নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মোগ্গালানা মাইকেল
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • সুবর্ণ জলের মাছ
  • দীব্বেন্দু দীপ

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

রক ক্রিকেটার রকি মামা


রকি মামার সাথে আমাদের খুব কম দিনের পরিচয়। মাত্র কয়েকদিন হলো এ পাড়ায় এসেছে। এই অল্প কদিনে পাড়ার সবার নজর কেড়েছে মামা। তাকে এখন সবাই ক্রিকেটমামা নামে চেনে। যদি আপনি কখনো আমাদের মোল্লাপাড়ার খোঁজে আসেন আর পথ খুঁজে না পান, তাহলে রকি মামার কথা বললেই মানুষজন রাস্তা চিনিয়ে দেবে। এমনই জনগণখ্যাত তিনি। অবশ্য তাকে দেখে এতো পটু ক্রিকেটার মনে হয়না। রোগা শরীরে কদমছাট ছোট ছোট চুল আর ঠোঁটের উপর দিয়ে চলে যাওয়া চিকন গোঁফ দেখে আমারও প্রথম প্রথম তাকে ক্রিকেটার ভাবতে অসুবিধে হয়েছিল। রকি মামা যে একজন রক ক্রিকেটার সেটা আমি আর মিঠু যখন শুক্রবারের ফাইনাল ম্যাচের প্রতিযোগিতায় স্কুল মাঠে খেলা দেখতে যাই তখন বুঝলাম। আমাদের মোল্লাপাড়া আর দক্ষিণের মতিহারপাড়ার মধ্যে খেলা হচ্ছিল। শুধুমাত্র শখের বশে খেলা নয়। আয়োজন করে অনুষ্ঠিত খেলা। বিজয়ী টিমকে পুরষ্কৃত করা হবে। সোনালি রঙের চকচকে ট্রফিটার দিকে তাকিয়ে আমার আর মিঠুরও লোভ হয়েছিল। কিন্তু আমাদের খেলায় নেবে কে! আমরা যে অনেক ছোট! দুপাড়ার প্রচুর লোক খেলা দেখতে এসেছিল সেদিন। রকি মামা নতুন অধিবাসী হয়েও যে কোন কায়দায় টিমে ঢুকে পড়লো কে জানে!

তো প্রথমে ব্যাট করতে নামলাম আমরা। মানে মোল্লাপাড়ার দল। আমি আর মিঠু লক্ষ্য করেছিলাম রকি মামা দলের ক্যাপ্টেন সাত্তার ভাইকে কি যেন বলছিলো খেলার শুরুতে। কি বলছিলো আমি আর মিঠু সেটা বুঝতে পারলাম যখন রকি মামা ওপেনিং করতে নামলো। সাত্তার ভাই আর রশিদ ভাইয়ের ওপেনিং করার কথা। ওরা দুজনই ভালো ব্যাটিং করে। কিন্তু রশিদ ভাইয়ের বদলে নামল রকি মামা। কে জানে কেমন খেলবে! এর অাগে কখনো তাকে খেলা তো দূরের কথা মাঠের আশেপাশেও ভিড়তে দেখিনি। ১০ ওভারের খেলায় ২ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রানের ইনিংস শেষ করলো আমাদের টিম। রকি মামা একাই ৮৮ রান করেছে। সবাই অনেক উল্লাসিত হলো আর বাহবা দিলো। ১২৬ রানের টার্গেট ৬০ বলে পূরণ করা মতিহারপাড়ার পক্ষে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আমরা কিছুটা আশাবাদী হলাম। বিরতির পর প্রতিদ্বন্দ্বী টিম খেলতে নেমে ১০ ওভাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রানে পৌঁছল। আমরা ২১ রানে জয় লাভ করলাম। রকি মামা হলো ম্যান অব দ্যা ম্যাচ। সবার আনন্দ উচ্ছ্বাস আর চিল্লাচিল্লির মধ্যে প্রধান অতিথি সাত্তার ভাইয়ের হাতে চকচকে সোনালি রঙের ট্রফিটা তুলে দিলেন। রকি মামা সহ পুরো টিম ট্রফি হাতে নিয়ে ভি চিহ্ন দেখালো আর একগাল হেসে ছবি তুললো। সবাই এই জয়ে আনন্দিত হলেও আমার কিছুটা সন্দেহ হতে লাগলো। রোগামতো এই লোকটাকে দেখে তো মনেই হয়না যে ক্রিকেট খেলতে পারে। তার ওপর আবার ওপেনিং এ নেমেই বাজিমাত! আমি মিঠুকে সাইডে ডেকে আমার সন্দেহের কথা বললাম কিন্তু মিঠু কোনো গুরুত্ব দিলোনা আমার কথায়। জয়ের খুশিতে সেও সামিল হয়েছে। অন্যকিছু মাথায় আনেনি। আমি মনে মনে ভাবলাম বিষয়টা কিন্তু ভেবে কোনো কুল কিনারা পেলাম না। রকি মামার সাথে আমার কিছুটা অন্তরঙ্গতা থাকলেও সবকিছু শেয়ার করার মতো এখনো ফ্রী হতে পারিনি। আমি মতলব করলাম, রকি মামার সাথে খাতির লাগিয়ে তার এতো ভালো খেলার রহস্যটা উদঘাটন করতে হবে। যাকে কোনোদিন ব্যাট হাতে নিতে দেখিনি সে কিনা আজকে দুর্দান্ত খেলা দেখিয়ে সবার মন জয় করে নিল!

একদিন আমি আর মিঠু গেছি পেয়ারা পাড়তে। রকি মামার পাশের মিন্টুদের বাড়ির উঠোনে টসটসে পেয়ারাগাছ। মিন্টুর মা খুব রাগী মহিলা। এর আগেরবার আমাদেরকে পেয়ারা পাড়তে দেখে বাসায় নালিশ দিয়েছিলো আর আমাদের অনেক ধমক দিয়েছিলো। অথচ আমাদের শিক্ষা হয়নি। লোভ যে আর সামলানো যায়না। আমি আর মিঠু সাহস করে গেলাম পেয়ারা গাছতলায়। চারদিকে একটু নজরদারি করে মিঠু গাছে উঠে পড়লো। আমার ভয় করছিলো। এই না মিন্টুর মা দেখে ফেলে আমাদের! কিন্তু ভয়ের চেয়ে বেশি লোভ ছিল পেয়ারার। মিঠু গাছের পাকা পাকা পেয়ারা পেড়ে নিচে ফেলছে আর আমি লুফে নিয়ে সব পকেটে পুরছি। এমন সময় আমার চোখ পড়লো বাম দিকে। মিন্টুদের বাড়ির পেছনের পেয়ারা গাছ থেকে বামে চোখ ফেরালেই রকি মামার ঘরের জানালা দেখতে পাওয়া যায়। হঠাৎ সেদিকে চোখ পড়ায় কি যেন দেখলাম মনে হলো। বিষয়টা যাচাই করে দেখতে হবে। রকি মামা কি যেন করছে বসে বসে! মিঠুকে বললাম নেমে আসতে। ও বললো, 'আরে কেবলতো কয়েকটা পেয়ারা পারলাম। আরো কটা পাড়ি তারপর নামবো।' আমি ওকে জোর দিয়ে বললাম, 'এক্ষুণি নেমে আয়। জরুরি কাজ আছে।' আমার তাড়াহুড়োতে মিঠু নেমে এল। আমি ওকে রকি মামার ঘটনাটা আবার বললাম আর জানালার কাছে গিয়ে চুপিচুপি মামা কি করছে তা দেখার কথা বললাম। মিঠু আবার বিরক্ত হলো। বললো, 'ধুর কি যে বলিস না! কি দরকার এসব করার। চল পেয়ারা খাই।' আমি ওকে প্রায় জোর করে টেনে আনলাম মামার জানালার কাছে। খুব সাবধানে দেখতে লাগলাম মামা কি করছে। খোলা জানালায় উঁকি মেরে দেখলাম মামা ব্যাটের ভেতর (কাঠের মধ্যে) থেকে কি যেন বের করছে! আমরা আরো কৌতূহল নিয়ে যেই দেখতে গেছি তখনি মামা আমাদের দেখে ফেললো। সর্বনাশ! এখন নিশ্চয়ই জুতোপেটা করবে আর আচ্ছামতো কেলাবে। আমি মিঠুকে বললাম, 'চল পালাই।' মিঠু কিছু বলার আগেই মামা এসে খপ করে আমাদের ধরে ফেললো। ঘরে নিয়ে গিয়ে রাগী রাগী কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলো, 'কি করছিলি ওখানে তোরা? কি দেখছিলি?' আমি ভয় পেয়ে মিঠুর দিকে তাকালাম। মিঠুও আমার দিকে তাকালো। তারপর ভয়ে ভয়ে মিঠু মামাকে বললো, 'কিছুনা রকি মামা। এমনি আরকি একটু পেয়ারা পাড়ছিলাম।' কিন্তু মামা আমাদের কৌতূহল বুঝতে পেরেছে। আমাদের আরো চাপ দিলো। বললো, 'পেয়ারা তো আগেই পেড়েছিস। কিন্তু একটু আগে আমার জানালার বাইরে কি করছিলি? বল তাড়াতাড়ি। যদি না বলিস তাহলে পেয়ারা চুরির কথা এলাকার সবাইকে বলে দেবো এমনকি মিন্টুর মাকেও।' মামা জানালা দিয়ে আমাদের চুপিচুপি পেয়ারা পাড়া দেখে ফেলেছে। এখন আর নিস্তার নেই। সবাইকে বলে দিলে তখন আবার কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। আমি মুখ চেপে ছিলাম। কিন্তু মিঠু ভয় পেয়ে গরগর করে মামার ভালো ব্যাটিং করা, আমার সন্দেহের কথা আর এর ভেতরে যে আমি রহস্যের গন্ধ পেয়েছি তার সব বলে দিলো মামাকে। মামা আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো, 'কি মনে করিস তুই? আমাকে দেখে কি তোর খেলোয়াড় মনে হয়না? কিসের রহস্য খুঁজছিস তুই?' আমি ভয় ভয় গলায় মেঝের দিকে তাকিয়ে বললাম, 'কিছুনা।' মামা আবার ধমক দিলো আমাকে। আমি চমকে গিয়ে ভোঁ-দৌড় দেই। মিঠুও আমার পিছু পিছু দৌড়িয়ে পালিয়ে আসে।

তারপর অনেকদিন হয়ে গেল। রকি মামাকে এলাকার আশেপাশে আর দেখিনা। ঘরে বসে থাকে মনে হয়। মিঠু আমাকে কয়েকবার পেয়ারা পাড়তে যাওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু মামার ধমকের ভয়ে আর যাইনি ওদিকে। সেদিনের ঘটনার পর থেকে আর ক্রিকেটও খেলতে দেখিনি মামাকে। এটা আমার কাছে আরো রহস্যজনক লাগে। একদিন মিঠুসহ দোকানের দিকে যাচ্ছিলাম লজেন্স কিনতে। মামাকে দেখলাম পাশের চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছে। ভয় পেয়ে আমরা মাথা নিচু করে হাঁটছিলাম। মামা আমাদের ডাক দিয়ে চা খেতে বসালো। আমার দিকে তাকিয়ে থেকে হাসলো কেন জানি। আমিতো আরো ভয় পেয়ে গেলাম। না জানি এবার কি বলবে! মামা বললো, 'ঐদিন আমি কেন এতো ভালো খেলেছিলাম জানতে চাস?'

আমি চুপ করে বসে থাকি। কিছু বলিনা। রকি মামা আমার ভয় কাটানোর জন্য আরেকটু জোরে হাসার চেষ্টা করে বললো, 'আমি আসলে একদম খেলতে পারিনা। সেদিন ভালো খেলার কারণ আছে।' আমি এবার একটু মনোযোগী হয়ে কানদুটো খাড়া করে মামার কথা ভালোভাবে শোনার চেষ্টা করি। মামা বলতে থাকে, 'আমাদের সেদিন জিতে যাওয়াটা জরুরী ছিলো। তোরা তো জানিস মতিহারপাড়ার প্লেয়াররা কতো এ্যাডভান্স। আমরা ওদের সাথে জিততে পারতাম না। এখানে আসার কয়েকদিন পর তোদের সাত্তার ভাই আমাকে সব বলেছে। শুনেছি তোরা নাকি টানা কয়েকটা ম্যাচে হেরেছিস। তবে টেনেটুনে ফাইনালে এসেছিস। তাই শেষ স্টেপটা আমিই নিলাম।' মিঠু জিজ্ঞেস করলো, 'কি স্টেপ নিলে মামা?' রকি মামা আবার বলতে শুরু করলো, 'গত কয়েকবছরে আমাদের এলাকা একবারও ট্রফি জেতেনি। আর মতিহারপাড়ায় আমাদের চেয়ে অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড় আছে যারা দাপুটে খেলা খেলে এর আগে বহুবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর এবারেও অনায়াসে ট্রফিটা হাতিয়ে নিতে পারতো। কিন্তু আমাদেরও তো একবার জেতা দরকার, নয় কি? নাহলে তো মানসম্মান থাকে না।' আমি ভয় কাটিয়ে বললাম, 'হ্যাঁ একদম ঠিক।' মামা বলতে লাগলো, 'এবারে ভাগ্যক্রমে আম্পিয়ারটা আমাদের এলাকার ছিলো। এবারে একটু দুনম্বরি করেছি। যার কারণে জিততে পেরেছি।' মিঠু বললো, 'পুরোটা খুলে বলো তো মামা।' মামা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলতে লাগলো, 'খেলার বল আম্পিয়ার ঠিক করে দেয়, জানিস তো?' আমি বিষয়টা জানি। টিভিতে অনেক খেলা দেখেছি। প্রতিটি খেলায় আম্পিয়ার বল নির্বাচন করে দেয়। তাই বললাম, 'হ্যাঁ জানি।' মামা তারপর বললো, 'আম্পিয়ার সেদিন আমাদেরকে সাহায্য করেছে। আমরা যেই বলটি দিয়ে খেলি সেটি আমার বানানো। তোরা নিশ্চয়ই পাঠ্যবইয়ে পড়েছিস যে চুম্বকের সমমেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। তো আমি দুটো বড় চুম্বকের একটা চুম্বক আমার ব্যাটের কাঠ কেটে তার ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম আর আরেকটা চুম্বক বলের চামড়া কেটে সেটার চারপাশে বসিয়েছিলাম।

অর্থাৎ যেভাবেই বল করা হোক না কেন বলের একই মেরু ব্যাটের সামনে এসে পড়বে। সমমেরু বিকর্ষণ করায় অল্প বাড়ি লাগাতেই চার আর ছয়! আর প্রতিপক্ষ টিম খেলেছে সাধারণ ব্যাট বল দিয়ে। তোদের ধারণা ঠিক। আমি আসলে খেলতে পারিনা তেমন একটা। সব চুম্বকের কামাল' বলা শেষ করে রকি মামা আবার চায়ে চুমুক দেয়। আমি এবার বলি, 'কিন্তু সেদিন কি করছিলে মামা? জানালা দিয়ে যে দেখলাম!' মামা বললো, 'ব্যাট থেকে চুম্বকটা বের করছিলাম। এরপর থেকে খেললে দুনম্বরি করে খেলা যাবেনা। নিজেদের প্রাকটিস করে খেলার উপযোগী করতে হবে। দুনম্বরি করা একদম ঠিক না।' আমরা বিষয়টা পুরোপুরি বুঝতে পেরে খুশি হলাম আবার চিন্তিতও হলাম। ভাবলাম যে, এরপর থেকে এভাবেই জেতা যাবে। কিন্তু পরক্ষণে ভাবলাম যে, এমন করা ঠিক নয়। দুনম্বরি করে জিতলে আসল আনন্দটা পাওয়া যায় না। মামা আমাদের এরকম কখনো করতে নিষেধ করলো। আমাদের বিস্কিট আর চা খাওয়ালো। আর বুঝিয়ে বললো যে, এলাকার স্বার্থে দুনম্বরি করতে হয়েছে তখন। সেটা করা যে ঠিক হয়নি তা যেন আমরা মাথায় রাখি। আমরাও ভাবলাম ব্যাপারটা, দুনম্বরি করে জেতার চেয়ে পরিশ্রম করে নিজেদেরকে দক্ষ করে তুলে জেতার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ পাওয়া যায়।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সাদিক আল আমিন
সাদিক আল আমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 4 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, মার্চ 28, 2017 - 6:21অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর