নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোগ্গালানা মাইকেল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দীব্বেন্দু দীপ

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

রোজানুভূতিতে আঘাত!!



.
.
আপনার সংযম এতটা দূর্বল হবে কেন, যার জন্য সবার দোকান বন্ধ করে বসে থাকতে হবে? যে রোজা রাখবে না তাকে কি দোকান বন্ধ করে রোজা রাখানো যাবে? সে তখন ঘরে অগ্রিম খাবার কিনে রাখবে, পানি খাবে।

জোর করে কি কাউকে সংযম করানো যায়? অথচ এর জন্য অন্যধর্মাবলম্বীরা ভূক্তভোগী হচ্ছে। এটা তাদের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার মত। আমাদের বাসার খালা (বুয়া) রোজার কারণে দিনের বেলা আসেন না, ক্লান্ত থাকেন, উনাকে তাই আসতেও বলিনা, এটা উনার রোজার প্রতি আমার সন্মান। প্রায় সময় বাইরে হোটেলে গিয়ে খাচ্ছি, এখন যদি হোটেলগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে আমি খাবো কি? আর এটাই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া।
.
ঢাকা শহরে রোজার প্রথম তিন দিন হোটেল চায়ের দোকান বেশিরভাগই গুলো মাইকিং করে বন্ধ রাখা হয়েছে, সেই সময় এক ভ্যানগাড়িতে সবজী বিক্রেতা মধ্যবাড্ডা থেকে বাংলামোটর হয়ে একটি খাবার দোকানের সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে শেষে আবাহনী মাঠের পাশে এক টংদোকানে এসে কথাগুলো বললো, আমি তখন চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম, কারণ বাইরে আমাকে রেরুতেই হবে, যদিও এখন চারপাশের খাবারের দোকান গুলো কাপড় দিয়ে ঢাকা কিন্তু খোলা।
.
DBC নিউজে দেখলাম কল্যাণপুর নতুনবাজার এলাকায় রমজান পবিত্রতা রক্ষা কমিটির লোকজন হোটেলের ভাত-তরকারীতে পানি ঢেলে দিচ্ছে, চায়ের কেটলীতে বালি দিচ্ছে, এই করে তারা পবিত্রতা রক্ষা করছে।
.
ক'দিন আগে প্রথম আলোর এক সংবাদে দিলো নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দুটি হিন্দু দোকান জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হলো। সেই প্রভাবশালী আওয়ামীলীগার বললেন তিনি প্রয়োজন হলে আওয়ামীলীগ ছেড়ে দেবেন, তবু রমজান মাসে তাঁর ইউনিয়নে কোন দোকান খুলতে দেবেন না।
.
নোয়াখালীর চাটখিলে হিন্দু হোটেলগুলোর ব্যানার পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, উত্তেজিত মুসল্লিদের সামনে হোটেলের মালিকরা রোজা শেষ হওয়া ছাড়া আর খুলবেন না এই শর্তে শেষে হোটেলটা বাঁচালো।
.
যে রোজা রাখবেনা, তাকে জোর করে রোজা রাখার ব্যাবস্থা করুন সেটা আপনাদের ইচ্ছে, তবে তা অন্য ধর্মাবলম্বীদের কষ্ট দিয়ে যেন না হয়। হিন্দুরাও মাসে দুইদিন একাদশী পালন করে, সারাদিন উপোষ করে, সেই জন্য কখনো দোকান বন্ধরাখার প্রযোজন হয় না। সংযম, আত্মশুদ্ধি এসব তো নিজের কাছে। আপনাদের রোজাকে শ্রদ্ধা করে প্রতিটি দোকানের পর্দা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়, পর্দার ভেতরে ঢুকে আমরা খাবার খাই, এর পরও লোভ সামলাতে না পেরে যদি কোন রোজাদার তার সংযমের রোজা ভেঙ্গে ফেলে সেটা তার ইমানী দূর্বলতা, দোকানের দোষ নয়।।
.
.
.
.
.
হৃদয় মজুমদার,
মহারাজাপুর, ঢাকা।।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

হৃদয় মজুমদার
হৃদয় মজুমদার এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 20 ঘন্টা ago
Joined: বুধবার, নভেম্বর 23, 2016 - 5:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর