নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 17 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শারমিন শামস্
  • বিজয়
  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • রাজিব আহমেদ
  • নীল কষ্ট
  • জেন রসি
  • সার্জিন শরীফ
  • মূর্খ চাষা

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

চাঙ্গা অর্থনীতি নতুন কলকারখানায়


শিল্প খাতে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে উত্তরের জেলা বগুড়া। গেল শতাব্দীর ষাটের দশকে ‘শিল্পনগরী’ হিসেবে খ্যাত বগুড়ায় মাঝে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলেও বর্তমানে নতুন নতুন কলকারখানা গড়ে উঠছে। অঞ্চলভিত্তিক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসারের পাশাপাশি জেলার প্রতিটি সড়ক-মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠছে বড় বড় কলকারখানা। প্রতি বছর অনেক নারী-পুরুষ যুক্ত হচ্ছে এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে। শুধু শহরেই নয়, শিল্পায়ন হচ্ছে গ্রামাঞ্চলেও। বিপুল অঙ্কের পুঁজি বিনিয়োগের কারণে জেলার অর্থনীতিও এখন বেশ চাঙ্গা। ২০০০ সালের পর থেকে গত প্রায় দেড় দশকে বগুড়ায় শিল্প খাতে অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে, যার সিংহভাগের জোগান এসেছে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে। এসব কলকারখানায় উৎপাদিত বেশ কিছু পণ্য বিদেশেও রফতানি হচ্ছে, যার পরিমাণ বছরে ৩৮ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ জেলায় কুটির শিল্প, মাইক্রো শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প, মাঝারি এবং বৃহৎ ধরনের মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮০৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অথচ ২০০৩ সালে বগুড়ায় মোট শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৮ হাজার ৬৮৩টি। সে হিসাবে এক দশকে জেলায় উল্লেখিত পাঁচ ধরনের মোট ৩৪ হাজার ১২৩টি নতুন কলকারখানা নির্মিত হয়েছে। তবে স্বাধীনতার আগে বগুড়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৫৪২টি। স্বাধীনতার পর এ জেলায় ২০০০ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি, ৫৬ শতাংশ শিল্প গড়ে উঠেছে। বগুড়া জেলায় গড়ে ওঠা মোট কলকারখানার মধ্যে ৭৮ শতাংশই কুটির শিল্প। এ জেলায় কুটির শিল্প রয়েছে ৮০ হাজার ৬৭২টি। এ ছাড়াও মাইক্রো শিল্প রয়েছে ২ হাজার ৬২২টি, ক্ষুদ্র শিল্পের সংখ্যা ১৯ হাজার ৩০৩টি, মাঝারি শিল্প ১৩০টি এবং বাদবাকি ৭৯টি বৃহৎ ধরনের শিল্প। বগুড়ায় গড়ে ওঠা মোট শিল্প-কলকারখানার মধ্যে ৬৫ শতাংশ বা ৬৬ হাজার ৯৯২টি প্রতিষ্ঠানই গড়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চলে। বাকি ৩৫ হাজার ৮১৪টি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে শহরে। গেল দেড় দশকে অর্থাৎ ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বগুড়ায় ব্যক্তি উদ্যোগে বড় যেসব শিল্প গড়ে উঠেছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জুট মিল, পেপার মিল, রাইস ব্রান অয়েল মিল, অটো রাইস মিল, অটো ব্রিকস, টাইলস কারখানা, ফ্লাওয়ার মিল, অয়েল মিল, ওষুধ কারখানা, সেচযন্ত্র প্রস্তুতকারক ফাউন্ড্রি ইন্ডাস্ট্রি, কলকারখানায় ব্যবহৃত যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেটাল ইন্ডাস্ট্রি। রয়েছে পোলট্র্রি খাতের ফিডমিল এবং স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজও। অঞ্চলভিত্তিক গড়ে ওঠা কুটির শিল্পের মধ্যে রয়েছে চিকন সেমাই ও লাচ্ছা সেমাই কারখানা, দইয়ের কারখানা, নাইলনের ব্যাগের কারখানা, সিমেন্টের খুঁটি ও কাচের শিশি তৈরির কারখানা, সোয়েটার কারখানা, রিকশার পার্টস সংযোজন কারখানা, প্লাস্টিকের খেলনা তৈরির কারখানা, হ্যাচারি, মুরগির খামার, ছাপাখানা, ব্রেড ও বিস্কুট ফ্যাক্টরি, মাদুর শিল্প, টুপি শিল্প ও তাঁত শিল্প। এসবের পাশাপাশি শহরে নির্মিত হয়েছে তারকা খচিত একাধিক হোটেল-মোটেল এবং গড়ে উঠেছে একাধিক আবাসন প্রতিষ্ঠান। এভাবে যদি দেশের প্রতিটি জেলায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠত, তাহলে দেশে আরও এগিয়ে যেত।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 8 ঘন্টা 50 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর