নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • জহিরুল ইসলাম
  • নুর নবী দুলাল
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • ড. লজিক্যাল বাঙালি
  • রুদ্র মাহমুদ
  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • রাজিব আহমেদ
  • তায়্যিব
  • রুবেল হোসাইন

নতুন যাত্রী

  • নবীন পাঠক
  • রকিব রাজন
  • রুবেল হোসাইন
  • অলি জালেম
  • চিন্ময় ইবনে খালিদ
  • সুস্মিত আবদুল্লাহ
  • দীপ্ত অধিকারী
  • সৈকত সমুদ্র
  • বেলাল ভুট্টো
  • তানভীর আহমেদ মিরাজ

আপনি এখানে

অব্যাহত সকল সাহায্য ও সহযোগিতা


দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। হাওড়ের ফসলের ক্ষতি হয়েছে, কিন্তু তাতে দেশের খাদ্যের ওপর প্রভাব পড়বে না। সরকার বিনামূল্যে যে খাদ্য বিতরণ চালু করেছে সেটা অব্যাহত থাকবে ততদিন পর্যন্ত, যতদিন না এখানে আকাল দূর হচ্ছে। প্রয়োজনে ভিজিএফের সংখ্যা বাড়িয়ে দিবে সরকার। ভিজিএফ, ভিজিডি, ওএমএস, ১০ টাকা কেজির খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বাড়ানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বন্যাদুর্গত হাওড়বাসীর চরম এই দুঃসময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছে সরকার। অকাল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওড় এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য যা যা করা লাগে সবই করছে সরকার। বন্যায় ফসলহানির সুযোগ নিয়ে কেউ যদি দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাওড়ের বোরো ফসল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ নির্মাণে সকল সহায়তা করছে সরকার। এছাড়া কৃষকদের বেসরকারী সংস্থাগুলোর (এনজিও)যেন ঋণের টাকা আদায়ে কৃষকদের ওপর চাপ না দেয়। আপাতত কিস্তি আদায় স্থগিত করে সুদ মওকুফেরও ব্যবস্থা নিচ্ছেন সরকার।দেশে বর্তমানে খাদ্যের কোন ঘাটতি নেই এবং হাওড় এলাকা থেকে দেশের খাদ্য চাহিদার একটি স্বল্প অংশই পূরণ হতো। কাজেই খাদ্যশস্যের সরবরাহ কমতির অজুহাতে কোনভাবেই খাদ্যের দাম বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। এছাড়া সরকার দূর্গত প্রত্যেক পরিবারকে মাসে ৫শ’ টাকা করে প্রদান এবং সার, বীজ, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে প্রদানের সকল পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। হাওড়ের বন্যাকবলিত এলাকায় বিতরণের জন্য তিন হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ২০ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনসহ সকল মহল নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছে। কাজেই খাদ্য সরবরাহ এবং দুর্গত জনগণের সাহায্যের বিষয়ে সংশয়ের কোন অবকাশ নেই। বন্যার পানি দূর হয়ে নতুন ফসল ওঠার আগ পর্যন্ত কৃষিঋণের টাকা ফেরত দেয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং এর প্রদেয় সুদের টাকাও অর্ধেক করে দেয়া হবে। ত্রাণ বিতরণ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন সরকার। এসব এলাকায় ত্রাণ বিতরণের জন্য ৫৮৭টি ত্রাণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪ হাজার ২২৪ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ২ কোটি ২৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা মানবিক সাহায্য হিসেবে দুর্গতদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভিজিএফ কর্মসূচীও চালু করা হয়েছে। এভাবে দেশের সকল বন্যা দুর্গতদের মধ্যে সাহায্য ও সহযোগিতা দিচ্ছে সরকার।

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

নিরব
নিরব এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: রবিবার, অক্টোবর 23, 2016 - 6:13অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর