নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • লিটমাইসোলজিক
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল

আপনি এখানে

নিম্নের বিষয়গুলো কি প্রমান করে ইসলাম স্রষ্টার বিধান?


প্রশ্ন: আল্লাহ মানুষকে নাকি পরীক্ষার জন্য সৃষ্টি করেছেন।যদি তাইই হয়ে থাকে, এটা স্রষ্টার দায়িত্ব মানুষকে জানানো যে মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি কি আর মানুষের দায়িত্ব কি কি? সে জানানো এতই সুস্পষ্ট হওয়া উচিত যেমন সুস্পষ্ট আকাশের সূর্য। আকাশের একটি সূর্য আছে এ নিয়ে যেমন কোন মতবিরোধ ও অস্পষ্টতা নেই তেমন স্রষ্টার সৃষ্টি উদ্দেশ্য ও মানুষের দায়িত্ব নিয়েও কোন অস্পষ্টতা ও মতবিরোধ থাকবে না যদি সৃষ্টিকর্তা সত্যিই তেমন কোন উদ্দেশ্য নিয়েই যদি সৃষ্টি করে থাকেন।
আসলে মানব সমাজে এরুপ কোন বিধান দেখা যায়?

১.কুরআনের প্রভাব: হিফজ খানার ছাত্ররা সবচেয়ে বেশি দুষ্ট ও চরিত্রহীণ হয়ে থাকে।যারা মহান স্রষ্টার কুরআন মুখস্ত করে তারা কমপক্ষে কুরআনের বদৌলতে চারিত্রিক দিক দিয়ে কিছুটা হলেও অন্যদের চেয়ে ভাল হওয়ার কথা।কিন্তু ভাল হওয়া তো দুরের কথা অন্যদের চেয়ে অধিকতর খারাপ।এটা কি প্রমাণ করে না যে এটা স্রষ্টা প্রদত্ত কিতাব নয়?

২. নারী: ইসলাম নারীদেরকে ন্যয়সঙ্গত মর্যাদা দিয়েছে?তৎকালিন আরব যুগের নারীদের যে দুর্দশা তার থেকে তাদেরকে নারীদের উদ্ধার করেছে কিনা বা জাহিলি যুগে নারীদের যে মর্যাদা দেয়া হত তার চেয়ে বেশি মর্যাদা দেয়া হয়েছে কিনা সে প্রশ্ন অবান্তর।মানুষ হিসাবে নারী কি যথার্থ ও ন্যয়সঙ্গত অধিকার পেয়েছে কিনা সেটাই মুখ্য প্রশ্ন?যেভাবে ইসলাম নারী-পুরুষে বৈষম্য করেছে তা হল-
ক)পুরষকে নারীর উপর কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে যা চিরদিন নারীকে পুরষের অধিনস্থ করে রাখে, নারীকে শিক্ষার প্রতি অনুৎসাহিত করে,নারীর মেধা ও যোগ্যতা বিকাশের প্রতি প্রতিবন্ধক হয়ে থাকে।পরিনামে নারী যথার্থ মানব সম্পদ হওয়া থেকে বঞ্চিত হয় আর জাতী হারায় তার অর্ধেক সম্পদ যা দেশ ও মানবতার উন্নয়নে অনেক বড় ভুমিকা রাখত।
খ)নারীর উপর পুরুষের কর্তৃত্ব পাকাপোক করতে উত্তরাধিকারেও সম্পদের অংশ কম দেয়া হয়েছে।
গ)নারীকে ইসলাম কম যোগ্য বলে বিবেচনা করে বিধায় দু’জন নারীর সাক্ষ্য সমান একজন পুরুষের সাক্ষ্য বলে বিবেচনা করা হয়।

৩. কুরআনের আলোচ্য বিষয়:
ক)আল কুরআনের প্রায় ৩০% আল্লাহর একত্ব,অস্তিত্বের প্রমান ও স্রষ্টার শ্রেষ্ঠত্ব ও গুণগানে পরিপূর্ণ।যে আয়াতে আল্লাহর একত্ব ও তার গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে সে আয়াতগুলিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়াত বলা হয়েছে-যেমন-আয়াতুল কুরসি,সুরা হাশরের শেষ আয়াতগুলো,সুরা ইখলাস।

স্রষ্টার অস্তিত্ব মানব মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন নয়।সহজাতভাবে মানুষ মনে করে যে এ মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা রয়েছে আর মানুষের দায়িত্ব তার পূজা আর্রচনা করা-সকল ধর্মের মুল কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই একটি।আর যারা স্রষ্টায় বিশ্বাস করে না তাদের অবিশ্বাসের মুল কারন এই নয় যে কোন স্রষ্টা থাকতে পারে না আর মহাবিশ্ব এমনিতেই সৃষ্টি হয়ে গেছে; বরং তাদের অবিশ্বাসের মুল কারন যারা ধর্ম পালন করে ধর্মের নামে তাদের নানান হাস্যকর কর্মকান্ড ও ধর্ম গ্রন্থগুলোতে অনেক অবিশ্বাস্য কাহিনীতে পরিপূর্ণ অথচ ধর্মগ্রন্থগুলো স্রষ্টা প্রদত্ত বলে কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।

ক. তাছাড়া স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমানের জন্য এত বক্তব্য না দিয়ে প্রতি যুগে প্রতি দেশে অতি প্রাকৃত কিছু দেখিয়ে বা প্রতি যুগে ও দেশে এমন কিছু ব্যক্তি পাঠিয়ে যারা স্রষ্টার অস্তিত্ব প্রমাণ করার অসাধারণ যোগ্যতা নিয়ে আসবে যাদের বাগ্মিতা দ্বারা বা অন্য যে কোন উপায়ে প্রমাণ করা যেত। স্রষ্টা যদি মানুষকে তার ইবাদত তথা খেলাফতের জন্য পাঠিয়েই থাকবেন তাহলে কুরআন মৌলিক বিধানের কিতাব হিসাবে মানব জীবন-যাপনের পদ্ধতি দ্বারাই পরিপূর্ণ হওয়ার কথা।খেলাফতের দায়িত্ব,পদ্ধতি ও বিধি বিধানই সবচেয়ে বড় মৌলিক ও প্রাসঙ্গিক হওয়ার কথা।

খ) কুরআনের প্রায় ৩০% ক্বিয়ামত,হাশর,জান্নাত ও জাহান্নামের বর্ণনা দ্বারা পরিপূর্ণ।মানুষ সহজাতভাবে বিশ্বাস করতে চাই যে মানুষের এ কর্মের পরিণতি আছে।ক্বুরআনে বরং দু’এক পৃষ্ঠায় এর এক প্রতিচ্ছবি একে বাকিটা হাদিসের উপর ছেড়ে দিতে পারত।

গ)কুরআনের প্রায় ২0% জুড়ে অতিত জাতির ইতিহাস ও কাহিনীতে পূর্ণ।অতীত জাতির কাহিনি মৌলিক বিষয় নয়।আদম (আঃ) যে কিতাব পেয়েছিলেন তাতে কোন জাতীর বর্ণনা ছিল? অতীত জাতীর কাহিনী ছাড়া যদি আদম (অঃ) এর প্রাপ্ত কিতাব পূর্ণতা পাই তাহলে কুরআন পূর্ণতা পাবে না কেন?

স্রষ্টা যদি মানব জাতীকে তার খেলাফতের জন্য পাঠানোর জন্যই সৃষ্টি করে থাকবেন,তিনি কি আদম (আঃ) থেকে শুরু করে সকল মানুষের জন্য একটি মাত্র কিতাব ও একই বিধি বিধান দিতে কি সক্ষম ছিলেন না?

ঘ) কুরআনের মাত্র ১০% আইন কানুন বা বিধি বিধান

ঙ) আর ১০% অন্যান্য বিষয়াবলী

এ সকল প্রশ্ন স্রষ্টার উপর নয়, বরং আমার প্রশ্ন হল কুরআন যদি সত্যিকার স্রষ্টা প্রদত্ত হত তাহলে তার বৈশিষ্ট এরুপ হত না।

৪)প্রত্যেক মানুষ সহজাত ভাবে তার বংশগতভাবে প্রাপ্ত ধর্মের প্রতি অসীম অনুরাগ,ভালবাসা অনুভব করে এবং নিজ পিতা মাতার প্রতি অধিক ভালবাসা ও বিশ্বাসের কারনে মানুষ তার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত ধর্মের অনুসারী হয়ে থাকে –প্রকৃতপক্ষে পুর্ব পুরুষের ধর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মানুষ তার সহজাত প্রবৃত্তির পুজাই করে। এ কারনে দেখা যায় যে ব্যাক্তি যে বংশে জন্ম গ্রহণ করেছেন বা যে গোষ্ঠি দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে সে বংশ থেকে প্রাপ্ত প্রথা ও আর্চনাই সে করে থাকে যদিও তাকে দেখানো হয় তার ধর্মের কিতাবে উক্ত প্রথা বা আর্চনার কথা লেখা নেই।

এক কথাই বললে বলতে হয় প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মের পুজা প্রকৃতপক্ষেও করে না প্রকৃতপক্ষে জন্মগত পাওয়া ধর্মের প্রতি সহজাত চরম অনুরাগের পূজা করে থাকে।এ দিক থেকে সকল ধর্মের মানুষ সমান।সকল ধর্মের মানুষই এই একটি জিনিষকেই পূজা করে।আর মানুষের এ সহজাত দুর্বলতা স্রষ্টারই সৃষ্টি।

স্রষ্টা যদি মানুষকে তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করে থাকবেন তাহলে এ দূর্বলতা দিয়ে সৃষ্টি করার কথা নয়।মানুষকে তো সৃষ্টি করা হয়েছে তার কর্মের পরীক্ষার জন্য, বিশ্বাসের পরীক্ষার জন্য নয়।আর সহজাত যে দুর্বলতা দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে তা বিশ্বাস আনার পথে বড় বাধা।নিজে মুসলিম বংশে জন্ম নেয়াই অন্যকে্ এরুপ কথা অতি সহজে বলা সম্ভব যে বিবেক বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা করলে বুঝা যায় ইসলাম সত্য, বাস্তবে নিজে নিজ বংশিয় আবেগের বাইরে কতটুকু চিন্তা করতে সক্ষম তা হয়ত বিশ্লেষণ করার যোগ্যতাও হয়ত আপনার হয়নি।

প্রত্যেক ধর্মের লোকেরাই যেহেতু সহজাতগতভাবে তার বংশীয়গতভাবে প্রাপ্ত ধর্মের প্রতি যে অনুরাগ সে অনুরাগের পুজা করে আর এ অর্থে সবাই একই বিষয়ের পুজা করে। এদিক থেকে সব ধর্মাবলম্বী প্রকৃতার্থে একই ধর্মের অনুসারী তথা স্ব-ধর্মের প্রতি সহজাত আসক্তি নামক ধর্মাবলম্বী। উল্লেখ্য স্ব-ধর্মের প্রতি দূর্বলতা স্রষ্টারই দেয়া।সে দূর্বলতার জন্য স্রষ্টা তাকে শাস্তি দিবেন এটা কতটুকু গ্রহণযোগ্য? এটা থেকে বুঝা যায় স্রষ্টা কোন বিধান দেননি।

৫. স্রষ্টা যদি সমগ্র মানবজাতীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ভাষায় তার বিধান দেয়ার পরিকল্পনা করে থেকেই থাকেন তাহলে তিনি অবশ্যই সমগ্র মানব জাতীর জন্য একটি ভাষা সৃষ্টি করতেন।

৬. মানুষের গণনায় ১ দিন = আল্লাহর নিকট ১০০০ বছর (সুরা হজ্জ্ব-২২), প্রশ্ন হল আপেক্ষিকতা মানুষের জন্য প্রযোজ্য স্রষ্টার জন্য নয়।তাহলে আয়াতের বক্তব্য কিভাবে গ্রহণযোগ্য হয়?

৭. ফেরেশতাদের আল্লাহর নিকট পৌছতে ৫০ হাজার বছর লাগে (সুরা মায়ারিজ ১-৫)। প্রশ্ন হল- আল্লাহ কি নির্দিষ্ট কোন স্থানে থাকেন যেখানে পৌছতে ফেরেশতাদের ৫০ হাজার বছর সময় লেগে যায়?

আল্লাহ কি উর্ধ্বালোকে থাকেন?মহাবিশ্বের সাপেক্ষে উর্ধ্বালোক কথাটি আপেক্ষিক। আমেরিকা থেকে যা উর্ধ্বালোক বাংলাদেশ থেকে তা ভিন্ন। মঙ্গল গ্রহ থেকে উর্ধ্বালোক আরেকটি। মিল্কিওয়ে থেকে উর্ধ্বালোক আরেকটি। সুরা মা’আরিজ এ তা’রুজু শব্দ ব্যবহ্রত হয়েছে যার অর্থ উর্ধ্বালোকে আরোহন।
আরেকটি শব্দ জাল মা’রিজ তথা উর্ধ্বালোকে আরোহনের যানের মালিক। আল্লাহ দাবি করছেন তিনি উর্ধ্বালোকে আরোহনের যানের মালিক।স্রষ্টার জন্য এ ধরনের যানের মালিক হওয়ার কৃতিত্বের দাবি করা কি শোভা পায়?

৮. আকাশ সম্পর্কে আল কুরআন:
আকাশ সম্পর্কে কুরআনের বক্তব্যর সারকথা হল তাইই যা প্রাচীনকালের লোকেরা ধারনা করত। আকাশ সম্পর্কে আল কুরআন যে ধারনা পেশ করেছে তা নিম্নরুপ:
ক) আকাশ আমাদের উপর ছাদের ন্যয়
খ)আ্কাশ আমাদের উপর ভেঙ্গে পড়ে না যা আমাদের জন্য রহমত স্বরুপ
গ) আল্লাহ খুটি ছাড়া আকাশকে স্থাপন করেছেন যা আল্লাহর অসীম ক্ষমতার নিদর্শন।
ঘ)তারকামন্ডলী দ্বারা দুনিয়ার আকাশ সাজানো হয়েছে।অর্থাৎ তারকামন্ডলীর উপর রয়েছে প্রথম আকাশ।
ঙ) তারকামন্ডলী হল বাতিস্বরুপ (উল্লেখ্য আকাশে আমর যেগুলোকে তারা বলি প্রকৃতপক্ষে তার সবগুলো তারা নয়, তাদের কিছু গ্রহ যেমন শনি,মঙ্গল যা জ্বলতে দেখা যায় অথচ তাদের নিজস্ব আলো নেই, সুতরাং সেগুলো বাতি হওয়ার প্রশ্ন হাস্যকর।)
চ) শয়তান তাড়াতে নক্ষত্র নিক্ষিপ্ত করা হয়।ভাবটা এমন স্রষ্টা উপরে থাকেন। স্রষ্টার কথা শুনতে শয়তান আকাশে যায়। তখন স্রষ্টা তারা নিক্ষিপ্ত করে শয়তানকে তাড়িয়ে দেন।

৯. সূর্যের চন্দ্রের পিছনে ধাবমান হওয়া:
প্রাচীনকালে মানুষ থেকে রাত্রে আকাশে চাদকে দেখতো আবার দিনে দেখতো সূর্য পূর্ব দিকে উদিত হয়ে পশ্চিম দিকে ধাবিত হচ্ছে, কেউ কাউকে ধরতে পারছে না।ভাবটা এমন একই আকাশে চন্দ্র ও সূর্য চলমান কেউ কাউকে ধরতে পারে না যা আল্লাহর অসীম ক্ষমতার নিদর্শন বহন করছে।(সুরা ইয়াসিন:৪০)
এর সাথে সামঞ্চস্যপূর্ণ হাদিস:
আবু যর গিফারি (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন-একদিন নবী করিম (স) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন- আবু যর, তুমি কি জানো সুর্যাস্তের পর সূর্য কোথায় যায়? জবাবে আমি বললাম, আল্লাহর রসুলই ভালো জানেন। রসুল (সঃ) বললেন- সূর্যাস্তের পর আল্লাহর আরশের নিচে সিজদাবস্থায় থাকে এবং পূর্ব দিগন্তে উঠার জন্য আল্লাহর অনুমতির অপেক্ষায় থাকে।এমন একদিন আসবে যখন সূর্যকে উদয়ের জন্য অনুমতি দেয়া হবে না।তখনই কেয়ামত হবে। (বুখারি, ভলউম-৪, বুক:৫৪, হাদিস নং-৪২১)

১০. ক্বদরের রাত্রে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে –মহাবিশ্বে কখনও একসাথে দিন ও রাত্রি বিরাজমান থাকে না- তাহলে কুরআন কিভাবে রাত্রিতে অবতীর্ণ হয়। যদি বলা হয় যে কুরআন যখন অবতীর্ণ হয়েছিল তখন আরবদেশে রাত্রি ছিল (যদিও উত্তরটা একটি গোজামেলির), তাহলে ঠিক ঐ সময়ে পৃথিবীর যে প্রান্তে দিন ছিল তারা যদি বলে কুরআন দিনে অবতীর্ণ হয়েছে তা তো বেঠিক হয় না (যা কুরআনের আয়াতকে পরিবর্তন করে দেয়!!!)

১১. যাকাত ফরয। কতটুকু সম্পদ থাকলে যাকাত ফরয হবে তাও একটি মৌলিক প্রশ্ন যার উত্তর কুরআন দেয়নি। হাদিসে এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়।৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা ৫২.৫ তোলা রৌ্প্য বা তার সমমূল্যের সম্পদ থাকলে যাকাত ফরয হবে। এখন তো ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা ৫২.৫ তোলা রৌপ্যের মূল্য সমান নয়।তাহলে কোনটাকে মানদন্ড হিসাবে নিবেন? যেহেতু হাদিস আল্লাহরই কথা। আল্লাহ কি এমন মানদন্ড দিতে অপারগ ছিলেন যা সকল যুগেই প্রযোজ্য হবে? আল্লাহ এমন ভূল করেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়।প্রকৃতপক্ষে ইহা মানব রচিত কিতাব তাই এমন ভূল পাওয়া যাচ্ছে।

১২. রোযার সময় নির্ধারীত হয় সূর্যের উদয়-অস্ত যাওয়ার উপর ভিত্তি করে। যেখানে ৬ মাস দিন আর ৬ মাস রাত সেখানের মানুষ কিভাবে রোযা রাখবে? আপনি ইফতার শেষ করেই বিমানে রওয়ানা হলেন আমেরিকর উদ্দেশ্য দ্রুততর বিমানে আপনি আমেরিকায় যখন পৌছলেন তখন দুপুর ১২ টা সেখানে অথচ আপনি ১/২ ঘন্টা আগে ইফতার করেছেন। আপনি এখন কি করবেন। মনে রাখতে হবে রোযার সময়টি স্রষ্টা এতই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন যে যাকাত ফরয হওয়ার ক্ষেত্রে সম্পদের পরিমানের মানদন্ড উল্লেখ না করলেও, নামাযের সময় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না করলেও রোযার সময়টি খুবই পরিস্কারভাবে বিবৃত হয়েছে।

যদি কুরআনে নির্দিষ্ট পরিমান সময় তথা ৮ ঘন্টা বা ১২ ঘন্টা উল্লেখ করা থাকত তাহলে হয়ত এরুপ সমস্যার উদ্ভব হতো না। স্রষ্টা কি সক্ষম নন এমন একটি মানদন্ড নির্ধারণ করতে যা সকল যুগেই প্রযোজ্য হবে।

এ বিধান সুস্পষ্টভাবেই এদিকে ইঙ্গিত করে যে ইহা মানবরচিত। রচনাকারী তখন সমগ্র পৃথিবীর দিন রাত্রি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকায় এরুপ বিধান নির্ধারন করেছেন।

১৩. আসমানি কিতাবের সংখ্যা নাকি ১০৪ টি। কেন? আল্লাহ কি পারতেন না একটি কিতাব দিতে যা সকল কাল ও সকল জাতীর জন্য যথেষ্ট হবে।তিনি যদি সকল কাল ও জাতীর জন্য পূর্নাঙ্গ কোন পুস্তক দিতে অক্ষমই হন,তাহলে ১৪০০ বছর আগের কিতাব এখনকার জন্য প্রযোজ্য হতে পারে না। ১৪০০ বছর পর এখন যুগের বহু পরিবর্তন হয়েছে।
প্রত্যেক জাতীর জন্য আল্লাহ একটি করে কিতাব দিয়েছেন।একটি মাত্র কিতাব ইঞ্জিল যা ৫00 বছর সময়কালের জন্য যথেষ্ট তাহলে একমাত্র কুরআন আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে না কেন?কেন এর পাশাপাশি হাদিস, ইজমা , কিয়াস ইত্যাদির প্রয়োজন হবে?

১৪. কুরআন মৌলিক বিধি বিধানের কিতাব। ইসলামের স্তম্ভ নামায,রোযা,হজ্জ্ব,যাকাত সম্পর্কে হাতে গোনা কয়েকটি বিধান বলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, অথচ জিহারকারী সম্পর্কে বিধান বিবৃত হয়েছে যা তেমন কোন মৌলিক বিষয় নয়।ঘরে প্রবেশের জন্য অনুমতি চাইতে হবে,অতীত জাতীর কাহিনী ইত্যাদি কি মৌলিক বিষয়?

১৫. কুরআন বলে রুহের জগত থেকে মানুষের কাছ থেকে আল্লাহর আনুগত্যের ওয়াদা নেওয়া হয়েছে-যে ওয়াদা সম্পর্কে মানুষ কিছুই স্বরণ করতে পারে না, যে ওয়াদা নেওয়ার দাবী করা হচ্ছে তা কি আসলেই সত্য বা মিথ্য তার প্রশ্ন রয়েই যায় সে ওয়াদার মুল্য কি? যদি স্রষ্টা সত্যিই ওয়াদা নিয়েই থাকেন তাহলে পুরো ঘটনা পরিস্কারভাবে স্বরণ রাখানোরও দায়িত্ব ছিল তারই। প্রকৃত কথা এটা মানব জাতীর জন্য সত্যি এরুপ বিধান দিলে এবং সত্যিই এরুপ ঘটনা ঘটে থাকলে তিনি অবশ্যই স্বরণ রাখানোর ব্যবস্থা করতেন। এটা সম্পূর্ণ মানব রচিত কাহিনি।

১৬. আল্লাহ মানুষকে খলিফা হিসাবে প্রেরণ করেছেন। এ পৃথিবীতে শুধুমাত্র আল্লাহর আইনই চলবে। ভাল কথা।যদি সত্যিই আল্লাহ মানুষকে আল্লাহর খলিফা হিসাবে সৃষ্টি করে থাকেন এবং তারই আইন বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে দায়িত্ব দিয়েই থাকেন তাহলে তিনি মানব জীবনের সকল দিক ও বিভাগ পরিচালনার জন্য সুবিস্তারিত,পরিস্কার ও কাটছাট আইন ও তার স্রষ্টার হওয়ার ব্যপারে যথাযথ প্রমাণ সহ প্রদান করার কথা।
ইসলাম কি এ দাবীর যথার্থতা প্রমান করতে সক্ষম? একটি সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আইন নিতে গেলে কুরআন থেকে সরাসরি মাত্র ৫% আইন নেয়া সম্ভব। বাকি ৩০% আসে হাদিস থেকে যার সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন থাকে। আর ৬৫% আসে ইজমা ও কিয়াস থেকে যা মুলত মানব মস্তিস্ক প্রসূত।৯৫% আইনই আল্লাহর নামে মানব রচিত। সত্যিকার অর্থে আল্লাহ খেলাফতের জন্য মানুষকে সৃষ্টি করলে মানুষকে ১০০% ক্লিয়ার কাট আইন দিয়ে পাঠাতেন।

১৭. আল্লাহ নাকি তুর পর্বত উচু করে বণী ঈসরাইলদের থেকে আনুগত্যের ওয়াদা নিয়েছিলেন।জোর করে আনুগত্যের ওয়াদা নিলে ইচ্ছা স্বাধীণতার কি মূল্যই থাকল? পাহাড় উচু করার মত আজগুবি ঘটনার সত্যেতার বিষয়ে প্রশ্ন তো থেকেই যায়।

১৮. স্রষ্টা যদি মানবজাতীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ভাষায় তার বিধান দেয়ার পরিকল্পনা করে থেকেই থাকেন তাহলে তিনি অবশ্যই সমগ্র মানবজাতীর জন্য একটি মাত্র ভাষা সৃষ্টি করতেন।

১৯. কোন লোক হাজার হাজার মানুষের অধিকার হরণ করেছে, শত শত মায়ের বুক খালি করেছে, যার অত্যাচারে বহু অসহায় মানুষের বুকফাটা আর্তনাদে আকাশ বাতাশ ভারি হয়েছে।শেষ জীবনে ঘটনাক্রমে নিজে সহায় সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। লোকটি এখন তার পূর্বের সকল কৃতিকর্মের জন্য চরমভাবে অনুতপ্ত। স্রষ্টার কাছে খালেছ নিয়তে ক্ষমা চাইল।স্রষ্টা কি তাকে ক্ষমা করবেন? উত্তর নিশ্চয়ই হবে হ্য।

প্রশ্ন হল লোকটি তো ক্ষমা পেয়ে পার হয়ে গেল, কিন্তু ঐ সকল হাজার হাজার অধিকার বঞ্চিত, নির্যাতিত মানুষেরা কি ন্যয়বিচার পেল? যে সকল মায়েরা তাদের সন্তান হারিয়েছে, যে সকল বোনেরা তাদের ইজ্জত হারিয়েছে তারা কি বিচার পেল? আল কুরআন এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চুপ।
তাছাড়া কোন লোককে, সে যত বড় অপরাধি হোক না কেন, অনন্তকাল জাহান্নামে থাকা কি ন্যয়বিচার?একজন লোক ৫ জন লোক হত্যা করেছে, তার শাস্তি তাকে পাচ বার হত্যা করে এবং ৫ জন লোক হত্যার সমপরিমান কষ্ট দিলেই তো ন্যয়বিচার হয়,নয় কি? স্রষ্টার পক্ষে সমপরিমান কষ্ট দেয়া অবশ্যই সম্ভব,নয়কি?
কোন একজন লোক ব্যক্তিগত জীবনে সৎ ও ন্যয়পরায়ন। কোন মানুষকে ইচ্ছাপূর্বক কষ্ট দেয়নি,কারো অধিকার হরণ করেনি, বরং সাধ্যমত মানব সেবা করেছে।তবে লোকটি কোন আনুষ্ঠানিক ইবাদত যেমন-নামায,রোযা ইত্যাদি পালন করেনি। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ব্যক্তি অবশ্যই চিরস্থায়ী জাহান্নামি।

২০. সুরা মুহাম্মাদ-২৩, আয়াত মতে মানুষের হৃদয় অবস্থিত মানুষের বুকের মাঝে। বিজ্ঞান মতে মানুষের মন,চিন্তা,চেতনা ও অনুভূতি সবকিছু মানুষের মস্তিস্কে হয়,বুকের মাঝে নয়।

২১. কোন জাতীর সকল লোক খারাপ হয় না।কোন অপরাধের জন্য ব্যক্তিকে দায়ী করা যায়, জাতীকে নয়।প্রত্যেক ব্যক্তি তার জাতিকে ভালবাসে তার সহজাত টানের কারনে। আর এ সহজাত দূর্বলতা স্রষ্টার সৃষ্টি। আল কুরআন বলছে, না, কখনোই ইয়াহুদি ও খ্রিষ্টানার আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না যতক্ষণ না আপনি তাদের আদর্শ অনুসরণ করেন। এ দ্বারা কুরআন জাতীকে দায়ী করছে। এটা মানব দূর্বলতার প্রকাশ।এ দ্বারা বুঝা যায় কুরআন মানব রচিত।

২২. সত্যের একটি অনন্য বৈশিষ্ট হল প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করা।আল কুরআন বলছে এর আয়াত দু’প্রকার-মহকামাত ও মুতাশাবিহাত।মুতাশাবিহতা নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবে না।শুধু মুতাশাবিহাত বলেই ছেড়ে দেয়নি। কুরআন স্পষ্ট করে বলেনি যে কুরআনের কোন আয়াতগুলো মুতাশাবিহাত।এ দ্বারা কুরআনের কোনগুলো আসল আয়াত আর কোনগুলো আসল নয় তা নিয়ে একটি প্রশ্ন থেকেই যায়।এখন যার বা যাদের কাছে যে আয়াতগুলো একটি বেশি জটিল মনে হবে সেগুলোকেই মুতাশাবিহাত বলে বসতে পারবে।সত্যেনুসন্ধানকারী কোন ব্যক্তি যিনি জন্মগতভাবে মুসলমান নন এসে যদি বলে বসে যে যেখানে কুরআন তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে পারছে না, যে বক্তব্যগুলোর ভিত্তি দুর্বল সেগুলোকে মুতাশাবিহাত বলে তার দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা করছে, তখন আপনি কি বলবেন?

তাছাড়া যদি বলা হয় যে আয়াতগুলোর মানবজীবনে প্রয়োজন নেই সেগুলো কুরআনে দেয়ার কি প্রয়োজন?যেখানে আল কুরআন মুলনীতির কিতাব হিসাবে সংক্ষিপ্ত করতে গিয়ে নামায রোযারও সম্পূর্ণ বিধান দিতে সক্ষম হয়নি।
২৩. বুদ্ধিমান মানুষের কাজ হল যে কোন কিছু অন্ধভাবে গ্রহণ না করে তা বিবেক বুদ্ধি দিয়ে যাচাই বাছাই করে মেনে চলা।আর যাচাই করার স্বাভাবিক দাবি সংশ্লিষ্ট বিষয়টি সঠিক কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা ও যথার্থতোতার মাপকাঠিতে টেকে কিনা তা বিচার করা। কুরআনের আয়াত নিয়ে যেখানে প্রশ্ন তোলাই মহাগোনাহ (ইহা স্রষ্টার পক্ষ থেকে মহাসত্য,কোন সন্দেহ সংশয়ে পড়বে না-আল কুরআন),সত্যতা যাচাই তো বহুদুরের কথা।অথচ সত্যের অনন্য বৈশিষ্ট হল উদারভাবে প্রশ্ন করা অসীম সুযোগ করে দেয়া আর অন্ধত্ব ও ভন্ডামির প্রধান বৈশিষ্টই হল প্রশ্ন করতে বাধা দেয়া। যারা যুক্তির বিরোধীতা করে ও ভন্ডামির আশ্রয় নেয় তারাও যুক্তি দিতে থাকে, আর ঠিক যেখানে এসেই তাদের ভন্ডামি ধরা পড়ার উপক্রম হয় তখনই বলে বসবে-সবকিছুতে যুক্তি খুজতে হয় না, যুক্তিকে মুক্তি নেয়, বেশি বেশি প্রশ্ন করা ভাল নয় ইত্যাদি।

২৩. ”নিশ্চয়ই আমরা আমানতটি পেশ করেছিলাম আসমানসমূহ,যমিন ও পর্বতের নিকটে, তারা ইহা বহন করতে অস্বীকার করল এবং ভয় পেল অথচ মানুষ ইহা বহন করল, নিশ্চয়ই মানুষ অবিচারক ও অজ্ঞ (সুরা আহযাব-৭২)
প্রশ্ন হল কোন মানুষটি বলতে পারবে যে তাকে এ প্রশ্ন করা হয়েছিল?যদি বলা হয় রুহের জগতে এ কথা জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? যদি ধরেও নেয়া হয় যে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন কিছুর জন্য দায়ী করা হলে তা মনে থাকা জরুরী আর যেহেতু মনে থাকানো বা ভুলানে স্রষ্টার হাতে, যদি সত্যি এমন কিছু ঘটতো তাহলে স্রষ্টা অবশ্যেই তা মনে রাখানোর ব্যবস্থা করতেন।
আরেকটি পশ্ন আসে। সেটা হল এ কুরআন মেনে নেয়া নাকি মানুষের জন্য অজ্ঞতা ও মুর্খতাসূলভ কাজ হয়েছে।

২৪. গানিতিক ভূল- মাতা ১/৬, পিতা ১/৬, দু’মেয়ে ২/৩, স্ত্রী-১/৮=?

২৫. মাতৃগর্ভে মানব শিশুর ক্রমবর্ধমান হওয়ার যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক।

২৬. পাহাড়-পর্বতের কারনে ভূমিকম্প হয় না।পাহাড়কে ভূ-পৃষ্ঠে পেরেকের মত গেড়ে দেয়া হয়েছে।অথচ বিজ্ঞান বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা।

২৭. সুরা জ্বীনের বর্ণনা মতে জ্বীনেরা নবীর প্রতি ঈমান এনেছিল।জ্বীন জাতীর জন্যও কি কুরআন?সুরা বণী ইসরাইল-৯৫ মতে এ পৃথিবীতে ফেরেশতা থাকলে তিনি এখানে ফেরেশতা পাঠাতেন।তাহলে জ্বীনের জন্য মানব বিধান কিভাবে উপযুক্ত হয়?
কুরআন বলছে এ মহাবিশ্বে শুধুমাত্র মানুষ ও জ্বীনকে তার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।এখন যদি আবিস্কৃত হয় অন্য গ্রহের মানুষের মত বা তার চেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে, তাহলে তাদের বেলায় কি উত্তর হবে?

২৮. কুরআনের দাবীনুসারে কুরআন খুব সহজ এবং সহজ হওয়াই যৌক্তিক। কিন্তু আসলেই কি সহজ?

Comments

আব্দুর রহিম রানা এর ছবি
 

ধন্যবাদ।

 
সত্যর সাথে সর্বদা এর ছবি
 

আপনাকেও ধন্যবাদ

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সত্যর সাথে সর্বদা
সত্যর সাথে সর্বদা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 5 ঘন্টা ago
Joined: শনিবার, মার্চ 18, 2017 - 12:13পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর