট করে পেটে ব্যাথা শুরু করলো, তাই বাসার দিকে যাচ্ছিলাম.."
.

রহমান ভাইর মনটা মনে হয় আজ ভাল নেই। নরম স্বরে আমার কাধে হাত দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বললো, " বুঝছি..! ঐ দিন যে তোকে মারার জন্য পিছু নিয়েছিলাম তাই আজ আমাকে দেখে লুকাচ্ছিস। আসলে ঐ দিন তোর কথা শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল, আমি কিন্তু খারাপ মানুষ না রে, সবার জন্য আমার মন কাঁদে।
.

- হুম জানি রহমান ভাই, আমি মাঝে মাঝে তোমায় দেখে অবাক হই। তোমার সাথে ইসলামের কোন মিলই নেই। তুমি যে ইসলাম পালন করো আর নবী মহাম্মদ যে ইসলাম পালন/প্রচার করতো দুইয়ের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। এই যেমন ধরো, সবার জন্য তোমার মন কাঁদে। কিন্তু ইসলামের সবার জন্য মন কাঁদে না। ইসলাম বলে,
.
" মুসলিম ব্যাতিত অন্যরা নিকৃষ্ট প্রাণী" (কোরান ৯৮:৬)
.
আর ইসলামে যে মানবিকতা দেখো তা শুধু মুসলিমদের প্রতি মুসলিমদের। ইসলামের প্রতিষ্ঠাকালে মুসলিমরা অন্য ধর্মকে নানান ভাবে অপমান অপদস্থ করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছে। দেখো না তুমি..? ইসলামে সরাসরি বলা আছে মূর্তি পুজা হারাম। এখন নতুন একটা ধর্ম এসে যদি বলে মসজিদে নামাজ পড়া হারাম তবে নিশ্চয়ই বলবে তোমাদের ধর্ম অবমাননা করছে। ঠিক তেমনই ইসলাম অন্য ধর্মকে নানান ভাবে অবমাননা করে আজকের এই অবস্থানে এসেছে। আর ইসলাম সরাসরি বলছে, কোন অমুসলিম কখনও মুসলিমের বন্ধু হতে পারে না। সেই জায়গায় আমি তো অমুসলিম থেকেও ভয়ংকর তোমাদের কাছে কারন আমি কোন ধর্মই বিশ্বাস করি না। তারপরও তুমি আমার সাথে মিশো এটা আশা করা যায় না একজন মুসলিম এর কাছ থেকে। এসব কারণে বললাম তোমার সাথে ইসলামের খুব একটা মিল নেই।
.

রহমার ভাই বিরক্তি বিরক্তি ভাব নিয়ে আমার মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বলে, " ওহে জাহান্নামি নাস্তিক..! তুই কি কোন দিনই ভাল হবি না। তুই জানিস..? তোর এই কথা গুলো শুনলে আমার কত কষ্ট লাগে। তোকে আমি ছোট ভাইয়ের মত আদর করি আর তুই কিনা ইসলাম নিয়ে আজেবাজে কথা বলছ..?
.

- আজেবাজে না রহমান ভাই। তুমি একজন ঈমাম। তোমার অন্ততপক্ষে মুখস্ত না করে কোরান হাসিদ বাংলায় পড়া উচিত। আর হ্যাঁ, শুধু রিডিং পড়ে গেলে হবে না। পড়তে পড়তে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে কোরানে যা যা বলা আছে তা কি কখনও কোন সৃষ্টিকর্তা বলতে পারে কি না..? আর হাদিসে যা যা বলা আছে তা কি কখনও কোন মহান ব্যক্তির মুখের কথা হতে পারে কি না..? সাথে নবী মহাম্মদের জীবনী পড়তে হবে।
.

আচ্ছা যাও আজ আর ইসলাম নিয়ে কিছু বলবো না। তা তোমার কি খবর..? বিয়ে সাদী কিছু করো। সময় তো হয়ে গেলো। ইসলাম তোমারে চারটা পর্যন্ত করার সুযোগ দিলো আর তুমি এখনও একটাও করলে না।
.
দূর..! ফাজলামি করিছ না, মন ভাল নেই।
.
- ক্যান..! কি হইলো..!
.
তুই কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানোছ..?
.
- টুকটাক জানি... বিস্তর ভাবে জানি না।
.
রহমান ভাই বললো- হুম বুঝছি। আসলে আমি কয়েকদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাস পড়তেছি। শুন, তোকে কিছু ইতিহাস শুনাই। পাকিস্তিনিরা আমাদের দেশের মা বোনদের নানানরকম ভাবে অত্যাচার করছে। এই যেমন কোন মেয়ে যুদ্ধকালীন সময় ধরা পরার পর যদি দেখতো মেয়ে গর্ভবতী হয়ে পরছে সেই মেয়েগুলো আর ধর্ষনের উপযোগী থাকবে না। তাই গর্ভবতী হয়ে গেলে তাদের এক রাতে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে পেট চিড়ে ফেলত। আবার বয়ষ্ক মহিলারাও ধর্ষণের উপযোগী নয়। তাদেরকে রাখা হতো ক্যাম্পের কাজের মানুষ হিসেবে এবং দেখা হতো তাদের ধর্ষণ করা সম্ভব কিনা, অথবা মেরে ফেলা হতো। এমনও দেখা গেছে, স্তন ছোট বা গায়ের রঙ কালো হলে সে সব মেয়েদের একবার ধর্ষণ করেই মেরে ফেলা হয়েছে।
.

এই সব জানার পর থেকে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। মানুষ হয়ে মানুষকে এই ভাবে অত্যাচার করতে পারে..?? মানুষ আসলে ধর্মকর্ম করে না বলেই দিন দিন অমানুষ হয়ে যায়। ইসলামের পথে থাকলে কি আজ এমন হতো..?? তাই তোকে বলি ইসলামের পথে আয়..!! নাস্তিকতা বাদ দে..!!
.

রহমান ভাইয়ের মন খারাপের কারন জানতে জানতে আর হাঁটতে হাঁটতে আমরা চলে আসলাম দীঘির পাড়ে। এখানেই সিগারেট ধরিয়ে দুইজন বসে পড়লাম। যদিও রহমান ভাই সিগারেট খায় না কিন্তু আমাকে বাধাও দেয় না। স্বাভাবিক ভাবে দেখা যায়, যারা সিগারেট খায় না তারা অন্যকে খেতে বাধা দেয় এবং যারা খায় তারা অন্যকে সিগারেট খেতে উৎসাহিত করে। দুইটাই খারাপ। যার ইচ্ছা সে খাবে, যার ইচ্ছা নেই সে খাবে না। বাধা দেয়ারই বা কি দরকার আর উৎসাহ দেয়ারই বা কি দরকার।
.
যাকগে..
.
রহমান ভাই বলছিল ইসলামের পথে আসলে মানুষ এমন অমানুষ হতো না। কথাটা শুনেই মাথা কেমন জানি করছে। রহমান ভাইকে বললাম, " ভাই পাকিস্তানিরা আমাদের মা বোনদের ধর্ষণ করার শিক্ষা ইসলাম থেকে পেয়েছে সেটা জানেন কি? ..!
.

রহমান ভাই বিরক্তি বিরক্তি মুখ করে প্রশ্ন করলো, মানে কি..?
.
মানে বলছি, আমার কথা শেষ হওয়ার আগে কোন কথা বলবে না। ধৈর্য ধরে শুনবে তার পর বলবে।
.
- ঠিক আছে বল তবে আমার হাতে দুই ঘন্টা সময় আছে। নামাজ পড়াতে যেতে হবে।
.
আচ্ছা ঠিক আছে, শুনো... মহাম্মদ যখন প্রথম ইসলাম প্রচার শুরু করে তখন মহাম্মদের আশেপাশের আরবের মানুষরা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এক ভাগ ছিল আরবের শাসকগোষ্ঠী যারা নিজেদের ক্ষমতা হারানোর ভয়ে মহাম্মদের চরম বিরোধীতা করতে শুরু করে। আরেক দল ছিল মহাম্মদের পক্ষে। দেখা গেছে যারা মহাম্মদের পক্ষে এসেছিল তারা বেশির ভাগই ছিল আরবের শাসকগোষ্ঠীর হাতে অত্যাচারিত। যখন মহাম্মদ ইসলামি মতবাদ নিয়ে আসে তখন তারা মহাম্মদের দলে চলে আসে এর কারন ছিল প্রথমত তারা অত্যাচারিত দ্বিতীয়ত মহাম্মদ তাদের নানানরকম লোভ দেখিয়েছিলো। এই যেমন ইসলামের পক্ষে থাকলে জান্নাতে তাহারা পাবে ৭২+ হুর আর গেলমান যাদের স্তন আর যৌনির সাথে পৃথিবীর কোন নারীর তুলনা হয় না। তারপর ওখানে আরো আছে দুধের সমুদ্র, মদের নদী। এছাড়াও দুনিয়াতে ইসলামের হয়ে জিহাদ করলে তারা গনিমতের মাল হিসেবে পাবে বিরোধীদলের সকল সম্পদ। যার কারনে এক পক্ষ মহাম্মদের দিকে চলে আসে এবং এই পক্ষটি দিন দিন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। মহাম্মদ তার দলবল নিয়ে প্রায় জিহাদে যোগ দিতো।
জিহাদ করার পরে বিরোধীদল কে হারিয়ে ওখানকার মালামাল ভাগ করার বিষয়ে কোরানের সুরা ৪:২৪ এ বলা আছে :-
.

"তোমাদের জন্যে অবৈধ করা হয়েছে নারীদের মধ্যে সধবাগণকে (অন্যের বিবাহিত স্ত্রীগণকেও); কিন্তু তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন”।
.
এখানে দক্ষিণ হস্তের অধিকারিদের বৈধ করা হচ্ছে অর্থাৎ অন্যের বিবাহিত স্ত্রী কে অবৈধ করা হয়েছে কিন্তু দক্ষিণ হস্তের দ্বারা প্রাপ্ত মানে যুদ্ধের মাধ্যমে প্রাপ্ত নারীরা যদি বিবাহিত হয় তবুও তাদের বৈধ করা হয়েছে জিহাদিদের জন্য।
.

এখানে খুব স্বাভাবিক ভাবেই একটা প্রশ্ন মাথায় আসে তা হলো, কোরান যদি সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়ে থাকেন তাহলে সে কেমন সৃষ্টিকর্তা যে কিনা তার এক সৃষ্টি দিয়ে আরেক সৃষ্টিকে গনিমতের মাল বানিয়ে ধর্ষণ করার বৈধতা দেয়....???
.

রহমান ভাই আমার মোবাইলে কিছু হাদিস নোট করা আছে। আসেন আপনার প্রিয় নবীর মন মানসিকতা কতটা নিন্ম মানের তা প্রমাণ করবো।
.
সহি বুখারিঃ ভলিউম-৫, বুক নং-৫৯, হাদিস নং-৬৩৭:
.
বুরাইদা কর্তৃক বর্ণিতঃ
.
নবী আলীকে ‘খুমুস’ আনতে খালিদের নিকট পাঠালেন (যুদ্ধলব্ধ মালের নাম খুমুস)। আলীর উপর আমার খুব হিংসা হচ্ছিল, সে (খুমুসের ভাগ হিসেবে প্রাপ্ত একজন যুদ্ধবন্দিনীর সাথে যৌনসঙ্গমের পর) গোসল সেরে নিয়েছে। আমি খালিদকে বললাম- “তুমি এসব দেখ না”? নবীর কাছে পৌছলে বিষয়টি আমি তাকে জানালাম। তিনি বললেন- “বুরাইদা, আলীর উপর কি তোমার হিংসা হচ্ছে”? আমি বললাম-“হ্যা, হচ্ছে”। তিনি বললেন-“তুমি অহেতুক ইর্ষা করছ, কারণ খুমুসের যেটুকু ভাগ সে পেয়েছে তার চেয়ে আরও বেশী পাওয়ার যোগ্য সে”।
.

এখানে আলী হলো নবী মহাম্মদ এর মেয়ের জামাই। এখন একটু ভেবে বলুন তো রহমান ভাই, আমি যদি আমার মেয়ের জামাইকে একটা মেয়ে উপহার দিই সেক্স করার জন্য তবে আপনি আমাকে কি বলবেন..? নিশ্চয়ই খুব বাজে মন মানসিকতার মানুষ বলবেন আমাকে। কিন্তু নবী মহাম্মদ এমন অসংখ্যা কাজ করার পরও কেন আমরা তাকে নিজেদের জীবনের আদর্শ বলে দাবী করি..? কেন আমরা নবী মহাম্মদকে মহান বলে দাবী করবো যে কিনা যুদ্ধো বন্দী নারীকে মেয়ের জামাই জন্য উপহার হিসেবে পাঠায়..? হাদিসে নবী মহাম্মদ বলেছে তার মেয়ের জামাইকে যে টুকু খুমুস মানে যুদ্ধো বন্দী মাল দেয়া হয়েছে সে তার থেকে বেশী প্রাপ্য। চিন্তা করা যায় এই সেই মহাম্মদ যাকে কিনা আমরা অন্ধের মত জীবনের আদর্শ করতে চাই।
.

এর পর আসেন অন্য একটি
.
সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৭৩:
.
আবুসাইদ আল খাদরি (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ কিছু যুদ্ধবন্দিনী আমাদের করায়ত্ত হলে আমরা তাদের সাথে (যৌনসঙ্গমকল্পে) আজল পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাইলাম। আমরা এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বললেন-
নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার। কিন্তু যে আত্মা জন্মানোর কথা তা জন্মাবেই, হাশরের দিন পর্যন্ত।
.
( আজল মানে বীর্যপাত নারীর যৌনাঙ্গের বাহিরে করা। )
.

এই হাদিসটি দ্বারাও খুব সহজে বুঝা যায় নবী মহাম্মদ গনীমতের মাল হিসেবে নারীদের সাথে যৌনকর্ম করাকে সমর্থন করতো এবং তাদের পরার্মশ দিতো তারা যাতে বীর্যপাতের ঠিক পূর্বক্ষনে তাদের স্ব স্ব লিঙ্গ বের করে আনে। এতে অবশ্যই লাভ ছিল কারন এটা করলে নারী গুলো সাথে অধিক যৌনকর্মে লিপ্ত হতে পারতো জিহাদিরা। চিন্তা করা যায় কথা গুলো শুনতে খারাপ লাগলেও এই হচ্ছে আমাদের নবী আর তার আশপাশের মানুষের চিন্তা।
.

রহমান ভাই আমি আপনাকে এমন আরো কিছু সংখ্যাক হাদিস দেখাতে পারবো যা দ্বারা স্পষ্টত ভাবে প্রকাশ পায় ইসলাম বলছে যুদ্ধো বন্দী নারীর সাথে যৌনকর্ম করা হালাল এবং এটা যোদ্ধাদের অধিকার। পাকিস্তানি মুসলিমরা আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ করার শিক্ষা ইসলাম থেকেই পেয়েছিল এটা যদি আমি দাবী করি তবে কি তা অযুক্তিক হবে রহমান ভাই..?? আপনাকে কি আমি আরো কিছু হাদিস দেখাবো..??
.

রহমান ভাই কিছুটা রাগান্বিত হয়ে বললো
.
- দেখাতে হবে না, এগুলো অবশ্যই অযুক্তিক এবং এগুলো জাল হাদিস। আব্বাসিয় আমলের তৈরী হাদিস এই গুলো যারা কিনা চিরকালই ইসলামের শত্রু ছিল।
.

হাসতে হাসতে রহমান ভাইকে বললাম- ভাই এই গুলো জাল হাদিসও না আর আব্বাসির তৈরীও না, এই গুলো সহি হাদিস। এই সব হাদিসের কথা শুনে আপনার মত ভাল মুসলিমরা বলে এই সব জাল হাদিস। আসলে জাল বলার কারন হলো আপনারা ছোট বেলা থেকে নবী মহাম্মদ সম্পর্কে নানানরকম কল্পকাহিনি শুনে নিজের অজান্তে নবী মহাম্মদের একটা প্রতিচ্ছবি নিজের মনে কল্পনা করে রাখছেন যার কারনে যখন আমরা সহি ইসলামি দলিল কোরান হাদিস থেকে তথ্য দিয়ে ইসলামের এবং নবী মহাম্মদের মিথ্যাচার, ভন্ডামী, অমানবিকতা তুলে ধরি তখন আপনারা তা মেনে নিতে পারেন না। রহমান ভাই, আপনি যদি কোরান হাদিস বাংলায় পড়েন আমি সিওর আপনি বুঝতে পারবেন ধর্ম বিষয়টা মানুষেরই সৃষ্টি এবং কতটা অমানবিত।
.

কথাটা শেষ হতে না হতেই রহমান ভাই কিছু না বলেই বাড়ির দিকে হাটা দিলো। মনে হয় নবী মহাম্মদের সম্পর্কে এমন কথাবার্তা শুনে কষ্ট পেয়েছে। অবশ্যই কষ্ট পাওয়ারই কথা কারন নবী মহাম্মদ সম্পর্কে আমিও ছোট বেলার ভাবতাম তিনি কত না মহান ছিল। কিন্তু যখনই কোরান হাদিস পড়লাম তখনই যেন মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো।
.

যাকগে আজ অন্তত রহমান ভাই আগের দিনের মত মারার জন্য দৌড়ায় নি। যদিও মানুষটা ভাল তবুও তার বিশ্বাস নেই কখন যে চাপাতি নিয়ে ঐ দিনের মত দৌড়ায় কারন ধর্ম মানুষকে এমন অন্ধ করে যে তারা আপন মানুষকেও হত্যা করতে দ্বিতীয় বার ভাবে না।
-----
References
1. https://archive.org/details/TheLifeOfMohammedGuillaume
2. https://quran.com
3.http://hadithbd.com
4.http://www.sahihmuslim.com

Comments

ড. লজিক্যাল বাঙালি এর ছবি
 

জানার আছে অনেক কিছু। সুন্দর।

আমার লেখা পড়ার ও ফেসবুকে আমার "বন্ধু" হওয়ার আমন্ত্রণ রইল। আগের আইডি ছাগলের পেটে।এটা নতুন লিংক :
https://web.facebook.com/JahangirHossainDhaka

===============================================================
জানার ইচ্ছে নিজেকে, সমাজ, দেশ, পৃথিবি, মহাবিশ্ব, ধর্ম আর মানুষকে! এর জন্য অনন্তর চেষ্টা!!

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাজ্জাদুল হক
সাজ্জাদুল হক এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 17 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, জুন 12, 2017 - 9:01অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর