নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 17 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নুর নবী দুলাল
  • শারমিন শামস্
  • বিজয়
  • আল আমিন হোসেন মৃধা
  • পৃথু স্যন্যাল
  • রাজিব আহমেদ
  • নীল কষ্ট
  • জেন রসি
  • সার্জিন শরীফ
  • মূর্খ চাষা

নতুন যাত্রী

  • গোলাম মাহিন দীপ
  • দ্য কানাবাবু
  • মাসুদ রুমেল
  • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
  • আনফরম লরেন্স
  • একটা মানুষ
  • সবুজ শেখ
  • রাজদীপ চক্রবর্তী
  • নাজমুল-শ্রাবণ
  • চিন্ময় ভট্টাচার্য

আপনি এখানে

মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য মূল্যায়ন ব্যবস্থায় পরিবর্তন


এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে গতকাল। ১০ বোর্ডে এবার পাসের হার ৮০.৩৫ শতাংশ। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১.২১ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে। শুধু পাসের হার নয়, শতভাগ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও এবার বেড়েছে। কমেছে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার দেশের ৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাসই করতে পারেনি। গত বছর ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। আবার শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৫২টি বাড়লেও শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে দুই হাজার ৪৬৮টি। গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় চার হাজার ৭৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। এবার দুই হাজার ২৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার কম হলেও এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। অতীত থেকে শিক্ষাকে আরো মানসম্পন্ন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়েই মূল্যায়নব্যবস্থায় পরিবর্তন আনাসহ একটি বিশেষ মান বজায় রাখারও চেষ্টা হয়েছে। খাতা মূল্যায়নে তিন বছর ধরে কাজ করা হচ্ছে। এবার নতুন পদ্ধতিতে খাতার যথার্থ মূল্যায়ন হয়েছে বলে ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফলে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। তবে সার্বিক বিবেচনায় পাসের হার ও জিপিএ ৫ প্রাপ্তির সংখ্যা হিসাব করলে যে ফল হয়েছে, তা খুব একটা হতাশাজনক নয়। তবে আমরা চাই এমন মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা, যেখানে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হবে। সবাই মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ পাবে। দেখা যায়, পরীক্ষার আগেই অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যায়। অনেকের মধ্যে পরীক্ষাভীতি কাজ করে। এই ভীতি দূর করার জন্য কাজ করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আনন্দদায়ক হলে শিক্ষার্থীদের কাছে যেকোনো বিষয় সহজতর হয়ে উঠবে। সেই সাথে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। সেই শিক্ষক চাই, যিনি শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে যত্নবান হবেন, নিজের পেশার প্রতি নিষ্ঠা বজায় রেখে কাজ করবেন। দায়সারাভাবে পরীক্ষার খাতা দেখা কিংবা পাঠদান নয়, বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার মতো শিক্ষক তৈরি না হলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের দুর্বলতা থেকেই যাবে। সে কারণে শিক্ষকদের মান বাড়াতে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও মফস্বলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। দেশের ৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী এবার কেন উত্তীর্ণ হতে পারেনি তার কারণ খুঁজে বের করে যথাযথ ব্যবস্থা নিলে ভবিষ্যতে সব প্রতিষ্ঠান আশাব্যঞ্জক ফল উপহার দিতে পারবে।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 8 ঘন্টা 50 min ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর