নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • লিটমাইসোলজিক
  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী
  • রুম্মান তার্শফিক
  • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল

আপনি এখানে

প্রবাসে আর কতদিন এই আওয়ামী অস্থিরতা


১৫ই জুন ২০১৭ ইং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার আগমনীবার্তা সুইডেন আওয়ামী পরিবেশে যেন আনন্দের ফোয়ারা বইছে |

জনৈক সুইডেন আওয়ামী লীগের নেতা পর্যায়ের এক গবেট প্রকৃতির ভদ্রলোক সুযোগ পেলেই প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ ঘটলেই টিকেট কেটে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বড় বড় হোটেলে নিজের একখানা রুম বুক করে রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর হোটেলে অবস্থান কালে ভদ্রলোকের একটাই কাজ লবীতে দাড়িয়ে সেল্ফির জন্যে সদা সর্বদা প্রস্তুত থাকেন, সেল্ফি তুলেই তিনি সংসদ সদস্যের প্রত্যাশা নিয়ে, দেশের বাড়ীতে রিক্সায় ঘুরে ঘুরে সারা গ্রামময় নিজের পোস্টার লাগিয়ে বেড়াচ্ছেন | অনেকেই আলমারিতে ভাজ করা মুজিব কোট গায়ে চড়িয়ে আয়নায় আর একবার দেখে নিচ্ছেন মানায় কিনা, ওহে, আর একটা কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে যেটা না বললেই নয়, সুইডেনে আবার আওয়ামী প্রেমীরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হতে হতে রেষারেষির কারণে ঘটনা হাতাহাতি থেকে মারামারি পর্যন্ত গড়ায় এমনকি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় | কেউ কেউ আবার টাইম আউট নিয়ে ঘুরে ফিরে নিজেদের ওজন পরখ করে দেখেন কোন গ্রুপে তিনার দাম কত বেশী, আর এভাবেই চলছে ইউরোপের প্রতিটি দেশেই | সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতারা তো বহিষ্কারে খেলায় মত্ত, কে যে কখন কোন ফাকে কাকে বহিষ্কার করেন বোঝা দায়, মাঝে মাঝে হানাহানির সংবাদ বিভিন্ন স্থানীয় পত্র পত্রিকাতে প্রকাশ করলে সাধারণ বাংলাদেশী প্রবাসীদের মান সম্মান নিয়ে টানাটানি পরে যায়, তাদেরই বা করার কি আছে বলুন, নেতা হতে গেলে যে প্রবাসেও থানা পুলিশ করতে হয় তা আমাদের অনেকেরই নতুন করে জানতে হচ্ছে | এসব হাট কাঁপানো, মাঠ কাঁপানো, ঘাট নড়ানো নেতা কর্মীদের উল্লাসে সাধারণ বাংলাদেশীদের মান সম্মানের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা, সবার মনের মাঝেই একটা ভয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পরদিন নতুন করে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে রসালো খবর না বেড়িয়ে পরে | ইউরোপে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গ্রুপের কোন্দলের চমক লাগানো চেয়ার ছোড়াছুড়ির, মারামারি, হাতাহাতির ঘটনা আজ কাল ইউ টিউব ঘাটলেই চোখে পরে |

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , বিভিন্ন সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন আওয়ামী সমাবেশে আমারও যাওয়া আসা হয়েছে বটে তবে খুব যে একটা সুনাম কুড়াতে পেরেছি তা নয় কিন্তু, একবার ইউরোপেরই এক শহরে প্রধানমন্ত্রীর হোটেলের লবীতে লোকজন সমবেত হয়ে কিছুক্ষণ পর পর গাদা গাদা লোক হুরোহুরি করে একবার এদিক কি ওদিক দৌড়া দৌড়ীতে ব্যস্ত, বুঝতে পারলাম প্রধানমন্ত্রীর আসার সময়ে হয়ে গেছে আর তিনি এই পথ দিয়েই লিফটে করে হোটেলের কামরায় বিশ্রাম নিতে যাবেন, প্রিয় নেত্রীকে এক নজর দেখার ইচ্ছা কার না হয় বলুন, প্রধানমন্ত্রীর দেহ রক্ষীদের সাথে ধাক্কা ধাক্কি করে আমিও লাইন ধরে সবার মাঝে দাড়িয়ে গেলাম, যদিও খুব লজ্জা হচ্ছিলো কারণ ক্লান্ত প্রধানমন্ত্রী প্রবাসে সরকারী সফরে দিনের কার্যক্রম শেষে নিশ্চয়ই বিশ্রাম নিতে কামরায় যাবেন, আর আমি কিনা নীচে দাড়িয়ে এই ভিড়ের মাঝেই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে জয় বাংলা চিৎকারে আকাশ বাতাস মুখরিত করে হোটেলের অন্যান্য বাসিন্দাদের বিরক্তির কারণ হবো ? একি একি একি, হঠাৎ একজন প্রধানমন্ত্রী পায়ের কাছে একেবারেই শুয়ে পড়ে গড়াগড়ি দিচ্ছেন, আমি ভাবছি লোকটার হয়তো এপিল্যাপ্সীতে আক্রান্ত হলো কি না , ওহ নো , লোকটা আসলে একটা বিশেষ কায়দায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর পায়ে কদমবুসির জন্যে ঝাঁপিয়ে পড়লো | নিরাপত্তা রক্ষীদের প্রায় জ্ঞান হারাবার অবস্থা, ধরে বেধে লোকটাকে মেঝে থেকে টেনে হিচরে দাড় করানো হলো, পড়ে শুনেছি লোকটা নাকি ইউরোপের কোন একটা দেশের দীর্ঘ পনেরো বছর যাবত সভাপতি, আর একবার হল্যান্ডের হ্যাগ শহরে একজন নেতা হোটেলের লবীর সিঁড়ির উপর দাড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফেরার পথে আকাশ বাতাস কাপিয়ে চীৎকার করছে, আপা আমি সুইডেন, আপা আমি সুইডেন, এই যে আপা আমি সুইডেন, এই দিকে আপা, আমি সুইডেন, দেখেন আপা, আমি সুইডেন আপা , আমার তখন ইচ্ছে হচ্ছিলো হোটেলের লবীর মেঝেটা ফাঁক হয়ে যাক আর আমি সেখানেই লজ্জায় ঢুকে যাই |

পরদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী তার সফরের গুরুত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত হতে একটু আগে ভাগেই হোটেল লবীর পাশেই ডাইনিং হলে নাস্তা করেই চলে যাবেন, উপস্থিত প্রায় শখানেক প্রবাসী নেতাদের একজন আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে শ্লোগান দিয়ে বসলো “নেত্রী তুমি এগিয়ে চলো” প্রতি উত্তরে বিশাল আয়তনের হোটেলের লবীর ভেতরেই প্রায় শখানেক লোক চেঁচিয়ে উঠলো “আমরা আছি তোমার পাশে”, এভাবেই দুবার শ্লোগান দেবার পর পরই লবীর এক কোণে দেখতে পেলাম ভিনদেশী একজন বাবা আতংক গ্রস্থ তার তুই শিশু কন্যাকে বুকের মাঝে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছেন আর তাদের আতংক গ্রস্থ মা লিফটের দরজায় দাড়িয়ে পালাবার পথ খুঁজছেন, উনারা ধরেই নিয়েছেন হয়তো বাংলাদেশ আজ এই মুহূর্তে এই হোটেলের লবীর ভেতর স্বাধীনতা অর্জন করেছে, হোটেলের কর্মচারীরা যথা সম্ভব তাদের হোটেলের ভিনদেশী অতিথিদের সান্ত্বনা দেবার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, লজ্জায় আমার মাথা হেট্ হয়ে এলো |

২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে , শহরতলীর অদূরে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সুইডেন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নাগরিক সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে নতুন কিছু সহ সভাপতি দেখে আমার মাথা তো চরক গাছ , হঠাৎ এই নতুন কিছু সহ সভাপতি দেখে বুঝতে পারলাম উনারা বেশ মোটা অঙ্কের টাকার অনুদানে অনুষ্ঠানের প্রথম সারিতে বসে সেলফি তোলার সুযোগ নেবেন, তাদের মাঝে কয়েকজন নাকি সহসাই নতুন রেস্তোরা কিনছেন, অন্য একজন সহ সভাপতি তো বিভিন্ন দেশে ঘুরে ফিরে রঙে ঢংয়ে সেলফি দিয়েই বেড়াচ্ছেন, তিনি সুইমং গাউনকে স্লিপিং গাউন বানিয়ে হোটেলের তুলতুলে বিছানায় শুয়ে বসে ফেইসবুকে ছবি আপলোড দিয়ে হুলুস্থুলু কাণ্ড বাধিয়েছেন, আমার মেজাজটাও এমনিতেই খিট মিটে হয়ে গেল, একজনের জ্বালায় বাঁচি না আরও তিনজন হাজির | কেউ কেউ বলেন আমার বক্তব্য আর ভাষণ নাকি খুব উচ্চ মার্গীয়, নিজের এই সুনাম শুনে ইচ্ছে করছে বাবার কথাটা আসলে কতটাই মিথ্যে , আমার ইংরেজিতে রচনা পড়া শুনে কতবার যে বাবা আমার কান মলে দিয়েছেন তার হিসেব আমার জানা নাই | আজ বাবা বেচে থাকলে হয়তো আমার না, যারা আমার প্রশংসা করছেন নিশ্চিতভাবে তাদেরই কান মলে দিতেন, ঘটনাটা বলছি শুনুন, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ আয়োজিত বাংলাদেশ এন্ড জিরো টলারেন্স এবাউট টেরোরিজম নামে কি যেন এক সেমিনারে আয়োজকরা আমাকে আমন্ত্রণ জানায়, আর সেই সেমিনারে বক্তাদের ইংরেজি শুনে মনে হচ্ছিলো আমি শেক্সপিয়ারের রোমিও জুলিয়েট নাটকের নতুন ভার্সন শুনছি | বার বার মনে হচ্ছিলো এই মহা মার্গীয় পরিবেশে আমার কিইবা বলার আছে, সুশীল কুশিলের ভীরে আমার অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি | আজকে একজন ফোন করে জানালেন সুইডেনে প্রধানমন্ত্রী আসবেন তাই অন্য পক্ষের আয়োজকরা আমাকে তাদের পক্ষে যোগদান করার জন্যে একটা পদ খালি রেখেছেন, চাইলেই পদ নিয়ে কাজে নেমে পড়তে পারি | জিজ্ঞাস করলাম – তা আপনি কোন পদে আছেন, তিনি জানালেন আপাতত তিনি অর্থমন্ত্রী, তবে সহসাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে যাবেন, কেন জিজ্ঞাস করতেই উত্তর দিলেন ইউরোপের সব দেশের রাজধানীর নামগুলো মুখস্থ হয়ে গেলেই অর্থমন্ত্রীর পদটাও খালি হবে চাইলে ওটাও নিতে পারি | প্রবাসে আওয়ামী লীগ রাজনীতির আংশিক রঙ্গিন বক্স অফিস হিট সিনেমার অংশ বিশেষ মানে ট্রেইলর শুনলাম |

প্রবাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হৈ হৈ কাণ্ড রই রই ব্যাপার প্রবাসী আওয়ামী পরিবারে একটা সাজ সাজ রব, ইউরোপের প্রায় প্রতিটি দেশেই আওয়ামী সংগঠনগুলোর মাঝে একটা সাজ সাজ রবের সূচনা ঘটছে, ছাত্র লীগ, যুব লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, এমনকি অনেক দেশেই লীগ নামের অনেক সংগঠনই প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মাস খানেক আগ থেকেই এই প্রস্তুতি শুরু করে দেয়, এখানে বলে রাখা ভালো যে আমার জানা মতে শুধু মাত্র ছাত্র লীগ ও যুব লীগের গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রবাসে তাদের শাখা, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন করার বিধান থাকে যা কিনা আওয়ামী লীগ সংগঠনের গঠনতন্ত্রে উল্লেখ্য করা নাই, তার মানে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের জাতিও নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী কোন রাজনৈতিক দলেরই তাদের গঠনতন্ত্র মোতাবেক প্রবাসে কোন শাখা সংগঠন থাকে না | কোন রাজনৈতিক দলের আদর্শ ও নীতি মেনে স্ব স্ব দেশের নিয়ম নীতি অনুসরণে প্রবাসে সংগঠন করতে কোনই বাধা থাকে না | সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ তদ্রূপ একটি সংগঠন যারা কিনা ইউরোপের অন্যান্য দেশের আওয়ামী লীগ সংগঠনগুলোর সমন্বয়কারী একটি সংগঠন,তাদের কাজ হচ্ছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগের সংগঠন গুলোর কার্যক্রম ও কর্মসূচীকে সঠিক নির্দেশনা দেয়া, সর্ব ইউরোপিয়ান বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যান যেন ইউরোপের প্রতিটি দেশেই একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে | বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নির্দিষ্ট কোন দেশের বা গঠনতন্ত্রের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়না, যতটুকু আমি বুঝতে পেরেছি এর একটা বিশেষ কারণ হচ্ছে যখন বাংলাদেশে দলের যে কোন ক্রান্তি লগ্নে প্রবাসে তথা ইউরোপের আওয়ামী পরিবার দলের স্বার্থে প্রবাসে তাদের কার্যক্রম সুচারু ভাবে এগিয়ে নিতে পারে, আওয়ামী পরিবেশ আজ শুধু দেশেই নয় বরং প্রবাসেও কাউয়া আর মুরগীর ভীরে আক্রান্ত | বিগত ৩৩ বছর সুইডেনের আওয়ামী পরিবার ও পরিবেশের সাথে জড়িত, ভাত টিপলেই বুঝতে পারি কোনটা কাউয়া আর কোনটা মুরগী, কিন্তু বোকা সেজে বসে থাকি | যাক এসব ইতিহাস অন্য একদিন করা যাবে | গত কিছুদিন আগেই ফ্রান্সের প্যারিসে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে, তার আগে গ্রীসের আয়্থেন্সে, সুইডেনের স্টকহোল্মে, ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে বলতে গেলে ইউরোপের প্রায় প্রীতিটি দেশেই আওয়ামী লীগ গ্রুপের হানাহানি গুলো মারামারির রূপ ধারণ করে | কে যে কথায় কখন আওয়ামী মুকুট পড়ে রাজা বাদশাহ সেজে বসেছেন বলা দায়, আবার কে যে কখন কার দ্বারা বহিষ্কৃত হচ্ছেন সেটাও বোঝা ভার |

আমার আজকের লেখায় ইউরোপের আওয়ামী পরিবারের কোন্দলের মাঝে এক পক্ষ খুশী হলেও অন্য পক্ষ অখুশি হবে, একদিন হয়তো আমাকেও দলীয় কোন্দলের মাঝে অপদস্থ করতে অনেকেই দ্বিধা করবে না,বিগত দিনে আমিও নিদারুণ ভাবে অপদস্থ হয়েছিও, সুইডেনের আওয়ামী লীগের একজন স্ব ঘোষিত রাজা জানতে চেয়েছেন আমি কবে থেকে আওয়ামী লীগ করি, আমার আওয়ামী লীগের কোন সার্টিফিকেট আছে কি না, আমিও কোন্দলের স্বীকার, ভাগাভাগি রেষারেষিতে আমি নিজেও একটা গ্রুপের সাথে জড়িয়ে গিয়ে শুনতে হয় মুক্তমনা হয়ে মুক্ত ভাবে লেখালেখি করতে গেলে নাকি আওয়ামী সংগঠন করা যাবে না, “লে হালুয়া তাহলে কি আমিও একজন আওয়ামী চিকা-বাজ হয়ে যাবো !” এও জানি কিছুদিন পর দল ও পদের স্বার্থে আমার অবস্থান প্রবাসী আওয়ামী পরিবেশে নিকৃষ্ট জায়গায় স্থান পাবে, কিন্তু হায় আমাকে যে সত্যটা জানাতেই হবে |

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রবাসে আসেন আবার আসবেন শতবার আসবেন, আমার অন্তর আত্মা আনন্দে উল্লাসিত হবে | বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েছেন এটা আমার গর্ব, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রধান হিসাবে শেখ হাসিনার কোনই বিকল্প নাই, কিন্তু প্রবাসে আওয়ামী দলীয় কোন্দলের মাঝে আমারা যেন ভুলে না যাই তিনি আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর মান সম্মান রক্ষা করা আমাদের নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব |
প্রবাসে যে কোন দেশে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নাগরিক বা গণ সম্বর্ধনার নামে দলীয় কোন্দল ও হানাহানি, প্রবাসে আওয়ামী প্রেমীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর আস্থা অনেকাংশেই ভাটা পরে, তাই আমাদের আশা সর্ব বিষয়ে বিবেচনা করেই এ ধরনের সমাবেশ আয়োজন করা উচিত অথবা স্থগিত করা | সুইডেনে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি সুইডেনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্যে হবে খুবই দুঃখজনক |
/// মাহবুব আরিফ কিন্তু

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কিন্তু
কিন্তু এর ছবি
Online
Last seen: 1 ঘন্টা 7 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 5:41অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর