নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • মৃত কালপুরুষ

নতুন যাত্রী

  • মিঠুন সিকদার শুভম
  • এম এম এইচ ভূঁইয়া
  • খাঁচা বন্দি পাখি
  • প্রসেনজিৎ কোনার
  • পৃথিবীর নাগরিক
  • এস এম এইচ রহমান
  • শুভম সরকার
  • আব্রাহাম তামিম
  • মোঃ মনজুরুল ইসলাম
  • এলিজা আকবর

আপনি এখানে

প্রবাসের অখ্যাত গল্প-৬


উত্তর মেরুতে গ্রীষ্মের আমেজটা ফুরিয়ে আসতেই উত্তরের হওয়া সুইডেনের উপর দিয়ে এ বছর প্রবল তুষারপাতের আগাম জানান দিয়ে যাচ্ছে, গাছের পাতাগুলো তাদের রং বদলাতে শুরু করেছে, পৃথিবীটা যে কত রঙ্গিন হতে পারে তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করার উপায় নাই, হলুদ আর ধুসর লাল রঙের ছড়াছড়ি চতুর দিকে, এমন মনোরম শুভ্র সুন্দর প্রকৃতি সেই সাথে গ্রীষ্মকালীন সময়টা হুট করে বিদায় জানাচ্ছে।

মনের ভেতরে কেমন যেন একটা উদাস উদাস ভাব এসে জমা হতে থাকে, ঘরের এক কোনায় একটা সদ্য কেনা ব্যঙ্গথ উল্ফ্সনের স্টেরিওতে ক্যাসেটে গান চাপিয়ে দিয়ে নিজেকে এরিখ স্যাগেলের “লাভ স্টোরি” সিনেমার নায়ক ভাবতে ভালই লাগছে, সমার ওয়াইন ,, ওহ সমার ওয়াইন, স্ট্রবেরি.. গানটা ভেসে আসছে, আমি যেন নিজেকে ইউরোপের সকল সুন্দরের সাথে মিলিয়ে মিশিয়ে একাকার করে নিয়েছি, কিন্তু আনন্দ ঐ একটাই জীবনে প্রথম কবে তুষারপাত দেখতে পাবো, সেই আনন্দে কিঞ্চিত ভালোলাগাটা একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে | দিনের আলো ছোট হতে থাকে তবে এতটা অল্প সময়ের জন্যে সূর্য দেখা যাবে সেটা ভাবতে গেলেই ভয়ে জড়সড় হয়ে যাচ্ছি, বিশ্বাসী হতে চায় না যে শীতে কালটায় সূর্যটা দেখা গেলেও বড়জোর এক ঘণ্টা কি তারও কম সময়ের জন্যে আকাশে থাকবে | মনে মনে স্থির করে নিলাম আমার আবার ভয় কি দেশ থেকে বঙ্গ বাজার থেকেই তো একগাদা গরম কাপড় নিয়ে এসেছি “সো, নো চিন্তা ডু ফুর্তি” | বাইরে গেলেই শো শো করে বাতাসে কানের ভেতরটা কেমন যেন টুং টাং শব্দে ঘণ্টা বাজাতে শুরু করে, গলার ভেতর দিয়ে সাইবেরিয়া থেকে বাতাস হুসফাস করে ঢুকে যায় মোটা একটা মাফলার দিয়েও সে ঠাণ্ডা ঠেকানো যায় না, কিন্তু যাকে দেখার জন্যে এতো আগ্রহ নিয়ে বসে আছি সেই তুষার পাতের দেখা নাই, তবে যে দিকেই তাকাই না কেন স্বর্ণকেশী তুষার কন্যাদের দেখলেই মনের অজান্তেই ভাবতে থাকি মানুষ কেনইবা হুর পরীদের গল্প শোনায়, তারা তো সশরীরে সুইডেনের আকাশে, বাতাসে, নাচঘরে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর আমি যে কতবার রাধাদের ভীরে নিজেকে কৃষ্ণের সাথে তুলনা করেছি ভাবতে গেলেই কিঞ্চিৎ লজ্জা পাই | আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে মাঝে মাঝে শীতের পাখীদের চলে যাওয়াটা দেখে অনেক দুঃখে বহু বেদনায় অভিমানে অনুরাগে রবি ঠাকুরের রবীন্দ্র সংগীতটা কানে লাগানো ওয়াক ম্যানে’র হেড ফোনে মোটেই ভালো লাগছে না -“আহা আজই এ প্রভাতে কত ফুল ফোটে .. কত পাখী গায়, আহা আজই এ প্রভাতে”, মনে হচ্ছে এই প্রচণ্ড কনকনে ঠাণ্ডা আর সাইবেরিয়ার শনশন বাতাসে এদেশে কখনই ভোরের ফুল ফুটবে না, পাখীরা এদেশ থেকে তাদের তল্পিতল্পা প্যাকেট করে সুদূর আফ্রিকাতে পাড়ি জমাচ্ছে | গাছের পাতাগুলো রাস্তার উপর ঝরে পরে পুরো শহরটাকে যেন ছেয়ে ফেলেছে , গাছগুলো ঠিক ন্যাড়া মাথা হয়ে আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থেকে পরিহাস করছে | সকালে খুব তাড়াহুড়া করেই ঘুম থেকে উঠে ভাষা শেখার জন্যে ক্লাসের দিকে ছুটাতে হয়, দূর ছাই ভাষা শেখাটা যে এতটা কষ্টের তা জানা ছিলনা, মাঝে মাঝে মনে হয় ঐসব বিদঘুটে টেন্স এর নিয়ম কানুন গুলো পরদিনই মাথার ভেতরে গুলিয়ে ফেলছি, ভাগ্যিস ইংরেজিটা আয়ত্তে ছিল, তানা হলে তো চলতেই পারতাম না | লেখাপড়া যে কতটুকু হবে তার হিসেব কষে লাভ নেই, শুধু শুক্রবার আর শনিবার রাতটা কোনরকমে নাচ ঘরে ঢুকতে পারলেই মনে হয় জীবনের ষোলকলা পূর্ণ হয়েছে | রবিবারটা ক্লান্ত শরীরে লম্বা ঘুমে কাটিয়ে দেই | তিন বন্ধু মিলে রিঙ্কিবি নামে শহরতলী থেকে পাতাল ট্রেনে বিষ মিনিট দূরত্বে তিন রুমের একটি ছাত্রাবাসে ভাগাভাগি করে থাকি, প্রতি রাতেই সামান্য শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়, আমার তো অপেক্ষায় ঐ প্রথম তুষার পাত দেখা, মনের মাঝে নানা চিন্তা যদি খুব ভারী তুষার পরে আমার মাথার টুপি সে ভার সামাল দিতে পারবে তো, আচ্ছা তুষার শুনেছি তুলোর মত করে পড়তে থাকে তবে তা গায়ে পরলে কি হুট করেই কাপড় জমা সব ভিজে যাবে ? এইসব নানা চিন্তায় তুষারের অপেক্ষায় আমার দিন যেন ফুরাতেই চায় না, ঠাণ্ডার প্রকট বাড়তেই থাকে, কোন একটি গাছের একটি পাতাও দেখা যাচ্ছেনা , জঙ্গলে শুধু মাত্র এক্স্মাস গাছ গুলো ধুসর সবুজ রং নিয়ে দাড়িয়ে আছে আর বাকী সব গাছে পাতার বংশ খুঁজে পাওয়া ভার, এই পাতা বিহীন গাছগুলো যে ঠিক পরের গ্রীষ্মে আবার সবুজে সবুজে ছেয়ে যাবে তা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে | সূর্যটাকে মনে হয় খুবই কৃপণ আর খানিকটা সময় আকাশে থাকলে ক্ষতিটা কি ? এক ঘণ্টা নাগাদ আকাশে থেকেই চলে যাবার জন্যে এতো কিসের তাড়াহুড়া ? রাতের অন্ধকারে লাগুয়েজ ক্লাসে আসি ফিরে আসি আবার সেই রাতেই অথচ ক্লাস মাত্র চার ঘণ্টার, অবাক করার বিষয়ে বটে |
হঠাৎ খানিক দিনের আলো থাকা অবস্থায় দেখতে পেলাম ক্লাসের জানলায় তুলার মত তুষার প্রচণ্ড বাতাসের সাথে সাথে নীচের দিকে গড়াগড়ি দিয়ে ঝরে পরছে, জানালার গা ঘেঁষে তুষারগুলো নীচের দিকে পড়তে পড়তে পানি হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে | আমি বিস্ময়ে এ দৃশ্য দেখে নিজেকে সামাল দিতে না পেরে এক দৌড়ে ক্লাস থেকে উল্কার গতিতে বাইরে চলে এলাম, আমার এ ভাবে চলে আসাটা দেখেই শিক্ষক মশাই হো হো করে হেসে উঠলেন, আমাকে ঠেকায় কে, বাইরে কিছুক্ষণ আকাশের দিকে মুখ করে দাড়িয়ে থেকে অনুভব করলাম ক্ষুদ্র আলপিনের মত তুষার পাতের খোঁচাগুলো আমার গালে আছড়ে পরছে, বাতাসের গতিও সেই সাথে খুবই তীব্র | বেশিক্ষণ বাইরে একা দাড়িয়ে থাকতে হলো না , আমার এই ভাবে চলে আসাটা দেখে ক্লাসের অন্যান্য ভিনদেশী ছেলে মেয়েরাও হুরমুর করে বাইরে এসে হাজির, বুঝতে পারলাম এদের মাঝে অনেকেই জীবনে প্রথম বারের মত তুষারপাত দেখে আনন্দে আত্মহারা | শিক্ষক মশাই আমাদের পেছনে পেছনে এসে ঘোষণা দিলেন আজ আর ক্লাস হচ্ছে না, বছরের প্রথম তুষারপাতের জন্যে আজকে সবার ছুটি | বই পত্র গুলোকে ব্যাগের ভেতরে পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ে নিলাম পাছে ব্যাগ ভিজে গিয়ে বইপত্রগুলো আবার ভিজে না যায় | অস্বাভাবিক ঝরো হওয়ার সাথে তুষারপাত, রাস্তায় বের হয়েছি ঠিকই, কিন্তু সামনের দিকে কিছুই দেখতে পারছি না | কোন রকমে বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছে দেখতে পেলাম দু-একজনের হাতে ছাতা আছে ঠিকই কিন্তু কেউই এই তুষারপাতে ছাতা খোলেননি, প্রচণ্ড বাতাসের ধাক্কায় ছাতা উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুতে চলে যাবে, কারণ ছাতা আর হাতে থাকছে না | বাসায় এসে বুঝতে পারলাম আমার টুপি কাপড় কিছুই বিন্দু মাত্র ভেজা নেই কারণ গায়ে তুষার লেগেছে বটে তবে তা বাতাসের দাপটে উড়ে চলে যাচ্ছিলো | ঘণ্টা খানেক প্রচণ্ড শীতের কাঁপুনি নিয়ে প্রচুর ঘোরাঘুরি করে ঘরে এসে জানালা দিয়ে বাইরের জগতটাকে দেখে আবার ঘর থেকে বের হবার আগ্রহটা মাথা চারা দিয়ে উঠলো, বাতাসের বেগটা একটু কমেছে বটে তবে তুষারপাত হচ্ছে, পৃথিবীটা যেন মুহূর্তের মাঝে বরফের সাদা চাদরে ঢেকে গেছে সন্ধ্যের মত আলোতে পৃথিবীটা ধবধবে সাদা, সুটকেসের ভেতর থেকে বঙ্গ বাজার থেকে কিনে আনা একটা ভারী ওভার কোট গায়ে জড়িয়ে নিলাম, মাথায় পশুর পশম লাগানো একটা টুপি লাগিয়ে আয়নাতে দেখে নিজেকে শ্বেত ভাল্লুকের মত মনে হচ্ছিলো, তার উপর গলায় চার হাত লম্বা একটা মাফলার জড়াতেই নিজেকে একটা সাজানো গোছানো ক্রিসমাস ট্রি ও শ্বেত ভাল্লুকের মাঝামাঝি পর্যায়ের কিছু একটা লাগছে, বাইরে তাপমাত্রা প্রায় শূন্যের নীচে পাঁচের কাটায়, তখনও আমার জানা নাই যে আমি শূন্যের নীচে তিরিশ মাত্রার কাপড় পরেই বাইরে যাবার প্রস্তুতি নিয়েছি, মা আমাকে জোর করেই এই বিশাল আকৃতির একটা কম্বল মার্কা ওভার কোট যা কিনা হাঁটুর এক হাত নীচ পর্যন্ত ঝুলতে থাকে হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন, সব মায়েদেরই আশা, ছেলে যেন ঠাণ্ডার দেশে গিয়ে গরম থাকতে পারে সে রকম চিন্তা করেই এ ধরনের পোশাক ঘাড়ে চাপিয়ে দেন, ছেলের জন্যে মায়ের ভালোবাসার বিন্দু মাত্র ভুল ছিল না তবে যুগ আর পরিবেশের সাথে আমাকে দেখতে শ্বেত ভাল্লুকের মত মনে হবে সেটা হয়তো মা চিন্তা করার সুযোগ পাননি | নীচে কয়েন টেলিফোন থেকে আমার বান্ধবীকে ফোন করে জানিয়ে দিলাম আমি তৈরি, আজ অনেকক্ষণ বাইরে এই সাদা চাদরে ঢাকা শহরে তাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াবো | বেশ আনন্দের সাথে বান্ধবী আমার সাথে আজ বাইরে ঘুরে বেড়ানোর প্রস্তাবটা সানন্দে গ্রহণ করলো বটে তবে আমাকে দেখেই কেমন যেন একটু আঁতকে উঠলো, খুব সূক্ষ্ম ভাবেই আমাকে পর্যবেক্ষণ করার পর প্রশ্ন করলো আমার গায়ের এই ওভার কোটটা আমার দাদীমার কিনা ? আমি আমার দুঃখটাকে বুঝতে না দিয়ে প্রশ্ন করলাম- “তোমার কেন তা মনে হচ্ছে,” উত্তরে সে বুঝিয়ে দিল নিশ্চয়ই এই কোট টা তোমার দাদীমার, কারণ ছেলেদের কোট হলে বোতামের দিকটা থাকে গায়ের ডান দিকটায় আর মেয়েদেরটা থাকে বাঁ দিকে, আসলে এই বিষয়টা জীবনে এই প্রথম জানতে পারলাম, খুব দুষ্টামির ছলেই নিজের এই অজ্ঞতাকে ঢাকতে উত্তর দিলাম – “আসলে আমার দাদীমা তো সাইবেরিয়াতে থাকেন কোটাটা পৌঁছে দিতে হবে, তাই একবার পড়ে নিয়ে প্যাকেট করে পাঠিয়ে দেবো,” বলেই আমি জোরে হেসে দিলাম | গায়ে কাপড়, মাথায় ভাল্লুকের মত একখান টুপি যদিও ঠাণ্ডা বোধ করিনি তবে পায়ের গোড়ালি ভিজে গেছে সেই অনেক আগেই, এখন ঠাণ্ডায় জমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে, তুষার পাতের সময় যে পায়েও একজোড়া ভালো জুতা পড়তে হয় আমার মত বাংলাদেশী এক উল্লুকের সেটা জানার কথা না | কি আর করা বান্ধবীকে নিয়ে খুব বেশী আর ঘুরাঘুরি হলো না, বান্ধবী আমার পকেটের বেশ কিছু টাকা খরচ করতে বাধ্য করলো, নতুন কাপড় কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকান ঘুরতে হলো সারাটা দিন, কারণ আমার গায়ের কোন কাপড়ই যে পরিবেশ আর যুগের সাথে মানাচ্ছে না সেটা সে বুঝলেও আমার বুঝতে সময় লেগেছে অনেক দিন | এখনো মাঝে মাঝে ভাবি প্রবাসে একজন বন্ধু বা বান্ধবী থাকাটা কতটা উপকারের, আজ আমি কতই না আধুনিক, মনের মাঝে একটু হালকা আনন্দ হয় মাঝে মাঝে, আমি মনে হয় ইউরোপীয় হতে পেরেছি, কি জানি আবার মাঝে মাঝে কেউ কেউ পাগলও ভাবতে পারে | ক্ষতি কি, শুনেছি এই বয়সে একটু আধটু পাগলামি মেয়েদের মনে নাকি রোমাঞ্চ জাগায় | শীতকালের মাঝামাঝি সময়ে একটা এক সপ্তাহের জন্যে শীতকালীন স্পোর্ট ভ্যাকেশনের মানে শারীরিক উৎকর্ষতা বাড়াতে খেলাধুলার ছুটি দেয়া হয়, এ সময়টাতে ছেলে মেয়েরা সবাই এক সঙ্গে বরফ আচ্ছাদিত পাহাড়ে স্কিং করতে যায়, উঁচু পাহাড়ের চূড়া থেকে তীব্র গতিতে পায়ে কাঠের পাটাতন চাপিয়ে পাহাড়ের গা ঘেঁষে নীচের দিকে ছুটে চলে, বান্ধবী সব জোগাড় যন্ত্র করার পদক্ষেপ নিলো, এবারের এই শীতকালীন ছুটিতে মুরা শহরের অদূরে ইদ্রে নামক একটি স্কি করার জায়গাতে এক সপ্তাহের জন্যে বন্ধ বান্ধবরা মিলে একটা বাংলো ভাড়া নেয়া হবে, সকাল থকে রাত পর্যন্ত শুধু স্কিং করে বেড়াবো, শুনেছি এই আনন্দটা স্কেন্ডেনেভিয়াতে তাদের বহুল প্রচলিত একটি সংস্কৃতি | ইউরোপে এসে স্কিং করতে যাবনা এ যেন আমার জীবনের এক চরম ব্যর্থতা, আমি এই আমন্ত্রণে সাড়া দেব না, ততো হতেই পারে না | এখন সেই ছুটির জন্যে অপেক্ষা মাত্র |
--- মাহবুব আরিফ কিন্তু

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কিন্তু
কিন্তু এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 13 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 5:41অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর