নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাজ্জাদুল হক
  • শঙ্খচিলের ডানা
  • তাকি অলিক
  • ইকরামুল শামীম

নতুন যাত্রী

  • মোমিত হাসান
  • সাম্যবাদ
  • জোসেফ স্ট্যালিন
  • স্ট্যালিন সৌরভ
  • রঘু নাথ
  • জহিরুল ইসলাম
  • কেপি ইমন
  • ধ্রুব নয়ন
  • সংগ্রাম
  • তানুজ পাল

আপনি এখানে

সুন্দরবন বিনাশী রামপাল প্রকল্প প্রসঙ্গে ইউনেসকোর খসড়া নিয়ে সরকারের নির্লজ্জ মিথ্যাচার


জাতিসংঘের বিজ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউনেসকো ২০১৪ সালের বার্ষিক অধিবেশনে সুন্দরবনের পাশে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রথম উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে এ ব্যাপারে প্রথম দুটি চিঠি দেয় এবং এর পর গত বছরের মার্চে ইউনেসকোর তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশ সফর করে যাওয়ার পর সুন্দরবনের পাশে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল এবং এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হলে তাতে সুন্দরবনের অপূরণীয় ক্ষতি হবে উল্লেখ করে প্রকল্পটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সরকারকে দেওয়া প্রতিবেদনে অনুরোধ জানিয়েছিল।

রামপাল প্রকল্প বাতিল করার যৌক্তিকতা তুলে ধরতে ইউনেসকো চারটি ঝুঁকির কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল। ঝুঁকিগুলো হচ্ছে বায়ুদূষণ, পানিদূষণ, জাহাজ চলাচল বেড়ে যাওয়া এবং প্রকল্প এলাকায় শিল্পকারখানা ও অবকাঠামো নির্মিত হলে পুঞ্জীভূত দূষণ।

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প কেন সুন্দরবনের জন্য হুমকি তার প্রধান চারটি ঝুঁকির কথা উল্লেখসহ ইউনেসকো প্রতিবেদনে আর যা যা ছিলঃ

১। বায়ুদূষণঃ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনেসকোর বিশেষজ্ঞ দলকে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রামপাল প্রকল্পের ধোঁয়ার প্রভাব সীমিত রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাধারণত কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের চিমনির উচ্চতা ৫০০ ফুট হয়ে থাকে। কিন্তু রামপাল প্রকল্পের চিমনির উচ্চতা হবে ৯০০ ফুট।ওই চিমনি দিয়ে সালফার ডাই অক্সাইড ও নাইট্রাস অক্সাইড নির্গত হবে চিমনির উচ্চতা বেশি হওয়ায় তা স্থানীয় পর্যায়ে বায়ুদূষণ কমিয়ে আনবে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে দূষণ কমাবে না, বরং উঁচু চিমনির কারণে দূষিত বায়ু ওজোনস্তরে চলে যাবে, যা সামগ্রিকভাবে সুন্দরবন এলাকায় বায়ুদূষণ ছড়িয়ে দেবে। সাধারণত জানুয়ারি ও মার্চে বাংলাদেশের বায়ুপ্রবাহ উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়। ওই সময়ে রামপাল প্রকল্প থেকে নির্গত হওয়া বায়ু ৬৫ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য অংশের আকাশসীমায় ছড়িয়ে পড়বে। ফলে উঁচু চুল্লি বিশ্ব ঐতিহ্য অংশের আরও বেশি ক্ষতি করতে পারে।

২।পানিদূষণঃ ইউনেসকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যন্ত্রপাতির তাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতি ঘণ্টায় পাঁচ হাজার কিউবিক মিটার পানি পশুর নদী থেকে উত্তোলন করবে বলে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে । কিন্তু এই হিসাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্যান্য অবকাঠামো ও কাজে ব্যবহৃত পানির হিসাবকে আমলে নেওয়া হয়নি। বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের পর দূষিত পানি সুন্দরবনের নদীতে ছাড়া হবে, যা সুন্দরবনের মধ্যে মিশে গিয়ে দূষণ বাড়াবে।

৩। জাহাজ চলাচলঃ প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, রামপাল প্রকল্পের জন্য কয়লা আনার পথ হিসেবে পশুর নদকে বেছে নেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, রামপাল প্রকল্পের কয়লা পরিবহনের এই পথটি সুন্দরবন লাগোয়া। কয়লাবাহী জাহাজ চলাচলের পথটি সুগম রাখতে ৩৫ কিলোমিটার নদীপথ খনন করতে হবে। এতে ৩ কোটি ২১ কিউবিক মিটার মাটি নদী থেকে খননের মাধ্যমে উত্তোলন করা হবে। প্রতিবছর এই খনন চালিয়ে যেতে হবে। খনন থেকে আসা বিপুল এই পলিমাটি কোথায় রাখা হবে এবং তা সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র্যের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তার পর্যালোচনা সঠিকভাবে হয়নি বলে মনে করছে ইউনেসকো।

৪।পুঞ্জীভূত দূষণঃ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে সেখানে একটি শহর ও প্রশাসনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আশপাশে নানা উন্নয়নমূলক কাজ হবে। এসব কাজে ব্যবহৃত পানি সুন্দরবনের পশুর নদ থেকেই তোলা হবে। ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাটি ভরাটসহ অন্যান্য কাজে সেখানে স্থায়ী ও অস্থায়ী যেসব শ্রমিক কাজ করছেন, তাঁরাও সুন্দরবনে বর্জ্য ফেলছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনেসকো জানতে পেরেছে, প্রকল্প এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলাধুলার জন্য মাঠ ও অন্যান্য অবকাঠামো এবং সুইমিংপুল নির্মিত হবে। প্রকল্পের আশপাশে এ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য সম্পত্তি বা জমি বিক্রি হওয়ার প্রমাণও প্রতিনিধিদলটি দেখতে পেয়েছে।

৫। মারকারি বা পারদের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এসব পারদ সুন্দরবনের পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলবে। এখানকার পানিতে মিশে মাছ ও অন্যান্য প্রাণীর দেহে ছড়িয়ে পড়বে, যা খাদ্য হিসেবে মানুষের শরীরে গিয়ে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও উন্নতি স্তিমিত করে দেবে। রামপাল প্রকল্পে পারদ নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যথেষ্ট ভালো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ ছাড়া পারদের দূষণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন প্রযুক্তিও এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে তৈরি হয়নি।

৬। ইউনেসকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রামপাল প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা প্রতিবেদন (ইআইএ), প্রকল্পের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানির বক্তব্য এবং দরপত্রের নথির মধ্যে বেশ কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে। প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের সময় সীমিতসংখ্যক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তা কোম্পানির লোকেরা সংগঠিত করেছে।

প্রতিবেদনে সরকারের প্রতি সুপারিশ করা হয়েছিল রামপাল থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অন্যত্র নিরাপদ কোন স্থানে সরিয়ে নেওয়ার। সরকার যদি ইউনেস্কোর সুপারিশ মত কাজ না করে সুন্দরবনকে হুমকিতেই ফেলে রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে তাহলে ২০১৭ সালের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪১তম অধিবেশনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে বা ঝুকিপুর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি'না। ২ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলমান ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪১তম অধিবেশনের প্রথম দিনে সুন্দরবন প্রসঙ্গে খসড়া উপস্থাপন করা হয়। রামপাল প্রসঙ্গে ইউনেস্কো বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটি এখনও কোন সিদ্ধান্তে পৌছায় নি।

গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পোলান্ডের ক্র্যাকো শহরে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪১তম অধিবেশনে সুন্দরবনের কাছে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির যে আপত্তি ছিল তা তারা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

এদিকে গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে ইউনেসকোর আর কোনো আপত্তি নেই যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে সেখানেই চলতে পারবে। পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ইউনেসকোর পক্ষ থেকে বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো বাংলাদেশ মেনে নিয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে শর্তগুলো মানা হবে বলে তাঁদের আশ্বস্ত করেছি।

গত বুধবার পোল্যান্ডে ক্রাকাও শহরে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর ৪১তম সভায় বাংলাদেশের সুন্দরবনের বিষয়টি আলোচনায় ওঠে। রামপাল প্রসঙ্গে এখানে একটি খসড়া সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা হয় ।
বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির খসড়া সিদ্ধান্ত হচ্ছে, সুন্দরবন ও তার আশপাশের এলাকা (দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল) নিয়ে একটি কৌশলগত পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা প্রতিবেদন করতে হবে। ওই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে রামপালসহ ওই এলাকায় কোনো ধরনের শিল্পকারখানা না করার পক্ষে মত দেয়া হয়।, সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া পশুর নদ খননের আগে অবশ্যই পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা করতে হবে। সুন্দরবনের প্রতিবেশগত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন (ইকোলজিক্যাল মনিটরিং রিপোর্ট) দিতে হবে। এই সুপারিশগুলো বাংলাদেশ কতটা বাস্তবায়ন করল, সে ব্যাপারে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশকে প্রতিবেদন দিতে হবে।

ইউনেসকো ও বিশ্ব ঐতিহ্যবিষয়ক সংস্থাটির ওয়েবসাইটে সুন্দরবনের নাম বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা না থাকার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এমনকি ইউনেসকো সুন্দরবনের পাশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র না করার জন্য চিঠি ও প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকারের কাছে সুপারিশ করেছিল তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রসঙ্গে ওয়েবসাইটে কোথায় বলা নেই।

ইউনেসকোর এই ৪১তম সভা চলবে ১২ জুলাই পর্যন্ত। রামপাল প্রসঙ্গে যেটুুকু বলা আছে তা খসড়া, সিদ্ধান্ত না। আর যদি ইউনেসকো রামপাল প্রসঙ্গে সরকারের এহেন মিথ্যাচারের মত কোন সিদ্ধান্তে আসে তাহলে ইউনেসকোকে বাংলাদেশে পাঠানো তাদের প্রতিনিধি দল তথ্য উপাত্ত সমীক্ষা করে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প সুন্দরবনের জন্য হুমকি স্বরুপ উল্লেখ করে যে প্রতিবেদন দিয়েছিল এবং এই প্রকল্প অন্যত্র সরিয়ে নিতে যে সুপারিশ করেছিল তা অবশ্যই খন্ডাতে হবে।

সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এই ম্যানগ্রোভ বনের জীববৈচিত্র্য বিশ্বে অনন্য ও অসাধারণ। এখানে একই সঙ্গে মিষ্টি ও লোনা পানির মিশ্রণে ব্যতিক্রমী এক প্রাণসম্পদের আধার তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মহাবিপন্ন প্রাণী বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা এই বনেই সবচেয়ে বেশি। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও বিপন্নপ্রায় দুটি ডলফিনের প্রজাতি গাঙ্গেয় ও ইরাবতী ডলফিন এবং বাটাগুড় বাস্কা কচ্ছপ এখনো সুন্দরবনেই টিকে আছে। এগুলো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ইউনেসকো যা তাদের প্রতিবেদনেও উল্লেখ করেছিল। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে সুন্দরবন বাংলাদেশের ফুসফুস।জীববৈচিত্র্যের অনন্য আধার এই বন একদিকে যেমন কয়েক লক্ষাধিক মানুষের জীবিকা সংস্থান করছে অন্যদিকে মায়ের মত আঁচল পেতে দক্ষিণ বঙ্গকে রক্ষা করছে প্রাকৃতিক দূর্যোগের হাত থেকে। ইউনেসকোর খসড়া নিয়ে সরকার যে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করল তাতে আমরা অবাক হয়নি কেননা রামপাল নিয়ে শুরু থেকেই সরকার মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। শুধু মাত্র বিচলিত হয়েছে আন্তর্জাতিক একটি সংস্থায় উত্থাপিত রামপাল বিষয়ক খসড়া নিয়ে সরকার শুধু বাংলাদেেশে নয় পুরো বিশ্বের সামনে নিজেদেরকে প্রতারক হিসেবে হাজির করার জন্য।

আল আমিন হোসেন মৃধা (লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী)

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আল আমিন হোসেন মৃধা
আল আমিন হোসেন মৃধা এর ছবি
Offline
Last seen: 4 weeks 4 ঘন্টা ago
Joined: রবিবার, এপ্রিল 2, 2017 - 11:30অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর